খুঁজুন
বুধবার, ১৫ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে এই সরকারের আমলে চুক্তি হচ্ছে না: আশিক চৌধুরী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ণ
ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে এই সরকারের আমলে চুক্তি হচ্ছে না: আশিক চৌধুরী

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনএমসিটি) প্রকল্পের বিষয়ে ডিপি ওয়ার্ল্ড খসড়া কনসেশন চুক্তি (ড্রাফট কনসেশন অ্যাগ্রিমেন্ট) পর্যালোচনার জন্য আরও সময় চেয়েছে বলে জানান বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।

তিনি বলেন, বর্তমান সময়সূচিতে হাতে রয়েছে মাত্র দুই কার্যদিবস। এ অবস্থায় আলোচনাটি আসন্ন নির্বাচন পেরিয়ে পরবর্তী সরকারের সময়েও চলতে পারে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, চলমান আলোচনার অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছে বৈশ্বিক বন্দর অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ড। প্রতিষ্ঠানটি আলোচনার বর্তমান ধারাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। অংশীদারিত্ব সঠিক পথেই এগোবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

আশিক মাহমুদ বলেন, এনএমসিটি প্রকল্পটি সরকার টু সরকার (জিটুজি) কাঠামোর আওতায় বাস্তবায়িত হচ্ছে, যা দুই দেশের সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) থেকে উদ্ভূত। এই প্রকল্পভিত্তিক অংশীদারিত্বে প্রধান সংশ্লিষ্ট সংস্থা হলো চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (সিপিএ) ও ডিপি ওয়ার্ল্ড।

পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষ আলোচনাকে সহজ ও কার্যকর করতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকলেও তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী নয়— এ কথা উল্লেখ করে আশিক চৌধুরী বলেন, চুক্তি সম্পাদনকারী কর্তৃপক্ষকে পুরো প্রক্রিয়ায় সহায়তা করাই তাদের ভূমিকা।

তিনি আরও জানান, ২০১৯ সালে শুরু হওয়া এনএমসিটি প্রকল্পটি গত এক মাসে আলোচনার একটি চূড়ান্ত ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপে প্রবেশ করেছে। সরকারের বিভিন্ন স্তরে বর্তমানে এসব আলোচনা চলমান রয়েছে, যাতে সফলভাবে প্রকল্পটি চূড়ান্ত করা যায়।

আশিক চৌধুরী বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণ এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য বাংলাদেশের বন্দর সক্ষমতা ও অবকাঠামোর উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, বন্দর উন্নয়নের মতো জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে রাজনৈতিক ঐকমত্য থাকা প্রয়োজন। কিন্তু বাস্তবে অনেক সময় কেবল বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করা হয়, যা দেশের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করে।

আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ অগ্রগতি দেখা যাবে— এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ সরকারগুলো বিদ্যমান প্রকল্প পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে বলে তিনি আশাবাদী।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

Feb2

কর্ণফুলি টানেলকে কার্যকর করতে পণ্যবাহী যাতায়াত বাড়ানো প্রয়োজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
কর্ণফুলি টানেলকে কার্যকর করতে পণ্যবাহী যাতায়াত বাড়ানো প্রয়োজন

কর্ণফুলি টানেল দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। এই টানেলকে আরও কার্যকর করতে পণ্যবাহী যাতায়াত ও লজিস্টিক সুবিধা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন, সেতু বিভাগের সচিব এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত কর্ণফুলী টানেলের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সেতু সচিব।

তিনি টানেলের আয় বৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপনের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনের সময় কর্ণফুলী ড্রাই ডক লিমিটেডের জেটি সরেজমিনে দেখেন এবং পরে টানেলের টোল আয় বাড়াতে জেটির বহুমুখী ব্যবহারসহ রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

যাত্রাবাড়ী ও উত্তরায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৬২
দূষণকারীদের রেহাই নেই, গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে অবৈধ ইটভাটা
সেতু সচিব বলেন, কর্ণফুলী ড্রাই ডক জেটির সঙ্গে টানেলের সংযোগ ও সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে টানেলের ব্যবহারকারী বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় কোষাগারে রাজস্বের পরিমাণ বাড়ানো সম্ভব। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দ্রুত একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।

টানেলের দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব ও কাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উন্নত প্রযুক্তির হেলথ মনিটরিং ইকুইপমেন্ট স্থাপন করা হচ্ছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে টানেলের বায়ু চলাচল, ভূমিকম্পন সহনশীলতা এবং ফাটল বা ত্রুটি রিয়েল-টাইম ডাটার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। তিনি প্রকৌশলীদের বলেন, টানেলের নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণে কোনো ধরনের ত্রুটি কাম্য নয়। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্বের উন্নত দেশের মতো আমাদের এই মেগা প্রকল্পের সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এবং যথাযথ মান বজায় রেখে এই সংবেদনশীল যন্ত্রাংশ স্থাপনের কাজ শেষ করতে হবে।

পরিদর্শনে আরও উপস্থিত ছিলেন, কর্ণফুলী ড্রাই ডক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর রশিদ, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, কর্ণফুলী টানেল সাইট অফিসের কর্মকর্তারা এবং কর্ণফুলী ড্রাই ডক লিমিটেডের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

টাইমের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৯ অপরাহ্ণ
টাইমের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত সাময়িকী টাইম-এর বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নাম। বুধবার ২০২৬ সালের বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির ওই তালিকা প্রকাশ করেছে মার্কিন এ সাময়িকী। এতে ‘লিডারস’ ক্যাটাগরিতে ১৬তম অবস্থানে রয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

টাইমের এ বছরের বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় সবার শীর্ষে রয়েছেন খ্রিস্টান ধর্মের রোমান ক্যাথলিক শাখার সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপ লিও চতুর্দশ। এরপর লিডারস ক্যাটাগরির এই তালিকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে আছেন যথাক্রমে মেক্সিকোর মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শেইনবাউম ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। আর এরপরই চতুর্থ স্থানে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

লিডারস ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় বেছে নেওয়ার বিষয়ে টাইম ম্যাগাজিনের এডিটর অ্যাট-লার্জ ক্যাম্পবেল বলেছেন, মাত্র কয়েক মাস পেছনে ফিরে তাকালে দেখা যায়, তারেক রহমান দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনের গাছপালায় ঘেরা নিরিবিলি পরিবেশে চিন্তামুক্ত এক নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন। কিন্তু ২০২৪ সালে বাংলাদেশের স্বৈরাচারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন ৫৭ বছর বয়সী এই রাজনীতিককে বিরোধী দলের আন্দোলনকারী থেকে দেশের প্রতীক্ষিত এক জাতীয় নেতায় পরিণত করেছে; স্বদেশ থেকে দীর্ঘ ১৭ বছর দূরে থাকার পর গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের মধ্য দিয়ে তার সেই নিয়তি পূরণ হয়েছে।

টাইমে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে লেখা প্রোফাইলে বলা হয়েছে, নির্বাচনে জয়ের মধ্য দিয়ে তারেক রহমান তার মা খালেদা জিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করেন, যিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। তারেক রহমানের ঢাকা ফেরার মাত্র পাঁচ দিন পর মারা যান বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

গত জানুয়ারিতে ‘টাইম’ ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তারেক রহমান। সেই সময় তার মাকে হারানোর শোক ছিল একদম টাটকা। তবে তিনি এই শোককে সাড়ে ১৭ কোটি মানুষের দেশকে ঐক্যবদ্ধ ও দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিকে আবারও চাঙা করার কাজে ব্যবহারের অঙ্গীকার করেন। বাংলাদেশ বর্তমানে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও তরুণ বেকারত্বের সমস্যায় জর্জরিত এবং আঞ্চলিক পরাশক্তি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এ সবকিছুরই দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন।

টাইম লিখেছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘হানিমুন পিরিয়ড’ বা প্রাথমিক স্বস্তির সময়টুকু হয়তো অন্যদের তুলনায় সংক্ষিপ্ত হবে। কিন্তু অনেক বছর রাজনৈতিক নির্বাসনে থাকার পর তিনি আর বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। টাইম ম্যাগাজিনকে তারেক রহমান বলেছেন, ‘‘আমাদের একসাথে কাজ করা ও ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন; যাতে মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পায়।’’

উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২শ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ
উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২শ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ২শ’ কোটি (২ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার সহায়তা চেয়েছেন।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি (এজেডইসি) প্লাস অনলাইন সামিটে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি জরুরি পদক্ষেপ, ঐক্যবদ্ধ এবং দৃঢ় সিদ্ধান্ত গ্রহণের দাবি রাখে। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করা আমাদের সম্মিলিত এজেন্ডার শীর্ষে থাকা উচিত।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই আহ্বানে দ্রুত ও ইতিবাচক সাড়া দেওয়ারও অনুরোধ জানাই।’

চলমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, এই সংকট আমাদের পারস্পরিক নির্ভরতা ও দুর্বলতার বিষয়টি স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে। কোনো দেশ এককভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে না। আঞ্চলিক জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা এবং সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার সমস্যা সমাধানে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত ও দূরদর্শী পদক্ষেপ প্রয়োজন।

জ্বালানি সংকট বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর প্রভাব মোকাবিলায় সরকার বেশ কিছু স্বল্পমেয়াদী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে : সরকারি অফিস ও বাজারের সময়সূচি পরিবর্তনের মাধ্যমে চাহিদা ব্যবস্থাপনা; জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি আমদানি বৃদ্ধি ও বিকল্প উৎসের মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং ভোক্তা নিয়ন্ত্রণে জ্বালানি রেশনিং ও খুচরা বিক্রয়ে সীমা নির্ধারণ। এছাড়া মজুতদারি ও আতঙ্কজনিত কেনাকাটা রোধে ‘ফুয়েল অ্যাপ’-এর মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এই সংকটের মাত্রা ও পরিণতি ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে, যা ১৯৮০ এর দশকের উন্নয়ন কার্যক্রম স্থবির করে দিয়েছিল।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। তবে বর্তমান সংকট সেই অর্জনকে পিছিয়ে দেওয়ার বাস্তব ঝুঁকি তৈরি করেছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ একা এমন সংকটে পড়েনি; তাই একক প্রচেষ্টায় এটি মোকাবিলা করা সম্ভব না। চলমান জ্বালানি সংকটের প্রভাব নিয়ন্ত্রণে বিশেষ করে স্বল্পোন্নত দেশসহ ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে এর ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিপর্যয় থেকে সুরক্ষায় একটি দৃঢ় ও সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ প্রয়োজন।

তারেক রহমান সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ এ সম্মেলন আয়োজনের জন্য জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিকে ধন্যবাদ জানান।

ভার্চুয়ালি আয়োজিত এই সম্মেলনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমসহ জাপান, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও পূর্ব তিমুরের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা অংশ নেন। সমাপনী বক্তব্য রাখেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুপুরের পর সংসদ ভবন থেকে সম্মেলনে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা এম হুমায়ুন কবির সেখানে উপস্থিত ছিলেন।