খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পদত্যাগের ঘোষণা ঢাবি উপাচার্যের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:১৬ অপরাহ্ণ
পদত্যাগের ঘোষণা ঢাবি উপাচার্যের

উপাচার্যের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান। এ সংক্রান্ত একটি আবেদন রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের কাছে জমা দেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান উপাচার্য।

অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান জানান, ২০২৪ সালের আগস্টের শেষদিকে এক ক্রান্তিকালীন পরিস্থিতিতে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম স্থগিত ছিল, ফলাফল প্রকাশ ঝুলে ছিল এবং প্রশাসনিক কাঠামো বিপর্যস্ত অবস্থায় ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়কে স্থিতিশীল ধারায় ফিরিয়ে আনা ছিল তার প্রধান লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয় এখন স্বাভাবিক ধারায় ফিরে এসেছে এবং একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এ অর্জন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।’

উপাচার্য জানান, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক ধারায় ফিরছে এবং একটি নিয়মিত রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব নেবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে নতুন সরকার যেন তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রশাসনিক কাঠামো গঠন করতে পারে, সে সুযোগ দিতে তিনি ডেপুটেশন থেকে অব্যাহতি চেয়ে মূল পদে—শিক্ষা ও অনুদান বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে—ফিরে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

তবে ধারাবাহিকতার স্বার্থে সরকার বা সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা চাইলে কিছু সময় দায়িত্বে থাকতে প্রস্তুত আছেন বলেও জানান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মুথ ট্রানজিশন ও প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখাকেই তিনি এখন প্রধান বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক কয়েকটি অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পুনরুদ্ধার হয়েছে। রাষ্ট্রীয় ও সংসদীয় কাঠামো কার্যকর হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।’

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও র‌্যাংকিংয়ে উন্নতির কথাও উল্লেখ করেন উপাচার্য। টাইমস হায়ার অ্যাডুকেশন র‌্যাংকিংয়ে অগ্রগতি হয়েছে বলে জানান তিনি। বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গবেষণা ও প্রকাশনার হার বেড়েছে এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে।

অবকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রেও বড় অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ ২ হাজার ৮৪১ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে বলে জানান উপাচার্য। আবাসন, একাডেমিক ভবন ও গবেষণা তহবিলের উন্নয়নে এ প্রকল্পের সুফল আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে দৃশ্যমান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতাও ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে আলোচনা হয়েছে এবং তারা সহযোগিতা করেছেন। গত ১১ মাসের প্রস্তুতি ও পরবর্তী সময়—বিশেষ করে ডাকসু নির্বাচনসহ সংবেদনশীল পর্বগুলো—বড় কোনো সংঘর্ষ বা রক্তপাত ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সাংবাদিকদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে মন্তব্য করেন উপাচার্য। দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারানো এক সাংবাদিকের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান তিনি। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তার সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ব্যক্তিগত বিবেচনা থেকে নেওয়া, এটি কোনো রাজনৈতিক বিরূপতার ফল নয়। যে মানদণ্ড সামনে রেখে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন, তার বিবেচনায় সেই লক্ষ্য একটি পর্যায়ে অর্জিত হয়েছে।

উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা যেন ব্যক্তিনির্ভর না হয়ে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়—এটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকুক—এ প্রত্যাশাই ব্যক্ত করেন তিনি।

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।