খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিরোধের জেরে ইরাকে ধর্ষণচেষ্টা-হত্যা, প্রতিবেশী গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৮:৫৩ অপরাহ্ণ
বিরোধের জেরে ইরাকে ধর্ষণচেষ্টা-হত্যা, প্রতিবেশী গ্রেপ্তার

সীতাকুণ্ডের ইকোপার্কে আট বছরের শিশু জান্নাতুন নেসা ইরাকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামি তারই প্রতিবেশী বাবু শেখ। পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যায় সীতাকুণ্ড থানায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান। তিনি জানান, পার্কের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করার পর কুমিরা এলাকা থেকে মঙ্গলবার দুপুরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সুপার আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাবু শেখ ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ইরার বাবা রিকশাচালক মনির হোসেনের সঙ্গে তার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। নানা ইস্যুতে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হতো। এরই জেরে ইরাকে হত্যার পরিকল্পনা করে বাবু।

ঘটনার দিন সকালে চকলেট খাওয়ানো আর বেড়িয়ে নেওয়ার কথা বলে ইরাকে ইকোপার্কের ভেতরের পাহাড়ে নিয়ে যান বাবু। সেখানেই তিনি ইরাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় ইরা চিৎকার করে ‘বাবাকে বলে দেবে’ বলে জানালে তাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায় বাবু। পরে ইরাকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে চলে যায় সে।

পরে পাহাড় থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় নেমে আসা ইরাকে দেখতে পান পার্কে কর্মরত কিছু শ্রমিক। তারা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এরপর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুই দফা অস্ত্রোপচারের পর তার অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও মঙ্গলবার ভোরে সে মারা যায়।

হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় ইশারায় ইরা জানিয়েছিল, পূর্বপরিচিত এক ব্যক্তি তাকে ইকোপার্কে নিয়ে গিয়েছিল। এর ভিত্তিতেই তদন্ত এগোয়। ইরার মা রবিবার রাতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করলেও পরে গ্রেপ্তারের পর বাবু শেখকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…