খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

র‍্যাবকে শক্তিশালী করতে হচ্ছে নতুন আইন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
র‍্যাবকে শক্তিশালী করতে হচ্ছে নতুন আইন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জননিরাপত্তা রক্ষায় একটি এলিট ফোর্স লাগবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, একটা এডহক ভিত্তিতে র‍্যাব পরিচালিত হচ্ছে। এটা ঠিক নয়। তাই এখন র‍্যাবের জন্য আইন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আগামী দিনে সম্পূর্ণভাবে মানবাধিকারকে সমুন্নত রেখে একটি নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছি। যে আইনের অধীনে একটি এলিট ফোর্স হিসেবে একটা বাহিনী থাকবে। নতুন প্রত্যাশা অনুযায়ী জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

র‌্যাবের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সোমবার (১৮ মে) দুপুরে র‌্যাব সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে একথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আগামী দিনে সম্পূর্ণভাবে মানবাধিকারকে সমুন্নত রেখে আমরা একটি নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছি। যে আইনের অধীনে এলিট ফোর্স হিসেবে একটি বাহিনী থাকবে। আমরা র‍্যাবের নাম আবার রিনেম করবো কিনা বা অন্য নতুন এলিট ফোর্স আমরা রেইজ করবো কিনা সেটা এখনো চিন্তাভাবনার বিষয়, সরকার বিবেচনা করছে। তবে সব ক্ষেত্রেই ফোর্সের ক্ষেত্রেই আমরা জবাবদিহিতা এবং স্বচ্ছতা, ট্রান্সপারেন্সি এবং অ্যাকাউন্ট্যাবিলিটি আমরা এনশিওর করবো।

তিনি বলেন, অথরিটি থাকবে রেসপন্সিবিলিটি থাকবে। সঙ্গে সঙ্গে সেই বাহিনীর ট্রান্সপারেন্সি এবং অ্যাকাউন্ট্যাবিলিটি নিশ্চিত করা হবে, সেই একই আইনে। সেভাবে আমরা আগামীতে আইনের শাসন চেষ্টা করবো এবং জননিরাপত্তা জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী সেটা হবে ইনশাল্লাহ।

র‍্যাবের মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে র‍্যাবের বিরুদ্ধে আমেরিকার আমেরিকা একটি স্যাংশন দিয়েছে। তো সেই স্যাংশন উইথড্র করতে আপনাদের কোনো উদ্যোগ রয়েছে কিনা? জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা জানি যে র‍্যাবের কিছু কর্মকর্তার কারণে প্রতিষ্ঠান হিসেবে র‍্যাব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এমন কোনো প্রতিষ্ঠান ছিল না বিগত পতিত শাসন আমলে যে প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। সেটা পুলিশ, সেনাবাহিনী, র‍্যাব, বিজিবি সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রতিষ্ঠান হিসেবে।

‘কিন্তু আমাদের স্মরণ রাখতে হবে কয়েকজন কর্মকর্তার কর্মকাণ্ড পুরো প্রতিষ্ঠান দায় দায়িত্ব নিতে পারে না। আমরা এখন যার যার নিজস্ব আইনে সেই প্রতিষ্ঠানের আইনে সেই সব অফিসারদেরকে অ্যাকাউন্টেবল করার জন্য এবং বিচারের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য আমরা অলরেডি অনুশাসন দিয়েছি। কারণ প্রতিষ্ঠান দায়ী না। আইন আছে। প্রতিষ্ঠান কীভাবে চলবে কর্মকর্তারা কীভাবে সে আইন মেনে চলবে, পরিচালনা হবে। যদি কিছু সংখ্যক কর্মকর্তা কর্মচারী বিপথগ্রস্ত হয় বা বিপথে যায় তারা পার্সোনালি দায়ী, কোনো প্রতিষ্ঠান দায়ী না। আমরা সেই দৃষ্টিতেই দেখি। ঠিক আমেরিকা যে সময় র‍্যাবের উপরে স্যাংশন দিয়েছিল সেই সময় র‍্যাব এমন কিছু কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। সেই সময় ফ্যাসিবাদী সরকারের যারা দণ্ডমণ্ড ছিলেন শেখ হাসিনা তার রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে তাদের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য একদলীয় শাসন ব্যবস্থা এবং একদলীয় রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েমের জন্য যে উগ্রবাসনা তাদের ছিল সেটা কায়েমের জন্য। এভাবে অনেক প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করেছে। সেই কারণে র‌্যাবের উপরে যে স্যাংশনটা আমেরিকা ইমপোজ করেছে। সেটা এখনো বহাল। কিন্তু আমরা যদি এলিট ফোর্স হিসেবে একটা নতুন কোর্স রিনেম করি বা রেইজ করি সেখানে হয়তো তারা বিষয়টা পুনর্বিবেচনা করবেন বলে আশ করা যায় যে এখন অনেক কিছু বাকি আছে। দেখা যাক।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা একটা আইন ফ্রেম করার জন্য কমিটি করে দিয়েছি এবং সেই আইনটা আমি নিজে করবো এবং সেই আইনটা আমার সামনে এখনো আসেনি। আমি কিছু সময় দিয়েছি। সেখানে বিশ্লেষণ করার কাজ করছি। বর্তমানে র‍্যাব যে আইনি পরিচয় হচ্ছে সেটা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের একটা সার্ভিস প্রফেশনের উপরে দাঁড়িয়ে পরিচালিত হয়। এটা এডহক ভিত্তিতে চলেছে। একটা প্রতিষ্ঠান এভাবে এডহক ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়ার সুযোগ ছিল না। এখন আমরা সেটা আইন করবো আলাদা এনফোর্সের জন্য। সেখানে অথরিটি দেওয়া থাকবে। তাদের রেসপন্সিবিলিটি ফিক্সড করা থাকবে এবং সেই ক্ষেত্রে তাদের জবাবদিহিতা অ্যাকাউন্ট্যাবিলিটি এবং ট্রান্সপারেন্সি দেওয়া নিশ্চিত হবে। সেই হিসাবে আইনটা আসবে। এখনো ডিটেইলস বলার সময় আসেনি।

তিনি বলেন, এখন যেভাবে চলছে একটা ধারার অধীনে, সেটা তো আজকে না, সেটা আরো ১০/১২ বছর আগে থেকে হয়েছে এবং সেটা আমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আসার পরে দেখলাম যে, সেটা ঠিক না। একটা বাহিনী প্রতিষ্ঠা হয়েছে তার জন্য সুনির্দিষ্ট আইন থাকতে হবে এবং তাদের দায়িত্ব বণ্টন করা থাকবে, সেখানে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা থাকবে। সেই হিসাবেই অন্যান্য বাহিনী থাকবে। কিন্তু এই একটা নয়। তাই আমরা এখন সংশোধন করবো, নতুন প্রত্যাশা এবং প্রত্যাশা অনুযায়ী জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

Feb2

নেইমারকে নিয়েই ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৯:১৮ পূর্বাহ্ণ
নেইমারকে নিয়েই ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা

বিশ্বকাপে নেইমার থাকবেন কি থাকবেন না—গত কয়েক মাস ধরে ফুটবল দুনিয়ার অলিগলিতে এর চেয়ে বড় কোনো ‘সাসপেন্স’ সম্ভবত ছিল না। চোট, অস্ত্রোপচার, ফিটনেস ফিরে পাওয়ার লড়াই আর মাঠের বাইরের হাজারো গুঞ্জন পেরিয়ে অবশেষে যবনিকা নামল সেই নাটকের।

রিও ডি জেনিরোর ‘মিউজিয়াম অব টুমরো’তে আজ সংবাদ সম্মেলনে ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি যখন ২৬ জনের চূড়ান্ত তালিকা পড়লেন, সেখানে সবচেয়ে কাঙ্খিত নামটা তাঁরই ছিল। অবশেষে আনচেলত্তির কন্ঠে উচ্চারিত হলো সেই নাম—নেইমার জুনিয়র।

হ্যাঁ, নন্দিত এবং কখনো কখনো নিন্দিত এই মহাতারকাকে নিয়েই বিশ্বকাপে যাচ্ছে ব্রাজিল। দল ঘোষণার জমকালো অনুষ্ঠানে যখন ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের নাম উচ্চারণ করলেন আনচেলত্তি, করতালির গর্জনে মুখরিত হয়ে উঠল চারপাশ। মিলনায়তন জুড়ে বয়ে গেল আনন্দের সুনামি।

বার্সেলোনা ও পিএসজির সাবেক এই ফরোয়ার্ডকে দলের ডাকার আগে কোচ আনচেলত্তিও কম পরীক্ষা নেননি। ২০২৩ সালে উরুগুয়ের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে হাঁটুতে চোট পাওয়ার পর থেকে নেইমার ছিলেন জাতীয় দলের রাডারের বাইরে। চোট আর ফর্মহীনতার দোলাচলে গত মার্চে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচেও তাকে বাইরে রেখেছিলেন ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ড। তাঁর ফিটনেস নিয়ে কোচের মনে ছিল একরাশ সংশয়।

সৌদি আরবের চোটজর্জর অধ্যায় চুকিয়ে গত জানুয়ারিতে নেইমার ফিরে আসেন শৈশবের ক্লাব সান্তোসে। আর সেখানেই যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পান। চেনা আঙিনায় নিজেকে নতুন করে প্রমাণ করেই আদায় করে নিলেন আনচেলত্তির ‘ছাড়পত্র’। ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২২ বিশ্বকাপের পর এবার ক্যারিয়ারের চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা (১২৮ ম্যাচে ৭৯ গোল)।

আগামী ১৩ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে হেক্সা জয়ের মিশন শুরু করবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। গ্রুপ ‘সি’-তে ব্রাজিলের বাকি দুই প্রতিপক্ষ হাইতি ও স্কটল্যান্ড।

ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াড

গোলরক্ষক: আলিসন, এদেরসন ও ওয়েভারটন।

রক্ষণভাগ: অ্যালেক্স সান্দ্রো, ব্রেমার, দানিলো, ডি. সান্তোস, মাগালিয়ায়েস, ইবানিজ, লিও পেরেইরা, মার্কিনহোস ও ওয়েসলি।

মধ্যমাঠ: ব্রুনো গিমারায়েস, কাজেমিরো, দানিলো, ফাবিনহো ও পাকেতা।

আক্রমণভাগ: এন্দ্রিক, মার্তিনেল্লি, ইগর থিয়াগো, লুইজ হেনরিকে, মাথেউস কুনহা, নেইমার জুনিয়র, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনহা ও রায়ান।

যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদে ২ কিশোরের বন্দুক হামলা, হামলাকারীসহ নিহত ৫

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৮:৫২ পূর্বাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদে ২ কিশোরের বন্দুক হামলা, হামলাকারীসহ নিহত ৫

যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য ক্যালিফোর্নিয়ার স্যান ডিয়েগো শহরের একটি ইসলামিক সেন্টারের মসজিদে বন্দুক হামলা চালিয়েছে ২ জন কিশোর। তাদের গুলিতে ওই ইসলামিক সেন্টারের একজন নিরাপত্তাকর্মীসহ ৩ জন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন।

হামলাকারী ২ কিশোরের মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, তারা নিজেরাই নিজেদের বন্দুক দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

মেক্সিকোর সীমান্ত ঘেঁষা শহর স্যান ডিয়েগোর ইসলামিক সেন্টারটি মূলত একটি ইসলামি স্কুল। যে মসজিদে হামলা হয়েছে, সেটি ওই ইসলামি স্কুলের অংশ এবং স্যান ডিয়েগোর সবচেয়ে বড় মসজিদ।

গতকাল সোমাবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে ঘটেছে এই হামলা। সে সময় স্কুলটিতে ক্লাস ও অন্যান্য নিয়মিত কার্যক্রম চলছিল। হামলায় স্কুলের কোনো শিশু হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

স্যান ডিয়েগোর শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা স্কট ওয়াল রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ঠিক কী কারণে এই হামলা ঘটল— সে সম্পর্কে এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মুসলিমদের প্রতি ঘৃণাপূর্ণ মনোভাবই এ হামলার কারণ।

হামলার কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তকাজ চালানোর জন্য মার্কিন তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের সহযোগিতাও চাওয়া হয়েছে।

ইসলামিক সেন্টারের যে ৩ জন নিহত হয়েছেন, তারা সবাই মসজিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। মসজিদ থেকে খানিকটা দূরে একটি গাড়ি থেকে হামলাকারী ২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের এক জনের বয়স ১৭, আরেক জনের ১৯। এক সংবাদ সম্মেলনে স্কট ওয়াল এ প্রসঙ্গে বলেন, “প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে আমাদের ধারণা, হামলার পর নিজেদের বন্দুকের গুলিতে আত্মহত্যা করেছে তারা।”

আর কয়েক দিন পরেই ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব ঈদুল আজহা। তার আগেই ঘটল এই হামলা।

স্যান ডিয়েগোর সেই মসজিদের ইমাম তাহা হাসান রয়টার্সকে বলেন, “আমরা এর আগে কখনও এ ধরনের ট্র্যাজেডির মধ্যে দিয়ে যাইনি। উপাসনালয়কে লক্ষ্যবস্তু করা খুবই ভয়ানক একটি ব্যাপার।”

সংসদে কার্যকর ভূমিকা রাখতে নারী এমপিদের প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
সংসদে কার্যকর ভূমিকা রাখতে নারী এমপিদের প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সংরক্ষিত আসনের বিএনপি দলীয় নারী সংসদ সদস্যদের প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

সোমবার বিকেলে এক সভায় দলের নবনির্বাচিত নারী সংসদ সদস্যদের প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন। বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং জানায়, সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একজন সংসদ সদস্য হিসেবে নিজেদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে তথ্যসমৃদ্ধ হতে হবে। জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে।

জাতীয় সংসদে বক্তব্য রাখার ক্ষেত্রে নারী এমপিদের সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে কেউ যাতে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে না পারে সেজন্য সংসদ সদস্যদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এমনকি নিজ নিজ এলাকায় জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপও করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৭ বছর জনগণ এক ধরনের মানসিক যন্ত্রণায় ছিল। মানুষ কথা বলতে পারেনি। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর মানুষ সব ধরনের গণতান্ত্রিক অধিকার ভোগ করছেন।

সভায় জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্যদের কর্মপদ্ধতি, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নারী সংসদ সদস্যরা তাদের অভিমত ব্যক্ত করেন।

সভায় বিএনপি দলীয় ৩৬ জন নারী সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ১৭ জন সংসদ সদস্য বক্তব্য রাখেন।

সভা শেষে নারী সংসদ সদস্য আরিফা সুলতানা রুমা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শুরুর আগে সংসদীয় কার্যপ্রণালি বিষয়ে দলীয়ভাবে আমাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাদের নিজ নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত হতে এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলের আদর্শ ও কর্মকাণ্ড তুলে ধরারও নির্দেশ দিয়েছেন।

সভায় অন্যদের মধ্যে বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও কৃষি উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সংসদের ৩৫০ আসনের মধ্যে ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। এতে বিএনপি ৩৬টি আসন লাভ করে।