খুঁজুন
, ,

সামনে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে, হেসেখেলে চলে গেলে বড় ক্ষতি হয়ে যাবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 31 May, 2026, 8:46 pm
সামনে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে, হেসেখেলে চলে গেলে বড় ক্ষতি হয়ে যাবে

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নির্দেশিত পথে দেশ পরিচালনা এবং নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সফল সরকার গঠন করাই তার প্রতি পরিপূর্ণ সম্মান প্রদর্শনের একমাত্র পথ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (৩১ মে) বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, আমাদের সামনে একটি অত্যন্ত কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। একই সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সময় অপেক্ষা করছে। এই গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন সময়ে হেসেখেলে চলে গেলে খুব বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। ক্ষতি দেশের হবে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হবে।

তিনি বলেন, শহীদ জিয়া যেভাবে দেশকে গঠন করতে চেয়েছিলেন, শহীদ জিয়া যেভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন, আমরা সে ধারায় চেষ্টা করছি দেশকে আজকে পরিচালনা করতে। বর্তমান সরকার একটি রাজনৈতিক সরকার অর্থাৎ একটি রাজনৈতিক দল যার নীতি আছে, যার আদর্শ আছে, যার পরিকল্পনা বা ম্যানিফেস্টো আছে। যে পরিকল্পনা বা ম্যানিফেস্টো আমরা দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরেছিলাম ১২ তারিখের নির্বাচনের আগে এবং দেশের মানুষ এ ম্যানিফেস্টো বা পরিকল্পনা দেখেছে, শুনেছে, বুঝেছে এবং ১২ তারিখে তারা তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ধানের শীষে ভোট দিয়ে সেই দায়িত্ব দিয়েছে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য।

পিতার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শৈশবে একদিন তিনি (তারেক রহমান) বাড়ির একজন কর্মচারীকে অপমানজনক ভাষায় সম্বোধন করলে শহীদ জিয়া বিষয়টি জানতে পারেন এবং তাকে কান ধরে সেই কর্মচারীর কাছে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করেন। এই ঘটনাটি আমাদের সামাজিক ও পারিবারিক শিক্ষার একটি বিষয়। দেশে ফেরার পরে এ রকম মূল্যবোধের অভাব অনুভব করেছি। মুরব্বিদের শ্রদ্ধা করা, অসহায়কে সহযোগিতা করা, মানুষের সঙ্গে বিনয়ীভাবে কথা বলা- এই মূল্যবোধগুলো আগামী প্রজন্মের মধ্যে কীভাবে পৌঁছে দেওয়া যায়, সে বিষয়ে আমি তথ্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করেছি।

শহীদ জিয়ার আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ১৯৮৬ সালে সৌদি আরবে ওমরা পালনকালে এক ইন্দোনেশীয় ব্যক্তি বাংলাদেশ পরিচয় শুনে সঙ্গে সঙ্গে জিয়াউর রহমান বলে ওঠেন। মানুষ শহীদ জিয়া বা বাংলাদেশ বললে দুটোকে একসঙ্গেই বুঝতো। সন্তান হিসেবে পিতার জন্য সেদিন আমি গর্ব অনুভব করেছিলাম।

বর্তমান সরকারের দায়িত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশের ৫২ শতাংশ ভোটার ধানের শীষে ভোট দিয়ে যে ইশতেহারের পক্ষে রায় দিয়েছে, সেটি আর শুধু বিএনপির ইশতেহার নয়, এটি এখন জনগণের ইশতেহার। খাল খনন কর্মসূচি, শিক্ষার প্রসার, গার্মেন্ট শিল্পের আদলে নতুন শিল্প বিপ্লব, বন্ধ কল-কারখানা চালু, নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড — শহীদ জিয়ার প্রতিটি পথনির্দেশিকা আমাদের ইশতেহারে গ্রহণ করা হয়েছে।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ২১৪ জন এমপি বা ৫০ জন মন্ত্রী একা পরিশ্রম করলেই কার্যক্রম সফল হবে না। সারাদেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দলসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা যখন মাঠে নেমে কাজ করবেন তখনই সফলতা আসবে।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সফল আন্দোলন করেছিলাম। ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সফল নির্বাচন পার হয়ে এসেছি। এখন আমাদের ইশতেহার বাস্তবায়নের মাধ্যমে সফল সরকারের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারলেই শহীদ জিয়ার প্রতি পরিপূর্ণ সম্মান প্রদর্শন করতে সক্ষম হবো।

Feb2
Feb2

সিলিমপুর আবাসিকের ভেতর দিয়ে সড়ক নয়, বিকল্প রুটের প্রস্তাব সিডিএর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 21 July, 2026, 3:43 pm
সিলিমপুর আবাসিকের ভেতর দিয়ে সড়ক নয়, বিকল্প রুটের প্রস্তাব সিডিএর

সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রস্তাবিত কয়েকটি অভ্যন্তরীণ ও কানেক্টিং সড়কের মধ্যে দুটি সিলিমপুর আবাসিক এলাকার ভেতর দিয়ে নেওয়ার প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। আবাসিক এলাকার নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে প্লট মালিকদের মতামতের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীকে বিকল্প রুট ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে সিলিমপুর আবাসিক এলাকায় প্লট মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা এবং সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রস্তাবিত সড়কের স্থান পরিদর্শন করেন সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন। এ সময় তিনি সম্ভাব্য রুটগুলো ঘুরে দেখেন এবং মৌজা ম্যাপ অনুযায়ী বিভিন্ন বিষয় যাচাই-বাছাই করেন।

সিডিএ সূত্র জানায়, জঙ্গল সলিমপুর একটি স্পর্শকাতর এলাকা। ওই এলাকার সঙ্গে একটি শান্ত ও সংরক্ষিত আবাসিক এলাকার সরাসরি সংযোগ স্থাপন করা হলে আবাসিকের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে স্থানীয় প্লট মালিকদের মতামত নিয়ে বিকল্প স্থানে সড়ক নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের সড়কটি মূল আবাসিক এলাকার ভেতর দিয়ে করার সুযোগ নেই।

তবে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে খালের পাড় ধরে সাময়িকভাবে একটি অস্থায়ী পথ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। স্থায়ীভাবে আবাসিক এলাকার ভেতর দিয়ে সড়ক নির্মাণ না করাই ভালো। প্লট মালিকদের পরামর্শ অনুযায়ী সেনাবাহিনীকে বিকল্প স্থান দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত বিকল্প রুটের প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণের পর তারা সিডিএকে হালনাগাদ অগ্রগতি জানাবে।

সভায় দীর্ঘদিনের গ্যাস ও পানি সংকট নিরসনের আশ্বাসও দেন সিডিএ চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, দ্রুত পানির সংযোগ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং ওয়াসা দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। পর্যায়ক্রমে এলাকার সব নাগরিক দুর্ভোগ দূর করা হবে।

এ সময় সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সিলিমপুর আবাসিক এলাকার প্লট মালিক সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মাদক-কিশোর গ্যাং দমনে কঠোর হওয়ার নির্দেশ সিএমপি কমিশনারের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 21 July, 2026, 3:30 pm
মাদক-কিশোর গ্যাং দমনে কঠোর হওয়ার নির্দেশ সিএমপি কমিশনারের

চুরি, ছিনতাই, মাদক, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে আরও কার্যকর অভিযান পরিচালনার জন্য চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সব ইউনিটকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে নগরের দামপাড়া পুলিশ লাইন্সের মাল্টিপারপাস শেডে অনুষ্ঠিত সিএমপির জুলাই-২০২৬ মাসের মাসিক কল্যাণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

সভায় পুলিশ কমিশনার বলেন, সিএমপির প্রতিটি সদস্যকে সততা, নিষ্ঠা, কর্তব্যপরায়ণতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। একই সঙ্গে নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চুরি, ছিনতাই, মাদক, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

এদিকে সভায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কৃতিত্ব অর্জনের জন্য কনস্টেবল মো. জাকির হোসেন জনিকে সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান করেন পুলিশ কমিশনার। তিনি মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত ২য় এশিয়ান প্যারা থ্রোবল চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬-এ রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সনদ অর্জন করেন।

এছাড়া ভারতের ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে অনুষ্ঠিত ২য় সাউথ এশিয়ান থ্রোবল চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬-এ খেলোয়াড় হিসেবে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ দলের হয়ে দ্বিতীয় রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া (অতিরিক্ত ডিআইজি), উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) মো. ফেরদৌস আলী চৌধুরী, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. হাবিবুর রহমান প্রাং, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ) শেখ শরীফুল ইসলাম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-উত্তর) নেছার উদ্দিন আহম্মেদসহ সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন স্তরের পুলিশ সদস্যরা।

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 21 July, 2026, 1:44 pm
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের

২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সোমবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে মন্ত্রী এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক কর্মদশক (২০২১-২০৩০)-এর বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা জোরদারে আইনি, নীতিগত ও প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, দুর্ঘটনার পর দ্রুত জরুরি সেবা নিশ্চিত এবং বিশেষ করে পথচারীদের নিরাপত্তা জোরদারে মহাসড়কে লক্ষ্যভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করছে।

মন্ত্রী বলেন, সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ এবং আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চার আলোকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্ত করে তা অনুমোদন ও প্রণয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবন্ধ।

সড়ক নিরাপত্তাকে জাতীয় রাজনৈতিক অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর অংশীদারিত্ব এবং সবার সম্মিলিত দায়িত্বশীলতা অপরিহার্য। তিনি সকল সড়ক ব্যবহারকারীর জন্য নিরাপদ, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নবিষয়ক জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন- সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ শব্বির হাসান খান।

মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠেয় ‘সড়ক নিরাপত্তায় বহুখাতভিত্তিক সমন্বয় জোরদার: সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা সফলভাবে কমিয়ে আনা দেশগুলোর সর্বোত্তম চর্চা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়’ শীর্ষক সাইড ইভেন্টে মন্ত্রী যৌথ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।