খুঁজুন
, ,

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে প্রস্তুুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 5:50 pm
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে প্রস্তুুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

রনজিত কুমার শীল: আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ ২৬ জুলাই রোববার সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে এক প্রস্তুুতিমূলক সভা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অংশীজনেরা দিবসটি যথাযোগ্য ভাবগাম্ভীর্য ও মর্যাদার সাথে পালনের জোরালো দাবি জানান।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের বিষয়ে সবাইকে আশ্বস্ত করেন।

প্রস্তুুতিমূলক এ সভায় অনুষ্ঠানের ভেন্যুনির্বাচন, বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ, রূপরেখা তৈরি ও বাস্তবায়নে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ শরীফ উদ্দিন।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের প্রতিনিধি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাইলাউ মারমা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) মোঃ কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) সৈয়দ মাহবুবুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকত জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংস্থার প্রতিনিধিগণ।

Feb2
Feb2

সততা-নিষ্ঠা ও গরীব দুস্থ অসহায় বিচারপ্রার্থীদের পাশে দাড়ানোর জন্য নবীন আইনজীবীদের আহবান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 7:57 pm
সততা-নিষ্ঠা ও গরীব দুস্থ অসহায় বিচারপ্রার্থীদের পাশে দাড়ানোর জন্য নবীন আইনজীবীদের আহবান

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে অদ্য রবিবার (২৬ জুলাই) সকাল ১০টায় আইনজীবী অডিটোরিয়ামে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে ‘নবীন আইনজীবী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী-২০২৬’ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। সমিতির সভাপতি তারিক আহমদের সভাপতিত্বে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, দূর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন। তিনি সাধারণ সম্পাদকের উত্থাপিত দাবিগুলো অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে ব্যবস্থা নিবেন মর্মে জানান। তিনি নবীনদের সততা ও নিষ্ঠার সাথে আইন পেশায় আত্মনিয়োগ করা ও গরীব দুস্থ অসহায় বিচারপ্রার্থী জনগণের পাশে দাড়ানোর আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের সময় চট্টগ্রাম হতে ছাত্রদলের সোনালী ফসল শহীদ ওয়াসিম, শহীদ এড. সাইফুল ইসলাম আলিফ, জুলাই যুদ্ধে শহীদসহ ১৭ বছরের ফ্যাসীবাদের বিরুদ্ধে শহীদ হওয়া, পঙ্গু হওয়াদের স্মরণ করেন। অন্যান্য পেশায় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকলেও আইনজীবীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন। এজলাস সংকটসহ আদালতের অন্যান্য সমস্যা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন মর্মে জানান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মঈনুদ্দীন নবীন আইনজীবীদের স্বাগত জানানোর পাশাপাশি স্থানীয় আইনজীবীদের বিভিন্ন যৌক্তিক ও দীর্ঘদিনের দাবি দাওয়া মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পর্যাপ্ত জমির অভাবে চট্টগ্রামে আইনজীবীদের তীব্র চেম্বার সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়া আদালতের এজলাস সংখ্যা কম হওয়ায় এবং অবকাঠামোগত নানা সীমাবদ্ধতার কারণে বিচারকার্য পরিচালনায় বেগ পেতে হচ্ছে। সাধারণ সম্পাদক নবীন ও জুনিয়র আইনজীবীদের পেশাগত মানোন্নয়ন এবং জীবনযাত্রার সহায়তার জন্য বিশেষ সরকারি প্রণোদনার ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গত ১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে যে চরম নির্যাতন ও দমন পীড়ন চালানো হয়েছে, দেশের মানুষ তা ভুলে যায়নি। ওই দুঃসময়ে নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আইনজীবীরা যেভাবে আইনি সহযোগিতা দিয়েছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি আগামী দিনেও আইনজীবীদের এই সহযোগিতার ধারা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের নানা অবিচার ও শোষণের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এবং সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের ভূমিকা সবসময়ই অনন্য ও আপসহীন ছিল। আগামীতেও সেই ভূমিকা ধরে রাখতে হবে।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে নবীন আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো: খাদেম উল কায়েস, চট্টগ্রামর জেলা ও দায়রা জজ কাজী আবদুল হান্নান, মহানগর দায়রা জজ মো. হাসানুল ইসলাম, চট্টগ্রামের চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এ.জি.এম. মনিরুল হাসান সরকার এবং চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোহাগ তালুকদার।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সমিতির সহ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। কর্মশালায় আইনজীবী সমিতির সিনিয়র সহ সভাপতি সেলিমা খানম, সহ সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন লাভলী, অর্থ সম্পাদক আবুল মনছুর সিকদার, পাঠাগার সম্পাদক তৌহিদ হোছাইন সিকদার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিলকিস আরা মিতু, ক্রীড়া সম্পাদক সরোয়ার হোসাইন (লাভলু), তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মো. লোকমান শাহ, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে আলী আকবর, সাদিয়া খান, জসিম উদ্দিন হিমেল, মোঃ ইকবাল হোসেন, শেখ মোঃ ফয়সাল উদ্দিন, মোমেনুল হক, সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ হাসান, দিলদার আহম্মদ ভূঁইয়া, মোক্তার উদ্দিন সাগর, দিদারুল আলম টিপু সহ প্রায় ১হাজার নবীন আইনজীবী অংশগ্রহণ করেন।

শিশুদের ৬ ধরনের টুথপেস্টের ৪টিতেই মিলেছে বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 4:00 pm
শিশুদের ৬ ধরনের টুথপেস্টের ৪টিতেই মিলেছে বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

বাংলাদেশের বাজারে ছোটদের ব্যবহারের জন্য বিক্রি হওয়া ৬টি জনপ্রিয় টুথপেস্ট ব্র্যান্ডের ৪টিতেই মিলল মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে ২০টি থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১৪০টি পর্যন্ত প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে।

রোববার (২৬ জুলাই) পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা সংস্থা ‘এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন’ (এসডো) এক সংবাদ সম্মেলনে দীর্ঘ এক বছরের গবেষণা ও সমীক্ষার ফলাফল তুলে ধরে এই তথ্য জানায়।

এসডোর তথ্য মতে, শিশুদের ব্যবহারের জন্য পরীক্ষিত টুথপেস্টগুলোর মধ্যে কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলা ব্র্যান্ডে সবচেয়ে বেশি ১৪০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। এ ছাড়া মেরিল বেবি স্ট্রবেরিতে ৬০টি, মেরিল বেবি অরেঞ্জে ৪০টি এবং পেপসোডেন্ট কিড অরেঞ্জে ২০টি প্লাস্টিক কণা শনাক্ত করেছেন গবেষকেরা। তবে শিশুদের জন্য আমদানিকৃত কুডুমু অরেঞ্জ ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) টুথপেস্টে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক মেলেনি।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কেবল শিশুদের টুথপেস্টই নয়; বাজারে থাকা দেশি-বিদেশি মোট ৩৪টি টুথপেস্ট পরীক্ষা করে ২৬টিতেই বিষাক্ত প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে গড়ে ২০ থেকে ৩২০টি পর্যন্ত কণা মিলেছে। সবচেয়ে বেশি ৩২০টি কণা পাওয়া গেছে ‘মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেল’-এ।

বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলল বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 3:32 pm
বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলল বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে সর্বনিম্ন ২০টি থেকে সর্বোচ্চ ৩২০টি পর্যন্ত প্লাস্টিক কণা মিলেছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে ‘মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেল’-এ।

পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো) দীর্ঘ ১ বছর ধরে গবেষণা চালিয়ে রোববার (২৬ জুলাই) নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে।

এসডো জানায়, সারাদেশের ২ হাজার ৭৬০ জন ভোক্তার ওপর জরিপ চালানোর পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের ‘এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি ল্যাবরেটরিতে’ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা চালানো হয়। এই গবেষণায় স্টিরিওমাইক্রোস্কোপি ও ফুরিয়ার ট্রান্সফর্ম ইনফ্রারেড স্পেকট্রোস্কোপি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরীক্ষা করা টুথপেস্টগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে উৎপাদিত ২৫টির মধ্যে ২২টিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ভারতে উৎপাদিত ৫টির মধ্যে ১টি, থাইল্যান্ডের ২টির মধ্যে ১টি এবং ভিয়েতনামের ২টি টুথপেস্টের দুটিতেই এই ক্ষতিকর উপাদান মিলেছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, শিশুদের জন্য বিশেষভাব তৈরি ৬টি টুথপেস্টের ৪টিতেই বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি ধরা পড়েছে।

প্লাস্টিক কণার ফলাফলে দেখা যায়, প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্ট হিসেবে সবচেয়ে বেশি ৩২০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেলে। এ ছাড়া ক্লোজ আপ রেড হট-এ ১৬০টি, ক্লোজ আপ মেন্থল ফ্রেশ-এ ১৬০টি, কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলা স্ট্রবেরিতে ১৪০টি, সিগন্যাল গ্রিন টি-তে ১২০টি, পেপসোডেন্ট অ্যাডভান্স সল্ট-এ ১০০টি, হিমালয়া কমপ্লিট কেয়ার-এ ১০০টি এবং সেনসোডাইন ফ্রেশ মিন্টে ৮০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে শিশুদের ব্যবহৃত টুথপেস্টের মধ্যে কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলায় ১৪০টি, মেরিল বেবি স্ট্রবেরিতে ৬০টি, মেরিল বেবি অরেঞ্জে ৪০টি এবং পেপসোডেন্ট কিড অরেঞ্জে ২০টি প্লাস্টিক কণা শনাক্ত করা হয়েছে।

তবে গবেষণায় স্বস্তির খবরও উঠে এসেছে। বাংলাদেশে উৎপাদিত টুথপেস্টের মধ্যে জেনফ্রেশ, প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) এবং ক্লোজ আপ রেড হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজিতে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া শিশুদের জন্য আমদানিকৃত কুডুমু অরেঞ্জেও শনাক্তযোগ্য মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছে এসডো।