খুঁজুন
, ,

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড: শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 27 July, 2026, 1:26 pm
শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড: শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংগঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) জমা দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন।

সোমবার (২৭ জুলাই) বেলা পৌনে ১১টার দিকে ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কাছে এই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন। এ সময় প্রসিকিউটর মার্জিনা রায়হান তার সঙ্গে ছিলেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে আজ এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, শাপলা চত্বরের এই মামলায় বর্তমানে ৯ জন আসামি গ্রেপ্তার আছেন। তারা হলেন—সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক, পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির, সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল এবং সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু।

তদন্ত সংস্থার বরাতে প্রসিকিউশন জানায়, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে ঢাকাসহ দেশের চারটি স্থানে মোট ৫৮ জন নিহত হন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩২, নারায়ণগঞ্জে ২০, চট্টগ্রামে ৫ ও কুমিল্লায় ১ জন নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

Feb2
Feb2

শুধু পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল হলে চলবে না, প্রয়োজন বহুমুখী বিনিয়োগ: অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 27 July, 2026, 6:22 pm
শুধু পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল হলে চলবে না, প্রয়োজন বহুমুখী বিনিয়োগ: অর্থমন্ত্রী

শুধু তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। অর্থনীতিকে টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে মেডিক্যাল যন্ত্রপাতি, মোবাইল ফোন, উচ্চপ্রযুক্তি ও অন্যান্য বহুমুখী শিল্পে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সোমবার (২৭ জুলাই) চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (সিইআইজেড) উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার সময় সরকার একটি বিপর্যস্ত অর্থনীতি পেয়েছিল, যা ছিল মূলত ঋণনির্ভর। এখন সরকারের লক্ষ্য হলো অর্থনীতিকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তর করা। কারণ প্রবৃদ্ধি বাড়ানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করতে বিনিয়োগের কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, চাইনিজরা বিশাল আকারে বাংলাদেশে আসছে। তারা শুধু গার্মেন্টস খাতে নয়, মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট থেকে শুরু করে সেলফোন উৎপাদনসহ নানা ধরনের শিল্পে বিনিয়োগ করছে। শুধু পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভর করলে অর্থনীতি এগোবে না। আমাদের প্রয়োজন বহুমুখী বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং নতুন জ্ঞান।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, এই শিল্পাঞ্চলে এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। তবে এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো, এই অঞ্চলে নতুন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে, শক্তিশালী হবে সাপ্লাই চেইন, বাড়বে প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং সামগ্রিকভাবে পুরো অঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হবে।

সরকার আগামী পাঁচ বছরে ৮ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন ও মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য অর্জনে একমাত্র পথ বিনিয়োগ। এ কারণে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে আইন, নীতিমালা ও বিধি-বিধানে ব্যাপক সংস্কার এবং নিয়ন্ত্রণ শিথিল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকার শুধু চীনের নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকেও ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছে। বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই), দেশীয় বিনিয়োগ এবং পুঁজিবাজারে বিদেশি ফান্ড ম্যানেজারদের আগ্রহও বাড়ছে।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশি ও বিদেশি সব বিনিয়োগকারীর নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করব। দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ছাড়া বিনিয়োগ সম্ভব নয়। আবার বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে অর্থনৈতিক অগ্রগতিও সম্ভব নয়। তাই নিরাপত্তা ও বিনিয়োগ একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে, যাতে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তারা আস্থার সঙ্গে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারেন।

বাংলাদেশ-চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 27 July, 2026, 5:54 pm
বাংলাদেশ-চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে বাংলাদেশ ও চীনের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক যে ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে, বর্তমান সরকার সেই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করছে বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (সিইআইজেড) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীনের অর্থনৈতিক সহযোগিতা নতুন যুগে প্রবেশ করেছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের (সিইআইজেড) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অর্থনীতিকে গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি কথার চেয়ে কাজে বেশি বিশ্বাস করেন এবং এই প্রকল্পের উদ্বোধন তারই প্রতিফলন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্পের উদ্বোধনের চেষ্টা চললেও তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।

এমনকি বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূতও উল্লেখ করেছেন, প্রায় দুই বছর আগে থেকেই এ বিষয়ে আলোচনা চলছিল। কিন্তু নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্ভব হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের শিল্প ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় বাংলাদেশ ও চীনের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন মাত্রা পায়। পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও সেই সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যান। বর্তমানে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও কার্যকর ও গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিইআইজেডের চেয়ারম্যান ওয়াং বেনচিয়ান, সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, আবু সুফিয়ান, সরওয়ার জামাল নিজাম, হুমাম কাদের চৌধুরী, চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক, চট্টগ্রাম কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এসএম সাইফুল আলম, এমএম. ইস্পাহানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মির্জা সালমান ইস্পাহানি প্রমুখ।

১৮ মাসের মধ্যে সিইআইজেড চালুর চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী: আশিক চৌধুরী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 27 July, 2026, 4:10 pm
১৮ মাসের মধ্যে সিইআইজেড চালুর চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী: আশিক চৌধুরী

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেছেন, আমরা গত মাসে যখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে চায়না গেলাম তখন আমাদের যে ডেভেলপার কোম্পানি আছে সেটির চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন।

কথায় কথায় একটা প্রশ্ন এসেছিল যে, এ জোনটা চালু করতে আসলে কত দিন সময় লাগবে? উনারা প্রথমে বলেছিলেন তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের চ্যালেঞ্জ করেছিলেন, ১৮ মাসের মধ্যে উনি প্রথম ফ্যাক্টরি এখানে দেখতে চান। তারপর উনাদের চেয়ারম্যান প্রমিজ করেছেন, প্রথম ১৮ মাসের মধ্যে প্রথম কারখানা উৎপাদনে আমরা দেখতে পাব।

সোমবার (২৭ জুলাই) আনোয়ারায় সিইআইজেডের উন্নয়নকাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বক্তব্য দেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, সিইআইজেডের চেয়ারম্যান ওয়াং বেনচিয়ান, সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, আবু সুফিয়ান, সরওয়ার জামাল নিজাম, হুমাম কাদের চৌধুরী, চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক, চট্টগ্রাম কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এসএম সাইফুল আলম, এমএম. ইস্পাহানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মির্জা সালমান ইস্পাহানি প্রমুখ।

চট্টগ্রামের সব সংসদ সদস্য ও চট্টগ্রামবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে আশিক চৌধুরী বলেন, আমাদের চীনা বিনিয়োগকারীরা অতিথি। উনারা বাংলাদেশে এসেছেন একটি আশা করে, বাংলাদেশে উনারা বিনিয়োগ করবেন। বিনিয়োগ করে উনারা অবশ্যই নিজেদের প্রফিটটা নিয়ে যাবেন এবং নিজেদের প্রসপারিটি চিন্তা করবেন। একই সাথে আমাদের দেশে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। আমার অনুরোধ আপনাদের কাছে যতটা সম্ভব তাদের যতটা সম্ভব সহযোগিতা করবেন। যাতে খুব দ্রুত এ জোনটা দাঁড়িয়ে যায়। এ জোনটা দাঁড়িয়ে গেলে এ এলাকার চেহারা চেঞ্জ হয়ে যেতে একদম সময় লাগবে না। আপনারা সবাই সাহায্য করবেন। আমরা সরকার থেকে যতটুকু সম্ভব যেভাবে সম্ভব উনাদের সহযোগিতা করব। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে, যত দ্রুত সম্ভব এ জোনটা চালু করতে পারি। সেই সাথে চট্টগ্রামের যত মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারি। সবাইকে এ রিকোয়েস্ট রইল।

তিনি বলেন, কোনো সমস্যায় যদি আপনারা পড়েন, উনারা কোনো ধরনের সমস্যায় পড়লে আমারা সবাই মিলে আমাদের প্রধানমন্ত্রী যেভাবে বলেন সবার আগে বাংলাদেশ, আমরা নিজেদের স্বার্থ না দেখে দেশের স্বার্থটা একটু আগে দেখি। আমাদের মাননীয় মন্ত্রী বলেছেন, এ দেশকে এগিয়ে নিতে হলে বিনিয়োগের আসলে কোনো বিকল্প নেই। আমরা একটা সুযোগ পেয়েছি। বিদেশি বিনিয়োগ আসবে বাংলাদেশে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। আপনারা সবাই এগিয়ে যাওয়ার পথে সাহায্য করবেন।