খুঁজুন
, ,

হাটহাজারীর স্টেশন কর্মকর্তা লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, বন খেকো নামে খ্যাতি অর্জন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 August, 2026, 12:59 pm
হাটহাজারীর স্টেশন কর্মকর্তা লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, বন খেকো নামে খ্যাতি অর্জন

তিবেদক: চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের হাটহাজারী স্টেশন কর্মকর্তা লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে ব্যাপক চাঁদাবাজি, সুফল বাগান সৃজনের টাকা আত্মসাৎ, বনের গাছ বিক্রি অবৈধ করাতকল থেকে মাসোহারা ও সহকর্মীদের জিম্মি করে রাখাসহ পাহাড় সম অভিযোগ উঠেছে।

উত্তর বন বিভাগের হাটহাজারী স্টেশন কর্মকর্তা লুৎফর রহমান বন খেকো হিসাবে হাটহাজারী জুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছে ।

‎অবৈধ আয়ের নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা উর্ধ্বতনদের দিয়ে সম্পর্ক ভালো রাখেন বলেই সহকর্মী কাউকে পাত্তাই দেয় না এই কর্মকর্তা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, লুৎফর রহমান প্রায় দুই বছরের অধিক সময় ধরে কর্মরত রয়েছেন হাটহাজারী স্টেশন অফিসে। তার পদবী স্টেশন অফিসার হলেও চলনে,বলনে তিনি যেন মস্ত বড় অফিসার।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে চট্টগ্রাম বন বিভাগে কর্মরত অনেকেই বলেন, তার দৈনিক আয় ৪০/৫০ হাজার টাকার অধিক।

বিভিন্ন গাছ ও ফার্নিচারের গাড়ি থেকে দৈনিক লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করেন বলে নিশ্চিত করেন তার সহকর্মীরাই।
‎সুত্র জানায়, কিছু অসাধু উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এই লুৎফর রহমান এর চাঁদার ভাগ পায়। দৈনিক লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করলেও সেই টাকার ৫০/৬০ ভাগ চলে যায় উর্ধ্বতনদের ম্যানেজ করতে।

‎অপর এক সুত্র জানায়, গত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে এই লুৎফুর রহমান আওয়ামী ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে একটানা কয়েকব বছর চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে কর্মরত থাকেন। ৫ আগস্টের পরেও রহস্য জনক কারণে লুৎফর রহমান রয়েছেন একই রেঞ্জে বহাল তবিয়তে। একটানা ১০/১১ বছর একই রেঞ্জে কর্মরত থাকার নজির বন বিভাগে না থাকলেও লুৎফুর রহমান এই নজির স্থাপন করেছেন বলে দাবি করেন অনেকে।

দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে বদলি হওয়ার বিধান থাকলেও লুৎফুর রহমান টাকার কাছে তা অকার্যকর।

‎চট্টগ্রামের হাটহাজারী , সরকার হাট , ঈছাপুর বাজার ,আমান বাজার সহ বিভিন্ন এলাকার গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গাছের বা ফার্নিচারের প্রতি গাড়ি হতে ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করেন ফরেস্টর লুৎফুর রহমান। এছাড়া মাসোহারাও দিতে হয় প্রতি মাসে।

গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠের সুরে বলেন, বন বিভাগের যন্ত্রনায় ব্যবসা করা কঠিন হয়ে উঠেছে। এছাড়া রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গুনিয়া, কাউখালী , ফটিকছড়ি সহ অন্যান্য এলাকা থেকেও যে সব গাছ ও ফার্নিচারের গাড়ি আসে তাদের থেকেও নির্দিষ্ট হারে চাঁদা আদায় করেন লুৎফুর রহমান ।

‎দৈনিক ২০টির অধিক গাড়ি থেকে হাটহাজারী বিটে চাঁদাবাজি হয় বলে নিশ্চিত করেন অনেকে।

এছাড়া রাঙ্গামাটি , কাউখালী রাঙ্গুনিয়া, খাগড়াছড়ির ব্যবসায়ীরাও এই লুৎফর এর হাতে জিম্মি।

‎এলাকা সুত্রে জানাগেছে, হাটহাজারী থানা জুড়ে ২০ টিরও অধিক করাতকল রয়েছে। ২/৩ টি করাতকলের বৈধতা থাকলেও বাকী সব অবৈধ। এই অবৈধ প্রতি করাতকল থেকে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা মাসোহারা আদায় করেন লুৎফর।
‎এছাড়া ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে সুফল বাগান সৃজনের জন্য ২০ লক্ষাধিক টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও কোন বাগান সৃজন না করে বরাদ্দের সমস্ত টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এলাকার কিছু চিহ্নিত বন খেকোদের নিয়ে বনের মুল্যবান গাছ কেটে বিক্রি করছে দেদারসে। লুৎফর যেন বনের মালিক । করাতকল মালিক ও চিহ্নিত গাছ পাচারকারীদের নিয়ে প্রতিদিন গাছ কাটছে এমনটি জানালেন এলাকার সচেতন মহল।

‎এই বিষয়ে লুৎফর রহমান সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি উপরের সবাই কে ম্যানেজ করে কাজ করছি, নিউজ করে ও আমার কিছু করতে পারবেন না পারলে নিউজ করেন বলে লাইন কেটে দেন।

‎চলমান পর্ব …..

Feb2
Feb2

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৫৯.৪৮ শতাংশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 August, 2026, 2:53 pm
চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৫৯.৪৮ শতাংশ

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় কমেছে পাসের সংখ্যা। এবার পাসের হার ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

যা গতবছর ছিল ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জন, গতবছর পেয়েছিল ১১ হাজার ৮৪৩ জন।

এবার পাস করেছে ৭৭ হাজার ৪৫৩ হাজার শিক্ষার্থী, যা গত বছর ছিল ১ লাখ ১ হাজার ১৮১ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৪ দশমিক ৪১ শতাংশ।

যা গত বছর ছিল ৯২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষায় ৬০ দশমিক ১২ শতাংশ যা গত বছর ছিল ৭৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ এবং মানবিক বিভাগে ৩৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ যা গত বছর ছিল ৫৫ দশমিক ০২ শতাংশ।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে এসব তথ্য জানান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী।

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় এবছর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৮২ জন। পরীক্ষায় উপস্থিত ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার ২১৯ জন।

চট্টগ্রাম মহানগরে পাসের হার ৭৪ শতাংশ। গত বছর ছিল ৮১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। চট্টগ্রাম জেলায় এবার পাসের হার ৫৭ দশমিক ১৩ শতাংশ। গত বছর ছিল ৭১ দশমিক ২৯ শতাংশ। কক্সবাজারে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩ শতাংশ, গত বছর ছিল ৭০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। রাঙামাটিতে ৪১ দশমিক ১৭ শতাংশ, গত বছর ছিল ৫৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ। খাগড়াছড়িতে পাসের হার ৩৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ, গত বছর ছিল ৬০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। বান্দরবানে পাসের হার ৪৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ, গত বছর ছিল ৬৩ দশমিক ১২ শতাংশ।

বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৪ দশমিক ৪১ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৬০ দশমিক ১২ শতাংশ এবং মানবিক বিভাগে পাসের হার ৩৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এবার ২১টি বিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে ৮টি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি।

এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 August, 2026, 2:40 pm
এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার পরীক্ষায় গড় পাসের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬২.২৫ শতাংশে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। অথচ ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে সারাদেশে গড় পাসের হার ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ এবং মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী।

এছাড়া ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৪.০৫ শতাংশ। যা গত বছর ছিলো ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হার ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ কমেছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করেন।

এবার সর্বোচ্চ পাসের হার ঢাকা বোর্ডে ৭১.৬৩ শতাংশ। এরপর রয়েছে যশোর বোর্ডে ৬৬.২৭ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫৯.৪৮শতাংশ, সিলেট বিভাগে ৫৮.৩৩ শতাংশ, রাজশাহী বোর্ডে ৬৩.৬৭ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৫৮.০৫ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৬৫.৪২ শতাংশ, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫৭.৩৯ শতাংশ এবং সবচেয়ে কম পাসের হার বরিশাল বোর্ডে ৬০.৩৫ শতাংশ। মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ ও কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৫৮.২০ শতাংশ।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিল। এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী ছিল।

এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ। এর মধ্যে এসএসসিতে পাসের হার ৬৪.০৫ শতাংশ, দাখিলে ৫৫.৪৯ শতাংশ এবং এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ৫৮.২০ শতাংশ।

যেভাবে ফল জানা যাবে

পরীক্ষার্থীরা অনলাইন, নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং মোবাইল ফোনে খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে ফল জানতে পারবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের পাশাপাশি eduboardresult.gov.bd ও educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকেও ফল জানা যাবে।

এসএমএসে ফল জানতে মেসেজ অপশনে গিয়ে ‘SSC’ লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর এবং আরেকটি স্পেস দিয়ে পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের জন্য এসএমএসের ফরম্যাট হবে: SSC DHA ROLL YEAR।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে SSC MAD ROLL YEAR এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে SSC TEC ROLL YEAR লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। এ ছাড়া ১৬২২২ নম্বরেও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে।

প্রতিটি এসএমএসের জন্য ১ টাকা ৩৯ পয়সা চার্জ প্রযোজ্য হবে। এর মধ্যে সব ধরনের কর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ভোকেশনাল ও দাখিলের ফল

কারিগরি শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ফল স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান ও অনলাইনে একযোগে প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের ‘Result’ কর্নারে গিয়ে প্রতিষ্ঠান কোড ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল শিট ডাউনলোড করা যাবে।

এ ছাড়া result.bteb.gov.bd, educationboardresults.gov.bd ও eduboardresult.gov.bd ওয়েবসাইটে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে গ্রেডভিত্তিক ট্রান্সক্রিপ্ট পাওয়া যাবে।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষার্থীরা বোর্ডের ওয়েবসাইট bmeb.gov.bd-এর ‘অনলাইন সেবা-০১’ কর্নারে গিয়ে ‘দাখিল পরীক্ষা ২০২৬’–এ ক্লিক করেও ফল জানতে পারবে। এ ছাড়া ebmeb.gov.bd ওয়েবসাইটে ‘DakhileRPS 2026’ নির্বাচন করে ‘Continue’ বাটনে ক্লিক করলে জেলার কেন্দ্রভিত্তিক মাদ্রাসার ফলাফল শিট ডাউনলোড করা যাবে।

পরীক্ষা শেষের প্রায় তিন মাস পর ফল

এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। আর দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে।

সাধারণত লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের কথা থাকলেও এবার প্রায় তিন সপ্তাহ পর ফল প্রকাশ করা হলো।

পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১১ আগস্ট থেকে

ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আগামীকাল ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

শিক্ষা বোর্ডগুলো জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীরা নির্ধারিত অনলাইন মাধ্যম, এসএমএস অথবা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফল সংগ্রহ করতে পারবে।

ফ্যাসিবাদের মাথা পালিয়ে গেলেও এর অনেক কিছু এখনও রয়ে গেছে : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 9 August, 2026, 7:45 pm
ফ্যাসিবাদের মাথা পালিয়ে গেলেও এর অনেক কিছু এখনও রয়ে গেছে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদের মাথা পালিয়ে গেলেও এর অনেক কিছু এখনও রয়ে গেছে, এখনও আছে। সরকার গঠনের একদিন পর রমজান শুরু হয়। কেউ কেউ রোজার সময় সুযোগ নিতে জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দিয়ে সুবিধা নেবে। আল্লাহর রহমতে আমরা সেটি ভালোভাবে সামাল দিয়েছি। কিন্তু রোজা শেষ হতে না হতেই মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আর আমেরিকার সমস্যা শুরু হয়ে গেল। ফলে তেল জ্বালানিসহ পুরো অর্থনীতির উপর চাপ তৈরি হলো। এসব দেখভাল করতে গিয়ে আমার আসতে দেরি হয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির আল জমিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত নির্বাচনের সময় আমরা একসঙ্গে কাজ করে দেশকে বিপদ থেকে রক্ষা করতে পেরেছি। তবে সমস্যাটা এখনও শেষ হয়ে যায়নি। বিগত ফ্যাসিবাদের সময় আপনারা দেখেছেন, দেশের মানুষের অর্থ সম্পদ লুট করে পাচার করে বিদেশি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

দেশে একটি পক্ষ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে জানিয়ে তিনি বলেন, একটি পক্ষ বিশৃঙ্খলা করতে চাইছে। এরা যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। বিশৃঙ্খলা না থাকলে দেশি বিদেশি বিনিয়োগ হবে। এতে মানুষের কর্মসংস্থান হবে। তাই বিগত দিনের মতো আমাদেরকে এক হয়ে দেশ গঠনের কাজ করতে হবে।