খুঁজুন
, ,

মানবতাবিরোধী অপরাধ : ওবায়দুল কাদেরসহ সাত জনের মামলার রায় আগামীকাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 14 September, 2026, 1:32 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধ : ওবায়দুল কাদেরসহ সাত জনের মামলার রায় আগামীকাল

কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ-ছাত্রলীগের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামীকাল (মঙ্গলবার) ঘোষণা করা হবে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন ধার্য করেন। প্যানেলের বাকি দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

এ মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক।

এর আগে, ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হলে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত ২ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষ্য দেন মোট ২৯ জন সাক্ষী।

চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন একই আদালত।

প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা জুলাই-আগস্টে আন্দোলন দমনে সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানানোসহ একাধিক বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনা করেন। কোথাও কোথাও সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন ও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখেন। তাদের এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতা সংঘটিত হয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য।

Feb2
Feb2

হারানো অস্ত্রের তথ্য দিলে গোপনে পুরস্কার দেবে র‌্যাব

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 14 September, 2026, 2:20 pm
হারানো অস্ত্রের তথ্য দিলে গোপনে পুরস্কার দেবে র‌্যাব

চট্টগ্রামে হারিয়ে যাওয়া সরকারি অস্ত্রের সন্ধান দিতে জনগণের সহযোগিতা চেয়েছে র‌্যাব। অস্ত্রের তথ্য দিয়ে উদ্ধারে সহযোগিতা করলে গোপনে পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের চান্দগাঁওয়ে র‌্যাব-৭ এর মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় র‌্যাব-৭-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে হারিয়ে যাওয়া সরকারি অস্ত্রের প্রায় ৮৪ শতাংশ এরই মধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি ১৬ শতাংশ অস্ত্র এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এসব অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত তা সমাজের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

র‌্যাব-৭ অধিনায়ক বলেন, হারিয়ে যাওয়া অস্ত্র উদ্ধারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে র‌্যাবের নেতৃত্বে বিশেষ কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। কারও কাছে এমন অস্ত্র থাকলে তা র‌্যাবের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, যাদের কাছে অস্ত্র রয়েছে তাদের সবাই অপরাধী এমন নন। বিভিন্নভাবে অনেকের কাছে অস্ত্র চলে আসতে পারে। কেউ অস্ত্রটি কোথায় বা কীভাবে জমা দেবেন, তা নিয়ে ভয় পেতে পারেন। তাদের জন্য এটি একটি সুযোগ। গোপনে অস্ত্রের তথ্য দিলে বা উদ্ধারে সহযোগিতা করলে পুরস্কার দেওয়া হবে।

পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র পাওয়া গেলেও সেটি নিজে বহন না করে র‌্যাবকে জানানোর অনুরোধ করেন তিনি। তথ্য পেলে র‌্যাবের সদস্যরা গিয়ে অস্ত্রটি উদ্ধার করবেন বলেও জানান।

মতবিনিময় সভায় সম্প্রতি অপহরণের অভিযোগের অপব্যবহার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন র‌্যাব-৭ অধিনায়ক।

তিনি বলেন, গত কয়েকদিনে তিনটি অপহরণের অভিযোগে র‌্যাবের সদস্যরা দীর্ঘ সময় ধরে অভিযান চালিয়েছেন। পরে তদন্তে একটি ঘটনায় দেখা যায়, অনলাইন জুয়ায় তিন লাখ টাকা ঋণগ্রস্ত এক ব্যক্তি পরিবারের কাছ থেকে টাকা আদায়ের জন্য নিজেকে অপহৃত হিসেবে সাজিয়েছেন।

অন্য একটি ঘটনায় এক ব্যক্তি বান্দরবানের লামায় আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিলেন। আরেকজন পরিবারের সঙ্গে অভিমান করে বাড়ি থেকে চলে গিয়েছিলেন।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, র‌্যাব একটি বিশেষায়িত বাহিনী। সংবেদনশীল অভিযোগ পেলে আন্তরিকতার সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে মিথ্যা বা সাজানো অভিযোগের পেছনে দীর্ঘসময় ব্যয় হলে প্রকৃত গুরুত্বপূর্ণ অপরাধের ঘটনায় র‌্যাবের জনবল ও সক্ষমতা ব্যবহারে সমস্যা হয়। তাই প্রকৃত ঘটনা জানিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করতে হবে।

জঙ্গল সলিমপুর প্রসঙ্গে র‌্যাব-৭ অধিনায়ক বলেন, এলাকাটি র‌্যাবের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও উদ্বেগের বিষয়। সেখানে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্প স্থাপনের পর থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটেনি।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত জঙ্গল সলিমপুর থেকে র‌্যাবের ক্যাম্প প্রত্যাহার করা হবে না বলেও জানান তিনি।

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে বিদেশিদের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা নিয়েও সতর্ক করেছেন র‌্যাব-৭ অধিনায়ক।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে বিদেশিদের যাতায়াত বেশি। এ সুযোগে অপরাধীরা ছদ্মবেশে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। সাম্প্রতিক দুটি ঘটনার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সবাইকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি সন্দেহজনক কোনো তথ্য পেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।

খুলশীর ওসিসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 14 September, 2026, 9:01 am
খুলশীর ওসিসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও দুই উপ-পরিদর্শকসহ আটজনের বিরুদ্ধে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট, মারধর ও রাবার বুলেট নিক্ষেপের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন মো. জাবেদ (৬৬) নামের এক ব্যক্তি।

তিনি চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াকিল হোসেন ওরফে বিহারী বগার বাবা।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন জাবেদ।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী এস এম মইনুল ইসলাম বলেন, আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন, খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রহিম, এসআই (নিরস্ত্র) মো. শাহ পরান, এসআই (নিরস্ত্র) মো. আনোয়ার হোসেন, জালালাবাদ এলাকার বাসিন্দা মেম্বার বাবু প্রকাশ যুবলীগ বাবু, পাহাড়তলী কলেজ এলাকার বাসিন্দা মো. মিজানুর রহমান, পশ্চিম খুলশীর আমান উল্লাহ আমান, নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটির আরিফ প্রকাশ, ভুয়া সাংবাদিক আরিফ ও একই এলাকার আসাদ উল্লাহ।

মামলার আরজিতে বলা হয়, গত ৪ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৪টার দিকে খুলশী থানার ১৩ নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের ওয়্যারলেস মোড়ে বাদীর বাড়িতে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে ভাঙচুর, লুটপাট ও মারধর করা হয়। এ সময় রাবার বুলেট নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। এতে প্রায় ১৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বাদী।

আদালতে দায়ের করা অভিযোগে জাবেদ বলেন, আসামিরা তার বসতঘরে প্রবেশ করে আসবাবপত্র, দরজা, জানালা ও অন্যান্য মালামাল ভাঙচুর করেন। এতে আনুমানিক তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়। পরে তার পুত্রবধূ রীখা বেগমের ঘরে প্রবেশ করে ওয়ারড্রব ভেঙে নগদ আট লাখ টাকা ও প্রায় তিন ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, লুটপাটে বাধা দিলে রীখা বেগমের শ্লীলতাহানি করা হয়। বাদী ও তার পুত্রবধূকে মারধর করে আহত করা হয়। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সদস্যরা রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেন। এতে কয়েকজন আহত হন বলে দাবি করেছেন বাদী।

মামলার বাদী অভিযোগ করেন, ঘটনার প্রতিবাদ করায় তাকে ও পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও মাদক মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়। ভয়ে তারা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা না নিয়ে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছ থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন বলে মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, পুলিশ সদস্যরা সরকারি ক্ষমতা ও দায়িত্বের অপব্যবহার করে বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালান। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ দেওয়ার চেষ্টা করেও কার্যকর ব্যবস্থা না পাওয়ায় আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন বাদী।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ আগস্ট নগরীর পাহাড়তলী কলেজের এক শিক্ষককে তুলে নিয়ে মারধরের ঘটনায় খুলশী থানায় মামলা হয়। ওই মামলায় ওয়াকিল হোসেন ওরফে বগাকে আসামি করা হয়। মামলা হওয়ার পর গত ৪ সেপ্টেম্বর ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে ওয়াকিল হোসেনকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় তার অনুসারীরা রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে পুলিশের পথ আটকে দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং পুলিশের ওপর হামলা করা হয় বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়। পরে পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশ সদস্যকে আহত করার ঘটনায় ২১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 13 September, 2026, 9:27 pm
নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার ও ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বিদ্যমান গ্যাসক্ষেত্রের পাশাপাশি নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক জ্বালানি কোম্পানি শেভরনকে আরও বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেভরনের বেস অ্যাসেটস ও উদীয়মান দেশবিষয়ক প্রেসিডেন্ট জাভিয়ার লা রোসার নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, সাক্ষাতে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে দেশে বিদ্যমান ও পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনের বিনিয়োগের বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শেভরন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শু শিয়ংসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।