খুঁজুন
, ,

বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার কর্মসূচি ঘোষণা করেছি:প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 2 February, 2020, 3:25 pm
বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার কর্মসূচি ঘোষণা করেছি:প্রধানমন্ত্রী

ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পরিবেশ রক্ষা, জলাধার রক্ষা, গাছ লাগানোসহ দেশের উন্নয়নে আপনারা কাজ করবেন। বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। এ জন্য দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার কর্মসূচি ঘোষণা করেছি।

আজ রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আইডিইবির ২৩তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে স্কিলস রেডিনেস ফর অ্যাচিভিং এসডিজি এবং এডপ্টিং আইআর ৪.০ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি দেশকে গড়ে তুলতে হলে দক্ষমানব শক্তির সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে আমাদের দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে। শুধু দেশের জন্য নয়, যারা বিদেশে কাজ করবেন তাদেরও দক্ষ হয়ে যেতে হবে। তাহলে আমরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হব।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা থেকে শুরু করে সারাদেশে তৃণমূল পর্যায়ে উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন তারা।

স্বাধীনতার পরে কালভার্ট, ব্রিজ ও স্কুলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। অর্থাৎ ধ্বংসপ্রাপ্ত একটা বাংলাদেশকে গড়ে তোলার জন্য সবকিছুতেই ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের অবদান রয়েছে। ১৯৫৪ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন তিনি তেজগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একসময় বাংলাদেশের কথা বললে ভিক্ষার ঝুলির কথা বলা হতো। সেই বাংলাদেশ আর নেই। গত ১০ বছরে বাংলাদেশের পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছি। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের সামনে উন্নয়নের রোল মডেল। এ বাংলাদেশ আগের বাংলাদেশ নয়। আমাদের একটি লক্ষ্য আছে, সেটি পূরণ করতে চাই। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পাবে। সেই পর্যন্ত আমাদের এখনকার পরিস্থিতি ধরে রাখতে হবে।

ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা দাবিগুলো যথাযথভাবে জানানোর আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাজেটের আগে যদি ইনক্রিমেন্টসহ দাবি সামনে আনা যায় তা হলে কিছু একটা সমাধানের ব্যবস্থা হয়।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতর্বষ পালনের নানা কর্মসূচির উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখন উদযাপন করবেন তখন সবচেয়ে বড় কর্মসূচি হবে পরিবেশ প্রতিবেশ রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া।

ব্যাপকহারে বৃক্ষরোপণ করুন। আপনারা সারাদেশে কাজ করেন সেটা লক্ষ্য করতে হবে। আমরা ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ছি যাতে করে কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। আমাদের দেশে বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠী বাস করে। খাদ্য উৎপাদনের পাশাপাশি বসবাসের ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা চাই একটি মানুষও যেন গৃহহীন না থাকে।

বাংলাদেশে প্রতিটি গৃহহীন মানুষ বসবাসের উপযোগী একটি ঘর পাবে মুজিববর্ষে সেটি আমাদের লক্ষ্য। স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি। মানুষের মৌলিক চাহিদা একে একে পূরণ করছি। আপনাদের কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ রক্ষা উন্নয়ন যেন ভালোভাবে হয় সেটি লক্ষ্য করবেন। অর্থনৈতিক অঞ্চল হলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের কাজের ক্ষেত্র বাড়বে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ একটা ব-দ্বীপ। প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এ দেশকে এগিয়ে নিতে আমরা ডেল্টা প্লান ২১০০ প্রণয়ন করেছি। ইতোমধ্যে অনেকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছি।

প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে যাচ্ছি। আর এর জন্য সব চেয়ে বেশি দরকার হবে দক্ষ জনগোষ্ঠী সৃষ্টি করা।

তিনি বলেন, আমরা শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজিয়েছি। একটি দেশকে গড়ে তুলতে হলে দক্ষ জনগোষ্ঠী গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে দেশের মানুষ যেন সমান তালে এগিয়ে যেতে পারে তার চেষ্টা করছি।

২০২১ থেকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, পরিকল্পনা করে কাজ করছি। ২০২১ সাল থেকে ২০৪১ সালের বাংলাদেশ কেমন হবে তার পরিকল্পনা বস্তবায়নে কাজ করছি। এ মুজিববর্ষেই প্রতিটি মানুষের বসবাস উপযোগী ঘরের ব্যবস্থা করা হবে। একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না। প্রতিটি মানুষই ঘর পাবে। জাতির পিতা এটি শুরু করেছিলেন। স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়ে যাচ্ছি। মানুষের মৌলিক অধিকার একে একে পূরণ করে যাচ্ছি।

শেখ হাসিনা বলেন, জিডিপি উন্নিত করেছি। আমাদের একটা লক্ষ্য আছে আমরা সেই লক্ষ্য পূরণ করতে চাই। আজকে আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করছি। আমরা মাথা উঁচু করে বাঁচতে চাই। আমরা স্বল্প উন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। আমরা বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় উন্নত ও সমৃদ্ধশীল দেশে রূপান্তর করব।

এ সময় দুই সিটির নির্বাচনের প্রসঙ্গে টেনে তিনি বলেন, ঢাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা। যারা নৌকায় ভোট দিয়ে উত্তর ও দক্ষিণের মেয়রদের জয়যুক্ত করেছেন তাদের ধন্যবাদ অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা।

Feb2

৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 2:50 pm
৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

চট্টগ্রামে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকের আমানতের ওপর থেকে হেয়ারকাট বা মুনাফা কর্তনের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন আমানতকারীরা।

সোমবার (২৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে শত শত ভুক্তভোগী এতে অংশ নেন।

আমানতকারীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘ দুই বছর ধরে তারা নিজেদের জমাকৃত টাকা উত্তোলন করতে পারছেন না। চিকিৎসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে না পেরে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

বিক্ষোভের সময় আমানতকারীরা বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন। এ সময় তারা হেয়ারকাট মানি না, মানব না, এক দফা, এক দাবি, হেয়ারকাট বাতিল করবি, এবং আমানত কি নিরাপদ? আপনার কষ্টের টাকা কার পকেটে? সরকার কেন চুপ? প্রশাসন কেন চুপ? এমন নানা স্লোগান দিয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আমানতকারীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান নিয়েছেন, যার একটিতে হেয়ারকাট পদ্ধতির তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা জানান, গত ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক একটি স্মারকপত্রের মাধ্যমে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকে গচ্ছিত আমানতের গত দুই বছরের মুনাফা কেটে নেওয়ার এবং তার পরিবর্তে মাত্র ৪ শতাংশ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একে আমানতকারীরা ‘হেয়ারকাট’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, এটি চুক্তিভঙ্গ এবং অমানবিক।

সমাবেশ থেকে আমানতকারীরা পাঁচটি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- বিতর্কিত হেয়ারকাট নীতি বাতিল করে চুক্তি অনুযায়ী পূর্ণ মুনাফাসহ আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়া। পাঁচটি ব্যাংকের স্বাভাবিক ব্যাংকিং লেনদেন দ্রুত চালু করা। তারল্য সংকট নিরসনে সরকারকে বিশেষ সহায়তা প্রদান করা। মেয়াদোত্তীর্ণ এফডিআর, ডিপিএস ও এমটিডিআরের অর্থ চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধ করা এবং একতরফাভাবে ঘোষিত হ্রাসকৃত মুনাফার হার প্রত্যাহার করে পূর্বের চুক্তিভিত্তিক হার বহাল রাখা।

আন্দোলনরত আমানতকারীরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, একীভূতকরণের নামে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর অধীনে এখন পাঁচটি ব্যাংকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসংগত। আমানতকারীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই এই হার চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ৭৫ লাখ পরিবারের প্রায় তিন কোটি সদস্য মারাত্মক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন।

বিক্ষোভ শেষে বেলা ১২টার দিকে আমানতকারীরা একটি মিছিল নিয়ে কোতোয়ালি মোড় হয়ে নিউ মার্কেট মোড় পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করেন।

আমানতকারীদের প্রতিনিধি দলের একজন জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের দাবির বিষয়ে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা অনেক কষ্ট করেছি। যতদিন পর্যন্ত এই হেয়ারকাট বাতিল না হবে, ততদিন আমরা আমাদের যৌক্তিক আন্দোলন চালিয়ে যাব।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন, বিক্ষোভকারীরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কর্মসূচি পালন করেছেন। কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 1:06 pm
বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

চিত্রশিল্পী ও নির্মাতা মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন। সোমবার (২৯ জুন) সকালে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যকালে তার বয়েস হয়েছিল ৯০ বছর।

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মুস্তাফা মনোয়ার। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়। কয়েক দিন আগে তার ভেন্টিলেটর সাপোর্ট খুলে নেওয়া হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবারও ভেন্টিলেটরে নেওয়া হয়।

১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। তার পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান।

দীর্ঘ কর্মজীবনে চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণ, টেলিভিশন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদান রাখেন মুস্তাফা মনোয়ার। শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।

যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 12:56 pm
যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও পানির সংকট নিরসনে জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেকোনো মূল্যে ‘তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এর ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি সরকারের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানান।

সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তিস্তা অববাহিকার অসংখ্য মানুষের জীবন-জীবিকা নদীটির পানি প্রবাহের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট এবং বর্ষাকালে তীব্র নদীভাঙনের ফলে এই অঞ্চলের মানুষকে প্রতিবছর বিপুল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।

উত্তরাঞ্চলের মানুষের এই দীর্ঘদিনের হাহাকার ও দুর্ভোগের স্থায়ী অবসান ঘটাতেই সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

এর আগে, পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সকাল ১০টা ৩১ মিনিটে এ অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।