খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সহকর্মীদের অনাস্থা; বিপাকে কুবি শিক্ষক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
সহকর্মীদের অনাস্থা; বিপাকে কুবি শিক্ষক

কুবি প্রতিনিধি : কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠা সেই ইংরেজি বিভাগের প্রধানের বিরুদ্ধে এবার লিখিতভাবে অনাস্থা প্রকাশ করেছেন তার বিভাগের সহকর্মীরা।

অভিযুক্ত ইংরেজি বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ আলী রেজওয়ান তালুকদারের বিরুদ্ধে লিখিতভাবে তার ১০ সহকর্মী শিক্ষক এই অনাস্থা ও অসহযোগিতা প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান।

বৃহস্পতিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো: আবু তাহের বরাবর দেয়া এক অনাস্থাপত্রে শিক্ষকেরা উল্লেখ করেন, ‘আমরা ইংরেজি বিভাগের নিম্ন স্বাক্ষরকারী শিক্ষকেরা জানাচ্ছি যে আমরা অত্র বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আলী রেজওয়ান তালুকদারের বিরুদ্ধে কতিপয় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে পূর্ণ অনাস্থা জ্ঞাপন ও অসহযোগিতা প্রকাশ করছি।’

অভিযোগসমূহের মাঝে শিক্ষকেরা উল্লেখ করেন, ‘গত ১৫ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে সন্ধ্যাকালীন কোর্সের শিক্ষার্থীর সাথে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠার পর তিনি গত ১৯ জানুয়ারি কুমিল্লা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি বিভাগের তিনজন শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অপমানজক মন্তব্য করেন এবং একজনকে ইন্ধনদাতা হিসেবে উল্লেখ করেন। তার বেশিরভাগ বক্তব্যই ছিলো বানোয়াট ও মানহানিকর। আমরা মনে করি এতে তিনি অত্র বিভাগের মান-সম্মান ও ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করেছেন। তার এই আচরণে আমরা ক্ষুব্ধ। পাশাপাশি তিনি কখন কার বিরুদ্ধে কি অভিযোগ দিয়ে বসেন তা ভেবে নিজেরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

ওই শিক্ষকেরা আরও উল্লেখ করেন, গত ২১ জানুয়ারি অত্র বিভাগের একাডেমিং কাউন্সিলের মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভিযুক্ত শিক্ষকের নতুন আরেকটি সংবাদ সম্মেলন করে ওই দুই শিক্ষকের কাছে জনসম্মুখে ক্ষমা চাওয়ার কথা। পাশাপাশি সংবাদ সম্মেলনে তার দেয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে নেয়ার কথা। কিন্তু তিনি তা করেননি। বিভাগীয় প্রধান হিসেবে একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করার প্রতিবাদ জানান তারা। এছাড়াও আরো কয়েকটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনে তারা অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।

এদিকে গত ২০ ও ২১ জানুয়ারি ইংরেজি বিভাগের প্রধানের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ এনে পৃথকভাবে লিখিত অভিযোগ করেন একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহা: হাবিবুর রহমান এবং সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আকবর হোসেন। তবে অভিযোগ দেওয়ার দুই সপ্তাহ পার হলেও এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী শিক্ষকদের।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষক মোহাম্মদ আকবর হোসেন জানান, ‘আমরা দুজন শিক্ষক যে মানহানির অভিযোগ করেছিলাম সে ব্যাপারেও এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, এমনকি তদন্ত কমিটিও হয়নি। দুজন শিক্ষকের মান-মর্যাদার বিষয় যেখানে সম্পৃক্ত সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যবস্থা কেন নিচ্ছে না তা নিয়ে আমরা চিন্তিত।’

জানতে চাইলে ভুক্তভোগী অপর শিক্ষক ড. মোহা: হাবিবুর রহমান জানান, ‘আমরা অভিযোগ দেওয়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যবস্থা নিবেন জানিয়েছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার জানিয়েছেন যে সমাবর্তনের ব্যস্ততায় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়নি। এখন দেখবেন।’

বিভাগীয় প্রধানের প্রতি অনাস্থা প্রসঙ্গে বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আকবর হোসেন জানান, ‘বিভাগীয় প্রধানের প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন করে এবং এ ব্যাপারে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে বিভাগের ১০ জন শিক্ষকের স্বাক্ষরিত অভিযোগ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দেওয়া হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার ও প্রতিকার চাই।’

বক্তব্য জানতে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক ইংরেজি বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ আলী রেজওয়ান তালুকদার বলেন, ‘আমি এই অনাস্থা জ্ঞাপনের ব্যাপারে অফিসিয়ালি কিছু জানি না। কেউ আমাকে ইনফর্ম করেনি।’

এসব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো: আবু তাহের বলেন, ‘ইংরেজি বিভাগের শিক্ষকদের থেকে বিভাগীয় প্রধানের প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন এবং ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন পেয়েছি। বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে যদি বিভাগের সকল শিক্ষক অনাস্থা দেখান তাহলে তো এটা উদ্বেগের বিষয়। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ প্রসঙ্গটিও তদন্তাধীন রয়েছে। বিভাগের শিক্ষকরা এ নিয়ে উপাচার্যের সাথেও দেখা করেছেন। রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হতে পারে।’

দুই শিক্ষকের করা মানহানির অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘সমাবর্তনের ব্যস্ততায় ব্যাপারটি নিয়ে কথা বলা যায়নি। এটিও রবিবার কার্যবিধিতে থাকবে।’

Feb2

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’