খুঁজুন
, ,

সহকর্মীদের অনাস্থা; বিপাকে কুবি শিক্ষক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 7 February, 2020, 6:38 pm
সহকর্মীদের অনাস্থা; বিপাকে কুবি শিক্ষক

কুবি প্রতিনিধি : কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠা সেই ইংরেজি বিভাগের প্রধানের বিরুদ্ধে এবার লিখিতভাবে অনাস্থা প্রকাশ করেছেন তার বিভাগের সহকর্মীরা।

অভিযুক্ত ইংরেজি বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ আলী রেজওয়ান তালুকদারের বিরুদ্ধে লিখিতভাবে তার ১০ সহকর্মী শিক্ষক এই অনাস্থা ও অসহযোগিতা প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান।

বৃহস্পতিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো: আবু তাহের বরাবর দেয়া এক অনাস্থাপত্রে শিক্ষকেরা উল্লেখ করেন, ‘আমরা ইংরেজি বিভাগের নিম্ন স্বাক্ষরকারী শিক্ষকেরা জানাচ্ছি যে আমরা অত্র বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আলী রেজওয়ান তালুকদারের বিরুদ্ধে কতিপয় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে পূর্ণ অনাস্থা জ্ঞাপন ও অসহযোগিতা প্রকাশ করছি।’

অভিযোগসমূহের মাঝে শিক্ষকেরা উল্লেখ করেন, ‘গত ১৫ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে সন্ধ্যাকালীন কোর্সের শিক্ষার্থীর সাথে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠার পর তিনি গত ১৯ জানুয়ারি কুমিল্লা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি বিভাগের তিনজন শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অপমানজক মন্তব্য করেন এবং একজনকে ইন্ধনদাতা হিসেবে উল্লেখ করেন। তার বেশিরভাগ বক্তব্যই ছিলো বানোয়াট ও মানহানিকর। আমরা মনে করি এতে তিনি অত্র বিভাগের মান-সম্মান ও ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করেছেন। তার এই আচরণে আমরা ক্ষুব্ধ। পাশাপাশি তিনি কখন কার বিরুদ্ধে কি অভিযোগ দিয়ে বসেন তা ভেবে নিজেরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

ওই শিক্ষকেরা আরও উল্লেখ করেন, গত ২১ জানুয়ারি অত্র বিভাগের একাডেমিং কাউন্সিলের মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভিযুক্ত শিক্ষকের নতুন আরেকটি সংবাদ সম্মেলন করে ওই দুই শিক্ষকের কাছে জনসম্মুখে ক্ষমা চাওয়ার কথা। পাশাপাশি সংবাদ সম্মেলনে তার দেয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে নেয়ার কথা। কিন্তু তিনি তা করেননি। বিভাগীয় প্রধান হিসেবে একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করার প্রতিবাদ জানান তারা। এছাড়াও আরো কয়েকটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনে তারা অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।

এদিকে গত ২০ ও ২১ জানুয়ারি ইংরেজি বিভাগের প্রধানের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ এনে পৃথকভাবে লিখিত অভিযোগ করেন একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহা: হাবিবুর রহমান এবং সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আকবর হোসেন। তবে অভিযোগ দেওয়ার দুই সপ্তাহ পার হলেও এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী শিক্ষকদের।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষক মোহাম্মদ আকবর হোসেন জানান, ‘আমরা দুজন শিক্ষক যে মানহানির অভিযোগ করেছিলাম সে ব্যাপারেও এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, এমনকি তদন্ত কমিটিও হয়নি। দুজন শিক্ষকের মান-মর্যাদার বিষয় যেখানে সম্পৃক্ত সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যবস্থা কেন নিচ্ছে না তা নিয়ে আমরা চিন্তিত।’

জানতে চাইলে ভুক্তভোগী অপর শিক্ষক ড. মোহা: হাবিবুর রহমান জানান, ‘আমরা অভিযোগ দেওয়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যবস্থা নিবেন জানিয়েছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার জানিয়েছেন যে সমাবর্তনের ব্যস্ততায় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়নি। এখন দেখবেন।’

বিভাগীয় প্রধানের প্রতি অনাস্থা প্রসঙ্গে বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আকবর হোসেন জানান, ‘বিভাগীয় প্রধানের প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন করে এবং এ ব্যাপারে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে বিভাগের ১০ জন শিক্ষকের স্বাক্ষরিত অভিযোগ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দেওয়া হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার ও প্রতিকার চাই।’

বক্তব্য জানতে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক ইংরেজি বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ আলী রেজওয়ান তালুকদার বলেন, ‘আমি এই অনাস্থা জ্ঞাপনের ব্যাপারে অফিসিয়ালি কিছু জানি না। কেউ আমাকে ইনফর্ম করেনি।’

এসব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো: আবু তাহের বলেন, ‘ইংরেজি বিভাগের শিক্ষকদের থেকে বিভাগীয় প্রধানের প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন এবং ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন পেয়েছি। বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে যদি বিভাগের সকল শিক্ষক অনাস্থা দেখান তাহলে তো এটা উদ্বেগের বিষয়। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ প্রসঙ্গটিও তদন্তাধীন রয়েছে। বিভাগের শিক্ষকরা এ নিয়ে উপাচার্যের সাথেও দেখা করেছেন। রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হতে পারে।’

দুই শিক্ষকের করা মানহানির অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘সমাবর্তনের ব্যস্ততায় ব্যাপারটি নিয়ে কথা বলা যায়নি। এটিও রবিবার কার্যবিধিতে থাকবে।’

Feb2
Feb2

১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা স্থগিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 7:54 pm
১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা স্থগিত

চলমান বন্যা পরিস্থিতির কারণে আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সব জেলার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

চট্টগ্রাম বোর্ডের জেলাগুলো হলো- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি।

শনিবার (১০ জুলাই) বিকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটিতে বন্যায় সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, স্থানীয় প্রশাসন, স্থানীয় এমপি ও দলীয় সকল সংগঠনের নেতাকর্মীদের ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এরই মধ্যে ত্রাণ বাবদ ২ কোটি টাকা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এছাড়াও উদ্ধার কার্যক্রমে নিয়োজিত রাখা হয়েছে বিজিবি, সেনাবাহিনী, কোস্ট গার্ডসহ সরকারি বিভিন্ন বাহিনীকে। প্রস্তুত করা হয়েছে ১ হাজারের বেশি আশ্রয়কেন্দ্র। আশ্রয়কেন্দ্রে ওষুধ, স্যানিটেশনসহ স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলার নানা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানান ড. মাহদী আমিন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, সরকার দায়বদ্ধতা ও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

এর আগে, শুক্রবার বৈরী আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন সব জেলার শনিবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

দুর্যোগের পর থেকেই কোথায় কী লাগবে, সবই জানছেন প্রধানমন্ত্রী: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 7:13 pm
দুর্যোগের পর থেকেই কোথায় কী লাগবে, সবই জানছেন প্রধানমন্ত্রী: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

দুর্যোগের শুরু থেকেই চট্টগ্রামের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী এবং বন্যাদুর্গত মানুষের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে৷ চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার রশিদের পুকুর এলাকায় বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনাদের দুর্যোগ শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন। কোথায় কী লাগবে, কী প্রয়োজন—সবকিছু তিনি জানেন। গতকালও তিনি আমাকে বলেছেন, আপনি সেখানে যান, কী কী লাগবে দেখে আসেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী আমি আজ আপনাদের মাঝে এসেছি।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে আপনাদের খোঁজ নিতে পাঠিয়েছেন। আমরা এমন একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি, যিনি দেশের মানুষের কল্যাণে ২৪ ঘণ্টাই চিন্তা করেন। সরকার যে কোনো দুর্যোগে আপনাদের পাশে আছে। আপনাদের জন্য যা যা প্রয়োজন, সরকার তা দিতে প্রস্তুত।

এম ইকবাল হোসেইন বলেন, বন্যাদুর্গত মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনেও সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কাজ করবে সরকার: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:38 pm
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কাজ করবে সরকার: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী

বন্যাকবলিত মানুষের পাশে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

পাহাড় ধসের ঝুঁকি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা করছে সরকার। এ লক্ষ্যে সরকারি খাসজমি ও পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবহার করা যায় কি না, তা বিবেচনা করা হচ্ছে।

নির্বিচারে পাহাড় কাটা ও বন উজাড়ের কারণে ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ছে। প্রকৃতির স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হলে এর বিরূপ প্রভাব পড়বেই।

বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনীয় ওষুধ মজুদ রয়েছে। সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সম্ভাব্য রোগব্যাধি প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করবে। কৃষি উৎপাদন পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি সচল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শিশু খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী শিশু খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানির সংকট মোকাবিলায় পানি পরিশোধন যন্ত্র ও বোতলজাত পানি সরবরাহের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, স্বাস্থ্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভায় বন্যাকবলিত জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি ও করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।