খুঁজুন
, ,

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফির শেষ ওয়ানডে সিরিজ : পাপন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 19 February, 2020, 7:38 pm
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফির শেষ ওয়ানডে সিরিজ : পাপন

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের(বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন আজ জানিয়ে দিলেন- জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজে খেলবেন মাশরাফি বিন মর্তুজা এবং অধিনায়ক হিসেবে এটাই তার শেষ সিরিজ।

সিলেটে পহেলা মার্চ থেকে শুরু হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শেষে সীমিত ওভারের জন্য নতুন অধিনায়ক খুঁজবে বিসিবি।

নতুন অধিনায়কের অধীনে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপকে লক্ষ্য করে নতুনভাবে দল ঘোছাতে চায় বিসিবি।

পাপন বলেন, ‘পরের ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আমাদের নতুনভাবে দল ঘোছানো দরকার। এ জন্য আমাদের একজন অধিনায়ক দরকার। বিশ্বকাপে যাবার আগে নতুন অধিনায়কের অধীনে আমরা অন্তত দু’বছর খেলতে চাই। তাই খুব শীঘ্রই আমরা নতুন অধিনায়কের নাম ঘোষনা করবো। পরবর্তী বোর্ড সভায় সিদ্বান্ত নেয়া হতে পারে।’

পাপন এটিও স্পষ্ট করেছেন, খেলোয়াড় হিসেবে খেলবেন কি-না বা অবসর নিবেন এটি সম্পূর্ণ মাশরাফি সিদ্বান্ত। কিন্তু সে যদি ক্রিকেট চালিয়ে যেতে চায় , তবে অন্য খেলোয়াড়ের মত তাকেও পারফরমেন্স প্রদর্শন করতে হবে।

পাপন বলেন, ‘যদি সে খেলতে চায়, সে খেলতে পারবে। আসল হলো, তার পারফরমেন্স। এই মূর্হুতে আমরা শুধুমাত্র অধিনায়কত্ব নিয়ে ভাবছি।

আমরা দেখেছি, জনপ্রিয় খেলোয়াড়রা কোন সিরিজ শুরুর আগে তাদের অবসর ঘোষনা করেন। মাশরাফিকে ভালোভাবে বিদায় দেয়ার ইচ্ছা আমাদেরও ছিলো, কিন্তু সে তা তেমনটি চান না।

ইংল্যান্ডে ওয়ানডে বিশ্বকাপের পরই অবসর নেয়ার পরিকল্পনা ছিলো মাশরাফির। কিন্তু বিসিবি চেয়েছিলো, দেশের ক্রিকেটে বড় অবদানের জন্য মাশরাফিকে ভালোভাবে বিদায় দিতে।

ওয়ানডে বিশ্বকাপে ৮ ম্যাচে মাত্র ১ উইকেট শিকার করেন মাশরাফি। এতেই তার ক্যারিয়ার নিয়ে প্রশ্ন উঠে। এটি পরিস্কার যে, বিসিবি চেয়েছিলো ওয়ানডে থেকে মাশরাফি অবসর নেন। একমাত্র ওয়ানডে ফরম্যাটেই খেলে থাকেন ম্যাশ।

কিন্তু অবসর নিয়ে মাশরাফি চুপ ছিলেন। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে বিশ্বকাপের পর শ্রীলংকা সফরে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ থেকে ছিটকে পড়েন ম্যাশ।

শ্রীলংকা সফরের পর আর কোন ওয়ানডে খেলেনি বাংলাদেশ। তবে সম্প্রতি মুখ খুলেন মাশরাফি। গত বিপিএলে তিনি বলেন, এই মূর্হুতে অবসরের কোন চিন্তা তার নেই। জাতীয় দলে খেলার জন্য ফিটনেস প্রমান করতে চান। অবসর নিয়ে বিসিবি যে ফেয়ারওয়েল দিতে চায়, তার প্রতি কোন আগ্রহ নেই মাশরাফির।

কিছুদিন আগে, মাশরাফি ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনায় বসেছিলেন পাপন ও কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো।

আজ বিসিবি অফিসে জাতীয় দলের সিনিয়র তিন খেলোয়াড় তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও মোমিনুল হকের সাথে আলোচনায় বসেন পাপন।

আলোচনা শেষে পাপন জানান, অধিনায়ক হিসেবে শেষ ওয়ানডে সিরিজ খেলবেন মাশরাফি।

পাপন বলেন, ‘আমরা জানি, ভবিষ্যতের জন্য সিদ্বান্ত নেয়ার সময় এসেছে। আমি মনে করি, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে মাশরাফি খেলবেন এবং সে দলে থাকবেন, তবে ফিটনেস সাপেক্ষে। তবে সে যদি ফিট না হন, তবে তা অন্য বিষয়।’

‘সে এখনও বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক এবং অধিনায়ক হিসেবে দলে খেলবেন।’

পাপন বলেন, এই মূর্হুতে মাশরাফির মত অধিনায়ক পাওয়া অনেক কঠিন। তিনি বলেন, ‘এই মূর্হুতে, মাশরাফির মত নেতৃত্ব দেয়ার মত আমাদের কেউই নেই। এটিই সত্যি এবং আমরা এটিই বারবার বলছি।’

তবে বিপ টেস্টে মাশরাফির উর্ত্তীন হওয়া নিয়ে শঙ্কিত বিসিবি প্রধান। এটি এমন একটি পরীক্ষা, যা খেলোয়াড়দের ফিটনেস নির্ধারন করে।

পাপন বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমাদের ক্রিকেটে কিছু পরিবর্তন এসেছে। আমরা খেলোয়াড়দের ফিটনেস নির্ধারনের জন্য বিপ টেস্ট চালু করেছি। মাশরাফি বিপ টেস্টে উর্ত্তীন নাও করতে পারেন। একই সাথে, আমাদের দেশের ক্রিকেটের জন্য তার অবদানের কথা মনে রাখতে হবে। তার অধিনায়কত্ব আমাদের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য তার বিপ টেস্ট আমরা শিথিল করেছি।’

Feb2
Feb2

নেপালে শতাধিক বিদেশি পর্যটকসহ নিখোঁজ ৪০০, নিহত ৫৫

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 26 August, 2026, 7:59 pm
নেপালে শতাধিক বিদেশি পর্যটকসহ নিখোঁজ ৪০০, নিহত ৫৫

নেপালে আকস্মিক বন্যায় ৪০০ জন পর্যটক নিখোঁজের খবর পাওয়া গেছে। দেশটির ট্যুরিজম বোর্ডের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, নিখোঁজদের মধ্যে ২৯১ জনই বিদেশি নাগরিক। ১০৫ জন ভারতীয় এবং ১১১ জনের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শনাক্ত হওয়া বাকিদের মধ্যে নেপালের স্থানীয়, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়াসহ কয়েকটি দেশের নাগরিক আছেন।

স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে রাত সাড়ে ৭টার পর বার্তা সংস্থা রয়টার্স ৫৫ জন নিহতের তথ্য দিয়েছে। নিখোঁজ ও হতাহতের সংখ্যা নিয়মিত বাড়ছে। এই বন্যায় প্রতিবেশী তিব্বতেও ‘ব্যাপক হতাহতের’ খবর দিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভি। দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিব্বতে কৈলাস মানসসরোবরে যাওয়া প্রায় ৪০০ তীর্থযাত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।

বুধবার ভোরে আকস্মিক বন্যায় নেপালের রাসুওয়া জেলায় চীন সীমান্তবর্তী এলাকার কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়। সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল প্রাথমিক তথ্যের বরাত দিয়ে পার্লামেন্টে জানিয়েছেন, হিমালয় ঘেঁষা চীন-নেপাল সীমান্তবর্তী এলাকায় সকালে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এরপর শুরু হয় তুষারধস। সেখান থেকে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে তিব্বত অঞ্চলে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। শিশির খানাল জানান, তাঁর দেশ চীনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। এখন পর্যন্ত ২৬ পুলিশ সদস্য, ৯ জন সশস্ত্র পুলিশ সদস্য এবং ৪৪ জন সামরিক সদস্য নিখোঁজ আছেন।

এদিকে দ্য কাঠমান্ডু পোস্টকে কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও জলবায়ু গবেষক রিজন ভক্ত কায়স্থ জানিয়েছেন, প্রাথমিক মূল্যায়নে ধারণা করা হচ্ছে, তুষারধস লহেন্দে নদীর প্রবাহ আটকে দিলে ভোতেকোশি নদীতে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। একই সময় ভূমিকম্পও অনুভূত হয়।

নেপাল পুলিশ ও এএফপির প্রকাশ করা ছবিতে দেখা যায়, নদীর প্রবল স্রোত আশপাশের বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কাদামাটির মধ্যে একটি বাড়ির শুধু ওপরের তলা বেরিয়ে আছে। নেপালের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় তারা হেলিকপ্টার ও দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশিক্ষিত সদস্যদের পাঠিয়েছে।

জলবিদ্যুৎ ও সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ প্রায় ৪৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা জানিয়েছে নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। বেশ কয়েকটি মহাসড়কও বন্ধ হয়ে গেছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, নেপালের অংশে বন্যার কারণে তিব্বতের গিরং বন্দরে ব্যাপক হতাহত ও বহু মানুষ নিখোঁজ হয়েছে। সিনহুয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সর্বাত্মক উদ্ধার অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তবে এসব প্রতিবেদনে তিব্বতে আহত বা নিহতের সংখ্যা জানানো হয়নি।

বম্বে সুইটসের মসলা ও বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 26 August, 2026, 6:24 pm
বম্বে সুইটসের মসলা ও বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় বাংলাদেশ মান (বিডিএস) অনুযায়ী নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বম্বে সুইটসের মসলা ও বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০টি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। একই সঙ্গে এসব পণ্যের অনুকূলে দেওয়া বিএসটিআই লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষায় নিম্নমানের প্রমাণিত হওয়ায় এসব পণ্য না কেনার জন্য ভোক্তাদের পরামর্শ দিয়েছে বিএসটিআই।

আজ বুধবার বিএসটিআই জানিয়েছে, নিয়মিত সার্ভিল্যান্স কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সম্প্রতি বাজার থেকে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য সংগ্রহ করে নিজস্ব অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। এতে বেশ কিছু পণ্যের মান সঠিক পাওয়া গেলেও কয়েকটি ব্র্যান্ডের ঘি, বাটার অয়েল ও মসলা নির্ধারিত মান পূরণে ব্যর্থ হয়।

বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় বাঘাবাড়ি ব্র্যান্ডের ঘিতে মিল্ক ফ্যাট পাওয়া যায়নি। পাম অলিন ও বনস্পতি ব্যবহার করে তা ‘ঘি’ নামে বাজারজাত করার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ ছাড়া বম্বে সুইটস অ্যান্ড কোং লিমিটেডের উৎপাদিত কারি পাউডার হাঁসের মাংসের মসলা, তেহারি মসলা, কালা ভুনা মসলা, গরুর মাংসের মসলা ও মাছের মসলা পরীক্ষায় বাংলাদেশ মান অনুযায়ী অকৃতকার্য হয়েছে। এসব মসলায় মোট অ্যাশ ও লবণের মাত্রা নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে।

নিম্নমানের ঘি ও বাটার অয়েলের তালিকায় রয়েছে বাঘাবাড়ি প্রিমিয়াম ঘি কোম্পানির ‘বাঘাবাড়ি’ ব্র্যান্ডের ঘি, কিশোরগঞ্জ ফুড প্রোডাক্টসের ‘অরুন বাঘাবাড়ী’ ব্র্যান্ডের ঘি, মেসার্স মামুন ফুড প্রোডাক্টের ‘নিউ রাঁধুনী’ ও ‘সিটি’ ব্র্যান্ডের ঘি এবং এলডার্স ফুড প্রোডাক্টস অ্যান্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজের ‘এলডার্স’ ব্র্যান্ডের বাটার অয়েল।

পরীক্ষায় এসব ঘি ও বাটার অয়েলে রিফ্র্যাক্টিভ ইনডেক্স, আয়োডিন ভ্যালু, স্যাপোনিফিকেশন ভ্যালু ও পলেন্সকে ভ্যালু নির্ধারিত সীমার বাইরে পাওয়া গেছে।

বিএসটিআই মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, জাতীয় মান অনুযায়ী পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখা প্রতিটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের আইনগত ও নৈতিক দায়িত্ব। কোনো প্রতিষ্ঠান এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বিএসটিআই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

তিনি বলেন, পণ্যের মান সনদ দেওয়ার পাশাপাশি নকল ও ভেজাল রোধে সার্ভিল্যান্সের মাধ্যমে বিএসটিআইয়ের কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

পণ্য কেনার আগে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন, লাইসেন্স নম্বর, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, পণ্যের উপাদানসহ প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করতে ভোক্তাদের পরামর্শ দিয়েছেন মহাপরিচালক।

জুলুসে জনসমুদ্র চট্টগ্রাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 26 August, 2026, 2:35 pm
জুলুসে জনসমুদ্র চট্টগ্রাম

লাখো মানুষের অংশগ্রহণে জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে জশনে জুলুস। ৫৫তম জশনে জুলুসে নেতৃত্ব দিয়েঠেন পাকিস্তানের দরবারে সিরিকোটের সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ (ম.জি.আ.)। সঙ্গে ছিলেন সাহেবজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ (ম.জি.আ.) ও শাহজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আকিব আহমেদ শাহ (ম.জি.আ)।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঐতিহ্যের জশনে জুলুস শুরু হয়।

ভিড় পেরিয়ে সেই জুলুস অপরপ্রান্ত টাইগারপাসে পৌঁছে দুপুর সাড়ে ১২টায়। এ সময় আকাশ মেঘে ছেয়ে যায়, ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি শুরু হয়।

বৃষ্টিতে ভিজেই হুজুর কেবলার গাড়ি অনুসরণ করে জুলুস। আবার একই পথে ফিরে যায় জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা মাঠে।

জুলুস অংশগ্রহণকারী ও পথচারীদের পানি, শরবত, খেজুর, কলা, বিরিয়ানি বিতরণ করছেন বিভিন্ন সংগঠন ও আগ্রহী মানুষেরা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বাইরে প্রায় ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক জলুসের শৃঙ্খলা ও ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালন করেছেন। জুলুস চলাকালে লালখান বাজার-মুরাদপুর ফ্লাইওভার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ছিল।

জুলুসের কারণে বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে বাস, ট্রাক, পিকআপ, মোটরসাইকেলে আশেকরা আসেন নগরে। স্বাভাবিকভাবেই কিছু সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়।

১৯৭৪ সাল থেকে প্রতিবছর ১২ রবিউল আউয়াল আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রাম নগরে এ জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

পীর আল্লামা সাবির শাহ বলেন, প্রিয় নবীর আগমনে খুশি উদযাপন করা কোরআন, হাদিস দ্বারা স্বীকৃত। আল্লাহ নেয়ামত প্রাপ্তিতে আনন্দ তথা ঈদ উদযাপন করতে বলেছেন। তাই সর্বকালের, সর্বশ্রেষ্ঠ নবী মুহাম্মদ (দ) প্রত্যেক সৃষ্টির জন্য নেয়ামত। জশনে জুলুস এমন একটা কর্মসূচি যেখানে শরীয়ত বিরোধী কোনো কাজ হয় না। কোরআন তেলাওয়াত, নাতে রাসুল (দ) পাঠ, রাসুলের সীরাত আলোচনা হয় এখানে। তাই ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন করতে পারা ভাগ্যের ব্যাপার।

জুলুসে আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মনজুর আলম, সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, এডিশনাল সেক্রেটারি আলহাজ শামসুদ্দিন, ফাইন্যান্স সেক্রেটারি মোহাম্মদ কমর উদ্দীন (সবুর), প্রেস এন্ড পাবলিকেশন সেক্রেটারি মোহাম্মদ গোলাম মহিউদ্দীন, ক্যাবিনেট মেম্বার পেয়ার মোহাম্মদ, মাহমুদ নেওয়াজ, মহিউদ্দিন খোকনসহ গাউসিয়া কমিটির নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।