খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে হিন্দু ছাত্রী অপহরণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করার হুমকি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে হিন্দু ছাত্রী অপহরণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করার হুমকি

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুরে কলেজ পড়ুয়া এক হিন্দু ছাত্রীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়ার হুমকি প্রদানের অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারী) রাতে ওই ছাত্রীর ভাই এ ঘটনায় হরিপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার মোহা. মনিরুজ্জামান (পিপিএম-সেবা) বলেন, এ ঘটনায় ৫ জনকে আসামী করে হরিপুর থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের হয়েছে।

এখনো আসামী ধরা না পড়লেও খুব দ্রুত তাদের গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার বরমপুর গ্রামের সোনাই চন্দ্র সিংহের এইচএসসি পড়ুয়া মেয়ে অনিতা রাণী (১৭) একই উপজেলার যুবক খামার (স্কুলপাড়া) গ্রামের মৃত বেলাল হোসেনের ছেলে জিয়াউর রহমান (২৩) এর কাছে প্রাইভেট পড়তো। এ সুবাদে ১৭ ফেব্রুয়ারী সকালে অনিতা রাণী কলেজ যাওয়ার পথে পূর্ব পরিচিত হওয়ায় জিয়াউর রহমান তার পথরোধ করে ফুসলিয়ে অজ্ঞাতনামা ৪/৫জনকে সাথে নিয়ে তাকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়।

পরে বিকেল চারটা পেরিয়ে গেলেও অনিতা রাণী বাড়িতে না ফিরে আসায় পরিবারের লোকজন তাকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করে।

পরে মামলার সাক্ষী ও স্থানীয় লাল বিহারী, বিমল, দিলিপ এদের মাধ্যমে অপহরণের বিষয়টি নিশ্চিত হয় অনিতার পরিবার।

পরবর্তীতে অপহরণকারি জিয়াউর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে মেয়েকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করার হুমকিসহ মামলা-মোকদ্দমা করলে অনিতাকে মেরে তার লাশ গুম করার হুমকি দেয় সে।

মামলার বাদী সত্যেন্দ্র নাথ রায় বলেন, “আমরা খুবই গরীব মানুষ। কৃষিকাজ করে কোন রকম সংসার চালাই। জিয়াউর আমার সহজ-সরল বোনটির এতোবড় ক্ষতি করবে তা কখনো কল্পনাও করিনি। আমি আমার বোনকে ফিরে পেতে সকলের সহযোগিতা চাই এবং এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।”

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…