খুঁজুন
, ,

পারিবারিক কবরস্থানে আবরারের দাফন সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 October, 2019, 11:28 am
পারিবারিক কবরস্থানে আবরারের দাফন সম্পন্ন

.jpg

বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার রায়ডাঙ্গা গ্রামে দাফন করা হয়েছে।

এদিকে, আবরারের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষুব্ধ কয়েক শ মানুষ এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন। তারা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে খুনিদের বিচার ও ফাঁসির দাবি জানান।

সকাল সাড়ে ৫টার দিকে আবরারের মরদেহ ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই রোডের বাসায় পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে বাতাস। মেধাবী এ শিক্ষার্থীকে এক নজর দেখার জন্য এলাকাবাসীসহ শত শত মানুষ ভিড় জমান। এ সময় অনেকে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।

সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আল ইকরা জামে মসজিদের সামনে আবরারের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। কয়েক শ মানুষ এতে অংশ নেন। পরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আবরারের মরদেহ গ্রামের বাড়ি কুমারখালী উপজেলার রায়ডাঙ্গা গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সকাল ১০টার দিকে রায়ডাঙ্গা কবরস্থানে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় সহস্রাধিক মানুষ জানাজায় অংশ নেন।

জানাজা শেষ হওয়া মাত্রই বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রাস্তায় নেমে আসেন এবং বিক্ষোভ দেখান। তারা আবরার হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারসহ ফাঁসির দাবি জানান।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রায়ডাঙ্গা কবরস্থানে আবরারকে দাফন করা হয়।

বুয়েটের ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরারকে (২১) রবিবার রাত ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা হলের সিঁড়ি থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে ছাত্র শিবিরের সাথে সম্পর্ক থাকার সন্দেহে আবরারকে হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে নিয়ে মারধর করেন ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী। এ ঘটনায় সিটিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা নিয়ে পুলিশ ছাত্রলীগের নয় নেতা-কর্মীকে আটক করেছে।

Feb2
Feb2

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উন্মোচন করবে ফ্যাসিবাদের মুখোশ: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 August, 2026, 12:38 pm
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উন্মোচন করবে ফ্যাসিবাদের মুখোশ: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উন্মোচন করবে ফ্যাসিবাদের মুখোশ। আজকের দিন বাংলাদেশের যুগান্তকারী গণতান্ত্রিক ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে। নতুন দেশ গড়তে নতুন যাত্রাপথ রচনা করবে।

বুধবার (৫ আগস্ট) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সম্বলিত জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী শাসন আমলে গুম, খুন, অপহরণকে স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত করা হয়েছিল। দেড় দশকের নৃশংসতা শুধুমাত্র স্বাধীনতা পরবর্তী দুঃশাসনের সঙ্গে তুলনা চলে।’

জুলাই জাদুঘরে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস সংরক্ষিত থাকা জরুরী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জুলাই জাদুঘর জনগণের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ, বেদনা সাহস, গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে জাতীয় স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে ধারণ করার এক ঐতিহাসিক উদ্যোগ।

এ সময় তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে কেউ কেউ অহেতুক ইস্যু তৈরি করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টা তৈরি করছে। এতে নিজেদের অজান্তেই পরাজিত স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের পথ সুগম করছে কিনা ভেবে দেখা প্রয়োজন।’

তিনি আরও বলেন, ‘শহিদ জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ইতিহাস জুলাই জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম উপকৃত হবে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, ২৪ গণঅভ্যুত্থান দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। মুক্তিযুদ্ধের মতো চব্বিশের শহিদদের কখনো ভুলবে না দেশের জনগণ।’

বিচারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অপরাধীদের বিচার হবে। আইনের শাসন নিশ্চিত করার জন্যই প্রতিটি বিচার হওয়া জরুরি।’

জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আহতদের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ৫০ জুলাইযোদ্ধাদের বিদেশে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ১৩ হাজারের বেশি জুলাইযোদ্ধাদের ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভাতা দেওয়া হচ্ছে। জুলাইযোদ্ধাদের সহায়তার বিষয়ে সরকার আন্তরিক।’

দেশ আর কখনো তাবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শহীদদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ৩১ দফার পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে সরকার।’

এ সময় গণতন্ত্র ও জনগণের পক্ষে অবস্থান গ্রহণের জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 August, 2026, 12:00 pm
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাদুঘরের ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ জাদুঘরটি বিশেষ অতিথি ও জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) থেকে এটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি, সংরক্ষিত নিদর্শন, আলোকচিত্র, দলিলপত্র ও স্মারক পরিদর্শন করেন।

জাদুঘরে প্রবেশের জন্য অনলাইনে টিকিট সংগ্রহের ব্যবস্থা থাকবে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য টিকিটের মূল্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর এই জাদুঘর উদ্বোধনের কথা জানান সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। একইসঙ্গে বৃহস্পতিবার থেকে সাধারণ জনগণের জন্য এটা উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় মাইলফলক জুলাই গণঅভ্যুত্থান-এর গৌরবময় স্মৃতি সংরক্ষণ, সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং শহীদ ও জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের স্মারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারকে ৮ লক্ষ টাকা দিলেন মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 9:43 pm
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারকে ৮ লক্ষ টাকা দিলেন মেয়র

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট চট্টগ্রামের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম জিয়া স্মৃতি জাদুঘর মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট চট্টগ্রামের আহ্বায়ক দিলশাদ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের মহাসচিব রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের যুগ্ম মহাসচিব, কবি ও অভিনেতা এবিএম সোহেল রশিদ, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহ্বায়ক জাহিদুল করিম কচি এবং সদস্য সচিব ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী। প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর এস এম নছরুল কদির।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন তার নিজস্ব তহবিল থেকে প্রতি পরিবারকে এক লক্ষ টাকা করে আটটি পরিবারকে ৮ লক্ষ টাকা প্রদান করেন।

পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেশাত্মবোধক গান, কবিতা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

মেয়র তাঁর বক্তব্যে বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের আত্মত্যাগ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। যারা দেশের মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র ও একটি সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য জীবন দিয়েছেন, তাদের অবদান কখনো বিস্মৃত হওয়ার নয়। তাদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানো এবং শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য, আত্মত্যাগ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও চেতনা তুলে ধরতে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধান বক্তা তার বক্তব্যে বলেন, সাংস্কৃতিক ফ্যাসিস্টরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, যেকোনো মূল্যে তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে

এসময় উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক খন্দকার বেলায়েত হোসেন, প্রিন্সিপাল মো. শাহ আলমগীর, বিএনপি নেতা গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, ডা. মোহাম্মদ ঈসা চৌধুরী, ডা. জুবায়ের আল মাহমুদ, ইঞ্জিনিয়ার কামরুজ্জামান, তৌহিদুল ইসলাম রানা, ফৌজিয়া শারমিন সম্পা ,ডা. হারুন, নাদিয়া তাসনিম নিপা, সায়মন, শিহাব রিয়াদ, রিয়াদ মাহমুদ, আশরাফুল ইসলাম টিটু, ইলিয়াস ইলু, এস আই জুয়েল , মোহাম্মদ ফোরকান, ডা. রায়হান, অভি প্রমুখ।