খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ের বাজারে রসালো ফল তরমুজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ের বাজারে রসালো ফল তরমুজ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের বাজারে এসেছে গ্রীষ্মকালীন রসালো ফল তরমুজ। কিন্তু দাম বেশি থাকার কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে ফলটি। বছরের নতুন ফল দেখে অনেকেই খুব আগ্রহ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন দোকানে। কিন্তু দাম শুনে হতবাক। ক্রেতারা যতটুকু আগ্রহ নিয়ে দোকানে যাচ্ছেন, দাম শোনার পর দ্বিগুণ অনাগ্রহে ফিরে যাচ্ছেন।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাস্তায় ফলের দোকানে তরমুজ নিয়ে বসেছেন কবির নামের এক দোকানদার। একজন গ্রাহক মাঝারি সাইজের একটি তরমুজের দাম জিজ্ঞেস করলেন। দোকানদার দাম চাইলেন ১৮০ টাকা। দাম শুনে ক্রেতা অনেকটা হতবাক। প্রথমে কথাই বলছিলেন না। পরে তরমুজের দিকে তাকিয়ে বললেন, বিক্রি করার জন্য না দেখানোর জন্য নিয়ে এসেছেন? দোকানি বললেন কী করবো ভাই, মোকামেই দাম অনেক বেশি। শেষে দোকানি বললেন, একদাম ১৬০ টাকা, নিলে নেন না নিলে যান। ক্রেতা আর কিছু না বলে চলে গেলেন।

গত বছর যে তরমুজ ১০০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে ঠিক সে আকারের তরমুজ এবার ২০০ থেকে ২৫০টাকা দাম চাওয়া হচ্ছে। ক্রেতারা শুধু আসছেন, দেখছেন আর চলে যাচ্ছেন।

কারণ, ২০০ টাকা দিয়ে একটি তরমুজ কিনে খাওয়া অনেকের পক্ষেই সম্ভব নয়। যেটা সবচেয়ে ছোট আকারের তরমুজ সেটার দামও ১৫০ টাকা। যা গেল বছর ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

এখানে বড় আকারের একটি তরমুজের দাম চাওয়া হচ্ছে ৩০০ টাকা। ক্রেতা না নেয়ায় এ ঘটনা ঘটে।

কিছুক্ষণ পর একই দোকানে আরেকজন গ্রাহক এলেন। তিনি এক কেজি আপেল আর মাঝারি আকারের একটি তরমুজের দাম জিজ্ঞেস করলে দোকানি দাম চান ৩০০ টাকা।

ক্রেতা বললেন তাহলে  আপেল ব্যাগটা দেন। দোকানি তখন বার বার বলছিলেন- তরমুজের দাম কত দিবেন? ক্রেতা বললেন আবাদত এত দামে- তরমুজ নেবো না।রুহিয়া চৌরাস্তায় পবিত্র নামে এক ক্রেতা বলেন, যে দাম! এতো দামের তরমুজ খাওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব না। কিছুদিন পরেই দাম কমবে, তখন কিনবো।ঐ এলাকার তরমুজের দোকানদার রবিউল বলেন, আমাদের কী করার আছে। মোকাম থেকে চড়া দামে কিনে আনতে হয়। যখন কম দামে কিনে আনতে পারবো, তখন কম দামেই বিক্রি করবো।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…