খুঁজুন
, ,

‘স্কোয়াশ’ চাষেই লাখপতি রাউজানের জুয়েল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 27 February, 2020, 5:25 pm
‘স্কোয়াশ’ চাষেই লাখপতি রাউজানের জুয়েল

জুয়েল (বাম থেকে তৃতীয়)।

নেজাম উদ্দিন রানা, রাউজান (চট্টগ্রাম) :
পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ পাশ করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরিতে যোগ দেন রাউজানের পাহাড়তলী ইউনিয়নের ৩ নং খানপাড়া ওয়ার্ডের মোঃ আমিনের পুত্র মোঃ জুয়েল। বেতনও ছিল বেশ ভালো।

তবে চাকুরির চার দেওয়ালের জীবনটা বেশীদিন ভালো লাগেনি জুয়েলের। চাকুরিরত অবস্থায় ইন্টারনেট ঘেঁটে নিজ উদ্যোগে কিছু একটা করার উপায় খুঁজতে খুঁজতে এক সময় স্কোয়াশ চাষের বিষয়টি মাথায় ঢুকে তার। বেশ কিছুদিন স্কোয়াশ ফলনের উপর ইন্টারনেটে সময় কাটিয়ে সিন্ধান্ত নেন চাকুরি থেকে ইস্তফা দিয়ে নিজেই কিছু একটা করবেন।

চাকুরি ছাড়ার পর খোঁজখবর নিয়ে রাজশাহী, চুয়াডাঙ্গা, যশোরে গিয়ে স্কোয়াশ চাষাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা নিয়ে এসে নিজেই নেমে পড়লেন স্কোয়াশ চাষে। ভালো একটি চাকুরি ছেড়ে দিয়ে একজন শিক্ষিত যুবকের এই প্রচেষ্টাকে খুব ভালোচোখে দেখেনি বন্ধু-বান্ধব থেকে শুরু করে স্বজন ও প্রতিবেশীরা। বছর দুয়েকের মাথায় এসে এখন জুয়েলের ভাগ্য পরিবর্তন দেখে অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠছেন স্কোয়াশ চাষে।

তার এই কাজে শুরু থেকেই আব্দুস শফি, মাকসুদ, ফরিদ, মাহফুজ, আকতার হোসেন ও মামুন স্কোয়াশ চাষে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন।

সম্প্রতি রাউজানের পাহাড়তলী চৌমুহনী এলাকার সন্নিকটে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের পিংক সিটি-২ এর নিকটবর্তী কৃষি জমিতে ১ হেক্টর আয়তনের জমিতে জুয়েলের স্কোয়াশ চাষ পরিদর্শনে যান রাউজান উপজেলা উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা (উন্নয়ন শাখা) সনজীব কুমার সুশীল ও উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা (পাহাড়তলী) মোঃ এমদাদুল ইসলাম।

সেখানেই এই প্রতিবেদকের সাথে আলাপচারিতায় জুয়েল জানান, খোঁজ নিয়ে উন্নত মানের বীজ সংগ্রহ করে পরিচর্যার মধ্য দিয়ে সেগুলো চারায় রূপান্তর করে জমি চাষাবাদের উপযোগী করে সেখানে চারাগুলো রোপন করেন। বর্তমানে তার চারাগাছ গুলোতে ভালো ফলন এসেছে। ১ হেক্টর জমিতে স্কোয়াশ চাষাবাদ করতে উন্নতজাতের মানচিং পেপার প্রক্রিয়ায় মাধ্যমে তার ৯০ হাজার টাকা খরচ হয়। যা সাধারণ প্রক্রিয়ায় করলে ৬০ হাজার টাকা খরচ হতো। তিনমাস মেয়াদী এই স্কোয়াশ ফলনে সবকিছু ঠিক থাকলে ৮ থেকে নয় লক্ষ টাকার মতো স্কোয়াশ বিক্রি করা সম্ভব। পাশাপাশি কদলপুর ইউনিয়নেও ২ কানি জমিতে স্কোয়াশ চাষ করেছেন জুয়েল।

জুয়েল জানান, তার জমিতে বর্তমানে ৭ হাজার চারা আছে। প্রতিটি চারায় ১০টির মতো স্কোয়াশ ফলন আসে। তার জমি থেকে মৌসুমে ৩০ টনের মতো ফলন আসবে। প্রতি কেজি ২০ থেকে ২৫ টাকা হিসেবে তিনি স্কোয়াশগুলো রাজধানীর কারওয়ান বাজার, চট্টগ্রামের কাজির দেউরি, চকবাজার,বহদ্দারহাট ও অক্সিজেন এলাকার পাইকারি ক্রেতাদের কাছে বিক্রী করেন। যেগুলো নগরীর বিভিন্ন বাজারে ৪০-৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রী হয়।

স্কোয়াশ চাষাবাদ নিয়ে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জুয়েল বলেন, আমি সমাজ থেকে বেকারত্ব দূরীকরণে কাজ করতে চাই। সে লক্ষ্যে স্কোয়াশ চাষে আগ্রহী যুবকদের আমি পরামর্শ আর সহযোগিতা করতে চাই। পাশাপাশি আমার চাষাবাদ সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে নিয়ে আমি এগিয়ে যেতে চাই।

সরকারি ঋণ সুবিধা পেলে তিনি আরো বড় পরিসরে স্কোয়াশ চাষাবাদ করতে চান। আমি চাই যুবকরা চাকুরি নামক সোনার হরিণের পেছনে না ছুটে নিজেই উদ্যোগ নিয়ে কিছু একটা করে দেখাবে।

উপজেলা সহকারি কৃষি কর্মকর্তা (পাহাড়তলী) মোঃ এমদাদুল ইসলাম বলেন, শুরু থেকেই তিনি জুয়েলের আগ্রহ দেখে তাকে সার্বিক পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করে আসছেন। বর্তমানে জুয়েলের জমিতে মানচিং পেপার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্কোয়াশ চাষাবাদ হচ্ছে। পাশাপাশি সেক্স ফেরোমন ও ইয়েলো স্টিকি টেপ পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে চারাগাছে পোকামাকড়ের প্রাদুর্ভাব তেমন একটা নেই। ফলে সবুজে সয়লাব হয়ে আছে স্কোয়াশ ক্ষেত।

রাউজান উপজেলা উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা (উন্নয়ন শাখা) সনজীব কুমার সুশীল বলেন, বর্তমানে দেশে বারি-১ ও বারি-২ জাতের স্কোয়াশ চাষাবাদ হচ্ছে। দেশের বাইরে এই ফলের প্রচুর চাহিদা আছে। উপজেলার ডাবুয়া, হলদিয়া, কদলপুর, ও পাহাড়তলীতে স্কোয়াশ চাষাবাদ হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, ১৫ নভেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর স্কোয়াশ চারা রোপনের উপযুক্ত সময়। রোপনের চল্লিশ দিনের মধ্যে এই চারাগাছগুলিতে ফলন আসে। বিশেষ উর্বর জমি আর ঝরঝরে মাঠি স্কোয়াশ চাষের জন্য উপযোগী। ছত্রাকনাশক স্প্রে, আর জমিতে পরিমানমতো জৈব সার ব্যবহার করে এই চাষাবাদে ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব।

শিক্ষিত, উদ্যোমী যুবক জুয়েল লোভনীয় চাকুরি ছেড়ে দিয়ে সেভাবে স্বল্প পুঁজিতে অধিক লাভজনক স্কোয়াশ চাষাবাদে এগিয়ে এসেছেন সেটি অনুরকণ করলে সমাজ থেকে বেকারত্ব ঘুচে যাবে।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।