খুঁজুন
, ,

মুসলিমদের মধ্যে সামাজিক অবক্ষয় ও ধর্মের নামে উগ্রবাদ চর্চার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 28 February, 2020, 6:46 pm
মুসলিমদের মধ্যে সামাজিক অবক্ষয় ও ধর্মের নামে উগ্রবাদ চর্চার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে

কামরুল ইসলাম দুলু : মুসলমান হিসেবে জীবন যাপন এবং ঈমান নিয়ে মৃত্যুর জন্য ‘দাওয়াতে খায়র ‘ একটি গণশিক্ষা কর্মসূচির মতো কাজ করছে।

আজ ২৮ ফেব্রুয়ারি জুমাবার, সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ‘দাওয়াতে খায়র ‘ ইজতেমায় বিষয় ভিত্তিক আলোচনায় অংশ নেওয়া দেশের শীর্ষস্থানীয় মুফতি-মুহাদ্দিসগন একথা বলেন।

বর্তমানে যেভাবে আমাদের মুসলিমদের মধ্যে সামাজিক অবক্ষয়, ইসলামের মৌলিক আক্বিদা-আমলের জ্ঞানের দৈন্যদশা এবং সর্বোপরি ধর্মের নামে উগ্রবাদ চর্চার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে এ থেকে উত্তরণে ‘দাওয়াতে খায়র’ একটি যুগোপযোগী গতিশীল কর্মসূচী হিসেবে ইতোমধ্যে গণ্য হচ্ছে।

এ গণশিক্ষা কার্যক্রমে রয়েছে মুসলমান হিসেবে জীবন যাপন এবং ঈমান নিয়ে মৃত্যুর পাথেয়।

জুমার নামাজের খুতবায় দেশবরেণ্য গবেষক, আল্লামা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান দিল্লিতে মুসলমানদের উপর নারকীয় হত্যাকাণ্ড সহ মসজিদ, মাজার এবং বাড়ি ঘরে হামলা ও অগ্নিসংযোগের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

তিনি সর্বত্র আন্তঃ ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার উপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, ইসলামের মদিনা সনদ এবং বিদায় হজ্বের ভাষণ বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণের মানুষের সহাবস্থানের যে পথ পরিষ্কার করেছে , তা থেকে সমগ্র বিশ্ববাসী শিক্ষা নিতে পারে।

অমুসলিম ও তাদের উপাসনালয়ের নিরাপত্তা রক্ষায় ইসলামের যে উদার দৃষ্টিভঙ্গি তা ইসলামের মর্যাদাকে অপরাপর সব ধর্মের উপর আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।

প্রকৃত মুসলমানরা কখনো অন্য ধর্মের উপাসনালয়ে হামলা করেনা, অথচ সমগ্র বিশ্বব্যাপী আজ মুসলমানরা এবং মসজিদ-দরগাহ্গুলো একের পর এক হামলার শিকারে পরিণত হয়েছে।

তিনি ভারতসহ বিশ্বব্যাপী নির্যাতিত মুসলমানদের রক্ষা করতে ইসলামী বিশ্বের নেতৃবৃন্দের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।

সকাল ৮ টা থেকে কোরানে করিম তেলাওয়াত তরজমা-তাফসির, মাজমুয়ায়ে সালাওয়াতে রাসুল(দ) পাঠ, দরসে হাদিস পেশ করার পর, বড় পর্দায় অঙ্গভঙ্গি ও চিত্রের মাধ্যমে বিভিন্ন জরুরি মাসায়েল , মৃত ব্যক্তির গোসল- কাফন-দাফন ইত্যাদির শিক্ষা দেন কেন্দ্রীয় মুয়াল্লিম মৌলানা ইমরান হাসান আল কাদেরী ও মৌলানা আতিকুল্লাহ’র নেতৃত্বে অপরাপর ৭৩ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মুয়াল্লিমগণ।

মাদক, মহামারি, নারীর প্রতি সহিংসতা, সুদ-ঘুষ, সন্ত্রাস-দুর্নীতি,বিয়ে শাদীতে অশ্লীলতা বিশেষত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের সঠিক আক্বিদা-আমলের বিভিন্ন বিষয় ভিত্তিক আলোচনায় অংশ নেন অধ্যক্ষ মুফতি সৈয়দ অসিয়র রহমান, উপাধ্যক্ষ ড মৌলানা লিয়াকত আলী, শাইখুল হাদিস হাফেজ আল্লামা সোলায়মান আনসারী,মুফতি মোহাম্মদ আবদুল ওয়াজেদ, উপাধ্যক্ষ মৌলানা আবুল কাসেম ফজলুল হক, উপাধ্যক্ষ মৌলানা জুলফিকার আলী চৌ, অধ্যক্ষ মৌলানা আবুল কালাম আমিরী, অধ্যাপক মৌলানা সৈয়দ জালালুদ্দিন আল আজহারী, মুহাদ্দিস মৌলানা কামাল উদ্দিন আজহারী, মৌলানা আবুল হাসান মুহাম্মদ উমাইর রেজভী, মৌলানা ইউনুস তৈয়্যবী, মৌলানা আবুল হাসনাত কাদেরী ,মৌলানা খোরশেদুল আলম ও মৌলানা আলী সিদ্দিকী প্রমূখ।বাদ এশা আখেরী মুনাজাত করেন ওস্তাদুল ওলামা, শেখুল হাদিস, মুফতি ওবাইদুল হক নঈমী।

এতে, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ দিদারুল আলম এম পি। অন্যান্যের মধ্যে অতিথি হিসেবে ছিলেন সাবেক মেয়র মনজুর আলম, সিতাকুন্ড উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ এস এম মামুন, বাড়বকুণ্ড ইউ পি চেয়ারম্যান আলহাজ সাদাকাত উল্লাহ মিয়াজি, চেয়ারম্যান আলহাজ মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন,আনজুমান ট্রাস্টের কর্মকর্তাদের মধ্যে আলহাজ মোহাম্মদ মহসিন, আলহাজ মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, আলহাজ মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সিরাজুল হক, আলহাজ্ব মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন শাকের, অধ্যাপক কাজী শামসুর রহমান, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ কর্মকর্তাদের মধ্যে আলহাজ্ব পেয়ার মোহাম্মদ কমিশনার, আলহাজ্ব মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক, শাহজাদ ইবনে দিদার, মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার, মাহবুব খাঁন,মাহবুব এলাহি সিকদার, মীর সেকান্দর মিয়া,সাদেক হোসেন পাপ্পু, কমর উদ্দিন সবুর, মাস্টার হাবিবউল্লাহ, মৌলানা এয়াসিন হায়দারী, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, অধ্যক্ষ মৌলানা আবদুল আউয়াল ও মৌলানা আবদুল খালেক ও আলহাজ মোবারক হোসেন সওঃ প্রমুখ।

Feb2

৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 2:50 pm
৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

চট্টগ্রামে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকের আমানতের ওপর থেকে হেয়ারকাট বা মুনাফা কর্তনের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন আমানতকারীরা।

সোমবার (২৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে শত শত ভুক্তভোগী এতে অংশ নেন।

আমানতকারীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘ দুই বছর ধরে তারা নিজেদের জমাকৃত টাকা উত্তোলন করতে পারছেন না। চিকিৎসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে না পেরে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

বিক্ষোভের সময় আমানতকারীরা বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন। এ সময় তারা হেয়ারকাট মানি না, মানব না, এক দফা, এক দাবি, হেয়ারকাট বাতিল করবি, এবং আমানত কি নিরাপদ? আপনার কষ্টের টাকা কার পকেটে? সরকার কেন চুপ? প্রশাসন কেন চুপ? এমন নানা স্লোগান দিয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আমানতকারীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান নিয়েছেন, যার একটিতে হেয়ারকাট পদ্ধতির তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা জানান, গত ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক একটি স্মারকপত্রের মাধ্যমে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকে গচ্ছিত আমানতের গত দুই বছরের মুনাফা কেটে নেওয়ার এবং তার পরিবর্তে মাত্র ৪ শতাংশ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একে আমানতকারীরা ‘হেয়ারকাট’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, এটি চুক্তিভঙ্গ এবং অমানবিক।

সমাবেশ থেকে আমানতকারীরা পাঁচটি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- বিতর্কিত হেয়ারকাট নীতি বাতিল করে চুক্তি অনুযায়ী পূর্ণ মুনাফাসহ আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়া। পাঁচটি ব্যাংকের স্বাভাবিক ব্যাংকিং লেনদেন দ্রুত চালু করা। তারল্য সংকট নিরসনে সরকারকে বিশেষ সহায়তা প্রদান করা। মেয়াদোত্তীর্ণ এফডিআর, ডিপিএস ও এমটিডিআরের অর্থ চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধ করা এবং একতরফাভাবে ঘোষিত হ্রাসকৃত মুনাফার হার প্রত্যাহার করে পূর্বের চুক্তিভিত্তিক হার বহাল রাখা।

আন্দোলনরত আমানতকারীরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, একীভূতকরণের নামে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর অধীনে এখন পাঁচটি ব্যাংকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসংগত। আমানতকারীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই এই হার চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ৭৫ লাখ পরিবারের প্রায় তিন কোটি সদস্য মারাত্মক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন।

বিক্ষোভ শেষে বেলা ১২টার দিকে আমানতকারীরা একটি মিছিল নিয়ে কোতোয়ালি মোড় হয়ে নিউ মার্কেট মোড় পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করেন।

আমানতকারীদের প্রতিনিধি দলের একজন জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের দাবির বিষয়ে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা অনেক কষ্ট করেছি। যতদিন পর্যন্ত এই হেয়ারকাট বাতিল না হবে, ততদিন আমরা আমাদের যৌক্তিক আন্দোলন চালিয়ে যাব।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন, বিক্ষোভকারীরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কর্মসূচি পালন করেছেন। কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 1:06 pm
বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

চিত্রশিল্পী ও নির্মাতা মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন। সোমবার (২৯ জুন) সকালে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যকালে তার বয়েস হয়েছিল ৯০ বছর।

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মুস্তাফা মনোয়ার। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়। কয়েক দিন আগে তার ভেন্টিলেটর সাপোর্ট খুলে নেওয়া হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবারও ভেন্টিলেটরে নেওয়া হয়।

১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। তার পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান।

দীর্ঘ কর্মজীবনে চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণ, টেলিভিশন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদান রাখেন মুস্তাফা মনোয়ার। শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।

যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 12:56 pm
যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও পানির সংকট নিরসনে জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেকোনো মূল্যে ‘তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এর ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি সরকারের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানান।

সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তিস্তা অববাহিকার অসংখ্য মানুষের জীবন-জীবিকা নদীটির পানি প্রবাহের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট এবং বর্ষাকালে তীব্র নদীভাঙনের ফলে এই অঞ্চলের মানুষকে প্রতিবছর বিপুল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।

উত্তরাঞ্চলের মানুষের এই দীর্ঘদিনের হাহাকার ও দুর্ভোগের স্থায়ী অবসান ঘটাতেই সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

এর আগে, পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সকাল ১০টা ৩১ মিনিটে এ অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।