খুঁজুন
রবিবার, ১২ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দিল্লিতে যখন সহিংসতা চলছে রামুতে তখন সম্প্রীতির মেলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২০, ১০:০৭ পূর্বাহ্ণ
দিল্লিতে যখন সহিংসতা চলছে রামুতে তখন সম্প্রীতির মেলা

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। কক্সবাজার প্রতিনিধি : ভারতের দিল্লিতে এই মুহূর্তে যখন সহিংসতা চলছে ঠিক তখন কক্সবাজারের রামুতে একজন প্রয়াত বৌদ্ধ ভিক্ষুর অন্তেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণের মানুষের অংশগ্রহণে মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।

এই মিলনমেলায় অংশ নিচ্ছেন অন্তত ১৮টি দেশের ৬০ জন ভিক্ষু। এছাড়া আওয়ামী লীগ, বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ সকল দলমতের মানুষের অংশগ্রহণে এ মিলনমেলা সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রয়াত বৌদ্ধ ভিক্ষু রামু সীমা মহবিহারের উপ-সংঘরাজ অধ্যক্ষ পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথের গত ৪ অক্টোবর ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। দীর্ঘ ১৪৮ দিন বৌদ্ধ ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসারে সত্যপ্রিয় মহাথের’র মরদেহ পেটিকাবদ্ধ করে রামু সীমা বিহারে সংরক্ষণ করা হয়।

অন্ত্যেষ্টিক্রিয়াকে সামনে রেখে গত ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে রামুর মেরংলোয়া মাঠে ৪০ একর জায়গা জুড়ে বসেছিল সম্প্রীতির মেলা। মেলায় প্রতিদিন সার্কাস, মৃত্যুকূপ, ওয়াটাররেস, নাগরদোলাসহ শিশুদের বিভিন্ন বিনোদন এবং দেশি-বিদেশি পণ্যের দুই শতাধিক স্টলে শিশু, কিশোর, নারী, পুরুষ ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে। এছাড়া ছিল সাংস্কৃতিক মঞ্চে প্রতিদিন মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় প্রয়াত পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথের’র শবদেহ সহকারে শোভাযাত্রার মাধ্যমে তিন দিনের মূল অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়। রামু কেন্দ্রীয় সীমা মহাবিহার থেকে শুরু হওয়া বিশাল শোভাযাত্রা বিহার সংলগ্ন জাতীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে শেষ হয়।

এতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর ঔশেসিং এমপি, আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি, আশেক উল্লাহ রফিক এমপিসহ বিভিন্ন স্তরের দলীয় নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

অপরদিকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. সুকোমল বড়ুয়া, সাবেক সাংসদ লুৎফুর রহমান কাজলসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ বৌদ্ধ ভিক্ষুর মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন, পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেনসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণ এতে অংশগ্রহণ করেন।

উপ-সংঘরাজ পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথের’র জাতীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উদযাপন পরিষদের প্রধান সমন্বয়কারী তরুণ বড়ুয়া জানান, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বৌদ্ধ ভিক্ষু ছাড়াও আমেরিকা, অষ্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, ইতালি, মিয়ানমার, ভারত, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন বৌদ্ধ প্রতীম রাষ্ট্র থেকে বৌদ্ধ ভিক্ষুগণ এতে অংশগ্রহণ করেন।

রামুর বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহমদ বলেন, কক্সবাজারের রামুর এই সম্প্রীতির বন্ধন এটি এখানকার শত বছরের ঐতিহ্য। ২০১২ সালের সেই দুঃখজনক ঘটনার ক্ষতচিহ্ন বয়ে বেড়ালেও আমরা শত বছরের ঐতিহ্যের সম্প্রীতি ভুলে যায়নি।

কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল বলেন, অধ্যক্ষ পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথের সম্প্রীতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার অগ্রনায়ক ছিলেন। তিনি মানবতার কাজ করেছেন, সম্প্রীতি স্থাপন করেছেন।

তাঁর অন্তেষ্টিক্রিয়াকে কেন্দ্র করে সকল ধর্মের বর্ণের যে মিলনমেলা সৃষ্টি হয়েছে সেই সম্প্রীতি আমরা ধরে রাখতে চাই। এই সম্প্রীতির বন্ধন থেকে উপমহাদেশ শিক্ষা নিতে পারে। বিশেষ করে তিনি ভারতকে এ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করার আহবান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সহকারী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, আমি অবাক হয়ে গেছি এখানকার মানুষের সম্প্রীতি দেখে। অন্তেষ্টিক্রিয়ার এই পরিবেশ এটি শুধু কক্সবাজার নয় গোঠা উপমহাদেশের জন্য সম্প্রীতির রেকর্ড। এই মিলনমেলা দেখে আমি গর্বিত।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম বলেছেন, অত্যন্ত নির্লোভ, নিরহংকারী ও সত্যনিষ্ট মানুষ ছিলেন বরেণ্য বৌদ্ধ গুরু একুশে পদকপ্রাপ্ত পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথের। তাঁকে পেয়ে ধন্য হয়েছে বাংলাদেশ। পূর্ণ হয়েছে পূণ্যভূমি কক্সবাজার।

প্রয়াত এ বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরুর শবদেহ চন্দন কাঠের আগুনে পুড়িয়ে দাহক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে শনিবার।

Feb2

দাম বাড়ল ফার্নেস অয়েলের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
দাম বাড়ল ফার্নেস অয়েলের

ফার্নেস অয়েলের (এইচএফও) দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার ফার্নেস অয়েলের দাম ৭০ টাকা ১০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ লিটারে দাম বেড়েছে ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা। নতুন এই মূল্য রোববার মধ্যরাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে।

রোববার জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন জানায়, বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন আইন, ২০০৩-এর ধারা ৩৪(৪) ও ৩৪(৬) অনুসারে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এবং তেল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে গণশুনানি শেষে বিস্তারিত পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের আদেশ অনুযায়ী ফার্নেস অয়েলের মূল্য প্রতি তিন মাস অন্তর বা প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বয়ের বিধান রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের মার্চ মাসে অপরিশোধিত তেল আমদানি না হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে পরিশোধিত ফার্নেস অয়েলের গড় দর এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হার বিবেচনায় নিয়ে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ লক্ষ্যে ১৫ মার্চ একটি কমিটি গঠন করা হয়, যা মার্চ মাসের প্ল্যাটস সূচকভিত্তিক গড় মূল্য এবং বিনিময় হার বিশ্লেষণ করে এপ্রিল মাসের জন্য নতুন মূল্য সুপারিশ করে। পরে ৫ ও ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিশন সভায় ওই সুপারিশ পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

নতুন দামের ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প খাত এবং বৃহৎ জ্বালানি নির্ভর প্রতিষ্ঠানের ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিশেষ করে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে উৎপাদন খরচ বাড়ার প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তা পর্যায়েও পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫১ অপরাহ্ণ
ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশে আপাতত ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না। রোববার দেশের ভোজ্যতেল সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, দেশের মানুষেরা এ সময় বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে-যুদ্ধ নানা কারণে শঙ্কার মধ্যে আছে। আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে- এরমধ্যে যেন কোনো পণ্যের দাম না বাড়ে। সেটিকে লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে আমরা পদক্ষেপ নেব।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভোজ্যতেল নিয়ে আমরা নিয়মিত বসি। এটি একটি সংবেদনশীল পণ্য। এটির দাম বাড়লে ক্রেতারা নাখোশ হন। এজন্য নিয়মিত বিরতিতে আমরা দেশের তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি, আমদানি পর্যালোচনা করি। তবে এ বৈঠকে দাম বাড়ানোর বিষয়ে এখনো বলার মতো কোন কিছু হয়নি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সময় দেশের ভোজ্যতেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার থেকে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে রেখেছিল মিলমালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। তার কয়েকদিন আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে তারা এ প্রস্তাব দিয়েছিল।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) প্রস্তাবটি যাচাই-বাছাই করে দাম না বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়।

এদিকে আজ অনুষ্ঠিত দুদফা বৈঠকে দেশের তেল সরবরাহকারীদের দাম না বাড়িয়ে মুনাফা সমন্বয়ের জন্য কিছু বাড়তি সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে কি ধরনের সুবিধা দেওয়া হবে সে বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি।

সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় মঈনকে প্রধান আসামি করে মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় মঈনকে প্রধান আসামি করে মামলা

রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিনকে (মঈন) এক নম্বর আসামি করে মামলা দায়ের করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (১১ এপ্রির) রাতে সিকেডি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ইনচার্জ মো. আবু হানিফ সাবেক যুবদল নেতা মঈনকে প্রধান আসামি করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় সাত থেকে আট জনকে আসামি করে শেরেবাংলা নগর থানায় তিনি এই মামলা দায়ের করেছেন।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের শেরে বাংলা নগর জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) আক্কাস আলী। তিনি বলেন, হাসপাতালে চাঁদাবাজির ঘটনায় একজনের নাম উল্লেখ ও আরও ৭/৮ জনকে অজ্ঞাত উল্লেখ করে মামলা নেওয়া হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে আমাদের টিম কাজ করছে।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, মঈন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে আসছে। দাবি করা চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আসামিরা আমাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ এপ্রিল সকালে শেরেবাংলা নগর থানাধীন শ্যামলী ৩ নম্বর রোডে আমার বাসার সামনে এসে দরজা খুলতে বলে। আমার স্ত্রী দরজা খুলে দিলে আসামি মঈন আমার স্ত্রীকে বলে যে, চাঁদা বাবদ এখনই তাদেরকে ৫ লাখ টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে আমাকেসহ আমার স্ত্রীর বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিসাধন করার হুমকি দেয়। আমার স্ত্রী আসামিদের চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করাসহ চিল্লাচিল্লি শুরু করে। এ সময় আমি আসামিদের উপস্থিতি টের পেয়ে বাসার অন্য একটি রুমে অবস্থান করি এবং পরিস্থিতির অবনতি আশঙ্কা করে হাসপাতালে অবস্থানরত আমার ছোট ভাই মো. মনির তালুকদারকে (৩৫) দ্রুত বাসায় আসার জন্য ফোন করি। পরবর্তীতে আমার ভাই বাসায় পৌঁছালে আসামি মঈনসহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন আসামি ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আরও লোকজন জড়ো করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন লোক সমবেত করে সিকেডি হাসপাতালের সামনে এসে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করে। তারা হাসপাতালের সামনে অবস্থান নিয়ে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করে, উচ্চস্বরে স্লোগান দেয়, গালাগালি করে এবং পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালায়।

আরো উল্লেখ করা হয়, এমনকি তারা সিকেডি হাসপাতালের মালিক মো. কামরুল ইসলামকে উদ্দেশ করে বলে ‘কামরুলের দুই গালে জুতা মারো’ এবং ‘কামরুলের পিঠের চামড়া তুলে নেব’ মর্মে হুমকি সূচক স্লোগান দিতে থাকে। এছাড়াও তারা অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে এবং পুরো ঘটনাটিকে পরিকল্পিতভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে তারা মেডিকেলের ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্টের সামনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, যার ফলে হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। উক্ত ঘটনার বিষয়ে আমি শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।