খুঁজুন
বুধবার, ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্দর-পতেঙ্গা এলাকায় মাতৃসদনসহ সম্মিলিত হাসপাতাল চালু করুন : সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২০, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
বন্দর-পতেঙ্গা এলাকায় মাতৃসদনসহ সম্মিলিত হাসপাতাল চালু করুন : সুজন

অবিলম্বে বন্দর-পতেঙ্গা এলাকায় মাতৃসদনসহ সম্মিলিত হাসপাতাল চালু করার জন্য সরকারের উর্দ্ধতন মহলের নিকট বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

আজ সোমবার (২ মার্চ) উত্তর কাট্টলীস্থ তার নিজ বাসভবনে নাগরিক উদ্যোগের বিশেষ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।

জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা সুজন বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর অন্যতম প্রধান গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হচ্ছে সল্টগোলা ক্রসিং থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত। সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, তেল শোধনাগার, বেসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও সিইপিজেড কেইপিজেডসহ বিভিন্ন ভারী এবং হালকা শিল্প কারখানা ঐ অঞ্চলে অবস্থিত।

স্বাভাবিকভাবেই ঐ এলাকায় বিপুল সংখ্যক জনগনের বসবাস। তাছাড়া প্রায় ৫ লক্ষাধিকের অধিক নারী জীবন ও জীবিকার তাগিদে এখানে বসবাস করে। এতো বিপুল সংখ্যক নারীর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য বন্দর-পতেঙ্গা এলাকায় নেই কোন প্রকার হাসপাতাল কিংবা মাতৃসদন।

ফলত কোন অসুখ বিসুখ কিংবা সন্তান জন্মদানের জন্য ঐ অঞ্চলে বসবাসরত নারীদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কিংবা নগরীর অন্য কোন বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে প্রসূতি মা’দের রাস্তায় সন্তান প্রসবের মতো আস্বাভাবিক পরিস্থিতির মুখেও পড়তে হয়। দিনের পর দিন এ অবস্থা চলতে থাকলেও বস্তুত ঐ এলাকার জনগনের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য কার্যত কোন প্রকার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নাই।

অথচ সল্টগোলা ক্রসিং মোড়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ একটি বিশাল বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ করেছে যা মোটেও কাম্য নয়। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। এছাড়া বন্দর এলাকা হওয়ার কারণে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নির্মিত হাসপাতাল এলাকাটিতে সবসময় ট্রাফিক জ্যাম লেগেই থাকে।

তাই চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের নিকট সবিনয় আবেদন জানাবো অতিসত্বর উক্ত বাণিজ্যিক স্থাপনাটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিকট হস্তান্তর করা হোক। যাতে ঐ এলাকায় বসবাসরত বিপুল পরিমাণ জনগোষ্ঠী প্রধানমন্ত্রী নির্দেশিত স্বাস্থ্য সেবার সুফল পেতে পারে। তিনি মুজিব বর্ষের উপহার হিসেবে চট্টগ্রামের বন্দর-পতেঙ্গা এলাকায় একটি মাতৃসদনসহ সম্মিলিত হাসপাতাল চালু করার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নিকট বিনীত অনুরোধ জানান।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ৫ বছর ধরে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড কর্তৃপক্ষ ২৫০০ আবাসিক এবং ১০০ বানিজ্যিক গ্রাহকের টাকা নিয়ে কাঙ্খিত গ্যাস সংযোগ প্রদান করছে না যা অত্যন্ত দুঃখজনক। ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দেশে এল.এন.জি আমদানি করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের উপর দিয়ে যাওয়া এল.এন.জি’র লাইনের মাধ্যমে ৫০০ মিলিয়নের অধিক গ্যাস সারা দেশে সরবরাহ করা হচ্ছে। অথচ ১০ থেকে ১২ মিলিয়ন গ্যাস চট্টগ্রামে সরবরাহ করা হলে চট্টগ্রামবাসী গ্যাসের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতো। তিনি অতিসত্বর চট্টগ্রামের গুরুত্ব বিবেচনা করে আবাসিক এবং বানিজ্যিক খাতে নতুন গ্যাস সংযোগ প্রদান করার জন্য কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড কর্তৃপক্ষের নিকট বিশেষ আহবান জানান।

তিনি আরো বলেন, আমরা বারবার ওয়াসা কর্র্তৃপক্ষের নিকট অনুরোধ জানানোর পরেও এখনো ওয়াসার গড়বিল প্রদান বন্ধ হচ্ছে না। এতে করে গ্রাহকগণ ভোগান্তিতে পড়ছে। তিনি গ্রাহকদের সুবিধার্থে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নগরীতে পূণরায় ওয়াসার প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের কাজ শুরু করার আহবান জানান।

সুজন আরো বলেন, নগরবাসীর পক্ষে আমাদের একাধিকবার আবেদন সত্বেও বাংলাদেশের একটি অনন্য ঐতিহাসিক ঐতিহ্য সাকির্ট হাউস সংলগ্ন বর্তমান শিশু পার্কটি না সরিয়ে চালু করার পায়তারা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তিনি পূণরায় চসিক মেয়রকে সার্কিট হাউসের সামনে থেকে শিশুপার্কটি সরিয়ে ফেলার জন্য বিনীত অনুরোধ জানান। নচেৎ চট্টগ্রামবাসীকে সাথে নিয়ে শিশুপার্ক নামক জঞ্জালটি সরিয়ে ফেলার দাবীতে প্রতিবাদ সমাবেশ ঘোষণা করা হবে।

এছাড়া নগরীতে লেখাপড়া ও জীবিকার তাগিদে বসবাসরত উপজাতিদের বসবাসের সুবিধার্থে নগরীতে একটি বিশাল ডরমিটরী চালু এবং সদরঘাট থেকে কাপ্তাই পর্যন্ত লঞ্চ সার্ভিস চালু করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আহবান জানান জনাব সুজন।

নাগরিক উদ্যোগের সদস্য সচিব হাজী মোঃ হোসেন এর সভাপতিত্বে এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাজী মোঃ ইলিয়াছ, আব্দুর রহমান মিয়া, সাইদুর রহমান চৌধুরী, মোঃ নিজাম উদ্দিন, নুরুল কবির, মোরশেদ আলম, মোঃ শাহজাহান, ছালেহ আহমদ জঙ্গী, অধ্যক্ষ কামরুল হোসেন, হাফেজ মোঃ ওকার উদ্দিন, শিশির কান্তি বল, শেখ মামুনুর রশীদ, এ.এস.এম জাহিদ হোসেন, অনির্বান দাশ বাবু, সমীর মহাজন লিটন, সোলেমান সুমন, সাইফুল্লাহ আনছারী, জাহাঙ্গীর আলম, রকিবুল আলম সাজ্জী, রাজীব হাসান রাজন, রকিবুল আলম সাজ্জী, এম ইমরান আহমেদ ইমু, মোঃ ওয়াসিম, মাহফুজ চৌধুরী, মনিরুল হক মুন্না প্রমূখ।

Feb2

কাপ্তাই হ্রদে ৬০ মেট্রিক টন মাছের পোনা অবমুক্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
কাপ্তাই হ্রদে ৬০ মেট্রিক টন মাছের পোনা অবমুক্ত

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও কার্প জাতীয় মাছের প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) এর নিজস্ব হ্যাচারিতে উৎপাদিত মোট ৬০ মেট্রিক টন মাছের পোনা কাপ্তাই হ্রদে অবমুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার (৬ মে) দুপুরে বিএফডিসির ফিশারিঘাটে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের অতিরিক্ত চেয়ারম্যান মো. ইমাম উদ্দীন কবীরের সভাপতিত্বে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এছাড়া প্রজনন মৌসুমে মাছের প্রজনন নিশ্চিত করতে আগামী ৩ মাস পর্যন্ত মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখা হয়েছে। চলমান নিষেধাজ্ঞাকালে প্রায় ২৭ হাজার নিবন্ধিত জেলে পরিবারের মাঝে বিশেষ ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রম উদ্ধোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (স.দা) ড. অনুরাধা ভদ্র, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের রাঙামাটি কমান্ডার কর্নেল আবু মোহাম্মদ সিদ্দিক আলম এবং পৌর প্রশাসক মো. মোবার হোসেন।

প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ কৃত্রিম জলাধার কাপ্তাই হ্রদ দেশের মৎস উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এখানকার মাছ দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। উৎপাদন ও রপ্তানি আরও বাড়াতে গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

‎তিনি আরও বলেন, জেলেদের ভিজিএফ কার্ডের আওতায় বর্তমানে যে ২০ কেজি চাল দেওয়া হয়, তা সমতলের জেলেদের মতো ৪০ কেজিতে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। কাপ্তাই হ্রদ দূষণমুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল থেকে পরবর্তী তিন মাস কাপ্তাই হ্রদে সব ধরনের মাছ ধরা ও বিপণন নিষিদ্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৫ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

মাসুদ আলম বিসিএস পুলিশের ২৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা। তার বাড়ি বগুড়া জেলায়। রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নানা কারণে আলোচনায় আসেন এবং কর্মদক্ষতার জন্য সুনাম অর্জন করেন।

বিশেষ করে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যমুনা, সচিবালয়, হাইকোর্ট ও টিএসসি এলাকায় বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে হওয়া আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়।

রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে যোগদানের আগে মাসুদ আলম পাবনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব-৬) ঝিনাইদহ ক্যাম্পেও কর্মরত ছিলেন।

স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন ডা. জুবাইদা রহমান।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ‘স্বাস্থ্যসেবায় সমতা প্রতিষ্ঠায় ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তাবায়ন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাত দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার শিকার। সরকারি হাসপাতালগুলো অতিরিক্ত চাপের মধ্যে রয়েছে এবং অনেক মানুষ মানসম্মত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত। তিনি উল্লেখ করেন, মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রায় ৭২ শতাংশ মানুষকে নিজ পকেট থেকে দিতে হয়। ফলে অসুস্থতা এখনো দারিদ্র্যের অন্যতম প্রধান কারণ।

ঢাকা-১৭ এলাকার মানুষের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, কড়াইল, ভাষানটেক, সাততলার মানুষ এই শহরকে সচল রাখে। পোশাকশিল্প, নির্মাণ… সবখানে তাদের শ্রম। অথচ তারাই সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। আমাদের লক্ষ্য এসব এলাকার মানুষ যাতে আর চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন।

তিনি আরও বলেন, নিম্নআয়ের মানুষের বড় একটি অংশ প্রায় ৪২.৬ শতাংশ মানুষ প্রতিদিনের স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান খুঁজতে স্থানীয় ফার্মেসির ওপর নির্ভর করেন, যা ঝুঁকিপূর্ণ। তারা অসুস্থ হওয়ার সুযোগ পায় না কারণ অসুস্থতা মানেই আয় বন্ধ।

ডা. জুবাইদা বলেন, আমাদের এই এলাকাবাসীর মধ্যে কয়েকজন নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী প্রয়োজন, যারা সবাইকে অবহিত করবেন এই চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নাম। সেই নাম কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল। আমি আশাবাদী, ঢাকা-১৭ আসনের অন্তর্গত স্বেচ্ছাসেবী ও কুর্মিটোলার সদস্যরা একত্রিত হয়ে বহু প্রাণ বাচাঁতে সক্ষম হবে। এখানকার স্বাস্থ্যসেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার।

এর আগে ডা. জুবাইদা রহমান কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের প্যাথলজি প্যাভিলিয়ন, গ্যাস্ট্রোলিভার সেন্টার ও ৫০ শয্যা আইসিইউর উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর তিনি আইসিইউতে ভর্তি রোগীদের খোঁজ-খবর নেন এবং চিকিৎসাসেবার মান নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, সরকারের লক্ষ্য সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এই উদ্যোগগুলো নেওয়া হচ্ছে।

ডা. জুবাইদা রহমান আশা প্রকাশ করেন, স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় জনগণের সমন্বয়ে এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি মানুষকে চিকিৎসাসেবার আওতায় আনা সম্ভব হবে।