খুঁজুন
বুধবার, ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাতকানিয়ায় মাদ্রাসা সুপারের পদ দখলে রেখে ফারুকীর স্বেচ্ছাচারিতা!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২০, ৭:০০ অপরাহ্ণ
সাতকানিয়ায় মাদ্রাসা সুপারের পদ দখলে রেখে ফারুকীর স্বেচ্ছাচারিতা!

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। ডেস্ক : সাতকানিয়ায় পূর্ব গাটিয়াডেঙ্গা হাবিবুল উলুম ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষকদের বেতন বন্ধ দুই মাস ধরে। ভেঙ্গে পড়েছে একাডেমিক শৃঙ্খলা। বিঘ্নিত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা। এতে শিক্ষকরা যেমন অর্থ সংকটে পড়ে পরিবার পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়েছে তেমনি ছয় শতাধিক শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন পড়েছে হুমকীর মুখে।

সদ্য অবসরে যাওয়া বিতর্কিত সুপার নুরুল আলম ফারুকীর স্বেচ্ছাচারিতা ও পদ দখলে রাখার অপচেষ্টার কারণে সৃষ্টি হয়েছে এ অচলাবস্থার। এমন অভিযোগ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।

মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, পূর্ব গাটিয়াডেঙ্গা হাবিবুল উলুম ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার নুরুল আলম ফারুকী অবসরে গেছেন ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর। নিয়মানুযায়ী অবসরে পাওয়ার পর থেকে ভারপ্রাপ্ত সুপারের দায়িত্ব পালন করবেন সহকারী সুপার।

বিদায়ী সুপার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুষ্ঠু ও সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য সহকারী সুপারের কাছে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেবেন। পরবর্তীতে সহকারী সুপারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি সহকারী সুপারকে সুপার পদে পদায়ন করবে। অন্যথায় বিধি অনুযায়ী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে নতুন কাউকে সুপার পদে নিয়োগ দেবে। অথচ এসবের কিছুই করা হয়নি।

জানা গেছে, নুরুল আলম ফারুকী দায়িত্ব পালনের সময় বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি আড়াল করার জন্য সুপার পদের দায়িত্ব ছাড়তে নারাজ। তিনি যে কোনো উপায়ে ওই দায়িত্বে থাকার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন। এমনকি নিজের অনুগত জুনিয়র এক শিক্ষকে সুপারের দায়িত্ব দেওয়ার জন্যও পায়তারা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটিকে ম্যানেজ করে কিংবা জুনিয়র শিক্ষকদের সমর্থন নিয়ে ফারুকী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাই অফিস যেমন দখলে রেখেছেন, তেমনি হাজিরা খাতায়ও নিয়মিত সই করে যাচ্ছেন সুপার হিসেবে। যা শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মক বিঘ্নিত করছে। এতে ভেঙ্গে পড়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক শৃঙ্খলা। ফলে শিক্ষক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিরাজ করছে চাপ ক্ষোভ ও অসন্তোষ।

এছাড়াও সুপার নুরুল আলম ফারুকী অবসরে যাওয়ায় এবং নতুন কাউকে সুপারের দায়িত্ব না দেওয়ায় শিক্ষকদের বেতন ভাতার সরকারি অংশ ছাড় দিচ্ছে না জনতা ব্যাংক। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে দেওয়া এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি দুই মাসের বেতন ছাড় দেয়নি ব্যাংক। কারণ নিয়মানুযায়ী এখন কোনো সুপার নেই ওই মাদ্রাসায়। অথচ নুরুল আলম ফারুকীর সই করা ডিসেম্বর ও জানুয়ারি বেতন শিটও পাঠানো হয়েছে ব্যাংকে। যা আইনগতভাবে অবৈধ ও নিয়মতান্ত্রিক নয়।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পূর্ব গাটিয়াডেঙ্গা হাবিবুল উলুম ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সদ্য অবসরে যাওয়া সুপার নুরুল আলম ফারুকী। তিনি মুঠোফোনে বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটি আমার। সর্বময় ক্ষমতার মালিক কমিটি। কমিটি আমাকে দায়িত্ব দিয়েছে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার জন্য। আরেকজন সুপার নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত আমি দায়িত্ব পালন করবো। নতুন সুপার নিয়োগের মাধ্যমে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে।’

এদিকে ২০১১ সালের ৬ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক পরিপত্রে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে- ‘বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক থাকা অবস্থায় তাঁকে ভিন্ন কোন শিক্ষককে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বভার অর্পণ করা যাবে না। সহকারী প্রধান শিক্ষকের পক্ষে কোন কারণে দায়িত্ব গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ অসদারচণ বলে গণ্য হবে।’

জানতে চাইলে সহকারী সুপার মাওলানা আ স ম আবদুল মান্নান মুঠোফোনে বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী মাদ্রাসায় এখন কোনো সুপার নেই। সহকারী সুপার হলেও আমাকে এখনো দায়িত্ব হস্তান্তর করেননি সদ্য অবসরে যাওয়া সুপার নুরুল আলম ফারুকী। অথচ তিনি এখনো মাদ্রাসায় নিয়মিত দাপ্তরিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। সুপার হিসেবেই সই করছেন শিক্ষক হাজিরা খাতায়।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমি দায়িত্ব নেওয়া না নেওয়ার বিষয় নয়। বিধি অনুযায়ী যদি আমি দায়িত্বপ্রাপ্ত হই, দায়িত্বভার না নেওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। কারণ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী অপারগতা প্রকাশ ও দায়িত্ব না নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’

তবে এ প্রসঙ্গে জানতে যোগাযোগ করা হয় পূর্ব গাটিয়াডেঙ্গা হাবিবুল উলুম ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল বশর আবুর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। মাদ্রাসার অপর দাতা সদস্য আবু তাহেব মুঠোফোনে বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। আপনি (প্রতিবেদক) কমিটির অন্য কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।’

Feb2

বাসের পর এবার বাড়লো লঞ্চের ভাড়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
বাসের পর এবার বাড়লো লঞ্চের ভাড়া

জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বাসের পর বাড়লো লঞ্চভাড়াও। একজন যাত্রীর লঞ্চভাড়া কম দূরত্বে প্রতি কিলোমিটারে ১৮ পয়সা ও বেশি দূরত্বে ১৪ পয়সা বেড়েছে। কম দূরত্বে লঞ্চের ভাড়া ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ ও বেশি দূরত্বের ক্ষেত্রে ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) লঞ্চের ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

লঞ্চভাড়া ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত ২ টাকা ৭৭ পয়সা থেকে ১৮ পয়সা বেড়ে ২ টাকা ৯৫ পয়সা এবং ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বের ক্ষেত্রে ভাড়া ২ টাকা ৩৮ পয়সা থেকে ১৪ পয়সা বাড়িয়ে ২ টাকা ৫২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জনপ্রতি সর্বনিম্ন ভাড়া ২৯ টাকা থেকে ৩ টাকা বাড়িয়ে ৩২ টাকা করা হয়েছে।

নতুন ভাড়া মঙ্গলবার (৫ মে) থেকেই কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ‘বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন (নৌরুট, পারমিট, সময়সূচি ও ভাড়া নির্ধারণ) বিধিমালা, ২০১৯’ এর বিধি ২৭ অনুযায়ী সরকার নৌযানে যাত্রী পরিবহনের জন্য জনপ্রতি সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন যাত্রী ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করেছে।

এর আগে গত ১৮ এপ্রিল জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয় সরকার। প্রতি লিটার ডিজেল ১৫ টাকা, অকটেন ২০ টাকা, পেট্রোল ১৯ টাকা ও কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা বাড়ে। জ্বালানি তেলের নতুন দাম ১৯ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে কার্যকর হয়। এরপরই গণপরিবহনের ভাড়া বাড়াতে তৎপর হয়ে ওঠেন মালিক ও শ্রমিকরা। দফায় দফায় সরকারের সঙ্গে মিটিং করেন তারা।

পরে গত ২৩ এপ্রিল ডিজেলচালিত বাস ও মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ানোর ঘোষণা দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ওইদিনই ভাড়া বাড়িয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ওইদিন থেকে কার্যকর হয় নতুন ভাড়া।

কাপ্তাই হ্রদে ৬০ মেট্রিক টন মাছের পোনা অবমুক্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
কাপ্তাই হ্রদে ৬০ মেট্রিক টন মাছের পোনা অবমুক্ত

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও কার্প জাতীয় মাছের প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) এর নিজস্ব হ্যাচারিতে উৎপাদিত মোট ৬০ মেট্রিক টন মাছের পোনা কাপ্তাই হ্রদে অবমুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার (৬ মে) দুপুরে বিএফডিসির ফিশারিঘাটে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের অতিরিক্ত চেয়ারম্যান মো. ইমাম উদ্দীন কবীরের সভাপতিত্বে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এছাড়া প্রজনন মৌসুমে মাছের প্রজনন নিশ্চিত করতে আগামী ৩ মাস পর্যন্ত মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখা হয়েছে। চলমান নিষেধাজ্ঞাকালে প্রায় ২৭ হাজার নিবন্ধিত জেলে পরিবারের মাঝে বিশেষ ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রম উদ্ধোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (স.দা) ড. অনুরাধা ভদ্র, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের রাঙামাটি কমান্ডার কর্নেল আবু মোহাম্মদ সিদ্দিক আলম এবং পৌর প্রশাসক মো. মোবার হোসেন।

প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ কৃত্রিম জলাধার কাপ্তাই হ্রদ দেশের মৎস উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এখানকার মাছ দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। উৎপাদন ও রপ্তানি আরও বাড়াতে গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

‎তিনি আরও বলেন, জেলেদের ভিজিএফ কার্ডের আওতায় বর্তমানে যে ২০ কেজি চাল দেওয়া হয়, তা সমতলের জেলেদের মতো ৪০ কেজিতে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। কাপ্তাই হ্রদ দূষণমুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল থেকে পরবর্তী তিন মাস কাপ্তাই হ্রদে সব ধরনের মাছ ধরা ও বিপণন নিষিদ্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৫ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

মাসুদ আলম বিসিএস পুলিশের ২৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা। তার বাড়ি বগুড়া জেলায়। রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নানা কারণে আলোচনায় আসেন এবং কর্মদক্ষতার জন্য সুনাম অর্জন করেন।

বিশেষ করে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যমুনা, সচিবালয়, হাইকোর্ট ও টিএসসি এলাকায় বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে হওয়া আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়।

রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে যোগদানের আগে মাসুদ আলম পাবনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব-৬) ঝিনাইদহ ক্যাম্পেও কর্মরত ছিলেন।