খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে কোনো বর্ষই সফল হবে না: ফখরুল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২০, ৩:০১ অপরাহ্ণ
খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে কোনো বর্ষই সফল হবে না: ফখরুল

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে কোনো বর্ষই সফল হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি কারাবরণ করেছেন। গণতন্ত্রের জন্য দীর্ঘ নয় বছর সংগ্রাম করেছেন। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য এখন জেলে আছেন, তাকে কারাগারে রেখে কোনো বর্ষই সফল হবে না।’

শনিবার (৭ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী শেখ রবিউল আলম রবিসহ দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ পালনের অনুষ্ঠানে ১৭ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঢাকায় আসছেন। তার সঙ্গে বিএনপির কোনো বৈঠক হবে কি না জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের সঙ্গে এখন পর্যন্ত কোনো আলোচনা হয়নি।’

মোদীর আগমন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা আগেই পরিষ্কার করে বলেছি, আজকে বাংলাদেশের যে অবস্থা, ভারতের এনআরসি নিয়ে দাঙ্গা হয়ে গেলো, সেটার যে প্রভাব এখানে পড়েছে, তাতে তার (মোদীর) এখানে আসাটা কতটুকু সমীচীন এটা তারাই বিচার করবেন।

‘বিএনপি সিরিয়াসলি নির্বাচনে অংশ নেয় না, তারা নির্বাচনে অংশ নেয় নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য’ আওয়ামী লীগ নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগতো কত কথাই বলবে। তারাতো জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া, ভোট ছাড়া, শুধু অস্ত্র দিয়ে ক্ষমতা দখল করে বসে আছে। স্বাভাবিকভাবেই তারা এ ধরণের কথাবার্তা বলবে, যাতে করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার সুযোগ হয়। কিন্তু সেটাতে তারা সফল হয়নি। আমরা এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি কারণ আমরা বিশ্বাস করি ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতার পরিবর্তন হয়। আমরা লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি বলেই আমরা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, আগেও বলেছি এই নির্বাচনটা গণতন্ত্র ও গণতন্ত্রের মাতা দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার আন্দোলনের অংশ। আমরা এই নির্বাচনে অত্যন্ত সিরিয়াস। প্রত্যেকটি নির্বাচনেই আমরা সিরিয়াসলি অংশগ্রহণ করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু এই সরকার জনগণের সাথে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। জনগণ তাদের সহ্য করে না। তারা জোর করে ভয়ভীতি দেখিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে নির্বাচনকে তারা তাদের পক্ষে নেওয়ার চেষ্টা করে। সেটার প্রতিবাদ করার জন্য ও প্রতিরোধ করার জন্য আমরা এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি। অতএব তাদের যে যুক্তি সেটা কোনোদিনই গ্রহণযোগ্য নয়।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল গণতন্ত্র। এটাকে কেন্দ্র করেই দীর্ঘকাল ধরে স্বাধীনতার দাবি উঠেছে, স্বাধীনকারের সংগ্রাম হয়েছে। সুতরাং একজন ব্যক্তি বা একটা গোষ্ঠি-একটা দল স্বাধীনতার দাবিদার হতে পারে না। সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ সুদীর্ঘ সময় ধরে স্বাধীনতার জন্য লড়াই সংগ্রাম করেছে। তারই ফলে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে। আমরা স্বাধীন হয়েছি।

সরকারের পক্ষ থেকে দল মত নির্বিশিষে সবাইকে নিয়ে মুজিববর্ষ পালনের কথা বলা হচ্ছে এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এটা একটা মকারি প্রহসন। কারণ বেগম জিয়া যিনি গণতন্ত্রের জন্য আজীবন সংগ্রাম করেছেন। গণন্ত্রের জন্য দীর্ঘ নয় বছর সংগ্রাম করেছেন। তাকে কারাগারে রেখে কোনো বর্ষই সফল হবে না।

ঢাকা-১০ আসনের বিএনপির প্রার্থী শেখ রবিউল আলম রবির বিষয়ে মহাসচিব বলেন, আমাদের প্রার্থী গণতান্ত্রিক সংগ্রামের একজন নেতা। তিনি ছাত্র রাজনীতি করেছেন, দীর্ঘকাল রাজনীতি করছেন। এলাকায় তিনি যথেষ্ট জনপ্রিয় নেতা। আমি বিশ্বাস করি তিনি মেধাবী ছেলে নিজের মেধা প্রমাণ করে জনগণের ভোটে জয়ী হতে পারবেন।

এ সময় ঢাকা-১০ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শেখ রবিউল আলম রবি, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুনসী বজলুল বাসিত আঞ্জু, দক্ষিণের সহসভাপতি নবী উল্লা নবী, সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশারসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Feb2

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’