খুঁজুন
রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাকার ‘লোভে’ মেয়েকে হত্যার অনুমতি দেয় বাবা, মা-ও জানতেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২০, ৮:৩৯ অপরাহ্ণ
টাকার ‘লোভে’ মেয়েকে হত্যার অনুমতি দেয় বাবা, মা-ও জানতেন

নরসিংদীর বাহেরচরে চাঞ্চল্যকর ইলমা হত্যাকাণ্ডের পলাতক আসামি মাসুম মিয়াকে গ্রেপ্তারের পর সিআইডি এক সংবাদ সম্মেলনে সিআইডি জানায় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে বাবাই তার দ্বিতীয় শ্রেণি পড়ুয়া মেয়েকে হত্যার অনুমতি দিয়েছিলেন।

বাহেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ইলমা খুন হন ২০১৫ সালের ২৭ মার্চ। এই ঘটনায় বাদী হয়ে ইলমার বাবা আবদুল মোতালেব নরসিংদী মডেল থানায় মামলা করেন।

আজ সোমবার (৯ মার্চ) পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) উপমহাপরিদর্শক (সংঘবদ্ধ অপরাধ বিভাগ) ইমতিয়াজ আহমেদ সিআইডির সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘ইলমা তার বাবার লোভের বলি হয়েছিল। নরসিংদীর বাহের চরে শাহজাহান ভূঁইয়া ও সাবেক মেম্বার বাচ্চুর নেতৃত্বে দুটি দলের প্রভাব বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল। শাহজাহান ভূঁইয়ার লোকজন প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করতে শিশু হত্যার পরিকল্পনা করেন। এর বিনিময়ে তিনি ইলমার বাবা আবদুল মোতালেবকে ৩০ লাখ টাকা দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেন। টাকার লোভে ইলমার বাবা মেয়েকে হত্যার অনুমতি দেন। এ পর্যন্ত ইলমার বাবা চারলাখ টাকাও পেয়েছেন।’

‘হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি মাসুম মিয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এই হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন। মাসুম শিশু ইলমার ফুপাতো ভাই’, যোগ করেন তিনি।

ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার সৈয়দা জান্নাত আরার নেতৃত্বে একটি দল নরসিংদীর মাধবদী থেকে ইলমার বাবা আবদুল মোতালিব, ফুপাত ভাই মাসুম মিয়া, গ্রুপ লিডার শাহজাহান ভূঁইয়া, মা মঙ্গলী বেগম ও মো. বাতেন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর মাসুম মিয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

আসামি মাসুমের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে সিআইডির উপমহাপরিদর্শক বলেন, ‘ইলমাকে হত্যার পরিকল্পনা হয় ২০১৫ সালের ১ মার্চ। ওই রাতে যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় তাতে ১৩ জন উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুসারে ইলমার বাবাকে সন্তানের বিনিময়ে ৩০ লাখ টাকার টোপ দেওয়া হয়। ওতেই রাজি হয়ে যান তিনি। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৫ সালের ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় ইলমার দুলাভাই বাবুল বাড়ির পাশে নূরার দোকান থেকে তাকে জিনিসপত্র কিনতে পাঠান। বাড়ি ফেরার পথে এই দুলাভাই বাবুল ও ফুপাতো ভাই মাসুমের নেতৃত্বে সাত-আট জন তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে ইট ও মুগুর দিয়ে মাথা থেঁতলে ও গলা টিপে তাকে হত্যা করা হয়। এ সময় ইলমার বাবা পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন। ’

সিআইডি জানায়, এই পরিকল্পনা সম্পর্কে ইলমার মা ও জানতেন। মাসুম আরও বলেন, ইলমা হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিদের বাদ দিয়ে বাবা মোতালিব বাদী হয়ে বিরোধী পক্ষ ‘বাচ্চু’ গ্রুপের বিলকিস, খোরশেদ, নাসুসহ অজ্ঞাত চার-পাঁচ জনের বিরুদ্ধে নরসিংদী সদর মডেল থানায় ওই বছরের ৩১ মার্চ হত্যা মামলা দায়ের করেন। ইলমার বাবা হত্যাকাণ্ডের আগে টাকা দাবি করেছিলেন। পরে ওই টাকা পুরো পাননি।

শুধুমাত্র মাসুম মিয়ার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে সন্তান হত্যার দায় বাবা–মায়ের ওপর চাপানো কতটা যৌক্তিক হচ্ছে, সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের জবাবে ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘ইলমার বাবা–মা মূল আসামির নাম এজাহারে উল্লেখই করেননি। এমনকি তদন্ত করার সময় ইলমার বাবা একেকবার একেকজনের নাম এজাহারভুক্ত করার আবদার নিয়ে এসেছেন। সন্তান হত্যার বিচার না চেয়ে, তিনি বারবার আসামির নাম বদলানোর অনুরোধ নিয়ে পুলিশের কাছে এসেছেন। এ ছাড়া ইলমার সুরতহাল প্রতিবেদনে যেখানে যেখানে আঘাতের কথা বলা হয়েছে, মাসুম ঠিক সে জায়গাগুলোরই উল্লেখ করেছে।

তদন্তে জানা যায়, নরসিংদী থানার বাহেরচরে শাহজাহান ভূঁইয়া ও সাবেক মেম্বার বাচ্চুর নেতৃত্বে দুটি দলের মধ্যে এলাকায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল। শাহজাহান গ্রুপের সদস্য ও ইলমার ফুফাতো ভাই মাসুমের সঙ্গে বাচ্চুপক্ষের সদস্য তোফাজ্জলের মেয়ে তানিয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ে করার জন্য তানিয়াকে তোলা হয়েছিল মাসুমের ভাইয়ের শ্বশুরবাড়িতে। পরে তানিয়ার বাবা দলবল নিয়ে এসে তানিয়াকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যায়। ওই ঘটনায় তানিয়ার বাবা বাদী হয়ে মাসুম, তার ভাই খসরু ও ভাইয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে নরসিংদী সদর মডেল থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছালে বাচ্চু গ্রুপের সদস্যদের ক্ষতি করতে শাহজাহানের অনুসারীরা ইলমাকে খুনের পরিকল্পনা করে।

Feb2

সুইডেনকে নিয়ে নেদারল্যান্ডসের ছেলেখেলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১:২৪ পূর্বাহ্ণ
সুইডেনকে নিয়ে নেদারল্যান্ডসের ছেলেখেলা

হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে সুইডেনের চেনা রক্ষণাত্মক দেওয়ালকে স্রেফ খড়কুটোর মতো উড়িয়ে দিল নেদারল্যান্ডস। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে সুইডিশদের একবারে গোলবন্যায় ভাসিয়ে দিলো রোনাল্ড কোম্যানের দল। প্রথমার্ধে ব্রায়ান ব্রবি এবং দ্বিতীয়ার্ধে কোডি গাকপোর জোড়া গোলে ৫-১ ব্যবধানে জিতেছে ডাচরা।

ম্যাচ শুরুর মাত্র ৫ মিনিটের মাথায় লিভারপুল উইঙ্গার কোডি গাকপোর একটি চমৎকার মাপা পাস থেকে বক্সের ভেতর বল পান ব্রায়ান ব্রবি। সুইডিশ ডিফেন্স লাইনের ফাঁক গলে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোল উৎসবের খাতা খোলেন আয়াক্সের এই তরুণ স্ট্রাইকার।

ডাচদের শুরুর ঝড় বজায় রেখে ১৭তম মিনিটে নিজের এবং দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন ব্রবি। এবার ডান প্রান্ত থেকে তাঁকে বলের জোগান দেন রাইট-ব্যাক ডেনজেল ডামফ্রিস।

প্রথমার্ধে ২-০ ব্যবধানে বিরতিতে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতে না হতেই সুইডেনের জালে তৃতীয়বারে বল পাঠান কোডি গাকপো।

ম্যাচের ৫৩ মিনিটের মাথায় সুইডেনের কফিনে চতুর্থ পেরেকটি ঠুকে দেন সেই গাকপোই। নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করার পাশাপাশি ডাচদের ৪-০ গোলের বিশাল লিড এনে দেন এই ফরোয়ার্ড।

চার গোল হজম করার পর ম্যাচের ৫৯তম মিনিটের মাথায় সুইডেনের হয়ে একটি সান্ত্বনাসূচক গোল শোধ করেন বদলি ফুটবলার অ্যান্থনি ইলাঙ্গা। এরপর সুইসরা একের পর এক আক্রমণ চালালেও আর গোল করতে পারেনি। বারবার তারা নেদাল্যান্ডসের রক্ষণভাগে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছে।

এদিকে ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে একটি গোল পায় নেদারল্যান্ডস। ফলে ৫-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে অ্যারেঞ্জ আর্মিরা।

প্রথম ম্যাচে জাপানের সাথে ২-২ গোলে ড্র করে পয়েন্ট হারানো নেদারল্যান্ডস এই বড় জয়ের মাধ্যমে কেবল ৩ পয়েন্টই পায়নি না, বরং গোল ব্যবধানে নিজেদের অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গ্রুপের শীর্ষস্থানে যাওয়ার রাস্তা পরিষ্কার করে ফেলল। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে তিউনিসিয়াকে ৫-১ গোলে হারানো সুইডেন আজ ডাচদের এই গতির ফুটবল আর নিখুঁত ফিনিশিংয়ের সামনে পুরো ৯০ মিনিট কেবল চেয়ে চেয়ে দেখেছে।

হাইতিকে উড়িয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ
হাইতিকে উড়িয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিল

মরক্কোর বিপক্ষে কষ্টার্জিত ড্রয়ের পর তীব্র সমালোচনার শিকার হয়েছিল ব্রাজিল। আজ ফিলাডেলফিয়াতে হাইতির বিপক্ষে সেই সমালোচকদের মুখ যেন বন্ধ করে দিলো সেলেসাওরা। ম্যাথিউস কুনহার জোড়া গোলে প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় তারা। দ্বিতীয়ার্ধে কয়েকটি সুযোগ নষ্ট এবং অফসাইডে গোল বাতিলের কারণে ব্যবধান বাড়েনি। হাইতিকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে উঠে গেল তারা।

দুই ম্যাচ শেষে মরক্কোর সমান ৪ পয়েন্ট পেলেও গোলব্যবধানে (+৩) এগিয়ে থেকে সবার উপরে ব্রাজিল। স্কটল্যাান্ডকে আগের ম্যাচে ১-০ গোলে হারানোর পর মরক্কো (+১) শীর্ষে উঠলেও ব্রাজিলের জয়ে নেমে গেছে দুই নম্বরে। হাইতিকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করা স্কটিশরা ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে, শেষ ম্যাচে তারা খেলবে আনচেলত্তির দলের বিপক্ষে।

রেফারির ম্যাচের শেষ বাঁশি। ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামের ব্রাজিল সমর্থকদের উল্লাস। ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম জয়। এতে স্বস্তি মিললেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হিসাব নিকাশে তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলার সুযোগ নেই।

ব্রাজিল প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে আরও কয়েকটি গোলের প্রত্যাশা ছিল ব্রাজিল সমর্থকদের। এই অর্ধে ব্রাজিলের একটি গোল বাতিল হলেও হাইতি যথেষ্ট দাপট দেখিয়েছে। ব্রাজিলের গোলরক্ষক কমপক্ষে ২-৩ টি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়েছেন। একটি গোললাইন সেভও হয়েছে।

হাইতি ব্রাজিলের তুলনায় সব সূচকে পিছিয়ে। এরপরও হাইতির খেলা আজ প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিলের ডিফেন্স একাধিকবার ভাঙন ধরাতে পেরেছে অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলটি। যা ব্রাজিলের কোচ আনচেলত্তির জন্য অত্যন্ত ভাবনার। টানা দুই ম্যাচ হেরে হাইতি টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের পথে এরপরও ব্রাজিলের বিপক্ষে খানিকটা লড়াকু পারফরম্যান্স হাইতির বড় প্রাপ্তি।

ব্রাজিল হাইতির জালে পাঁচ বার বল পাঠালেও বৈধ গোলের সংখ্যা তিনটি। দুই অর্ধে একটি করে গোল বাতিল হয় ব্রাজিলের। আরেকটি আক্রমণ পোস্টে লেগে ফেরত আসে। ২৩ মিনিটে ব্রাজিলের হয়ে গোলের সুচনা করেন কুনহা। গুইমারেসের পাস থেকে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট হাইতির গোলরক্ষক পুরোপুরি ঠেকাতে পারেননি। ফিরতি বলে কুনহা গোল করেন। ১৩ মিনিট পর পাল্টা আক্রমণে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র কুনহার উদ্দেশ্যে বাড়ান নিখুঁত এক পাস। গোল করতে ভুল হয়নি।

প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে গোলদাতা ভিনিসিয়ুস নিজেই। পাকেতা হাইতি রক্ষণভাগের মাথার ওপর দিয়ে তার উদ্দেশ্যে বল বাড়ান। দ্রুতগতিতে বক্সে প্রবেশ করে প্লেসিংয়ে গোল করেন।

বিশ্বকাপের ‘দ্রুততম’ গোলে স্কটল্যান্ডকে হারালো মরক্কো

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৭:১২ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বকাপের ‘দ্রুততম’ গোলে স্কটল্যান্ডকে হারালো মরক্কো

ড্র করে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছিল মরক্কো। তবে বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ১–০ গোলে হারিয়েছে মরক্কো। মাত্র ৭১ সেকেন্ডেই করা ইসমায়েল সাইবারির গোলই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে আফ্রিকার দেশটি।

ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণে যায় মরক্কো। ম্যাচের ৭১ সেকেন্ডের মাথায় ডান দিক থেকে বাড়ানো বল পেয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে জালে জড়ান ইসমায়েল সাইবারি। যা এই টুর্নামেন্টের দ্রুততম গোল।

এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বিশ্বকাপে দ্রুততম গোল করেছিল চেক প্রজাতন্ত্রের সাদিলেক। ম্যাচের ৬ মিনিটে গোল করেছিলেন তিনি। অন্যদিকে, সাইবারি এটি টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় গোল। ব্রাজিলের বিপক্ষে গোলের দেখা পেয়েছিলেন এই স্ট্রাইকার।

গোল হজমের পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে স্কটল্যান্ড। বিশেষ করে শেষ দিকে আক্রমণের চাপ বাড়ায় দলটি। এক পর্যায়ে দুটি পেনাল্টির আবেদনও জানায় স্কটিশরা, কিন্তু কোনোটিই আমলে নেননি রেফারি।

শেষ পর্যন্ত সমতায় ফেরার মতো গোল আর পায়নি স্কটল্যান্ড। ফলে মূল্যবান তিন পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘সি’তে স্কটল্যান্ডকে টপকে ওপরে উঠে গেলো মরক্কো।