খুঁজুন
, ,

ছবি তুলে ত্রাণ কেড়ে নেওয়া চেয়ারম্যান আবছার বরখাস্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 12 April, 2020, 11:28 pm
ছবি তুলে ত্রাণ কেড়ে নেওয়া চেয়ারম্যান আবছার বরখাস্ত

ত্রাণ দেওয়ার জন্য লোকজন ডেকে এনে ছবি তোলার পর ত্রাণ কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আবছারের বিরুদ্ধে। এবার এ অভিযোগে তাকে বরখাস্ত করল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

আজ রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব মোহাম্মদ ইফতেখার আহমদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত আলাদা দুটি চিঠিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

প্রথম চিঠিতে বলা হয়, ‘যেহেতু চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার ৩নং মির্জাপুর ইউনিয়নের পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আবছারের বিরুদ্ধে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় বরাদ্দকৃত চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাটহাজারী কর্তৃক প্রমাণিত হয়েছে এবং জেলা প্রশাসক স্থানীয় সরকার আইন, ২০০৯ এর ৩৪ (৪)(খ)(ঘ) অনুযায়ী উক্ত চেয়ারম্যানকে স্বীয় পদ থেকে বরখাস্তের সুপারিশ করেছেন। সেহেতু বর্ণিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার ৩নং মির্জাপুর ইউনিয়নের পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আবছারকে স্থানীয় সরকার আইন ২০০৯ এর ৩৪(১) অনুযায়ী তার স্বীয় পদ থেকে অপসারণ করা হলো।’

অপর চিঠিতে নুরুল আবছারকে কেন চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হবে না তা ১০ দিনের মধ্যে তা জানাতে বলা হয়েছে।

গত সোমবার মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে ত্রাণ দিয়ে ছবি তোলার পর কয়েকজনের ত্রাণ চেয়ারম্যান নুরুল আবছার কেড়ে নেন বলে অভিযোগ ওঠে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, ৬ এপ্রিল সকালে ত্রাণ দেওয়ার কথা বলে চেয়ারম্যানের লোকজন তাদের ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যান। ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার পর চেয়ারম্যান নুরুল আবছার ও তার লোকজন ত্রাণ দেওয়ার কথা বলে ছবি তোলেন। ছবি তোলার পর চেয়ারম্যানের ছোট ভাই মিজানুর রহমান টিপু ও তার লোকজন তাদের দেওয়া ত্রাণগুলো কেড়ে নেন। কয়েকজন এর প্রতিবাদ করলে চেয়ারম্যানের লোকজন তাদের মারধর করে। পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানান তারা।

ঘটনার পর দিন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন বলেন, ‘৬ এপ্রিল বিকাল ৩টার দিকে, তখন আমি বাসায় অবস্থান করছিলাম। তখন শুনলাম বেশ কয়েকজন লোক আমার কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে আছে। খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে যাই, পরে তাদের জিজ্ঞেস করলে তারা জানায়, মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তাদের বেলা ১১টার দিকে ত্রাণ দেবে বলে ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে তাদেরকে ২টা পর্যন্ত বসিয়ে রাখার পর বলা হয় ত্রাণ দেওয়া হবে না। তখন তারা বলে আমাদের ত্রাণ দিতে হবে, না হয় আমরা যাব না। এরপর তারা না যেতে চাইলে চেয়ারম্যান ও তার লোকজন তাদেরকে মারধর করে বলে তারা অভিযোগ করেন।’

তিনি বলেন, ‘এরপর আমি তাদের উপজেলার তহবিল থেকে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করি। পাশাপাশি এই ঘটনা কেন সংগঠিত হয়েছে, এই ঘটনায় কারা দায়ী সেই বিষয়ে বক্তব্য চেয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়েছি।’

Feb2
Feb2

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উন্মোচন করবে ফ্যাসিবাদের মুখোশ: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 August, 2026, 12:38 pm
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উন্মোচন করবে ফ্যাসিবাদের মুখোশ: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উন্মোচন করবে ফ্যাসিবাদের মুখোশ। আজকের দিন বাংলাদেশের যুগান্তকারী গণতান্ত্রিক ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে। নতুন দেশ গড়তে নতুন যাত্রাপথ রচনা করবে।

বুধবার (৫ আগস্ট) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সম্বলিত জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী শাসন আমলে গুম, খুন, অপহরণকে স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত করা হয়েছিল। দেড় দশকের নৃশংসতা শুধুমাত্র স্বাধীনতা পরবর্তী দুঃশাসনের সঙ্গে তুলনা চলে।’

জুলাই জাদুঘরে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস সংরক্ষিত থাকা জরুরী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জুলাই জাদুঘর জনগণের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ, বেদনা সাহস, গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে জাতীয় স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে ধারণ করার এক ঐতিহাসিক উদ্যোগ।

এ সময় তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে কেউ কেউ অহেতুক ইস্যু তৈরি করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টা তৈরি করছে। এতে নিজেদের অজান্তেই পরাজিত স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের পথ সুগম করছে কিনা ভেবে দেখা প্রয়োজন।’

তিনি আরও বলেন, ‘শহিদ জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ইতিহাস জুলাই জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম উপকৃত হবে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, ২৪ গণঅভ্যুত্থান দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। মুক্তিযুদ্ধের মতো চব্বিশের শহিদদের কখনো ভুলবে না দেশের জনগণ।’

বিচারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অপরাধীদের বিচার হবে। আইনের শাসন নিশ্চিত করার জন্যই প্রতিটি বিচার হওয়া জরুরি।’

জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আহতদের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ৫০ জুলাইযোদ্ধাদের বিদেশে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ১৩ হাজারের বেশি জুলাইযোদ্ধাদের ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভাতা দেওয়া হচ্ছে। জুলাইযোদ্ধাদের সহায়তার বিষয়ে সরকার আন্তরিক।’

দেশ আর কখনো তাবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শহীদদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ৩১ দফার পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে সরকার।’

এ সময় গণতন্ত্র ও জনগণের পক্ষে অবস্থান গ্রহণের জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 August, 2026, 12:00 pm
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাদুঘরের ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ জাদুঘরটি বিশেষ অতিথি ও জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) থেকে এটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি, সংরক্ষিত নিদর্শন, আলোকচিত্র, দলিলপত্র ও স্মারক পরিদর্শন করেন।

জাদুঘরে প্রবেশের জন্য অনলাইনে টিকিট সংগ্রহের ব্যবস্থা থাকবে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য টিকিটের মূল্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর এই জাদুঘর উদ্বোধনের কথা জানান সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। একইসঙ্গে বৃহস্পতিবার থেকে সাধারণ জনগণের জন্য এটা উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় মাইলফলক জুলাই গণঅভ্যুত্থান-এর গৌরবময় স্মৃতি সংরক্ষণ, সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং শহীদ ও জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের স্মারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারকে ৮ লক্ষ টাকা দিলেন মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 9:43 pm
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারকে ৮ লক্ষ টাকা দিলেন মেয়র

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট চট্টগ্রামের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম জিয়া স্মৃতি জাদুঘর মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট চট্টগ্রামের আহ্বায়ক দিলশাদ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের মহাসচিব রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের যুগ্ম মহাসচিব, কবি ও অভিনেতা এবিএম সোহেল রশিদ, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহ্বায়ক জাহিদুল করিম কচি এবং সদস্য সচিব ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী। প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর এস এম নছরুল কদির।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন তার নিজস্ব তহবিল থেকে প্রতি পরিবারকে এক লক্ষ টাকা করে আটটি পরিবারকে ৮ লক্ষ টাকা প্রদান করেন।

পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেশাত্মবোধক গান, কবিতা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

মেয়র তাঁর বক্তব্যে বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের আত্মত্যাগ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। যারা দেশের মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র ও একটি সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য জীবন দিয়েছেন, তাদের অবদান কখনো বিস্মৃত হওয়ার নয়। তাদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানো এবং শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য, আত্মত্যাগ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও চেতনা তুলে ধরতে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধান বক্তা তার বক্তব্যে বলেন, সাংস্কৃতিক ফ্যাসিস্টরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, যেকোনো মূল্যে তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে

এসময় উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক খন্দকার বেলায়েত হোসেন, প্রিন্সিপাল মো. শাহ আলমগীর, বিএনপি নেতা গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, ডা. মোহাম্মদ ঈসা চৌধুরী, ডা. জুবায়ের আল মাহমুদ, ইঞ্জিনিয়ার কামরুজ্জামান, তৌহিদুল ইসলাম রানা, ফৌজিয়া শারমিন সম্পা ,ডা. হারুন, নাদিয়া তাসনিম নিপা, সায়মন, শিহাব রিয়াদ, রিয়াদ মাহমুদ, আশরাফুল ইসলাম টিটু, ইলিয়াস ইলু, এস আই জুয়েল , মোহাম্মদ ফোরকান, ডা. রায়হান, অভি প্রমুখ।