খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্রান্তিকালে চিকিৎসাসেবা থেকে বিরত থাকা চিকিৎসক ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২০, ১২:০৫ অপরাহ্ণ
ক্রান্তিকালে চিকিৎসাসেবা থেকে বিরত থাকা চিকিৎসক ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন

অ আ আবীর আকাশ ::: লক্ষ্মীপুরে এতো মুড়ি-মুড়কির দোকানের মতো হাসপাতাল ক্লিনিক প্যাথলজি হচ্ছে যে, তা সত্যিই আমাদের মতো সাধারণ চিকিৎসাসেবা প্রত্যাশীদের কাছে উদ্বেগের কারণ। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইউসি সেকেন্দার আলী নামের এক ব্যক্তি এক ঘন্টায় দু’বার দুই প্যাথলজিতে রক্ত পরীক্ষা করেন। দুইবারে দুই রকম রিপোর্ট এসেছে বলে তিনি দুটোরই ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করে প্রশ্ন তুলেছেন -‘এক ঘন্টায় কি মানুষের রক্তের গ্রুপ বদলে যায়?’

দেশব্যাপী চিকিৎসাসেবায় নৈরাজ্য আর অনিয়মের কারণে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন-‘ দেশে মুড়ি-মুড়কি দোকানের মত হাসপাতাল ক্লিনিক প্যাথলজি হচ্ছে। এতো বেশি এসবের উদ্ভব ঘটেছে যে তাতে সাধারণ জনগণ চিকিৎসা সেবার নামে উল্টো হয়রানি হচ্ছে। এসবের একটা সুনির্দিষ্ট বিহিত করতে হবে। যে কেউ ইচ্ছে করলেই চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান খুলে বসবে তা তো হবে না। চিকিৎসা এখন সেবা না হয়ে টাকা কামানোর বড় ফাঁদে রূপান্তরিত হয়েছে।’ এ সময় স্বাস্থ্য মন্ত্রী আরো বলেন-‘ রক্ত গ্রপিং করতে এক টাকার চেয়ে অনেক কম লাগে, কিন্তু সেখানে এসব প্রতিষ্ঠানে কত টাকা করে নেয়?

সত্যিই মুড়ি-মুড়কি দোকানের মত হাসপাতাল ক্লিনিক প্যাথলজি টাকা কামানোর একটি সহজ মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। কয়েকজন মিলে সামান্য কিছু টাকা নিয়ে খুলে বসছে চিকিৎসা কেন্দ্র। এরপর সদর হাসপাতাল বা জেলার শিক্ষানবিশ কয়েকজন চিকিৎসকের সাথে চুক্তি করে লিফলেট, ব্যানার বানিয়ে প্রতিনিধি দৌড়ে গ্রামাঞ্চলে ফার্মাসিস্টদের কাছে। একজন রোগী পাঠালে রোগীর খরচ, পরীক্ষা-নিরীক্ষার উপর কমিশন পায় ফার্মাসিস্ট। দরকারি বেদরকারি পরীক্ষা দিয়ে এমনকি অপ্রয়োজনীয় ঔষধ লিখেও রোগী বা তার আত্মীয় স্বজনদের সর্বস্বান্ত করা হয়।

এসব প্যাথলজিতে টেকনিশিয়ানদের নেই কোন উচ্চতর ডিগ্রী, নেই ন্যূনতম কাণ্ডজ্ঞান’। তবু তারা দেদারছে দিয়ে যাচ্ছে প্যাথলজি রিপোর্ট।

সাপ্তাহিক চিকিৎসক দিয়েও লক্ষ্মীপুরে বহু প্যাথলজিস্ট মালিক কোটিপতি হয়েছেন। লক্ষ্মীপুরে জমি কিনে বিলাসবহুল বাড়ি গাড়িও করেছেন এইসব সাপ্তাহিক ডাক্তার দিয়ে। এক চিকিৎসক তো বলেই ফেললেন-‘কেন আপনারা সাপ্তাহিক চিকিৎসকের কাছে কেনো যান? সাপ্তাহিক চিকিৎসক সপ্তাহে একদিন আসে বাকি দিনগুলোতে রুগীর ভালো-মন্দ কে দেখে?’ সত্যিই তো এ প্রশ্নের জবাব কি?

হাসপাতাল ক্লিনিক প্যাথলজিতে কোন ডেলিভারি রোগী গেলে সিজার ছাড়া দ্বিতীয় কোনো চিকিৎসা তারা জানেনা বলে মনে হয়। যে সমস্ত চিকিৎসকরা লিপলেট টাঙ্গিয়ে সাতশ টাকা করে ভিজিট নিতেন, একমাসের মধ্যে পুনরায় চারশত টাকা করে হাতাতেন, তারা এই সময়ে কোথায় আছেন?

হাসপাতালে ভর্তির দরকার নেই তবুও ভর্তি করিয়ে রাখা, পরীক্ষার দরকার নেই তবুও পরীক্ষা করানো, ঔষুধের দরকার নেই তবুও সেবন করিয়ে টাকা কামাতেন যেসব চিকিৎসক, ব্যাঙের ছাতার মতো হাসপাতাল ক্লিনিক প্যাথলজি তারা এসময় বিজ্ঞপ্তি ঝুলিয়ে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে গা ঢাকা দিয়েছেন।

দেখা গেছে লক্ষীপুরের হাসপাতাল ক্লিনিক প্যাথলজি রিপোর্ট জেলার বাহিরে গ্রহণযোগ্য নয়। তাছাড়া এসবের রিপোর্ট এক আসে না, ভুল ভ্রান্তিতে সয়লাব। অদক্ষ প্যাথলজিষ্ট দ্বারা রিপোর্ট প্রদান করার দরুন, চিকিৎসকের বেখেয়ালের দরুন বা কার্যত তাদের অজ্ঞতার দরুন এসব হচ্ছে বলে চিকিৎসকেরা মনে করেন এবং সেখানে লক্ষ্মীপুরের রিপোর্ট অগ্রহণযোগ্য হয়।

লক্ষ্মীপুরে বড় বড় ডিগ্রী ঝুলানো চিকিৎসকরা পালিয়ে গেছেন। যারা স্থানীয় তারা এদুর্যোগের ভেতরেও চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, তাদের জন্য শুভকামনা এবং তাদের দায়ীত্ব-কর্তব্য দেখে শ্রদ্ধা জানাই।
তাহলে এসব রক্তচোষা চিকিৎসক হাসপাতাল ক্লিনিক প্যাথলজি পাতানোঅলাদের মুখে থুথু ছিটিয়ে তাদের যদি কোন বৈধ কাগজপত্র থাকে তা বাতিল করে এসব মুড়ি-মুড়কির দোকান ঝেটিয়ে ফেলা দরকার। দেশের দুর্যোগ মূহুর্তে, মানুষের বিপদের সময়ে যারা কাছে থাকবে না, পাশে থাকবে না তারা কিসের চিকিৎসাসেবা খুলে বসেছে

লক্ষ্মীপুর জেলা সিভিল সার্জনকে অনুরোধ করবো- ক্রান্তিকালে যেসব চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে গা ঢাকা দিয়েছে, যে চিকিৎসক বিভিন্ন অজুহাত সৃষ্টি করেছে চিকিৎসা সেবা থেকে বিরত রয়েছে তাদের তালিকা করে আইনি ব্যবস্থা নিন। গণমানুষের যদি কোন উপকারে না আসে তাহলে মিছামিছি রক্তচোষা কেন?

লেখক: কলামিস্ট ও সাংবাদিক।
abirnewsroom@gmail.com

Feb2

শান্তর সেঞ্চুরির পর মুস্তাফিজের ফাইফার, সিরিজ বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
শান্তর সেঞ্চুরির পর মুস্তাফিজের ফাইফার, সিরিজ বাংলাদেশের

নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে ঘরের মাঠের এই ওয়ানডে সিরিজ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তবে পরের ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়ায় টাইগাররা। ফলে শেষ ম্যাচটি হয়ে উঠে সিরিজ নির্ধারণী। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে সেঞ্চুরি পেয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তার ব্যাটে ভর করে আড়াইশ ছাড়ানো সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। ব্যাটারদের পর কিউইদের ওপর ছড়ি ঘুরিয়েছেন বোলাররাও। বিশেষ করে মুস্তাফিজুর রহমান। এই বাঁহাতি পেসারের ফাইফারে কোনোরকমে দুইশ ছুঁয়ে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড। ৫৫ রানের জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে টাইগাররা।

চট্টগ্রামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৬৫ রান করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১০৫ রান করে নাজমুল হোসেন শান্ত। জবাবে ৪৪ ওভার ৫ বলে ২১০ রান করে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড। টাইগারদের হয়ে ৩০ রানে ৫ উইকেট শিকার করে সেরা বোলার মুস্তাফিজ।

২৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি নিউজিল্যান্ডের। নতুন বলে বাংলাদেশকে ব্রেকথ্রু এনে দেন মুস্তাফিজুর রহমান। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে কিউই শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন এই বাঁহাতি পেসার। দ্বিতীয় বলে মুস্তাফিজের বাউন্স সামলাতে পারেননি হেনরি নিকোলস, টপ এজ হয়ে বল জমা পড়ে উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে। ৪ রান করে নিকোলস ফেরায় ভাঙে ৮ রানের উদ্বোধনী জুটি।

আরেক ওপেনার উইল ইয়াং উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। নাহিদ রানার করা অফ স্টাম্পের বাইরের লেংথ বলে খোঁচা দিতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন ইয়াং। সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে এসেছে ২৫ বলে ১৯ রান।

৫৪ রানে ২ উইকেটে হারানোর পর বড় দায়িত্ব ছিল টম ল্যাথামের কাঁধে। কিন্তু উল্টো দলের বিপদ বাড়িয়েছেন অধিনায়ক। ইনিংসের ১৭তম ওভারের পঞ্চম বলটি মিডল স্টাম্পের ওপর করেছিলেন মিরাজ, সেখানে সুইপ করতে গিয়ে টপ এজ হয়ে বল চলে যায় শর্ট ফাইন লেগে দাঁড়িয়ে থাকা শরিফুলের হাতে। ১৩ বলে ৫ রান করেছেন ল্যাথাম।

৬১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে দল যখন বিপদে তখন হাল ধরেন নিক কেলি ও মোহাম্মদ আব্বাস। বিশেষ করে ক্যালি দারুণ ব্যাটিং করছেন। ব্যক্তিগত ফিফটি তুলে নিয়েছেন তিনি। এই মাইলফলক ছুঁতে খেলেছেন ৬৮ বল। তবে ফিফটির পর আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৫৯ রান করে মুস্তাফিজের বলে আউট হয়েছেন তিনি। তাতে ভাঙে ৪৭ রানের চতুর্থ উইকেট জুটি।

ভালো শুরু করা আব্বাসকে বোল্ড করেন শরিফুল। ৩৬ বলে ২৫ রান করেছেন তিনি। তাতে ১২৪ রানে পঞ্চম উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে অনেকটাই দূরে সরে যায় কিউইরা। এরপর ডিন ফক্সকর্ফট ছাড়া আর কেউ দাঁড়াতেই পারেননি। তার ৭৫ রানের ইনিংস কেবলই হারের ব্যবধান কমিয়েছে।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শুরুতেই সাজঘরের পথ ধরেন ওপেনার সাইফ হাসান। উইলিয়াম ও’উরকের বলে কট বিহাইন্ড হন তিনি। আউট হওয়ার আগে রানের খাতাই খুলতে পারেননি এই ডানহাতি ব্যাটার।

ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি আগের ম্যাচে হাফ-সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ হাসান তামিম। ৫ বলে ১ রান করেন তিনি। ৯ রানে ২ উইকেট হারানো দলের হাল ধরান চেষ্টা চালান নাজমুল হোসেন শান্ত ও সৌম্য সরকার। কিন্তু এই জুটিটাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেনি। ২৬ বলে ১৮ রান করে আউট হন সৌম্য।

চতুর্থ উইকেটে দলের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন কুমার দাস। শুরুতে দেখে-শুনে ব্যাট করতে থাকলেও ক্রমেই কিউই বোলারদের ওপর চড়াও হতে থাকেন তারা। তাতেই বাড়তে থাকে বাংলাদেশের ইনিংস। জুটিতে দুজন মিলে তোলেন ১৬০ রান। তাতেই ভালো সংগ্রহের ভিত পেয়েছে টাইগাররা। ফিফটি পূরণের পর ৭৬ রানে থামেন লিটন।

এ দিকে ফিফটির পূরণের পর সেঞ্চুরিও তুলে নেন শান্ত। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ শতরানের ইনিংস। শান্তর ইনিংস থামে ১০৫ রানে। ১১৯ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি ৯টি চার ও দুটি ছয়ে সাজানো।

এ ছাড়া মেহেদী হাসান মিরাজ ২২, শরিফুল ইসলাম ১, তানভীর ইসলাম শূন্য রানে আউট হন। এ ছাড়া ৩৩ রানে তাওহীদ হৃদয় ও ৩ রানে মুস্তাফিজুর রহমান অপরাজিত থাকেন।

দ্বিতীয় তেল শোধনাগার তৈরি করা জরুরি: সেনাপ্রধান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
দ্বিতীয় তেল শোধনাগার তৈরি করা জরুরি: সেনাপ্রধান

স্বাধীনতার ৫৪-৫৫ বছর পার হলেও দেশে দ্বিতীয় কোনো জ্বালানি তেল শোধনাগার (রিফাইনারি) গড়ে না ওঠায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ইরানের সঙ্গে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধে সৃষ্ট সংকট সমাধানে জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, জ্বালানি সক্ষমতা যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে স্পষ্ট। নিজস্ব শোধনাগার না থাকায় অপরিশোধিত তেল থাকা সত্ত্বেও বিদেশ থেকে বেশি দামে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানি করতে হচ্ছে, যার ফলে জ্বালানি খরচ বাড়ছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) ক্যাপস্টোন কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সংসদ সদস্য, সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিসহ মোট ৪৫ জন ফেলো এই কোর্সে অংশগ্রহণ করেন।

অংশগ্রহণকারী ফেলোরা জানান, কোর্সটি কৌশলগত সচেতনতা বৃদ্ধি, আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতা জোরদার এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়ন বিষয়ক একটি অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।

কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা সুদৃঢ় করা এবং দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান সেনাপ্রধান।

জ্বালানি সংকট নিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমাদের দেশে একটি মাত্র রিফাইনারি (ইস্টার্ন রিফাইনারি) রয়েছে যা চাহিদার মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশ মেটাতে পারে। বাকি জ্বালানি আমাদের পরিশোধিত অবস্থায় আমদানি করতে হয়, যার ফলে খরচ অনেক বেশি পড়ে।

শিক্ষার্থীদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:০৪ অপরাহ্ণ
শিক্ষার্থীদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র এবং শিক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

ছাত্রছাত্রীদের পাঠাভ্যাস তৈরি করতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সঙ্গে সরকারের কাজ করার সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানাল, এ লক্ষ্যে কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদসহ শিক্ষা, প্রাথমিক, গণশিক্ষা ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সরকারপ্রধান। এ সময় কর্মসূচিটি কীভাবে সারাদেশের পড়ুয়াদের মধ্যে বিস্তৃত করা যায়, সে বিষয়েও হয়েছে বিস্তারিত আলোচনা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কক্ষে বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, জাহেদ উর রহমান ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা।

এর আগে গত ৭ এপ্রিল তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন অধ্যাপক আবু সায়ীদ।