খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ছেলে রাহাতের ব্যাপারে তদন্ত করছে দুদক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২০, ১০:১১ পূর্বাহ্ণ
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ছেলে রাহাতের ব্যাপারে তদন্ত করছে দুদক

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপনের ছেলে রাহাত মালেক শুভ্রের ব্যাপারে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক) তদন্ত শুরু করেছে।

সাম্প্রতিককালে এন-৯৫ মাস্ক, ভেন্টিলেটরসহ করোনা মোকাবেলার জন্য বিভিন্ন সরঞ্জাম কেনাকাটা নিয়ে কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পুত্র রাহাত মালেক শুভ্রের নাম।

এই প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে তীব্র সমালোচনা হচ্ছে।

জানা গেছে যে, এন-৯৫ মাস্ক নিয়ে যে কেলেঙ্কারি হয়েছে, জিএমআই নামে যে কোম্পানিটি এই মাস্ক সরবরাহ করেছিল, সেই কোম্পানি বিনা টেন্ডারে ভুয়া এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহ করেছিল। এই কোম্পানিটির সঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পুত্রের যোগসাজশের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

অবশ্য দুর্নীতি দমন কমিশনের একজন কর্মকর্তা বলেছেন যে, সাম্প্রতিক করোনা মোকাবেলার ক্ষেত্রে কেনাকাটা নয়, বরং আগে থেকেই স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ছেলেকে নিয়ে তারা তদন্ত করছিলেন।

এই তদন্তের অংশ হিসেবেই স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাবেক এপিএস ড. আরিফুর রহমান শেখকে দুর্নীতি দমন কমিশনে তলব করা হয়েছিল গত জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে। সে সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পুত্রের ব্যাপারে তাকে অনেক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

টানা তৃতীয় মেয়াদে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান ড. জাহিদ মালেক। এরপর থেকেই তার পুত্র স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কেনাকাটার বিষয়ে হস্তক্ষেপ শুরু করেন বলে দুর্নীতি দমন কমিশনের কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে বলে দুদকের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। সেই প্রেক্ষিতেই তারা অনুসন্ধান শুরু করে।

অবশ্য যখন দুদক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাবেক এপিএসকে জিজ্ঞাসাবাদ করা শুরু করেন, তখন মন্ত্রী তার তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেন। এরপর থেকেই দুদক নিজস্ব উদ্যোগে তদন্ত করছে। খুব শিগগিরই তারা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।সূত্র:বাংলা ইনসাইডার

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…