খুঁজুন
, ,

বোয়ালখালীতে ৮ দফায় ত্রাণ বরাদ্দ, পৌরসভার ১২শ পরিবারের বিশেষ কার্ড!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 27 April, 2020, 12:31 pm
বোয়ালখালীতে ৮ দফায় ত্রাণ বরাদ্দ, পৌরসভার ১২শ পরিবারের বিশেষ কার্ড!

২৪ ঘণ্টা ডট নিউজ। বোয়ালখালী প্রতিনিধি : করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায়, দুঃস্থ পরিবারের জন্য চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে ৮ দফায় এসেছে চাউল, নগদ টাকা, গুড়োদুধ ও শিশুখাদ্য ক্রয়ের জন্য অর্থ।

এছাড়া এবার বোয়ালখালী পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ১২শ পরিবার পাচ্ছেন বিশেষ ওএমএস কার্ড। এ কার্ডের মাধ্যমে ১০টাকা কেজি দরে ওএমএসের চাউল কিনতে পারবেন তারা।

পৌর প্যানেল মেয়র শাহজাদা মিজানুর রহমান বলেন, পৌর এলাকার ১২শ পরিবারকে ১০টাকা কেজি দরে চাউল কিনতে বিশেষ ওএমএস কার্ড দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় দরিদ্র-মেহনতি মানুষকে খাদ্য সহায়তা প্রদানে এই সুবিধার আওতায় আনা হচ্ছে।

জানা গেছে, বর্তমানে পৌরসভা ছাড়া উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায়ে ১হাজার ৬শত ৪১জন চরম দরিদ্র ও দুস্থ মানুষ খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর আওতায় সরকারের রেশন কার্ড সুবিধায় ১০ টাকা কেজি দরে চাল পেয়ে আসছেন।

এছাড়া ভিজিডি কর্মসূচির আওতায় ইউনিয়ন পর্যায়ের ১ হাজার জন হতদরিদ্র ব্যক্তি বিনামূল্যে ৩০কেজি করে চাউল পাচ্ছেন বলে উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

একই সাথে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে কর্মহীন, হতদরিদ্র, অসহায় পরিবারগুলোর জন্য এ পর্যন্ত ৮ম দফায় বোয়ালখালীতে চাউল ও নগদ অর্থ বরাদ্দ এসেছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আছিয়া খাতুন।

জানা গেছে, বোয়ালখালীতে ১ম দফায় উপজেলার জন্য ৫ দশমিক ৫ মেট্রিক টন চাউল ও শুকনো খাদ্য ক্রয়ের জন্য নগদ ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ আসে। ২য় দফায় বরাদ্দ আসে ৬ দশমিক ৫ মেট্রিক টন চাউল।

৩য় দফায় ৮ দশমিক ৫ মেট্রিক টন চাউল ও পৌরসভার জন্য নগদ ৪৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার। ৪র্থ দফায় উপজেলার জন্য ৬ দশমিক ৫ মেট্রিক টন চাউল, নগদ ৩২ হাজার টাকা, শিশু খাদ্য ক্রয়ের জন্য নগদ ১১ হাজার টাকা ও পৌরসভার জন্য ৯ মেট্রিক টন চাউল এবং নগদ ৪৫ হাজার টাকা বরাদ্দ আসে।

৫ম দফায় ১৬ মেট্রিক টন চাউল ও নগদ ৪০ হাজার টাকা এবং পৌরসভার জন্য ১৩ মেট্রিক টন চাউল সরকারি বরাদ্দ আসে। ৬ষ্ঠ দফায় ৮দশমিক ৫ মেট্রিক টন চাল, নগদ ৩০ হাজার টাকা ও শিশুখাদ্য ক্রয়ের জন্য ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে।

৭ম দফায় ৮০ প্যাকেট গুড়োদুধ এবং ৮ম দফায় ৮ দশমিক ৫ মেট্রিক টন চাউল, নগদ ৩০ হাজার টাকা ও শিশুখাদ্য ক্রয়ের জন্য নগদ ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে উপজেলা প্রশাসন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আছিয়া খাতুন বলেন, বরাদ্দ পাওয়া ত্রাণ সামগ্রী পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হচ্ছে।

২৪ ঘণ্টা/পূজন সেন/আর এস পি

Feb2
Feb2

এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি, গ্যাস সরবরাহ কমে অর্ধেক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 21 July, 2026, 6:20 pm
এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি, গ্যাস সরবরাহ কমে অর্ধেক

কক্সবাজারের মহেশখালীর একটি ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে দেশে গ্যাসের সরবরাহ কমে গেছে। এতে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকেরা।

বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) সূত্রে জানা গেছে, দেশে আমদানি করা এলএনজি রূপান্তর করে সরবরাহের জন্য মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। দেশে এমনিতেই দীর্ঘদিন ধরে চাহিদার তুলনায় গ্যাসের সরবরাহ কম। এর মধ্যে দুটি টার্মিনাল থেকে ১০০ থেকে ১০৫ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছিল। হঠাৎ কারিগরি ত্রুটির কারণে সরবরাহ ৬০ কোটি ঘনফুটের নিচে নেমে গেছে। এতে পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ কমে গেছে।

দেশে প্রতিদিন সরবরাহ করা মোট গ্যাসের প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশই আসে আমদানি করা এলএনজি থেকে। ফলে এলএনজির সরবরাহ কমে গেলে গ্যাসের সংকট বেড়ে যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সরবরাহ কমে যাওয়ায় সারা দেশে গ্যাসের সরবরাহ কমে গেছে। অনেক এলাকায় রান্নার চুলা জ্বালাতে সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকার গ্রাহকেরা চাপে পড়েছে। শিল্পও চাহিদামতো গ্যাস পাবে না। কমতে পারে গ্যাস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনও।

এদিকে গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় গ্যাস বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কারিগরি ত্রুটির কারণে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে প্রায় ৪৫ কোটি ঘনফুট গ্যাসের সরবরাহ কমে গেছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত তিতাসের আওতাধীন এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহক প্রান্তে গ্যাসের তীব্র স্বল্পচাপ বিরাজ করবে।

সিলিমপুর আবাসিকের ভেতর দিয়ে সড়ক নয়, বিকল্প রুটের প্রস্তাব সিডিএর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 21 July, 2026, 3:43 pm
সিলিমপুর আবাসিকের ভেতর দিয়ে সড়ক নয়, বিকল্প রুটের প্রস্তাব সিডিএর

সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রস্তাবিত কয়েকটি অভ্যন্তরীণ ও কানেক্টিং সড়কের মধ্যে দুটি সিলিমপুর আবাসিক এলাকার ভেতর দিয়ে নেওয়ার প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। আবাসিক এলাকার নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে প্লট মালিকদের মতামতের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীকে বিকল্প রুট ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে সিলিমপুর আবাসিক এলাকায় প্লট মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা এবং সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রস্তাবিত সড়কের স্থান পরিদর্শন করেন সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন। এ সময় তিনি সম্ভাব্য রুটগুলো ঘুরে দেখেন এবং মৌজা ম্যাপ অনুযায়ী বিভিন্ন বিষয় যাচাই-বাছাই করেন।

সিডিএ সূত্র জানায়, জঙ্গল সলিমপুর একটি স্পর্শকাতর এলাকা। ওই এলাকার সঙ্গে একটি শান্ত ও সংরক্ষিত আবাসিক এলাকার সরাসরি সংযোগ স্থাপন করা হলে আবাসিকের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে স্থানীয় প্লট মালিকদের মতামত নিয়ে বিকল্প স্থানে সড়ক নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের সড়কটি মূল আবাসিক এলাকার ভেতর দিয়ে করার সুযোগ নেই।

তবে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে খালের পাড় ধরে সাময়িকভাবে একটি অস্থায়ী পথ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। স্থায়ীভাবে আবাসিক এলাকার ভেতর দিয়ে সড়ক নির্মাণ না করাই ভালো। প্লট মালিকদের পরামর্শ অনুযায়ী সেনাবাহিনীকে বিকল্প স্থান দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত বিকল্প রুটের প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণের পর তারা সিডিএকে হালনাগাদ অগ্রগতি জানাবে।

সভায় দীর্ঘদিনের গ্যাস ও পানি সংকট নিরসনের আশ্বাসও দেন সিডিএ চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, দ্রুত পানির সংযোগ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং ওয়াসা দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। পর্যায়ক্রমে এলাকার সব নাগরিক দুর্ভোগ দূর করা হবে।

এ সময় সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সিলিমপুর আবাসিক এলাকার প্লট মালিক সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মাদক-কিশোর গ্যাং দমনে কঠোর হওয়ার নির্দেশ সিএমপি কমিশনারের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 21 July, 2026, 3:30 pm
মাদক-কিশোর গ্যাং দমনে কঠোর হওয়ার নির্দেশ সিএমপি কমিশনারের

চুরি, ছিনতাই, মাদক, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে আরও কার্যকর অভিযান পরিচালনার জন্য চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সব ইউনিটকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে নগরের দামপাড়া পুলিশ লাইন্সের মাল্টিপারপাস শেডে অনুষ্ঠিত সিএমপির জুলাই-২০২৬ মাসের মাসিক কল্যাণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

সভায় পুলিশ কমিশনার বলেন, সিএমপির প্রতিটি সদস্যকে সততা, নিষ্ঠা, কর্তব্যপরায়ণতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। একই সঙ্গে নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চুরি, ছিনতাই, মাদক, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

এদিকে সভায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কৃতিত্ব অর্জনের জন্য কনস্টেবল মো. জাকির হোসেন জনিকে সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান করেন পুলিশ কমিশনার। তিনি মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত ২য় এশিয়ান প্যারা থ্রোবল চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬-এ রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সনদ অর্জন করেন।

এছাড়া ভারতের ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে অনুষ্ঠিত ২য় সাউথ এশিয়ান থ্রোবল চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬-এ খেলোয়াড় হিসেবে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ দলের হয়ে দ্বিতীয় রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া (অতিরিক্ত ডিআইজি), উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) মো. ফেরদৌস আলী চৌধুরী, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. হাবিবুর রহমান প্রাং, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ) শেখ শরীফুল ইসলাম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-উত্তর) নেছার উদ্দিন আহম্মেদসহ সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন স্তরের পুলিশ সদস্যরা।