খুঁজুন
বুধবার, ৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে করোনার নমুনা পরীক্ষা বৃদ্ধি করতে হবে:বক্কর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২০, ৪:৩৩ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে করোনার নমুনা পরীক্ষা বৃদ্ধি করতে হবে:বক্কর

গরীব অসহায় মানুষের জন্য ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দের কাছে ত্রাণ সামগ্রী হস্তান্তর করছেন আবুল হাশেম বক্কর।

চট্টগ্রাম জেলায় প্রতিদিনি যে হারে করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে তা পর্যাপ্ত না জানিয়ে নমুনা পরীক্ষা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে প্রতিদিন গড়ে একশ থেকে দুই জনের নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। এতে প্রায় ৩-৫ জনের করোনা পজেটিভ হিসাবে শনাক্ত হচ্ছে। কিন্তু বেশির ভাগই মানুষ নমুনা পরীক্ষা থেকে বাদ যাচ্ছে। যাদের অনেকে করোনা সংক্রমণ হলেও তা নিজে বুঝতে পারছে না। যখন কোন উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে বা নমুনা পরীক্ষা করতে যায় তখন নানা ধরণের হয়রানি ও হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে। নমুনা পরীক্ষা দিলেও পরীক্ষার ফলাফল আসতে যে সময় লাগে, সে সময়ে আক্রান্ত ব্যক্তির দ্বারা আরো অনেকে অঅক্রান্ত হচ্ছে। তাই চট্টগ্রাম জেলার জনসংখ্যার অনুপাতে করোনা নমুনা পরীক্ষা আরো বাড়াতে হবে।

তিনি আজ রোববার (৩ মে ) দুপুরে নগরীর এনায়েত বাজার বাটালী রোডের নিজ বাসভবন থেকে ৩নং পাঁচলাইশ, ৪ নং চান্দগাঁও ওয়ার্ডে লকডাউনে কর্মহীন অসহায় মানুষের জন্য বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছে ত্রাণ সামগ্রী হস্তান্তরকালে এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, দেশের প্রায় সর্বস্তরে করোনার সামাজিক সংক্রমণ শুরু হলেও অধিকাংশ রোগীর কন্ট্রাক ট্রেসিং করা হচ্ছে না। প্রতিদিন স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে নতুন রোগীর যে হিসাব দেয়া হয়, সেখানে ফলোআপ রোগীরা যুক্ত কিনা তা স্পষ্ট করা হয় না। প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাবে সন্দেহজনক রোগীরা ফোন করে ১০ দিন অপেক্ষা করেও নমুনা দিতে পারছে না। ১৪ দিনের জায়গায় ১৭ দিন হাসপাতালে থেকেও নমুনা পরীক্ষা করাতে পারছে না অনেকেই। এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। আওয়ামীলীগ সারা বছর দেশে উন্নয়নের ফুলঝুড়ি ছড়ালেও, করোনা এ পরিস্থিতিতে মানুষ বুঝে গেছে এতদিনের উন্নয়নের যে বুলি ছড়িয়ে তা মিথ্যা ও বানোয়াট। স্বাস্থ্য খাত সরকার দলীয় ক্যাডারদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাত নিয়ে সরকারের পাশাপাশি ত্রাণ তৎপরতা নিয়েও আওয়ামী লীগ মিথ্যাচার করছে। তাদের ত্রাণ চাল ডাল নেতাদের বসত ঘরে পাওয়া গেলেও অসহায় মানুষ মানুষ পাচ্ছে না। বিএনপি ক্ষমতায় না থাকলেও জনগণেল প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে করোনাকালীন এ দূর্যোগের শুরু থেকে জনগণকে সচেতন করা, খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে। যতদিন এ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয়, সারাদেশের ন্যায় চট্টগ্রাম মহানগরীতেও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাত থাকবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. ইদ্রিস আলী, ৩নং পাঁচলাইশ ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাজ্বী ইলিয়াস, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আবু, ৪ নং চান্দগাঁও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. ইলিয়াস, সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল কবির রানা প্রমুখ।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’

অবৈধ তেল মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ
অবৈধ তেল মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন

চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজীদ ও খুলশী থানা এলাকায় জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম, র‍্যাব-০৭, সিএমপি এবং বিভাগীয় কার্যালয়, বিএসটিআই এর সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৮ এপ্রিল) উক্ত যৌথ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শাকিব শাহরিয়ার।

উক্ত অভিযানে আমানত প্যাকেজিং এন্ড মার্কেটিং, গুলবাগ আবাসিক এলাকা, বায়েজীদ, চট্টগ্রাম নামক একটি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিএসটিআই হতে সিএম সনদ গ্রহণ ব্যতিরেকে ফর্টিফাইড সয়াবিন তেল পণ্য বোতলজাতকরণ এবং পণ্যের মোড়কে মানচিহ্ন ব্যবহারপূর্বক বাজারজাতকরণের অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিতে মজুদ প্রায় ১০৪২ লিটার ভোজ্যতেল, আনুমানিক ১০,০০০ পিস পণ্যের মোড়ক এবং বেশ কিছু খালি বোতল জব্দ করে সংশ্লিষ্ট থানার জিম্মায় দেয়া হয় এবং প্রতিষ্ঠান মালিকের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।

পরবর্তীতে খুলশী থানা, চট্টগ্রাম এলাকায় ২টি প্রতিষ্ঠানে খাদ্যপণ্য মজুতের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ব্যতিরেকে প্রায় ৫০ ড্রাম (প্রতি ড্রাম ২০০ লিটার) ফর্টিফায়েড সয়াবিন তেল মজুত এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ড্রামজাত ফর্টিফায়েড সয়াবিন তেল মজুতের অভিযোগে ২টি প্রতিষ্ঠানের মালিককে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী মোট ৬০,০০০ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সার্বিক নির্দেশনায় জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এ পর্যন্ত জেলায় ২৬৯টি অভিযান চালিয়ে প্রায় ৬,৭৭,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং জেলা প্রশাসন, পুলিশ, র‍্যাব, কোস্টগার্ড সহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ অভিযানে প্রায় ৭৫,৮২৪ লিটার তেল জব্দ করা হয়েছে। অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত দামে জ্বালানি বিক্রির বিরুদ্ধে এই অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।

নিষিদ্ধই থাকছে আ.লীগের কার্যক্রম, সংসদে বিল পাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
নিষিদ্ধই থাকছে আ.লীগের কার্যক্রম, সংসদে বিল পাস

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশ বিল আকারে সংসদে পাস হয়েছে।

বুধবার (০৮ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কর্তৃক উত্থাপিত সন্ত্রাসবিরোধী বিল ২০২৬ সংসদে ‘হ্যাঁ’ ভোটে জয়যুক্ত হয়েছে।

এর মাধ্যমে বিদ্যমান সন্ত্রাসবিরোধী আইনকে আরও সংশোধন ও কঠোর করা হচ্ছে। এতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে।

সংসদে বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগে থেকেই দেশে সন্ত্রাসবিরোধী আইন থাকলেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও জনমতের প্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি বিশেষ অধ্যাদেশ জারি করে। সেই অধ্যাদেশে গণহত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিধান রাখা হয়, যার আওতায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে বেলা ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের বৈঠক পুনরায় শুরু হয়।