খুঁজুন
, ,

উধাও’ করোনা ফিরলো যশোরে পরীক্ষা শুরুতেই, যশোরে নতুন আক্রান্ত-১১

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 5 May, 2020, 1:25 pm
উধাও’ করোনা ফিরলো যশোরে পরীক্ষা শুরুতেই, যশোরে নতুন আক্রান্ত-১১

যশোর প্রতিনিধি::যশোর থেকে উধাও হয়ে যাওয়া কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস) ফিরলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় দফা নমুনা পরীক্ষা শুরু করামাত্র।

আজ সকালে যবিপ্রবি থেকে পরীক্ষার ফলাফলের যে রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, এই জেলার ৫৭ নমুনার মধ্যে ১১টিই পজেটিভ।

এছাড়া এদিন (যবিপ্রবি) পরীক্ষাগারে ঝিনাইদহের ৭ এবং চুয়াডাঙ্গার ১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হন। এই ২ জেলার যথাক্রমে ২৩ ও ১৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। আর মাগুরার পরীক্ষিত ১টি নমুনার ফল নেগেটিভ আসে।

আজকের ফলাফলসহ যশোর জেলায় এখন পর্যন্ত মোট ৬৯ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির সন্ধান মিললো। এর মধ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগার থেকেই ৬৬ জনের ফলাফল পজেটিভ আসে। আর মাত্র ৩ টি নমুনার ফলাফল পজেটিভ আসে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরীক্ষাগার থেকে।

দুই প্রতিষ্ঠানের ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে আকাশ_পাতাল ব্যবধান নিয়ে গতকাল সোমবার একটি বিশ্লেষণধর্মী রিপোর্ট প্রকাশ করে। এছাড়া যবিপ্রবি ল্যাব জীবাণুমুক্ত করার জন্য কয়েকদিন বন্ধ থাকার সময় খুলনা থেকে একের পর এক নেগেটিভ ফলাফল আসার বিষয়টিকে সন্দেহে রেখে, যশোর থেকে হঠাৎ করোনা উধাও শিরোনামে আরেকটি রিপোর্ট প্রকাশ করে।

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টারে সোমবার এই অঞ্চলের কয়েকটি জেলার সন্দেহভাজন করোনা রোগীদের মোট ৯৪ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১৯টি নমুনা পজেটিভ হয়।

এদিন যশোর জেলার ৫৭টি নমুনার মধ্যে ১১টি, ঝিনাইদহের ২৩টির মধ্যে ৭টি এবং চুয়াডাঙ্গার ১৩টির মধ্যে একটি নমুনা পজেটিভ পাওয়া যায়। আর মাগুরা জেলার একটি নমুনা পরীক্ষা করে ফল আসে নেগেটিভ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও জেনোম সেন্টারের সহকারী পরিচালক প্রফেসর ড. ইকবাল কবীর জাহিদ সোমবার জানিয়েছিলো,এ দিন যশোর, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা এবং ঝিনাইদহ জেলা থেকে মোট ৯১টি নমুনা এসেছে। এইগুলোর মধ্যে থেকে কিছু এবং পেন্ডিং থাকা কিছু নমুনা পরীক্ষা করা হয় সোমবার।
যবিপ্রবির প্রথম দফা পরীক্ষার কাজে নিয়োজিত টিমের লিডার (বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে) প্রফেসর জাহিদ আজ মঙ্গলবার সকালে জানান, পরীক্ষার ফলাফল ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জনদের কাছে ইমেইল-যোগে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

কোড অনুযায়ী রোগীদের চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জনরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।
এই বিষয়ে সকালে যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মো. আবু শাহীন সংবাদকর্মীদের বলেন, যবিপ্রবির করোনা শনাক্তের রেজাল্ট এখনো তিনি দেখেননি। অফিসে গিয়ে ইমেইল চেক করে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরীক্ষার ফলাফল সম্বন্ধে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আনোয়ার হোসেন আজ সকালে বলেন, ল্যাব পরিচ্ছন্ন করার আগের কিছু নমুনা ছিল। আর গতকাল কিছু নমুনা হাতে পাওয়া গেছে। আগের ৫৪টি নমুনার মধ্যে ১৩টির রেজাল্ট পজেটিভ এসেছে। বাদবাকি পজেটিভগুলো নতুন স্যাম্পলের।

যশোরে সিভিল সার্জন গতকাল ৪১টি নমুনা পাঠিয়েছিলেন। এর মধ্যে একটি রিজেক্ট করা হয়েছে। বাকি ৪০টির মধ্যে ছয়টি নমুনার ফল পজেটিভ এসেছে, বলছিলেন প্রফেসর আনোয়ার।

খুলনা মেডিকেল কলেজ থেকে আসা নমুনা পরীক্ষার ফলাফল একের পর এক নেগেটিভ আসছে, অথচ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে দ্বিতীয় দফা পরীক্ষার কাজ শুরু করা মাত্রই পজেটিভ রেজাল্ট আসা শুরু করলো। এই প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে দেশের অন্যতম শীর্ষ অণুজীববিজ্ঞানী ড. আনোয়ার বলেছেন, অন্য কোনো ল্যাবের পরীক্ষার বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই। তবে আমাদের ল্যাবের পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে আমরা কনফিডেন্ট।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/নিলয়

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।