খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উধাও’ করোনা ফিরলো যশোরে পরীক্ষা শুরুতেই, যশোরে নতুন আক্রান্ত-১১

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২০, ১:২৫ অপরাহ্ণ
উধাও’ করোনা ফিরলো যশোরে পরীক্ষা শুরুতেই, যশোরে নতুন আক্রান্ত-১১

যশোর প্রতিনিধি::যশোর থেকে উধাও হয়ে যাওয়া কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস) ফিরলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় দফা নমুনা পরীক্ষা শুরু করামাত্র।

আজ সকালে যবিপ্রবি থেকে পরীক্ষার ফলাফলের যে রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, এই জেলার ৫৭ নমুনার মধ্যে ১১টিই পজেটিভ।

এছাড়া এদিন (যবিপ্রবি) পরীক্ষাগারে ঝিনাইদহের ৭ এবং চুয়াডাঙ্গার ১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হন। এই ২ জেলার যথাক্রমে ২৩ ও ১৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। আর মাগুরার পরীক্ষিত ১টি নমুনার ফল নেগেটিভ আসে।

আজকের ফলাফলসহ যশোর জেলায় এখন পর্যন্ত মোট ৬৯ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির সন্ধান মিললো। এর মধ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগার থেকেই ৬৬ জনের ফলাফল পজেটিভ আসে। আর মাত্র ৩ টি নমুনার ফলাফল পজেটিভ আসে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরীক্ষাগার থেকে।

দুই প্রতিষ্ঠানের ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে আকাশ_পাতাল ব্যবধান নিয়ে গতকাল সোমবার একটি বিশ্লেষণধর্মী রিপোর্ট প্রকাশ করে। এছাড়া যবিপ্রবি ল্যাব জীবাণুমুক্ত করার জন্য কয়েকদিন বন্ধ থাকার সময় খুলনা থেকে একের পর এক নেগেটিভ ফলাফল আসার বিষয়টিকে সন্দেহে রেখে, যশোর থেকে হঠাৎ করোনা উধাও শিরোনামে আরেকটি রিপোর্ট প্রকাশ করে।

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টারে সোমবার এই অঞ্চলের কয়েকটি জেলার সন্দেহভাজন করোনা রোগীদের মোট ৯৪ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১৯টি নমুনা পজেটিভ হয়।

এদিন যশোর জেলার ৫৭টি নমুনার মধ্যে ১১টি, ঝিনাইদহের ২৩টির মধ্যে ৭টি এবং চুয়াডাঙ্গার ১৩টির মধ্যে একটি নমুনা পজেটিভ পাওয়া যায়। আর মাগুরা জেলার একটি নমুনা পরীক্ষা করে ফল আসে নেগেটিভ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও জেনোম সেন্টারের সহকারী পরিচালক প্রফেসর ড. ইকবাল কবীর জাহিদ সোমবার জানিয়েছিলো,এ দিন যশোর, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা এবং ঝিনাইদহ জেলা থেকে মোট ৯১টি নমুনা এসেছে। এইগুলোর মধ্যে থেকে কিছু এবং পেন্ডিং থাকা কিছু নমুনা পরীক্ষা করা হয় সোমবার।
যবিপ্রবির প্রথম দফা পরীক্ষার কাজে নিয়োজিত টিমের লিডার (বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে) প্রফেসর জাহিদ আজ মঙ্গলবার সকালে জানান, পরীক্ষার ফলাফল ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জনদের কাছে ইমেইল-যোগে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

কোড অনুযায়ী রোগীদের চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জনরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।
এই বিষয়ে সকালে যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মো. আবু শাহীন সংবাদকর্মীদের বলেন, যবিপ্রবির করোনা শনাক্তের রেজাল্ট এখনো তিনি দেখেননি। অফিসে গিয়ে ইমেইল চেক করে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরীক্ষার ফলাফল সম্বন্ধে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আনোয়ার হোসেন আজ সকালে বলেন, ল্যাব পরিচ্ছন্ন করার আগের কিছু নমুনা ছিল। আর গতকাল কিছু নমুনা হাতে পাওয়া গেছে। আগের ৫৪টি নমুনার মধ্যে ১৩টির রেজাল্ট পজেটিভ এসেছে। বাদবাকি পজেটিভগুলো নতুন স্যাম্পলের।

যশোরে সিভিল সার্জন গতকাল ৪১টি নমুনা পাঠিয়েছিলেন। এর মধ্যে একটি রিজেক্ট করা হয়েছে। বাকি ৪০টির মধ্যে ছয়টি নমুনার ফল পজেটিভ এসেছে, বলছিলেন প্রফেসর আনোয়ার।

খুলনা মেডিকেল কলেজ থেকে আসা নমুনা পরীক্ষার ফলাফল একের পর এক নেগেটিভ আসছে, অথচ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে দ্বিতীয় দফা পরীক্ষার কাজ শুরু করা মাত্রই পজেটিভ রেজাল্ট আসা শুরু করলো। এই প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে দেশের অন্যতম শীর্ষ অণুজীববিজ্ঞানী ড. আনোয়ার বলেছেন, অন্য কোনো ল্যাবের পরীক্ষার বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই। তবে আমাদের ল্যাবের পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে আমরা কনফিডেন্ট।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/নিলয়

Feb2

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…

অস্ত্র মামলায় ফয়সাল করিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
অস্ত্র মামলায় ফয়সাল করিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদকে অস্ত্র আইনের মামলায় দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাহমুদুল মোহসীন এ রায় ঘোষণা করেন। গত রোববার মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন। মামলায় ফয়সাল করিম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটির একটি ফ্ল্যাটে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব-২। তখন পালানোর চেষ্টাকালে ফয়সাল করিমকে আটক করা হয়। তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে চার রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করে র‌্যাব।

এ ঘটনায় পরদিন আদাবর থানায় ফয়সাল করিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন র‌্যাবের হাবিলদার মশিউর রহমান।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ফয়সাল করিম এলাকার চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং মাদক কেনাবেচার হোতা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে চাঁদাবাজি, খুন-জখম এবং জমি দখলসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। অপরাধ সংঘটনের জন্য অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিজের কাছে রেখেছিলেন।

তদন্ত শেষে ফয়সাল করিমকে অভিযুক্ত করে গত বছরের ২৮ মার্চ আদাবর থানার উপ-পরিদর্শক জাহিদ হাসান আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৪ জনের মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

গত বছরের ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ফয়সাল করিম এ মামলায় জামিনে ছিলেন। এরপর ওসমান হাদি হত্যার ঘটনার পর থেকে তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এর মধ্যে গত মাসে তিনি ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছেন।

ভারত থেকে ২০০ ব্রডগেজ কোচের ক্যারেজ রেলের বহরে যুক্ত হবে : রেলমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
ভারত থেকে ২০০ ব্রডগেজ কোচের ক্যারেজ রেলের বহরে যুক্ত হবে : রেলমন্ত্রী

২০২৬ সাল থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর নাগাদ ২০০টি ব্রডগেজ ক্যারেজ বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথ, সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১২তম দিন টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তরে তিনি এ তথ্য জানান।

ফরিদপুর-১ সংসদ সদস্য মো. ইলিয়াস মোল্লা লিখিত প্রশ্ন রেখে বলেন, ঢাকা-কমলাপুর থেকে ফরিদপুর-রাজবাড়ী হয়ে মধুখালি, বোয়ালমারী দিয়ে গোপালগঞ্জ পর্যন্ত কোনো রেলগাড়ি পরিচালনা করার পরিকল্পনা আছে কিনা?

জবাবে শেখ রবিউল আলম বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের অধীনে এই বছরে ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের অর্থায়নে ভারত থেকে ২০০ ব্রডগেজ কোচের সরবরাহ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ২০২৬ সালের জুন থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর নাগাদ ২০০টি ব্রডগেজ ক্যারেজ বাংলাদেশ রেলওয়ে বহরে যুক্ত হবে মর্মে আশা করা যায়। ক্যারেজগুলো সরবরাহ পাওয়া সাপেক্ষে নতুন ট্রেন পরিচালনার বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে রুট নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে রেলপথ মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা পর্যন্ত চলাচল করছে। তাছাড়া আন্তঃনগর চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাটল-২-এর মাধ্যমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহী এসে আন্তঃনগর পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে করে ঢাকা পর্যন্ত যাতায়াত করার সুবিধা রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে ইঞ্জিন, কোচ ও ক্রুর অভাবে ১৯টি মেইল/কমিউটার ও ২১টি লোকাল ট্রেন চলাচল বন্ধ আছে এবং প্রতিদিন ৭/৮টি মালবাহী ট্রেন পুশব্যাক হচ্ছে।