খুঁজুন
রবিবার, ৩রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিভিন্ন এলাকাকে ‘জোনিং’ এর মাধ্যমে করোনা মোকাবেলা করা উচিৎ:ডা.শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২০, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
বিভিন্ন এলাকাকে ‘জোনিং’ এর মাধ্যমে করোনা মোকাবেলা করা উচিৎ:ডা.শাহাদাত

ডা: শাহাদাত হোসেন

২৪ ঘণ্টা ডট নিউজ::::নিজ ফেইসবুক পেইজ থেকে লাইভে এসে নিয়মিত টেলিমেডিসিন চিকিৎসাসেবা দেয়ার সময় দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বিবৃতি দেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশন (WHO)যেটা
আশঙ্কা করেছিল মে মাস করোনার জন্য একটি ঝুকিপূর্ণ মাস। এই সময়টাতে বিশ্বব্যাপী করোনা আক্রান্তদের সংখ্যা বাড়তে পারে।প্রতিদিনের করোনা আপডেট সেটা থেকে বোঝা যাচ্ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু আমাদের ইনভেস্টিগেশন এর পরিমাণ অনেক কম, যেটি খুবই হতাশাজনক। কারণ আমি মনে করি যত বেশি টেস্ট,তত বেশি রোগ নির্ণয় এবং তত বেশি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

ডা: শাহাদাত বলেন,কিন্তু আজকে আমরা দেখতে পাচ্ছি বিভিন্ন জায়গায় পিসিআর মেশিন নেই কিংবা যেখানে পিসিআর মেশিন আছে সেগুলো নষ্ট আবার অনেক জায়গায় হয়তো ৩-৪ টা আছে যেগুলোকে আমরা কাজে লাগাতে পারছিনা।

তিনি বলেন,এই সমন্বয়হীনতার কারণে আজকে আমাদের দেশে যেটা হচ্ছে সেটি খুবই দুঃখজনক। কাজেই আমরা যত বেশি ইনভেস্টিগেশন করতে পারবো আমরা তত বেশি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবো।

শাহাদাত বলেন,আজকে আমরা যদি আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভূটান বা মালদ্বীপের দিকে দেখি, যেখানে প্রতি ১০ লক্ষ মানুষের বিপরীতে টেস্ট হচ্ছে ১১-১২ হাজার সেখানে আমাদের দেশে হচ্ছে ২৫০-৩০০। যেটি কিছুদিন আগেও ২০০ এর নিচে ছিল। কাজেই আমরা দেখতে পাচ্ছি বিশ্বব্যাপী আমরা টেস্টিং এর দিক দিয়ে পিছিয়ে আছি। তাই আমাদের অনেক ইনভেস্টিগেশন কিট এর প্রয়োজন।

শাহাদাত বলেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ আরো অনেকে এগিয়ে এসেছে তাদেরকে আমি সাধুবাদ জানাই।এছাড়াও চায়না, সাউথ
কোরিয়া সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মানসম্মত টেস্ট কিট দ্রুত আমদানি করে
বাংলাদেশে পিসিআর সমৃদ্ধ ল্যাবে প্রতিনিয়ত ১৫-২০ হাজার এর বেশি টেস্ট করাতে হবে। এই ১৫-২০ হাজার টেস্ট আমরা নিশ্চিত করতে না পারি তাহলে এটা কিন্তু আমাদের জন্য দুঃখজনক এবং এ করোনাভাইরাস ম্যানেজমেন্ট আমাদের জন্য একটা ফেলিউর হিসেবে চিহ্নিত হবে। কাজেই আমাদের এখনই স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাশাপাশি অন্যান্য মন্ত্রনালয়ের সেবা
অধিদপ্তরগুলো সবাই একটা কম্বিনেশনের মাধ্যমে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা যেটা বারবার বলছি দলমত নির্বিশেষে জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে ও ন্যাশনাল টাস্ক ফোর্স গঠন করে এই সমস্যাগুলোর সমাধান করতে হবে। আমাদের যদি বাজেট কম হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে আমরা আমাদের পক্ষ থেকে আমরা একটা প্রস্তাব দিয়েছি। আমরা বিভিন্ন এলাকাকে ‘জোনিং’(ZONING) করাটাকে গুরুত্ব দিতে পারি। যেমন, যেখানে সবচেয়ে বেশি করোনা রোগী রয়েছে সেখানে
আমরা রেড জোন (RED ZONE) করতে পারতাম। আর যেখানে করোনা রোগী আরেকটু কম রয়েছে সেখানে আমরা অরেঞ্জ জোন (ORANGE ZONE) এবং যেখানে একদম করোনা রোগী
নেই সেখানে আমরা গ্রীণ জোন (GREEN ZONE) করতে পারতাম।

শাহাদাত বলেন, আমি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বলতে চাই আজকে ঢাকা, নারায়ণগন্জ্ঞ, গাজীপুরকে যদি রেড জোন করতে পারতাম তাহলে হয়তোবা এই মহামারী বিপদাকার ধারণ করতো না। আজকে কোনো ধরনের সমন্বয় না থাকার কারণে জোনিং না করার কারণে আজকে জীবিকার কারণে জীবনকে বিসর্জন দিয়ে মানুষ বের হয়ে গিয়েছে এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে সরকার সেটিকে রেকমেন্ড করেছে। এইভাবে গরীব মানুষের জীবন বিসর্জন দিয়ে হার্ড ইমিউনিটি (HERD IMMUNITY) অর্জন করা পৈশাচিক।

২৪ ঘন্টা/এম আর

 

Feb2

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা আমরা বাস্তবায়ন করব : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ১:১৪ অপরাহ্ণ
জুলাই সনদের প্রতিটি দফা আমরা বাস্তবায়ন করব : প্রধানমন্ত্রী

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা আমরা বাস্তবায়ন করব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

রোববার (০৩ মে) রাজধানীর ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে ৪দিন ব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আরেকটু পরিষ্কার করে আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই। নির্বাচনী ইশতেহার এবং জনগণের সামনে স্বাক্ষরিত যে জুলাই সনদ। আমরা সেই সব কিছু অর্থাৎ আমাদের ম্যানিফেস্টো এবং জুলাই সনদ এটার প্রতিটি দফা, প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই।

তিনি বলেন, আমরা এ ব্যাপারে বদ্ধপরিকর। আমি আশা করব, আপনারা আপনাদের মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে জনগণের কাছে দেওয়া সরকারের প্রতিটি প্রতিশ্রুতি, দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন, ইনশাআল্লাহ।

সিলেটে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ৮

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ
সিলেটে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ৮

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার তেলিবাজারে ট্রাক ও পিকআপের সংঘর্ষে ৮ জন নিহত হয়েছেন। রোববার (৩ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের তেলিবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিক নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। নিহতদের বেশিরভাগ নির্মাণ শ্রমিক বলে জানা গেছে। তারা সিলেট থেকে সুনামগঞ্জ যাচ্ছিলেন।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মো. মঞ্জুরুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি পিকআপে করে বেশ কয়েকজন শ্রমিক সিলেট থেকে সুনামগঞ্জের দিকে যাচ্ছিলেন। তেলিবাজার এলাকায় যাওয়ার পর উল্টো দিক থেকে আসা কাঁঠালভর্তি একটি ট্রাকের সঙ্গে পিকআপের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে চারজনের মৃত্যু হয় এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও চারজনের মৃত্যু হয়।

মরদেহ সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়েছে। নিহতদের পরিচয় শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে বলে জানিয়েছে এসএমপি।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মো. মঞ্জুরুল আলম বলেন, সংঘর্ষে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হতাহতদের পরিচয় শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।

শাহ আমানতে ১৩৪৫ কার্টন সিগারেট জব্দ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ১০:১৬ পূর্বাহ্ণ
শাহ আমানতে ১৩৪৫ কার্টন সিগারেট জব্দ

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান পরিচালনা করে ১৩৪৫ কার্টন সিগারেট ও একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়েছে। শনিবার (২ মে) রাত ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে আন্তর্জাতিক আগমন হলে এ অভিযান চালানো হয়।

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, মাস্কাট থেকে আসা সালাম এয়ারের একটি ফ্লাইটের এক যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশি করে ২৮০ কার্টন সিগারেট উদ্ধার করা হয়। একই সময় আগমন হলের ১ নম্বর লাগেজ বেল্টে যাত্রীবিহীন অবস্থায় আরও ১০৬৫ কার্টন সিগারেট পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে ১৩৪৫ কার্টন সিগারেট জব্দ করা হয়।

আটক যাত্রীর নাম মো. শামসুদ্দিন। বাড়ি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায়। তবে আটক যাত্রীকে প্রাথমিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

অভিযানে বিমানবন্দর এনএসআই ও ডিজিএফআইয়ের নেতৃত্বে কাস্টমস শাখা ও কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স অংশ নেয়।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, জব্দ করা সিগারেটের ওপর আনুমানিক ২৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা রাজস্ব প্রযোজ্য। পণ্যগুলো বিভাগীয় স্মারক (ডিএম) মূল্যে জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের অনুপ্রবেশ রোধ ও রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে নজরদারি অব্যাহত থাকবে।