খুঁজুন
, ,

সরকার বৈশ্বিক মহামারী করোনাকে হালকাভাবে নিয়ে মানুষের জীবন ও জীবিকা বিপর্যস্ত করেছে: শাহেদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 9 May, 2020, 5:23 pm
সরকার বৈশ্বিক মহামারী করোনাকে হালকাভাবে নিয়ে মানুষের জীবন ও জীবিকা বিপর্যস্ত করেছে: শাহেদ

ত্রাণ বিতরণ করছেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ।

বিএনপির চেয়ারপার্সন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ লকডাউনে ঘরবন্দি অসহায় মানুষের মাঝে ধারাবাহিক কর্মসূচীর অংশ হিসাবে উপহার স্বরূপ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন আজ ১৫ রমজান শনিবার (৯ মে) বিকালে নগরীর ৩নং পাঁচলাইশ ওয়ার্ড এলাকায়।

এ সময় মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, দীর্ঘদিন বিনা ভোটে ক্ষমতায় থেকে সব কিছুই হালকাভাবে নেয় শাসকদল। বৈশ্বিক মহামারী করোনাকেও হালকাভাবে নিয়ে আজ আমাদের নিরীহ জনগণের জীবন ও জীবিকা বিপর্যস্ত করেছে আওয়ামীলীগ। ত্রাণ লুটপাট করোনার ন্যায় সারাদেশের ৬৪ জেলায় অব্যাহত। আজ গাজীপুরে বেতনের দাবীতে পোষাক শ্রমিকদের বিক্ষোভে পুলিশের গুলিবর্ষণ করোনা মোকাবেলায় ব্যর্থ সরকারের দেউলিয়াত্ব প্রকাশের নমুনা। জাতি ক্ষমা করবে কি নির্লজ্জ এই শাসকগোষ্ঠিকে ?

তিনি এসময়, সরকারের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চট্টলার ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ সব মার্কেট-শপিং মল বন্ধ রাখার জন্য ব্যবসায়ীদেও ধন্যবাদ জানান। আগে জীবন তারপর জীবিকা। পবিত্র রমজানে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসনকে অনুরোধ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন নগর যুবদলের সহ-সভাপতি আবদুল করিম, বায়েজিদ থানা আহবায়ক অরুপ বড়ুয়া, পাঁচলাইশ থানা আহবায়ক মোহাম্মদ আলী সাকী, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, রাশেদুল হাসান লেবু, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জিল্লুর রহমান জুয়েল, সহ সম্পাদক আতিকুর রহমান, হাফেজ কামাল উদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, বায়েজিদ থানা যুগ্ম আহবায়ক মঞ্জুর আলম মঞ্জু, সাহেদ হোসেন খান পারভেজ, ওসমান গনি, নিজাম উদ্দিন, ৩নং ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক মোহাম্মদ হাসান, আনোয়ার হোসেন, হেলাল উদ্দিন, মহিউদ্দিন, আলমগীর, তাজিমুল ইসলাম, সাজ্জাদ হোসেন সাজু, কাইয়ুম, নুরুল ইসলাম, তারেক প্রমুখ।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 8:20 pm
পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলায় বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙালি সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি সুদৃঢ় করে সরকার ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই যথেষ্ট নয়; দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষতার বিকাশ ঘটিয়ে তাদের সুনাগরিক ও মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে।

আজ রোববার রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সনদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা- কর্মচারীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিত করার বৃহৎ দর্শন নিয়ে ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই স্বপ্ন ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ধর্ম, বর্ণ বা গোত্র নির্বিশেষে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে হবে।

তরুণদের উদ্দেশ্যে ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, ফ্রিল্যান্সিংসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে যেন তারা ঘরে বসেই উপার্জন করতে পারেন এবং এই আয়কে সরকার করমুক্ত ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে উন্নয়ন বোর্ডকে নতুন নতুন স্কিম গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সরকার জনগণের সেবক। সেবার মানসিকতা নিয়ে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে যেন জনগণকে সেবার জন্য বারবার অফিসে আসতে না হয়, বরং সেবা পৌঁছে যায় মানুষের দোরগোড়ায়। এসডিজি অর্জনে মন্ত্রণালয় ও উন্নয়ন বোর্ডকে সমন্বিত পরিবারের মতো কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি বোর্ডের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা, পেনশন সুবিধার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ এবং পাড়া কেন্দ্রের কর্মীদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা যৌক্তিক পর্যায়ে উন্নীত করতে ডিপিপি (DPP) সংশোধনের আশ্বাস দেন।

দিনব্যাপী সফরকালে প্রতিমন্ত্রী ৫০ জন নারীকে সেলাই মেশিন ও ২৫০টি স্কুলে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া তিনি রাঙ্গামাটি শিশু পার্কের ওয়াচ টাওয়ার, জেলা পরিষদের ই-লার্নিং সেন্টার এবং খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কে মহাপুরম খালের ওপর ব্রিজের উদ্বোধন করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, সদস্য (অর্থ) সুমন বড়ুয়া, সদস্য (পরিকল্পনা) জাহিদ ইকবালসহ সামরিক-বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শিপইয়ার্ডে ‘শূন্য প্রাণহানি’ নিশ্চিতের তাগিদ চট্টগ্রাম ডিসির

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 8:10 pm
শিপইয়ার্ডে ‘শূন্য প্রাণহানি’ নিশ্চিতের তাগিদ চট্টগ্রাম ডিসির

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় আড়াই লাখ মানুষের জীবিকা জড়িত। এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখার পাশাপাশি শ্রমিকদের জীবনের পূর্ণ নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ জাহাজ কাটার আগে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিষাক্ত গ্যাস শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

আজ রোববার (২৩ আগস্ট) সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এসব কথা বলেন।

গত ১৪ আগস্ট ওই ইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে নিহত ১০ শ্রমিকের পরিবারের সদস্যদের হাতে ক্ষতিপূরণের চেক ও নগদ অর্থ তুলে দিতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইকেলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসবিআরএ)।

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য জাহাজভাঙা শিল্পকে “জিরো ক্যাজুয়ালটি” বা শূন্য প্রাণহানির পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। শিল্পটি টিকিয়ে রাখতে হবে। একই সঙ্গে এখানে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের জীবনের পূর্ণ নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে।’

দুর্ঘটনাটি হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসের কারণে ঘটেছে উল্লেখ করে জাহিদুল ইসলাম বলেন, গ্যাসটি তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপদে অপসারণের মতো প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষের ছিল না। স্থানীয় বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞদের কাছেও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ছিল না। বিশেষ করে এলএনজি বা গ্যাসবাহী জাহাজ কেনা ও কাটার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে।

জেলা প্রশাসক জানান, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস ছড়িয়ে থাকায় তদন্তকারীরা শুরুতে ঘটনাস্থলে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে গ্যাস বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিয়ে তিন সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়।

জাহাজের ভেতরে গ্যাস কীভাবে জমে ছিল এবং কাটার আগে কেন তা অপসারণ করা হয়নি—এসব বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হচ্ছে। মতামত পাওয়ার পর তদন্ত প্রতিবেদন দ্রুত জমা দেওয়া হবে বলে আশা প্রকাশ করেন জেলা প্রশাসক। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

পরিবার প্রতি ১০ লাখ টাকা

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নিহত প্রত্যেক শ্রমিকের পরিবারের জন্য বিএসবিআরএ ও ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষ ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছিল। এর মধ্যে দুর্ঘটনার পরপরই পরিবারগুলোকে এক লাখ টাকা করে দেওয়া হয়। শিল্পনীতির বিধান অনুযায়ী দুই লাখ টাকা করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। আজ বাকি সাত লাখ টাকার চেক নিহত শ্রমিকদের পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এ ছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বিধান অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সীতাকুণ্ডে বসবাসকারী পাঁচ নিহত শ্রমিকের পরিবারকে নগদ ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। অন্য পাঁচটি পরিবার তাদের স্থায়ী ঠিকানার সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে এই অর্থ পাবে।

মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, মানুষের জীবনের কোনো ক্ষতিপূরণ হয় না। তারপরও উপার্জনক্ষম ব্যক্তির মৃত্যুতে কোনো পরিবার যেন পথে না বসে কিংবা অন্যের কাছে হাত পাততে বাধ্য না হয়, সে জন্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান আর্থিক সহায়তা দেয়।

দুর্ঘটনার পর আহত শ্রমিকদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, তাঁদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে। আহত ব্যক্তিদের অন্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকলে ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষকে সে বিষয়েও ব্যবস্থা নিতে হবে। জেলা প্রশাসন বিষয়টি তদারক করবে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান

জেলা প্রশাসক বলেন, জাহাজভাঙা শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ৫০ হাজার শ্রমিক এবং পরোক্ষভাবে আরও প্রায় দুই লাখ মানুষের জীবিকা জড়িত। এই বিপুল জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকা কোনোভাবেই ঝুঁকিতে ফেলা যাবে না। শ্রমিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে মালিকপক্ষ এবং শ্রম দপ্তরকে উদ্যোগ নিতে হবে।

শিল্পের কোনো দুর্বলতা বা নিরাপত্তার ঘাটতি থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরই তা চিহ্নিত করে সমাধান করতে হবে উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই শিল্প যেন কোনো ধরনের সংকটে না পড়ে, সে বিষয়েও সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিএসবিআরএর সভাপতি মোহাম্মদ মহসিন চৌধুরী নিহত শ্রমিকদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি শিল্পে নিয়োজিত সবার শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

দুর্ঘটনার জন্য ক্ষমা চান ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফেরদৌস ওয়াহিদ। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতেও নিহত শ্রমিকদের পরিবারের পাশে থাকবে। এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে কাজ করা হবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক, সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফজলে রাব্বিসহ জাহাজভাঙা শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

গত ১৪ আগস্ট ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে ‘এমটি রাসি’ নামের একটি স্ক্র্যাপ জাহাজের ব্যালাস্ট ট্যাংকে কাজ করার সময় শ্রমিকেরা বিষাক্ত হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসে আক্রান্ত হন। ঘটনাস্থলে নয়জনের মৃত্যু হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন মারা যান।

মাইজভাণ্ডারী আশেকান সোসাইটির উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 7:42 pm
মাইজভাণ্ডারী আশেকান সোসাইটির উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত

দপ্তরে মাইজভাণ্ডারী আশেকান সোসাইটির উদ্যোগে শুক্রবার (২২ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম নগরীর নিউমার্কেট মোড় মিউনিসিপ্যাল স্কুল হতে পবিত্র মহান ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে একটি আলোচনা সভা ও জশনে জুলুস বের করা হয়। নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে র‌্যালীটি পূনরায় স্কুল মাঠে ফিরে যায়।

৩০তম আওলাদে রাসুল (দ.), শাহসুফি সৈয়দ ওসমান কাদের মাইজভাণ্ডারী (মাঃ) এর সদারতে, শাহজাদা সৈয়দ মারুফ বিন কাদের মাইজভাণ্ডারী (মাঃ)’র সভাপতিত্বে এতে প্রধান মেহমান ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আহমদুল আলম চৌধুরী রাসেল, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিসিবির পরিচালক ইসরাফিল খসরু।

এডভোকেট মীর মুহাম্মদ ফেরদৌসুল আলমের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার মেজবাহ উদ্দিন খান, কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ জাহেদ, আব্দুল কুদ্দুস মাইজভাণ্ডারী, নুরুল ইসলাম চৌধুরী, আল্লামা সৈয়দ সাইফুল ইসলাম, সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আল্লামা সৈয়দ জাফর সাদেক, মুফতি সালেহ সুফিয়ান ফরহাদাবাদী, সৈয়দ আবুল হাসেম, আল্লামা শহীদুল্লাহ চিশতি, সুমন মাহমুদ চৌধুরী, আল্লামা রবিউল প্রমুখ।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মীর সোহাইব, নাসির ফকির, কবির ফকির, তারেক হায়দার, ইমরান হোসাইন বাপ্পি, মোক্তার হোসাইন, কবির, রবিন, সুমন, রাজু, আলভী, শাকিল, হান্নান, নজু ভান্ডারের আওলাদগন।

এতে অংশ নেন হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি। সবশেষে বা’দ জুমা দেশ ও জাতির কল্যাণে আখেরী মোনাজাত দিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।