করোনা কালের বঞ্চনা!
২৪ ঘণ্টা ডট নিউজ।মহিউদ্দিন টিপু:বিষটা নিয়ে আমার ব্যক্তিগত কোন আগ্রাহ, ক্ষোভ, হতাশা বা আক্ষেপ নেই, নেই কোন আফসোস ও তবে শংকা আছে চাকরি চ্যুতির! তবে এনি বিচলিত না আমি! সবাইকে যেতে হবে কেউ হয়তো কলঙ্কের কালিমা মাথায় নিয়ে কোউ বা রাজ মুকুট মাথায় নিয়ে! আমার বেলায় হয়তো ব্যতিক্রম কিছু অপেক্ষা করছে এজন্য যে বরাবরি বঞ্চিত দের কথা বলতে পারাতে নিজেই গর্ববোধ করি! হোকনা তাতে নিজের একটু ক্ষতি!
করোনা কালীন সময়ে রাষ্ট্রের নির্দেশনা মেনে ঘরে থাকার বাধ্যবাদকতা মানতে গিয়ে অনেকে কর্মক্ষেত্র উপস্থিত হন নি বা হতে পারেন নি!
কথা ছিল, আশ্বাস মিলেছে আপনি ঘরে থাকুন আপনার পাওনাদি যে কোন উপায়ে বা মাধ্যমে আপনার কাছে পৌঁছে যাবে!
বিশ্বে করোনা যখন মহামারী আকারে নিজের শক্তিমত্তার জানান দিচ্ছে তখন এটি প্রতিরোধে বাংলাদেশের প্রত্যকটি পদক্ষেপ ইতিবাচক ও প্রশংসার দাবি রাখে! এটিকে আমি ব্যক্তিগত ভাবে সাধুবাদ জানাই!
রাষ্ট্রের নির্দেশনা মাফিক এরি মধ্যে সীমিত পারিসরে খোলেছে কলকারখানা! গত মাসের শেষর দিকে কোন কোন অফিসে যখন কর্মকর্তা, কর্মচারীরা স্বীয় দায়িত্ব বোদ থেকে হরদম অফিসে উপস্থিত হতে লাগলো তখন অফিস প্রধান একটি ক্ষুধে নির্দেশনা দিল যে যেহেতু ২০% কর্মকর্তা, কর্মচারী অফিসে উপস্থিতির নির্দেশনা আছে সেক্ষেত্রে আপনাদের এ সময় প্রতিদিন অফিসে আসার প্রয়োজন নেই!
নির্দেশনা মোতাবেক সবাই ইচ্ছে থাকা সত্বেও প্রতিদিন অফিসে উপস্থিত হননি! কিন্তু মাসের শেষে দেখা গেল সেদিন গুলোতে ঐ কর্মকর্তা, কর্মচারীদের (যারা উপস্থিত হননি)তাদের হাজিরা কর্তন দেখানো হয়েছে!
কারখানা কতৃপক্ষ চাইলে যে সিদ্ধান্ত তার নিজস্ব পদ্ধতি বা পন্থার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে পারে! কতৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে এবং কতৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মেনে চাকরি করতে হবে এটি বাস্তবিক ও সমীচীন!
কিন্তু উপস্থিত হতে বারণ করা সময় গুলোর বিষয়ে কেন বা কোন পন্থায় এহেন সিদ্ধান্ত তা মাথায় আসছে না! কতৃপক্ষের সকল সিদ্ধান্তের প্রতি আমারা সব সময় শ্রদ্বাশীল, এবং ভালোবাসা অফুরান!
২৪ ঘণ্টা/এম আর


আপনার মতামত লিখুন