খুঁজুন
, ,

সীমান্তে অনুপ্রবেশ : বিজিবির গুলিতে বিএসএফ জওয়ান নিহত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 17 October, 2019, 8:15 pm
সীমান্তে অনুপ্রবেশ : বিজিবির গুলিতে বিএসএফ জওয়ান নিহত

রাজশাহীর পদ্মা নদীর বাংলাদেশ সীমান্তের মধ্যে এসে ইলিশ ধরার সময় ভারতীয় জেলেকে আটক করাকে কেন্দ্র করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মধ্যে গোলাগুলিতে এক বিএসএফ জওয়ান নিহত হয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় বড়াল নদীর পদ্মার মোহনায় এ ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার রাতে বিজিবির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সেখানে আসলে কী ঘটেছিল তার ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজশাহী ব্যাটালিয়নের অন্তর্গত চারঘাট বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের শূন্য লাইন থেকে পদ্মা নদীর পাড়ে আনুমানিক ৩৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারত থেকে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারী তিনজন জেলেকে ইঞ্জিন চালিত নৌকা নিয়ে মাছ ধরতে দেখা যায়।

এ সময় বিজিবির চারঘাট বিওপির টহল দল মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান তদারকির জন্য উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট আবু রায়হান এবং আরও দুই জন সহকারীসহ ঘটনাস্থলে যান। তারা সেখানে একজন জেলেকে অবৈধ কারেন্ট জালসহ আটক করতে সক্ষম হলেও বাকি দুজন জেলে ভারতের দিকে নৌকা নিয়ে পালিয়ে যান।

পরে বিএসএফের ১১৭ ব্যাটালিয়নের কাগমারী বিওপি থেকে স্পিডবোটে করে চারজন বিএসএফ সদস্য রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার বালুঘাট এলাকার শাহারিয়াঘাটের বড়াল নদীর মুখে আনুমানিক ৬৫০ গজ বাংলাদেশের ভিতরে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করেন। এ সময় চারঘাট বিওপির টহল দল তাদেরকে বাধা দেন।

এখানে উল্লেখ্য যে, ওই চার জনের মধ্যে একজন বিএসএফ সদস্য ইউনিফর্ম পরিহিত থাকলেও বাকিরা হাফ প্যান্ট ও গেঞ্জি পরিহিত ছিলেন। তাদের কাছে অস্ত্রও ছিল। পরবর্তীতে ওই বিএসএফ সদস্যরা আটক জেলেকে জোর করে ফিরিয়ে নিতে চাইলে তাদেরকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে নিয়ম মাফিকভাবে ফেরত দেওয়া হবে বলে বিজিবি টহল দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

এ ছাড়া বিজিবি টহল দল বিএসএফ সদস্যদেরকে আরও জানায় যে, আপনারাও অবৈধভাবে বাংলাদেশে এসেছেন, তাই আপনাদেরকেও নিয়ম অনুযায়ী পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তখন বিএসএফ সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে জোর করে আটক জেলেকে নিয়ে ঘটনাস্থল হতে থেকে যেতে চাইলে বিজিবি সদস্যরা তাদের বাধা দেন।

এ সময় বিএসএফ সদস্যরা উত্তেজিত হয়ে গুলি করতে করতে স্পিডবোট চালিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে চলে যেতে থাকেন। তখন বিজিবি টহল দলও আত্মরক্ষার্থে গুলি ছোঁড়ে।

এ বিষয়ে অধিনায়ক রাজশাহী ব্যাটালিয়ন এবং কমান্ড্যান্ট ১১৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। পতাকা বৈঠকে জানা যায় যে, উক্ত ঘটনায় বিএসএফের একজন সদস্য নিহত এবং একজন সদস্য আহত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, এ বৈঠকে উভয়পক্ষ তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করার বিষয়ে একমত হয়েছেন। এ ছাড়া এ বিষয়ে আরও আলোচনার জন্য আবারও পতাকা বৈঠক করার বিষয়ে উভয়পক্ষ একমত হয়েছেন। আলোচ্য পতাকা বৈঠক শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে।

এদিকে,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল রাজশাহীর চারঘাটে বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশের (বিজিবি) গুলিতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্য নিহতের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেছেন, ‘বিএসএফ’র ফায়ারের পরিবর্তে বিজিবি কাউন্টার ফায়ার ওপেন করতে গিয়ে একজন ভারতীয় বিএসএফ সৈনিক প্রাণ হারিয়েছে এবং একজন আহত হয়েছে। ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত।’

বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) ঘটনার পরবর্তী তাৎক্ষণিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে ভারতের একটা সুসম্পর্ক রয়েছে। এই ধরনের ঘটনা ঘটলে আমরা ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের (পতাকা বৈঠক) মাধ্যমে ঘটনাটি সুরাহা করে থাকে। কিন্তু এই ঘটনায় এটা হয়নি। বিজিবি’র সঙ্গে ভারতের বিএসএফ’র সঙ্গে কথাবার্তা চলছে। যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, সেটা নিরসনে কাজ চলছে।’

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘আপনারা জানেন আমাদের নদীতে ইলিশ মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। নদীতে জেলেদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। বিজিবি হঠান করে দেখতে পায়। নদীতে মাছ ধরছে কয়েকজন জেলে। বিজিবি তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করলে, তারা জানতে পারে জেলেগুলো ভারতের নাগরিক। তারা বাংলাদেশ সীমানায় ৫০০/৬০০ গজ ভেতরে চলে এসেছিল। এর মধ্যে একজন বিএসএফ’র সদস্য রয়েছে। তখন বিজিবি বলেছে, যেহেতু আপনি ভেতরে ঢুকে গিয়েছেন, তাই ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের মাধ্যমে আপনাকে হস্তান্তর করব। এই অবস্থায় তারা দ্রুত সরে পড়ার জন্য তাদের স্পিড চালিয়ে পালাচ্ছিল। পালানোর সময় বিএসএফ ফায়ার ওপেন করেছে, তখন বিজিবিও কাউন্টার ফায়ার ওপেন করে। তখনই ঘটনাটি ঘটে।’

Feb2
Feb2

হাসিনাকে এবং হা‌দির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণের অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 August, 2026, 3:21 pm
হাসিনাকে এবং হা‌দির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণের অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ড নিয়ে ভারতে অবস্থান করা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্প‌ন ত্বরা‌ন্বিত করতে দি‌ল্লিকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ। একইসঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণেরও অনুরোধ করা হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স‌ঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সৌজন্য সাক্ষাতে এ অনু‌রোধ করা হ‌য়।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় দূতের সাক্ষাতের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খ‌লিলুর রহমা‌ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ে সাংবা‌দিকদের ব্রিফ করে এ তথ্য জানান।

বাংলাদেশ-ভারতের গণতান্ত্রিক ইস্যু থাকবে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 August, 2026, 3:10 pm
বাংলাদেশ-ভারতের গণতান্ত্রিক ইস্যু থাকবে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গণতান্ত্রিক বিভিন্ন ইস্যু থাকবে এবং সেগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে বিভিন্ন ধরনের ইস্যু থাকবে, ইস্যু আসবে। সেগুলো সমাধান করতে হবে। ভারতের জনগণ চায় দুই দেশের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক। আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীও সুন্দর সম্পর্ক চান। ভবিষ্যতে ভালো কিছু হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার খুব ভালো লেগেছে। তাদের সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে আলোচনা হয়েছে।

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট ইস্যু রয়েছে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ইস্যু না থাকলে তো গণতন্ত্র থাকবে না। ইস্যু তো বাড়িতেও থাকে। আমি যখন বাড়ি যাই, বাড়িতেও ইস্যু থাকে। কিন্তু কোনো ইস্যু আমরা সমাধান করতে পারি এটা আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি।

তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে এমন কোনো ইস্যু নেই, যা বসে আলোচনা করে সমাধান করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশই প্রাণবন্ত গণতন্ত্র। দুই দেশের সাধারণ মানুষই ভালো সম্পর্ক চায়। ভারতের সাধারণ মানুষ এবং বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার মধ্যেও মিল রয়েছে।

দুই দেশের সম্পর্কের ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক বাস্তবতার কথা তুলে ধরে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, আমাদের ইতিহাস তো আপনি বদলাতে পারবেন না। আমাদের প্রতিবেশীকেও বদলাতে পারবেন না। আমরা শুধু সীমান্ত ভাগ করি না, স্বপ্নও ভাগ করি।

বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, তিনি গত দুই মাসে বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে অনেক সম্মান, ভালোবাসা ও আন্তরিকতা পেয়েছেন। এতে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রথম সাক্ষাতে তার মনেই হয়নি যে এটি প্রথমবারের সাক্ষাৎ। অত্যন্ত আন্তরিক ও বিনয়ী পরিবেশে তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও আলোচনা আরও বাড়বে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘পিপল টু পিপল’ যোগাযোগের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দুই দেশের নেতারা একসঙ্গে বসলে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে এবং সেগুলোর সমাধানের পথও বের হবে। তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক ভালো রাখার বিষয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীও আগ্রহী।

দুই দেশের সরকার কবে বৈঠকে বসবে এবং আসন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দুই দেশের নেতৃত্বের বৈঠক হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সবই ভালো হবে।

তিনি আরও বলেন, ইস্যু থাকবে, বাংলাদেশের ইস্যু থাকবে, ভারতের ইস্যু থাকবে। কিন্তু মানুষের ইস্যু একটাই ভালো সম্পর্ক। আর ভালো সম্পর্ক হলে বিভিন্ন পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সহজ হবে।

দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে নিজের আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ইস্যুগুলো সমাধান করতেই হবে। আমি খুবই আত্মবিশ্বাসী, আগামী দিনগুলো ভালোই হবে।

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৫৯.৪৮ শতাংশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 August, 2026, 2:53 pm
চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৫৯.৪৮ শতাংশ

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় কমেছে পাসের সংখ্যা। এবার পাসের হার ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

যা গতবছর ছিল ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জন, গতবছর পেয়েছিল ১১ হাজার ৮৪৩ জন।

এবার পাস করেছে ৭৭ হাজার ৪৫৩ হাজার শিক্ষার্থী, যা গত বছর ছিল ১ লাখ ১ হাজার ১৮১ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৪ দশমিক ৪১ শতাংশ।

যা গত বছর ছিল ৯২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষায় ৬০ দশমিক ১২ শতাংশ যা গত বছর ছিল ৭৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ এবং মানবিক বিভাগে ৩৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ যা গত বছর ছিল ৫৫ দশমিক ০২ শতাংশ।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে এসব তথ্য জানান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী।

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় এবছর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৮২ জন। পরীক্ষায় উপস্থিত ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার ২১৯ জন।

চট্টগ্রাম মহানগরে পাসের হার ৭৪ শতাংশ। গত বছর ছিল ৮১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। চট্টগ্রাম জেলায় এবার পাসের হার ৫৭ দশমিক ১৩ শতাংশ। গত বছর ছিল ৭১ দশমিক ২৯ শতাংশ। কক্সবাজারে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩ শতাংশ, গত বছর ছিল ৭০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। রাঙামাটিতে ৪১ দশমিক ১৭ শতাংশ, গত বছর ছিল ৫৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ। খাগড়াছড়িতে পাসের হার ৩৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ, গত বছর ছিল ৬০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। বান্দরবানে পাসের হার ৪৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ, গত বছর ছিল ৬৩ দশমিক ১২ শতাংশ।

বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৪ দশমিক ৪১ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৬০ দশমিক ১২ শতাংশ এবং মানবিক বিভাগে পাসের হার ৩৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এবার ২১টি বিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে ৮টি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি।