খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মোবাইল কোর্ট /নগরীর বিভিন্ন এলাকায় দোকান খোলা, সামাজিক দুরত্ব না মানায় জরিমানা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২০, ৯:০৪ অপরাহ্ণ
মোবাইল কোর্ট /নগরীর বিভিন্ন এলাকায় দোকান খোলা, সামাজিক দুরত্ব না মানায় জরিমানা

২৪ ঘণ্টা ডট নিউজ। নিজস্ব প্রতিনিধি : প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণরোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আজ ২০ মে বুধবার চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া, সদরঘাট, কোতোয়ালি​, ডবলমুরিং, আগ্রাবাদ, চৌমুহনি, বডপোল, হালিশহর ফইললা তলী বাজার ও নয়া বাজার​ এলাকায় জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান।

করোনা পরিস্থিতি এবং পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে বাজার তদারকির অংশ হিসেবে চলমান অভিযানে মুদির​ দোকানে​ মূল্যের তালিকা​ না টাঙানোর অপরাধে এবং​ খুচরা কাপড়ের দোকানে সরকারের নির্দেশনা ও স্বাস্থ্য বিধি না মেনে দোকান খোলা রেখে কাপড় ও জুতা​ বিক্রি করার অপরাধে​ ৪ দোকানদারকে ৫ হাজার ৫শ টাকা জরিমানা করা হয়।

একই অভিযানে উল্লেখিত এলাকায় অবস্থিত বিভিন্ন ব্যাংকও পরিদর্শণ করেন ভ্রাম্যমান আদালত।

ব্যাংকে​ আসা​ গ্রাহকরা​ যাতে​ সামাজিক​ দূরত্ব বজায় রেখে অর্থিক লেনদেন​ কার্যক্রম সম্পন্ন করে,​ সেই​ বিষয়ে​ ব্যাংক কর্মকর্তা ও গ্রাহকদের সতর্ক করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে ব্যবসায়ীদের ও ব্যাংক এ লেনদেন করতে​ আসা গ্রাহকদের​ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান।

এদিকে আজ একই দিনে জেলা প্রশাসনের পৃথক অপর একটি ভ্রাম্যমান আদালতের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুশফিকীন নূর।

তার নেতৃত্বে নগরীর বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা, পাহাড়তলী, আকবরশাহ এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়। অভিযানে বৈরি আবহাওয়ার কারণে মানুষ​ যাতে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া রাস্তা ঘাটে​ ঘোরাঘুরি​ না করে সেই​ বিষয়ে সাধারণ মানুষদেরকে​ সতর্ক করা হয়।

একই সাথে​ উল্লেখিত এলাকায় মুদি দোকানগুলোতে​ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য তালিকা​ টাঙানো এবং অধিক দামে পণ্যে বিক্রি​ না​ করার​ জন্য​ ব্যবসায়ীদের​ সতর্ক করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুশফিকীন নূর। তিনি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান।

২৪ ঘণ্টা/ শারমিন সুমি/ আর এস পি

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…