খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বায়তুশ শরফের পীর মাওলানা কুতুবউদ্দিনের ইন্তেকাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২০, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ
বায়তুশ শরফের পীর মাওলানা কুতুবউদ্দিনের ইন্তেকাল

বায়তুশ শরফের পীর বাহরুল উলুম আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুহাম্মদ কুতুব উদ্দিন

বায়তুশ শরফের পীর ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড ও র্ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক শরীয়াহ বোর্ডের চেয়ারম্যান দেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, বাহারুল উলুম আল্লামা শাহ কুতুব উদ্দিন (৮১) আজ বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহি ওইন্নাইলাইহি রাজিউন)। তিনি ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে ভুগছিলেন।

গত কয়েকদিন আগে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হসপিটালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার রাতে এয়ার এম্বুল্যান্সযোগে তাঁকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। ঢাকার ধানমন্ডি আনোয়ার খাঁন মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তিনি। আজ বিকেল ৪ টায় তিনি সেখানে ইন্তেকাল করেন। 

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার নাতি জিয়াউদ্দিন সাহাল। সাহাল জানান, বিকাল ২.৩০ মিনিটে তার দাদা ইন্তেকাল করে। তবে হসপিটাল কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দেয় বিকাল চারটার পরে।

তাঁর মরদেহ দাফনের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম নিয়ে আসা হচ্ছে। আগামী কাল বাদ জোহর বায়তুশ শরফ মসজিদে হুযুরের নামাযে জানাজা হবে।

১৯৩৮ সালে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগরের সুুফি মিয়াজি পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন ক্ষণজন্মা এই আধ্যাত্মিক পুরুষ। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক পুত্র ও ৬ কন্যা সন্তানের জনক।

মাওলানা কুতুব উদ্দিন দক্ষিণ চট্টগ্রামের শীর্ষস্থানীয় দ্বিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চুনতী হাকিমিয়া কামিল (অনার্স-মাস্টার্স) মাদ্রাসার প্রধান পৃষ্ঠপোষক। এছাড়া বায়তুশ শরফের অধীনে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিষ্ঠিত অসংখ্য মাদ্রাসা, মসজিদ, দাতব্য চিকিৎসালয়, এতিম খানা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।

পীর সাহেবের ইন্তেকালে চট্টগ্রামের আলেম সমাজসহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

২৪ ঘন্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…