খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শর্ত সাপেক্ষে খুলে দেওয়া হলো যশোরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২০, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
শর্ত সাপেক্ষে খুলে দেওয়া হলো যশোরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

যশোর প্রতিনিধি:শর্ত সাপেক্ষে যশোরের সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা কমিটি।

বুধবার স্থানীয় সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার পর পরই কিছু মালিক তাদের প্রতিষ্ঠান খুলে দিয়েছেন । অন্যরা বৃহস্পতিবার বা শনিবার থেকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান খুলবেন বলে আশা করছে ব্যবসায়ী নেতারা। সভার সিদ্ধান্ত হলো পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসায়ীরা তাদের প্রতিষ্ঠান চালু রাখতে পারবে।

সভায় উপস্থিত প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি ও করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কমিটির সদস্য জাহিদ হাসান টুকুন এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, শংকরপুর বটতলামসজিদ এলাকায় অবস্থিত বেসরকারি জিডিএল হাসপাতালকে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সভা থেকে।

বুধবারের সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, যেসব বেসরকারি হাসপাতলকে করোনাভাইরাস রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হবে তার ফিস প্রদানে সরকারের কাছে সহায়তা চেয়ে আবেদন জানানো হবে।

এর আগে স্থানীয়ভাবে তৈরি তহবিল থেকে বেসরকারি হাসপাতালের বিল পরিশোধ করা হবে। এজন্যে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিদেরকে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করারও অনুরোধ জানানো হয় সভায়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, সিভিল সার্জন ডাক্তার শেখ আবু শাহীন, লে. কর্নেল নেয়ামুল হক এবং যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাক্তার দিলীপকুমার রায়।

জাহিদ হাসান টুকুন জানিয়েছেন সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ব্যবসায়ীরা তাদের প্রতিষ্ঠান খুলা রাখতে পারবেন বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এই সময় সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর কঠোরভাবে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে হ্যান্ডসেনিটাইজার বা হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে।

একই সাথে মেনে চলতে হবে নিরাপদ দূরত্বের বিধানও। খাবারের হোটেল খোলা রাখার ব্যাপারে সভায় কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না জানতে চাইলে জাহিদ হাসান টুকুন বলেছেন, খাবারের হোটেল খোলা রাখার ব্যাপারে কোনো বিধিনিষেধ আগেও ছিল না। কিন্তু, বিকেল ৪টা পর্যন্ত হোটেল খোলা রাখা লাভজনক নয় মনে করে মালিকরা তা বন্ধ রেখেছে।

সিভিল সার্জন ডাক্তার শেখ আবু শাহীন জানিয়েছেন, যশোর বক্ষব্যাধী (টিবি হাসপাতাল) হাসপাতালের পাশাপাশি শংকরপুর এলাকার বটতলা মসজিদের সামনে অবস্থিত বেসরকারি হাসপাতাল ডিজিএলকে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হবে। কোনো রোগীর অপারেশনের প্রয়োজন পড়লে বা রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেই এই হাসপাতালকে ব্যবহার করা হবে।

তিনি বলেছেন, ডিজিএল হাসপাতালে অপারেশন সুবিধা থাকায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত”, এর আগে যশোরের আরও ৩টি বেসরকারি হাসপাতাল কুইন্স, ইবনেসিনা এবং জেনেসিসকে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে শুধুমাত্র জেনেসিস হাসপাতালে ১ জন প্রসুতির অপারেশন করা হয়। এছাড়া আর কোনো হাসপাতাল করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্যে ব্যবহার করা হয়নি।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন বলেছেন, কুইন্স হাসপাতালে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক রোগী ডায়ালসিস করান। এছাড়া, এ হাসপাতলটিতে সাধারণ রোগীদেরও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সে কারণে এখনই এটাকে কোভিড হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করে মানুষকে সাধারণ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা যুক্তিযুক্ত নয় মনে করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, দেশে করোনাভাইরাসের হার বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষিতে সরকার (২৬ মার্চ) থেকে দেশে ছুটি ঘোষণা করে। পর্যায়ক্রমিকভাবে এই ছুটি বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর মধ্যে যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরি এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে (২৭ এপ্রিল) থেকে যশোর জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করেন। সরকারি নির্দেশনার পর দেশের অন্যান্য স্থানের মতো যশোরেও (১০ মে) থেকে শপিংমল খুলে দেওয়া হয়। কিন্তু, বাজারে মানুষের নিয়ন্ত্রণহীন উপস্থিতির কারণে করোনাভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা বৃদ্ধি পাওয়ায়( ১৯ মে) থেকে যশোরে শপিংমল ফের বন্ধ ঘোষণা করেছিল জেলা প্রশাসন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/নিলয়

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…