জিয়াউর রহমান’র ৩৯ তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে বক্করের শ্রদ্ধা
রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শুধু একটা নাম নয়। একটা অনুভূতি। এই অনুভূতিতে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ একই সূত্রে গাঁথা। উনবিংশ, বিংশ ও একবিংশ শতাব্দীতে জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে পৃথিবীর সকল উন্নত ও ক্ষমতাধর দেশের জন্ম। এবিষয়টি একমাত্র রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে অনুধাবন করতে পেরেছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তাইতো তিনি জন্ম দিয়েছিলেন বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের।
বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের চেতনায় তলাবিহীন ঝুঁড়ি খ্যাত সদ্য স্বাধীন একটি দেশ যখন শিল্প, কৃষি, শিক্ষা, চিকিৎসা ও অবকাঠামোতে অভাবনীয় দ্রুত উন্নয়ন করছিলো ঠিক তখনি দেশী-বিদেশী ও আন্ত:এশিয় নেতৃবৃন্দরা বাংলাদেশের উন্নতি সহ্য করতে পারেনি। এশিয়া ও ইসলামিক বিশ্বে বাংলাদেশের তথা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আধিপত্য বিস্তারকে কেউই মেনে নিতে পারেনি। তাইতো দেশীয় দোসরদের সাথে আন্তর্জাতিক চক্রান্ত একত্রিত হয়ে ১৯৮১ সালের ২৯ মে দিবাগত-রাতে তৎকালীন প্রসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে নৃশংসভাবে হত্যা করে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে।
তারা প্রসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে হত্যা করলেও, তাঁর আদর্শকে হত্যা করতে পারিনি। তিনি তাঁর আদর্শ ছড়িয়ে দিয়েছেন ১৬ কোটি মানুষের হৃদয়ে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্ম আপাত দৃষ্টিতে ১৯৩৬ সালে হলেও, তাঁর জন্ম ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্যদিয়ে এই চট্টগ্রামের মাটিতেই। একটি নতুন রাষ্ট্র জন্মদানের মধ্যদিয়ে। তাই আমরা চট্টগ্রামবাসী ধন্য। আর চট্টগ্রামের মাটিতেই তিনি শহীদ হন। এজন্য আমরা চট্টগ্রামবাসী তাঁর নিকট ঋণী।
বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা প্রতিটি অস্তিত্বের সাথে মিশে আছে বাংলার রাখালরাজা, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর নাম ও কর্ম ।
আজ ৩০ মে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৯ তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে বিনম্র চিত্তে শ্রদ্ধা অবনত মস্তকে স্বরণ করছি।
২৪ ঘণ্টা/এম আর


আপনার মতামত লিখুন