খুঁজুন
, ,

চমেক’র জরুরি বিভাগের সামনেই মারা গেছে আইনজীবী/পার্কভিউর অবহেলায় মৃত্যু,দাবী স্বজনদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 3 June, 2020, 11:39 am
চমেক’র জরুরি বিভাগের সামনেই মারা গেছে আইনজীবী/পার্কভিউর অবহেলায় মৃত্যু,দাবী স্বজনদের

২৪ ঘণ্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে মাহবুব আলম নামে ৬০ বছর বয়সী এক আইনজীবী র মৃত্যুর খবর জানা গেছে।

গতকাল ২ জুন মঙ্গলবার রাতে তার মৃত্যু হয়। রোগীর স্বজনরা অভিযোগ করছেন চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ থানা এলাকার পার্কভিউ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলার শিকার হয়ে তার মৃত্যু হয়।

মৃত্যুবরণকারী মাহবুব আলম (৬০) চট্টগ্রামের সাতকানিয়া আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং একই উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের গারাঙ্গিয়ার বাসিন্দা।

সাতকানিয়া আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দীন চৌধুরী কচির গণমাধ্যমকে বলেন, গতকাল ২ জুন মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চট্টগ্রাম নগরীর পার্কভিউ হাসপাতালে নেয়া হয়।

সেখানে তার একটি এক্সরে পরীক্ষা করার সৌভাগ্য হলেও অজ্ঞাত কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা যাবে না সাফ জানিয়ে দেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এরপরও রোগীর অবস্থা খারাপ দেখে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য অনেক অনুরোধ জানালেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মন গলেনি।

পরে কোনো উপায় অন্তর না দেখে মুমুর্ষ অবস্থায় আইনজীবী মাহবুব আলমকে দ্রুত চমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে ভর্তির আগেই জরুরি বিভাগের সামনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

মৃত্যুবরণকারী আইনজীবীর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে মৃত্যুর আগে করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা নেওয়া হয় গত বৃহস্পতিবার। তবে এখনো পর্যন্ত রিপোর্ট আসেনি।

প্রসঙ্গত : এর আগেও গত ২৮ মে করোনা টেস্ট ছাড়া কোনো বেসরকারি ক্লিনিক এই আইনজীবীকে ভর্তি করতে রাজি না হওয়ায় চিকিৎসাবঞ্চিত হয়ে নিজ বাসায় শ্বাসকষ্ট নিয়ে মারা গেছে আরেক আইনজীবী।

মারা যাওয়া ডভোকেট আবুল কাশেম চৌধুরী চট্টগ্রাম বারের অতি পরিচিত ও চেনামুখ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কাঞ্চনা গ্রামের বাসিন্দা।

২৪ ঘণ্টা/আর এস পি

Feb2
Feb2

বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলল বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 3:32 pm
বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলল বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে সর্বনিম্ন ২০টি থেকে সর্বোচ্চ ৩২০টি পর্যন্ত প্লাস্টিক কণা মিলেছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে ‘মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেল’-এ।

পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো) দীর্ঘ ১ বছর ধরে গবেষণা চালিয়ে রোববার (২৬ জুলাই) নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে।

এসডো জানায়, সারাদেশের ২ হাজার ৭৬০ জন ভোক্তার ওপর জরিপ চালানোর পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের ‘এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি ল্যাবরেটরিতে’ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা চালানো হয়। এই গবেষণায় স্টিরিওমাইক্রোস্কোপি ও ফুরিয়ার ট্রান্সফর্ম ইনফ্রারেড স্পেকট্রোস্কোপি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরীক্ষা করা টুথপেস্টগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে উৎপাদিত ২৫টির মধ্যে ২২টিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ভারতে উৎপাদিত ৫টির মধ্যে ১টি, থাইল্যান্ডের ২টির মধ্যে ১টি এবং ভিয়েতনামের ২টি টুথপেস্টের দুটিতেই এই ক্ষতিকর উপাদান মিলেছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, শিশুদের জন্য বিশেষভাব তৈরি ৬টি টুথপেস্টের ৪টিতেই বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি ধরা পড়েছে।

প্লাস্টিক কণার ফলাফলে দেখা যায়, প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্ট হিসেবে সবচেয়ে বেশি ৩২০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেলে। এ ছাড়া ক্লোজ আপ রেড হট-এ ১৬০টি, ক্লোজ আপ মেন্থল ফ্রেশ-এ ১৬০টি, কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলা স্ট্রবেরিতে ১৪০টি, সিগন্যাল গ্রিন টি-তে ১২০টি, পেপসোডেন্ট অ্যাডভান্স সল্ট-এ ১০০টি, হিমালয়া কমপ্লিট কেয়ার-এ ১০০টি এবং সেনসোডাইন ফ্রেশ মিন্টে ৮০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে শিশুদের ব্যবহৃত টুথপেস্টের মধ্যে কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলায় ১৪০টি, মেরিল বেবি স্ট্রবেরিতে ৬০টি, মেরিল বেবি অরেঞ্জে ৪০টি এবং পেপসোডেন্ট কিড অরেঞ্জে ২০টি প্লাস্টিক কণা শনাক্ত করা হয়েছে।

তবে গবেষণায় স্বস্তির খবরও উঠে এসেছে। বাংলাদেশে উৎপাদিত টুথপেস্টের মধ্যে জেনফ্রেশ, প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) এবং ক্লোজ আপ রেড হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজিতে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া শিশুদের জন্য আমদানিকৃত কুডুমু অরেঞ্জেও শনাক্তযোগ্য মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছে এসডো।

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 3:05 pm
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

রোববার (২৬ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর জিয়া উদ্যানে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। এ সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন ঘিরে জিয়া উদ্যানে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জিয়া উদ্যান ও আশপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি থাকতে দেখা গেছে।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি।

প্রসঙ্গত, শারীরিক অসুস্থতাজনিত বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। ওই দিনই অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

আদালতে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে মামলা করা যায় না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 2:49 pm
আদালতে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে মামলা করা যায় না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ফৌজদারি অপরাধ বা অন্য বিষয়ে আদালতে তার (রাষ্ট্রপতির) বিরুদ্ধে মামলা করা যায় না।

তিনি বলেছেন, তিনি সাংবিধানিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন৷ এর বাইরে যদি কেউ বক্তব্য দিয়ে থাকেন, সেই স্বাধীনতা তাদের আছে, দিতে পারেন। কিন্তু আমলে নেওয়ার মতো কিছু দেখি না।

রোববার (২৬ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে পুলিশের সাহসিকতা ও প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে আইন অনুসারে যেসব সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার, সেটা তিনি পাবেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগপত্রে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি পদত্যাগ করতে চাইলে সেটা করতে পারেন বলে সংবিধানে বিধান আছে। স্পিকার সেটি গ্রহণও করেছেন। এগুলো সব আইনি প্রক্রিয়া।

‘এখন রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে যারা গালি দিচ্ছেন, সেই অধিকার তাদের আছে। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে আমরা কী প্রত্যাশা করি? রাজনৈতিকভাবে মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা থাকবে। প্রতিবাদ করার স্বাধীনতা থাকবে,’ যোগ করেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে এনসিপি ও অন্যরা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করেছে। সেটা করতে পারে। কিন্তু আমরা আমলে নেওয়ার মতো কোনো বক্তব্য সেখানে দেখি না।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকালে স্বৈরাচারের শেষ দিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের পুরোটা এবং বর্তমান রাজনৈতিক সরকারের সময়ে তিনি বিধিবিধান ও সংবিধান অনুসারে দায়িত্ব পালন করেছেন। আমরা রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা পেয়েছি। সংবিধান অনুসারে তিনি প্রিভিলেজড; তার ইমিউনিটি আছে। ফৌজদারি অপরাধ বা অন্য বিষয়ে আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা করা যায় না। এর বাইরে যদি কেউ বক্তব্য দিয়ে থাকেন, সেই স্বাধীনতা তাদের আছে, দিতে পারেন। কিন্তু আমলে নেওয়ার মতো কিছু দেখি না।

লন্ডনে চিকিৎসা নিতে গিয়ে পলাতক শেখ হাসিনার সঙ্গে চুপ্পু ফোনে আলাপ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটা আমরা পত্রিকায় দেখেছি। কোনো পত্রিকা এমন একটি সংবাদ দিল, তার কাছে কী তথ্য-প্রমাণ আছে, সেটা তাকে জিজ্ঞাসা করতে হয়। আমাদের কাছে তেমন কোনো তথ্য নেই। আর কথা বলার জন্য লন্ডন যেতে হয় নাকি? আজকালকার ইন্টারনেটের দুনিয়ায় লন্ডন গিয়ে কারও সঙ্গে কথা বলা লাগে না। কথা বলতে চাইলে এখান থেকেও বলা যায়।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে তার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেই সময় তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে, সেটা সেই সময়কার বিষয়। সেটা আইন অনুসারে চলবে।