খুঁজুন
, ,

এ্যাব সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার কে এম সুফিয়ানের ইন্তেকাল, বিএনপির শোক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 4 June, 2020, 4:35 pm
এ্যাব সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার কে এম সুফিয়ানের ইন্তেকাল, বিএনপির শোক

এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এ্যাব) চট্টগ্রাম শাখার সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা, বিশিষ্ট পেশাজীবী নেতা ইঞ্জিনিয়ার কে এম সুফিয়ান বুধবার (৩ জুুন) রাত ১টায় জিইসিস্থ মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজেউন)।

তিনি দীর্ঘদিন বাধ্যর্ক জনিত রোগে ভোগছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর।

তিনি ২ ছেলে ১ মেয়ে স্ত্রীসহ বহু আত্মীয় স্বজন ও রাজনৈতিক সহকর্মী রেখে যান। তিনি সন্দ্বীপ উপজেলার সারিকাইদ ইউনিয়নের শীবের হাট কাজী বাড়ির বাসিন্দা ছিলেন।

এদিকে ইন্জিনিয়ার কে এম সুফিয়ানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, মীর মোঃ নাছির উদ্দীন, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা বেগম রোজী কবির, গোলাম আকবর খন্দকার, এস এম ফজলুল হক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডাঃ শাহাদাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মীর মোঃ হেলাল উদ্দীন। 

এক শোক বার্তায় নেতৃবৃন্দ বলেন, ইন্জিনিয়ার কে এম সুফিয়ান একজন সৎ, বিনয়ী ও আপাদমস্তক ভদ্র মানুষ ছিলেন। তিনি সবার কাছে সাচ্চা জাতীয়তাবাদী ও দল অন্তপ্রাণ ব্যক্তি হিসিবে পরিচিত ছিলেন। দলের প্রতিটি কর্মসূচিতে তার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। চট্টগ্রামে পেশাজীবী পরিষদকে শক্তিশালী সংগঠনে পরিনত করতে তার ভুমিকা ছিল অপরিসীম। তার মৃত্যুতে বিএনপি ও পেশাজীবী সমাজ একজন অভিভাবককে হারাল। তার মৃত্যুতে যে শূণ্যতার সৃষ্টি হয়েছে তা সহজে পূরণ হবার নয়। তার কর্মগুনেই তিনি আমাদের মাঝে বেচে থাকবেন। তার অবদান বিএনপি আজীবন শ্বরণে রাখবে। তার মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। আমরা ইন্জিনিয়ার কে এম সুফিয়ানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবার,আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

নেতৃবৃন্দ অপর এক বিবৃতিতে ডবলমুরিং থানা বিএনপি নেতা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের কর্মকর্তা মোঃ করিম উল্লাহর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।

ইঞ্জিনিয়ার কে,এম সুফিয়ান’র মৃত্যুতে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের শোকবার্তা
প্রবীণ রাজনীতিবিদ, এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (এ্যাব),চট্টগ্রাম শাখার সভাপতি, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সম্মানিত উপদেষ্টা কে,এম সুফিয়ান চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

ইঞ্জিনিয়ার কে,এম সুফিয়ান সাহেবের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান ও সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু।

আজ এক শোকবার্তায় নেতৃদ্বয় বলেন,এ্যাব চট্টগ্রাম শাখার সভাপতি প্রবীণ রাজনীতিবিদ ইঞ্জিনিয়ার কে, এম সুফিয়ান সাহেবের মৃত্যুতে তাঁর পরিবারবর্গ ও নিকটজনদের ন্যায় আমরাও গভীরভাবে শোকাহত ও ব্যথিত হয়েছি।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীরউত্তম)’র নীতি ও আদর্শ এবং বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী দর্শনে বিশ্বাসী মরহুম ইঞ্জিনিয়ার কে,এম সুফিয়ান চট্টগ্রাম পেশাজীবি অঙ্গনে অত্যন্ত নিবেদিতপ্রান ছিলেন।

এছাড়া ‘গণতন্ত্রের মা’ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে তাঁর সাহসি প্রদক্ষেপ ছিল প্রসংশনীয়। তাঁর এই মৃত্যুতে চট্টগ্রামবাসি ও সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দোয়া করি মহান রাব্বুল আলামিন যেন মরহুম ইঞ্জিনিয়ার কে, এম সুফিয়ান সাহেবকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং শোকাহত পরিবারবর্গকে এই গভীর শোকে ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা দান করেন।

নেতৃদ্বয় শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যবর্গ,আত্মীয়স্বজন, গুনগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 21 July, 2026, 1:44 pm
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের

২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সোমবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে মন্ত্রী এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক কর্মদশক (২০২১-২০৩০)-এর বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা জোরদারে আইনি, নীতিগত ও প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, দুর্ঘটনার পর দ্রুত জরুরি সেবা নিশ্চিত এবং বিশেষ করে পথচারীদের নিরাপত্তা জোরদারে মহাসড়কে লক্ষ্যভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করছে।

মন্ত্রী বলেন, সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ এবং আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চার আলোকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্ত করে তা অনুমোদন ও প্রণয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবন্ধ।

সড়ক নিরাপত্তাকে জাতীয় রাজনৈতিক অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর অংশীদারিত্ব এবং সবার সম্মিলিত দায়িত্বশীলতা অপরিহার্য। তিনি সকল সড়ক ব্যবহারকারীর জন্য নিরাপদ, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নবিষয়ক জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন- সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ শব্বির হাসান খান।

মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠেয় ‘সড়ক নিরাপত্তায় বহুখাতভিত্তিক সমন্বয় জোরদার: সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা সফলভাবে কমিয়ে আনা দেশগুলোর সর্বোত্তম চর্চা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়’ শীর্ষক সাইড ইভেন্টে মন্ত্রী যৌথ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

আগামী বছরের হজ প্যাকেজ ঘোষণা, সর্বনিম্ন খরচ ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 21 July, 2026, 1:34 pm
আগামী বছরের হজ প্যাকেজ ঘোষণা, সর্বনিম্ন খরচ ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা

সরকারি ব্যবস্থাপনায় আগামী বছর পবিত্র হজ পালনে সর্বনিম্ন ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনে খরচ হবে ৫ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৮ টাকা।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি হজ প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘হজ প্যাকেজ-১’-এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা এবং ‘হজ প্যাকেজ-২’-এর ব্যয় ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা।

মন্ত্রী জানান, সরকারি হজ প্যাকেজ-১ এর খরচ ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা। এ প্যাকেজের হজযাত্রীরা মক্কায় হারাম শরিফ থেকে এক হাজার থেকে এক হাজার ৪০০ মিটারের মধ্যে এবং মদিনায় মারকাজিয়া এলাকায় আবাসনের সুবিধা পাবেন। মিনায় জোন-২-এ তাঁবুর ব্যবস্থা থাকবে। মিনা-আরাফায় সার্ভিস প্যাকেজ-৩ অনুযায়ী সেবা ও মোয়াল্লেমের মাধ্যমে খাবার সরবরাহ করা হবে। সাধারণত সৌদি আরবে অবস্থানকাল হবে ৩৫ থেকে ৪০ দিন। অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করে রুম আপগ্রেড ও স্বল্পমেয়াদি প্যাকেজ নেওয়ার সুযোগও থাকবে।

তিনি বলেন, হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী)-এর খরচ ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা। এ প্যাকেজে মক্কায় হারাম শরিফ থেকে ২ থেকে ৩ কিলোমিটারের মধ্যে এবং মদিনায় মারকাজিয়া এলাকার বাইরে মসজিদে নববী থেকে ৮০০ মিটারের মধ্যে আবাসনের ব্যবস্থা থাকবে। মিনায় জোন-৫-এ তাঁবু দেওয়া হবে। হোটেল দুই কিলোমিটারের বেশি দূরে হলে সৌদি সরকারের বিধান অনুযায়ী সালাওয়াত বাসের ব্যবস্থা থাকবে।

অন্যদিকে, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ এজেন্সির মাধ্যমে যাত্রীদের জন্য ‘সাধারণ হজ প্যাকেজ’ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ প্যাকেজে হজ পালনে খরচ হবে ৫ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৮ টাকা।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে জালিয়াতির অভিযোগে ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 21 July, 2026, 9:28 am
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে জালিয়াতির অভিযোগে ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ায় ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করেছে সরকার। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে দ্য পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ৪০৬, ৪২০, ৩৮৫, ৩৮৬, ৪২৭ ও ৩৪ ধারায় দায়ের করা মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে এবং তা গৃহীত হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানায়, লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান আইন, ২০১৩, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) আইন, ২০২৩ এবং সংশ্লিষ্ট সব আইন ও বিধি-বিধান প্রতিপালন করা রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর জন্য বাধ্যতামূলক। এসব শর্ত লঙ্ঘনের প্রেক্ষাপটে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩-এর ১৩ ধারা অনুযায়ী ৪৯টি এজেন্সির লাইসেন্স প্রত্যাহার করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, জনস্বার্থে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।

লাইসেন্স বাতিল হওয়া এজেন্সিগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউনিক ইস্টার্ন (প্রা.) লিমিটেড, অরবিটালস এন্টারপ্রাইজ, এম এস শাহীন ট্রাভেলস, আরভিং এন্টারপ্রাইজ, হায়দোরি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, রাব্বি ইন্টারন্যাশনাল, জাহরাত অ্যাসোসিয়েট, ফোর সাইট ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, এম এস বিনিময় ইন্টারন্যাশনাল, আকাশ ভ্রমণ লিমিটেড, ইউনাইটেড এক্সপোর্ট লিমিটেড, দ্য সুপার ইস্টার্ন লিমিটেড, এলিগ্যান্টস ওভারসিজ লিমিটেড, মিডওয়ে ওভারসিজ লিমিটেড, মদিনা ওভারসিজ, আল-খামিস ইন্টারন্যাশনাল, নিউ এজ ইন্টারন্যাশনাল, গ্যালাক্সি করপোরেশন, সুলতান ওভারসিজ, প্রভাতী ইন্টারন্যাশনাল, আমিন ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস, আহমেদ ইন্টারন্যাশনাল, দরবার গ্লোবাল ওভারসিজ, অপরাজিতা ওভারসিজ, স্ট্যানফোর্ড এমপ্লয়মেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড, জান্নাত ওভারসিজ, বিএনএস ওভারসিজ লিমিটেড, রুবেল বাংলাদেশ লিমিটেড, অরবিটালস ইন্টারন্যাশনাল, ট্রান্স এশিয়া ইন্টিগ্রেট সার্ভিসেস লিমিটেড, আল ফারাহ হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড কনসালটেন্সি, ব্রাদার্স ইন্টারন্যাশনাল, থানেক্স ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, ইম্পেরিয়াল রিসোর্সেস লিমিটেড, পি.আর. ওভারসিজ লিমিটেড, অনন্য অপূর্ব রিক্রুটিং এজেন্সিসহ মোট ৪৯টি প্রতিষ্ঠান।