খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চকরিয়ায় বৃদ্ধকে বিবস্ত্র করে মারধরের মূলহোতা যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২০, ৩:২২ অপরাহ্ণ
চকরিয়ায় বৃদ্ধকে বিবস্ত্র করে মারধরের মূলহোতা যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

কক্সবাজারের চকরিয়ায় এক বৃদ্ধকে বিবস্ত্র করে মারধর করার ঘটনার মূলহোতা যুবলীগ নেতা আনছুর আলমকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১০ জুন) দুপুরে মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের সাইটমারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গ্রেফতার আনছুর আলম চকরিয়া উপজেলার ঢেমুশিয়া ইউনিয়নের ছয়কুড়িটিক্কা পাড়ার মৃত মনির উল্লাহ’র ছেলে। সে ঢেমুশিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ছিলেন।

তার বিরুদ্ধে এলাকায় ডাকাতি, চাঁদাবাজী ও জবরদখলসহ নানা অভিযোগে চকরিয়া থানায় ১২টির বেশি মামলা রয়েছে।

তবে ঘটনার পরপরই আনছুর আলমকে যুবলীগ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

নির্যাতনের শিকার বৃদ্ধ নুরুল আলম (৭২) ঢেমুশিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা।

এর আগে গত ৩ জুন চকরিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মোহাম্মদ বেলাল, কায়ছার উদ্দিন ও মোহাম্মদ ফারুক নামে আরো ৩ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গত ২৪ মে ঢেমুশিয়া স্টেশন থেকে ঈদের কেনাকাটা শেষে ইজিবাইক (টমটম) যোগে বাড়ি ফিরছিলেন বৃদ্ধ নুরুল আলম। পথে তাকে থামিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে নুরুল আলমকে (৭২) বিবস্ত্র করে মারধর করে ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি আনছুর আলম। মারধরের সময় বৃদ্ধের পরনের লুঙ্গি ও গেঞ্জি টেনে হিঁচড়ে ছিঁড়ে ফেলার পাশাপাশি অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। এসময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা কয়েকজন যুবক মারধরের দৃশ্যটি মোবাইল ফোনে ধারণ করে। ঘটনাটি আশপাশে থাকা বেশকিছু যুবক প্রত্যক্ষ করলেও কেউ নুরুল আলমকে রক্ষায় এগিয়ে আসেনি।

তবে এ ঘটনার ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর নানা মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

ঘটনার পর গত ৩১ মে রাতে নির্যাতনের শিকার বৃদ্ধের ছেলে আশরাফ হোসাইন বাদী হয়ে যুবলীগ নেতা আনছুর আলমসহ ৮ জনকে আসামি করে চকরিয়া থানায় এজাহার দায়ের করেন।

ওসি হাবিবুর বলেন, বুধবার দুপুরে মহেশখালীর শাপলাপুর ইউনিয়নের সাইটমারা এলাকায় একটি বাড়িতে আনছুর আলম আত্মগোপনে রয়েছে। এমন খবর পাওয়ার পর চকরিয়া থানা পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। এসময় ঘটনাস্থলে পৌঁছলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে তাকে ধাওয়া দিয়ে পুলিশ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

আনছুর আলম চকরিয়ার ঢেমুশিয়া ইউনিয়নের ছয়কুটিক্কা পাড়ার বৃদ্ধ নুরুল আলমকে বিবস্ত্র করে মারধর করার ঘটনার মূলহোতা। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সে এহাজারভূক্ত ২ নম্বর আসামি। বৃদ্ধ নুরুলের ছেলে থানায় এজাহার দায়ের করেন। এতে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে আসামি করা হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

পরে ঘটনাটি তদন্তের পর গত ৩ জুন মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ এর আগে আরো ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের পাশাপাশি ভিডিও চিত্রটি দেখে ঘটনায় জড়িত অন্যদেরও গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলেন ওসি।

ওসি আরো জানান, আনছুর আলম একজন চিহ্নিত ডাকাত ও সন্ত্রাসী। ডাকাতি, চাঁদাবাজী ও জবরদখলসহ নানা অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ১২টি মামলা রয়েছে।

এদিকে ঘটনার মূলহোতা ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা আনছুর আলম একজন সুযোগ সন্ধানী এবং সংগঠনে অনুপ্রবেশকারী বলে উল্লেখ করেন চকরিয়া উপজেলা যুবলীগ সভাপতি কাউছার উদ্দিন কছির। বলেন, আনছুরের বিরুদ্ধে সম্প্রতি চাঁদাবাজী ও ডাকাতিসহ নানা অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। সংগঠনের দায়িত্বশীলরা তার অপকর্ম সম্পর্কে আগে অবহিত ছিল না।

ঘটনাটি শোনার পরপরই আনছুরকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়েছে বলে জানান উপজেলা যুবলীগের এ নেতা।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…