খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গারাংগিয়া ইসলামিয়া কামিল (এম.এ) মাদরাসায় তরিক্বত সম্মিলন অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৯, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
গারাংগিয়া ইসলামিয়া কামিল (এম.এ) মাদরাসায় তরিক্বত সম্মিলন অনুষ্ঠিত

গারাংগিয়া শরীফের কর্ণধার গাউসুস ছাকলাইন সুলতানুল আওলিয়া হযরত শাহ্ছুফি মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল মজিদ (রহ.) (বড় হুজুর কেবলা) এর ৪২তম বার্ষিক ওফাত দিবস উপলক্ষে ত্বরিকত সম্মেলন, যিকর, ওয়াজ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ (২১ অক্টোবর) সোমবার বাদে আসর শাহ মজিদিডা ইসলামী কমপ্লেক্স ট্রাস্ট বাংলাদেশের তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার গারাংগিয়া আলিয়া মাদ্রাসা ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়।

তরিক্বত সম্মিলনে বিভিন্ন অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন পীরে তরিক্বত হযরত আলহাজ্ব শাহসুফি শাহজাদা মাওলানা হাফেজ মাহমুদুল হাসান হামেদী সিদ্দিকী, গারাংগিয়া পীরে তরিক্বত হযরত শাহ্ মাওলানা আনওয়ারুল হক সিদ্দিকী, বাঁশখালীর শাহ্ সাহেব কেবলা হযরত আলহাজ্ব শাহ্ছুফি মোহাম্মদ ইছহাক, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আলহাজ্ব প্রফেসর ড. আহসান সাইয়্যেদ, পীরে তরিক্বত শাহ মজিদিয়া ইসলামী কমপ্লেক্স ট্রাস্ট বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা হযরত আলহাজ¦ শাহসুফি মাওলানা শাহ্জাদা মাহমুদুল হক মজিদী।

এন্তেজামিয়া কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আনোয়ারুল আজিম আরিফ, কমিটির সদস্য সচিব আহমদ হোছাইন সম্মিলনের বিভিন্ন অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম এমপি, ওয়েল গ্র“পের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুচ ছালাম।

সম্মিলনের ওয়ায়েজি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আব্দুল মান্নান শামসী, মাওলানা মুহাম্মদ ফারুক হোসাইন, মাওলানা ইউচুপ বিন নূরী, মাওলানা ড. এনামুল হক মুজাদ্দেদী, মাওলানা আবদুল জলিল, মাওলানা ঈসা, মাওলানা নুরুল আজিম, আলহাজ্ব মাওলানা দলিলুর রহমান আল-কাদেরী, মাওলানা আহমদ নজির, মাওলানা তৈয়ব আলী মজিদী, মাওলানা আমিনুল ইসলাম, মাওলানা শাহ আলম, মাওলানা শাব্বির আহমদ উসমানী, শাহজাদা মাওলানা মহিউদ্দিন মজিদী। হযরত বড় হুজুর কেবলার শানে মরছিয়্যাহ পাঠ করেন শাহজাদা মুহাম্মদ বিন মাহমুদ মজিদী ও শাহজাদা আহমদ বিন মাহমুদ মজিদী।

আমন্ত্রিত খোলাফায়ে কেরামরা হচ্ছেন মাওলানা ক্বারী আব্দুল মাবুদ, মাওলানা শাব্বির হোসাইন আমিরী, মাওলানা মুহাম্মদ আলী, মাওলানা আবদুল হালিম ফকির, শাহ্সুফি আবদুস সালাম ফকির, মাওলানা আবদুল মাবুদ, মাওলানা মাহমুদুল হাসান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন লেখক-গবেষক আহমদুল ইসলাম চৌধুরী, লতিফ আনওয়ার চৌধুরী, মাওলানা খাইরুল বশর, চেয়ারম্যান নূর আহমদ, চেয়ারম্যান নেজাম উদ্দিন, মাওলানা মীর আহমদ আনসারী, মাওলানা আনোয়ারুল ইসলাম, আবদুল মান্নান ফারুকী, শাহজাদা মঈনুদ্দিন মজিদী, রাজনীতিবিদ মফিজুর রহমান, ব্যবসায়ী রেজাউল করিম, দানবীর আব্দুশ শুক্কুর, শাহজাদা সৈয়দ মুহাম্মদ শোয়াইব, ব্যবসায়ী শাহসুল আলম, রাজনীতিবিদ নুরুল আলম, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জমির উদ্দিন চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার আনিসুর রহমান, মাওলানা নুর হোসাইন, ব্যবসায়ী মুহাম্মদ শামসুল আলম, রাজনীতিবিদ মুহাম্মদ ইদ্রিস, মুহাম্মদ ইউনুস, গিয়াস উদ্দিন আনছারী, সেলিম উল্লাহ, ব্যাংকার ফরিদুল ইসলাম, ব্যবসায়ী সরওয়ার সেলিম, আফিফা গ্র“পের চেয়ারম্যান লায়ন ফখরুল আহম্মদ ফয়সাল।

সম্মিলনে বক্তারা বলেন, কামেল ওলীর দরবারে ইসলামের প্রকৃত আমলের চর্চা হয়। সভাপতি শাহজাদা মাওলানা মাহমুদুল হক মজিদি (ম.জি.আ.) পীর সাহেব কেবলা দরবারে গারাংগিয়া আলীয়া হেদায়তি নছিহত, যিকর, মিলাদ-কিয়াম ও আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে সম্মিলনের সমাপ্তি হয়।

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।