খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হত্যার পর ইট বেঁধে খালে ডুবিয়ে দেয়া হলো মাদরাসাছাত্রীকে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২০, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
হত্যার পর ইট বেঁধে খালে ডুবিয়ে দেয়া হলো মাদরাসাছাত্রীকে

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের আউয়ার এলাকায় যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করায় আয়েশা আক্তার (১২) নামে এক মাদরাসাছাত্রীকে হত্যার পর মরদেহে ইট বেঁধে খালের পানিতে ডুবিয়ে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একই পরিবারের চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আউয়ার খাল থেকে ইট ও সিমেন্টের স্লাব বাধা অবস্থায় আয়েশার মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা।

নিহত আয়েশা সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের আউয়ার এলাকার মো. দুলালের বেপরীর মেয়ে। সে আউয়ার দাখিল মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

আটকরা হলেন- একই এলাকার মো. সিদ্দিক মীর, তার স্ত্রী হনুফা বেগম, ছেলে সাব্বির মীর (১৭) ও ছোট ছেলে সাঈদ মীর (১৫)

স্থানীয়রা জানান, সিদ্দিক মীর ও আয়েশাদের বাড়ি পাশাপাশি। সিদ্দিক মীরের বড় ছেলে সাব্বির বিভিন্ন সময় আয়েশাকে উত্ত্যক্ত করতো। আয়েশাকে দেখলে আশালীন কথা বলতো সাব্বির। মাঝে মধ্যে আয়েশার শরীরে হাত দিতো। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে আয়েশাকে যৌন হয়রানি করে আসছিল সাব্বির। আয়েশা লজ্জায় এসব কথা কাউকে বলতো না। গতকাল মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে আয়েশা নিখোঁজ হয়। আয়েশাকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে তার বাবা-মা বিষয়টি থানা পুলিশকে জানান। বুধবার সকালে এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পরিবারসহ সিদ্দিক মীরকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আউয়ার খাল থেকে আয়েশার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ধারণা করা হচ্ছে- মঙ্গলবার সকালে সিদ্দিক মীরের বড় ছেলে সাব্বির আয়েশাকে ধর্ষণ বা ধর্ষণের চেষ্টা করে। আয়েশা প্রতিবাদ করলে তাকে হত্যা করা হয়। পরে হত্যার ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য সিদ্দিক মীরের পরিবারের সদস্যরা মিলে আয়েশার মরদেহে ডুবিয়ে দিতে ইট ও গলায় সিমেন্ট জমাট বাধা বালতি ও পায়ে সিমেন্টের স্লাব বেঁধে আউয়ার খালে ফেলে দেন।

বরিশাল রিভার ফায়ার স্টেশনের লিডার মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, সন্ধ্যা নদীর শাখা আউয়ার খালটি খরস্রোতা হওয়ায় তল্লাশি চালাতে ডুবুরিদের বেগ পেতে হয়েছে। প্রায় তিন ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আয়েশার মরদেহ পাওয়া যায়। তবে মরদেহে ইট ও গলায় সিমেন্ট জমাট বাঁধা বালতি ও পায়ে সিমেন্টের স্লাব বাধা থাকায় ওপরে তুলতে ডুবুরিদের বারবার চেষ্টা করতে হয়েছে।

বানারীপাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিশির কুমার পাল বলেন, আয়েশা নিখোঁজের অভিযোগ পেয়ে পুলিশ সদস্যরা আউয়ার এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। এছাড়া আয়েশার মা পুলিশকে জানান মেয়েকে খুঁজতে গিয়ে তার পায়ের একটি স্যান্ডেল সিদ্দিক মীরের বাড়িতে পড়ে থাকতে দেখেছেন। এসব বিষয় জেনে সিদ্দিক মীরের পরিবারকে থানায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে পুলিশের জেরার মুখে আয়েশাকে হত্যা করে মরদেহ খালে ফেলে দেয়ার কথা স্বীকার করে পরিবারটি। তবে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে কি-না তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

বরিশালের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নাঈমুল হক বলেন, সিদ্দিক মীরের ছেলে সাব্বির আয়েশাকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। আর ছেলে সাব্বিরকে রক্ষা করতে সিদ্দিক মীর আয়েশার মরদেহ ইট, গলায় সিমেন্ট জমাট বাঁধা বালতি ও পায়ে সিমেন্টের স্লাব বেঁধে আউয়ার খালে ফেলে দেয়।

তিনি বলেন, আয়েশাকে হত্যার কারণ জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা হত্যার কারণ সম্পর্কে বিভিন্ন কথা বলছে। হত্যার আগে আয়েশা ধর্ষণের শিকার হয়েছিল কি-না সে বিষয়ে এখনই কিছু বলা ঠিক হবে না। তবে মরদেহ ও বিভিন্ন আলামত দেখে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে না। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিতভাবে বলা যাবে। আয়েশার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর জন্য প্রক্রিয়া চলছে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…