খুঁজুন
শনিবার, ২৩শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘরে ঘরে ওষুধ ও অক্সিজেন পৌঁছে দিবে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন:ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০, ৪:২৫ অপরাহ্ণ
ঘরে ঘরে ওষুধ ও অক্সিজেন পৌঁছে দিবে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন:ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ঘরে ঘরে ওষুধ ও অক্সিজেন পৌঁছে দিবে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাকাল থেকে আত্ম মানবতার সেবায় প্রতিটি জেলায় জেলায় কাজ করে আসছে।

এ করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে অনলাইন চিকিৎসা সেবা থেকে শুরু করে
দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে পিপিই ও চিকিৎসা সরঞ্জাম দিয়ে আসছে। এখন ভাল কাজেও সরকারের বাঁধা। করোনা রোগীদের জীবন বাঁচাতে আমরা বাকলিয়াস্থ কুইন্স কমিউনিটি সেন্টারে করোনা আইসোলেশন সেন্টার করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু সরকার প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়াতে করোনা রোগীদের চিকিৎসা সুবিধার্থে ফ্রি হোম সার্ভিস কার্যক্রম দলীয় কার্যালয়ে চালু করতে হচ্ছে।

আমরা এই অনলাইন সেবার মাধ্যমে করোনা রোগীদের অনলাইন চিকিৎসা সেবা ফ্রি অক্সিজেন ও ঔষুধ ঘরে ঘরে পৌঁছে দিব।

তিনি আজ বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে দলীয় কার্যালয়স্থ নাসিমন ভবনে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’র উদ্যোগে করোনা রোগীদের চিকিৎসা সুবিধার্থে ফ্রি হোম সার্ভিস উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন।

ডা. শাহাদাত আরো বলেন, আমাদের হটলাইন-০৯৬৭৮১০২১০২ নম্বরে আপনারা ফোন করে ফ্রি চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন। স্বাস্থ্যসেবা প্রত্যাশীদের চাহিদামাফিক অক্সিজেন এবং ঔষুধ পৌঁছে দেয়া হবে। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’র প্রতিষ্ঠাতা ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন এই সেবা কার্যক্রম চালু করেছে। যতদিন করোনা মহামারি থাকবে এই সেবা ততদিন পর্যন্ত চালু থাকবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, করোনাকালীন সময়ে সরকার জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা দিতে সম্পূর্ণ রূপে ব্যর্থ হয়েছে। দেশের ক্লান্তিলগ্নে স্বাস্থ্যসেবার পরিবর্তে তাদের পুরনো রূপ ধারণ করো লুটপাটে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। নিজ দলীয় নেতাদের অপকর্ম সারাদেশের মানুষ এখন জেনে গেছে। সরকারের উপর জনগনের কোন আস্থা নেই। করোনা নমুনা পরীক্ষার জালিয়াতির কারণে উপসর্গ থাকার পরও মানুষ পরীক্ষা দিচ্ছে না। একদিকে তাদের নেতারা টাকা নিয়ে ভূয়া নমুনা রিপোর্ট দিচ্ছে, অপরদিকে সরকার ফি নির্ধারণ করে লুটপাটের সুযোগ দিয়েছে। পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থা চোর ডাকাতদের পাঠশালায় পরিণত করেছে।

তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের দল হিসাবে করোনা দূর্যোগকালে অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে ছুটে গিয়েছে। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন ও ড্যাবের উদ্যোগে চট্টগ্রাম মহানগরে আইসোলেশন সেন্টার ও ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প করতে চাইলেও সরকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। তাই বাধ্য হয়ে আমরা দলীয় কার্যলয়ে অক্সিজেন ও মেডিসিন সেবা চালু করেছি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার করোনাকেও ব্যবসা হিসাবে নিয়েছে। রিজেন্ট হাসপাতালকে করোনা টেস্টের অনুমোদন দিলেও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে অনুমোদন দেয়নি। কারণ রিজেন্টের সাহেদ সরকারের মন্ত্রী, এমপি, সচিবকে টাকা দিলেও গণস্বাস্থ্য কাউকে টাকা দিবে না। যার কারণে তারা আওয়ামীলীগ নেতা সাহেদের রিজেন্টে ভুয়া করোনার নমুনা টেস্টের অনুমোদন দিয়েছে। এখন সরকারের মন্ত্রী এমপিরা এখন অস্বীকার করছে।সাহেদ এতদিন আওয়ামীলীগ করলেও চুরিতে ধরা খাওয়ার পর সাহেদকে রাতারাতি বিএনপির নেতা বানিয়ে দিচ্ছে। এখনো সরকার সবকিছু বিএনপির উপর দায় চাপিয়ে দেওয়ার অভ্যাস পরিবর্তন করতে পারেনি।

ড্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা.সরওয়ার আলমের পরিচালনায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন ড্যাব চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি অধ্যাপক ডা. তমিজ উদ্দিন মানিক।

আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা জাহিদুল করিম কচি, ড্যাব নেতা ডা. আব্বাস উদ্দিন, ডা. মো. ফয়েজুর রহমান, ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালি, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির ইসকান্দর মির্জা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, নগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা জেলী চৌধুরী, ড্যাব নেতা ডা. কাজী মাহবুবুল আলম, ডা. নুরুল কবীর চৌধুরী, ডা. লুসি খান, ডা. মো: মাঈন উদ্দিন, ডা. ওয়াছিফ কামাল নাদিম, বিএনপি নেতা আবদুল হালিম স্বপন, জিয়াউর রহমান জিয়া প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।