খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঘরে ঘরে ওষুধ ও অক্সিজেন পৌঁছে দিবে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন:ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০, ৪:২৫ অপরাহ্ণ
ঘরে ঘরে ওষুধ ও অক্সিজেন পৌঁছে দিবে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন:ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ঘরে ঘরে ওষুধ ও অক্সিজেন পৌঁছে দিবে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাকাল থেকে আত্ম মানবতার সেবায় প্রতিটি জেলায় জেলায় কাজ করে আসছে।

এ করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে অনলাইন চিকিৎসা সেবা থেকে শুরু করে
দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে পিপিই ও চিকিৎসা সরঞ্জাম দিয়ে আসছে। এখন ভাল কাজেও সরকারের বাঁধা। করোনা রোগীদের জীবন বাঁচাতে আমরা বাকলিয়াস্থ কুইন্স কমিউনিটি সেন্টারে করোনা আইসোলেশন সেন্টার করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু সরকার প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়াতে করোনা রোগীদের চিকিৎসা সুবিধার্থে ফ্রি হোম সার্ভিস কার্যক্রম দলীয় কার্যালয়ে চালু করতে হচ্ছে।

আমরা এই অনলাইন সেবার মাধ্যমে করোনা রোগীদের অনলাইন চিকিৎসা সেবা ফ্রি অক্সিজেন ও ঔষুধ ঘরে ঘরে পৌঁছে দিব।

তিনি আজ বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে দলীয় কার্যালয়স্থ নাসিমন ভবনে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’র উদ্যোগে করোনা রোগীদের চিকিৎসা সুবিধার্থে ফ্রি হোম সার্ভিস উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন।

ডা. শাহাদাত আরো বলেন, আমাদের হটলাইন-০৯৬৭৮১০২১০২ নম্বরে আপনারা ফোন করে ফ্রি চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন। স্বাস্থ্যসেবা প্রত্যাশীদের চাহিদামাফিক অক্সিজেন এবং ঔষুধ পৌঁছে দেয়া হবে। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’র প্রতিষ্ঠাতা ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন এই সেবা কার্যক্রম চালু করেছে। যতদিন করোনা মহামারি থাকবে এই সেবা ততদিন পর্যন্ত চালু থাকবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, করোনাকালীন সময়ে সরকার জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা দিতে সম্পূর্ণ রূপে ব্যর্থ হয়েছে। দেশের ক্লান্তিলগ্নে স্বাস্থ্যসেবার পরিবর্তে তাদের পুরনো রূপ ধারণ করো লুটপাটে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। নিজ দলীয় নেতাদের অপকর্ম সারাদেশের মানুষ এখন জেনে গেছে। সরকারের উপর জনগনের কোন আস্থা নেই। করোনা নমুনা পরীক্ষার জালিয়াতির কারণে উপসর্গ থাকার পরও মানুষ পরীক্ষা দিচ্ছে না। একদিকে তাদের নেতারা টাকা নিয়ে ভূয়া নমুনা রিপোর্ট দিচ্ছে, অপরদিকে সরকার ফি নির্ধারণ করে লুটপাটের সুযোগ দিয়েছে। পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থা চোর ডাকাতদের পাঠশালায় পরিণত করেছে।

তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের দল হিসাবে করোনা দূর্যোগকালে অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে ছুটে গিয়েছে। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন ও ড্যাবের উদ্যোগে চট্টগ্রাম মহানগরে আইসোলেশন সেন্টার ও ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প করতে চাইলেও সরকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। তাই বাধ্য হয়ে আমরা দলীয় কার্যলয়ে অক্সিজেন ও মেডিসিন সেবা চালু করেছি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার করোনাকেও ব্যবসা হিসাবে নিয়েছে। রিজেন্ট হাসপাতালকে করোনা টেস্টের অনুমোদন দিলেও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে অনুমোদন দেয়নি। কারণ রিজেন্টের সাহেদ সরকারের মন্ত্রী, এমপি, সচিবকে টাকা দিলেও গণস্বাস্থ্য কাউকে টাকা দিবে না। যার কারণে তারা আওয়ামীলীগ নেতা সাহেদের রিজেন্টে ভুয়া করোনার নমুনা টেস্টের অনুমোদন দিয়েছে। এখন সরকারের মন্ত্রী এমপিরা এখন অস্বীকার করছে।সাহেদ এতদিন আওয়ামীলীগ করলেও চুরিতে ধরা খাওয়ার পর সাহেদকে রাতারাতি বিএনপির নেতা বানিয়ে দিচ্ছে। এখনো সরকার সবকিছু বিএনপির উপর দায় চাপিয়ে দেওয়ার অভ্যাস পরিবর্তন করতে পারেনি।

ড্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা.সরওয়ার আলমের পরিচালনায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন ড্যাব চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি অধ্যাপক ডা. তমিজ উদ্দিন মানিক।

আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা জাহিদুল করিম কচি, ড্যাব নেতা ডা. আব্বাস উদ্দিন, ডা. মো. ফয়েজুর রহমান, ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালি, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির ইসকান্দর মির্জা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, নগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা জেলী চৌধুরী, ড্যাব নেতা ডা. কাজী মাহবুবুল আলম, ডা. নুরুল কবীর চৌধুরী, ডা. লুসি খান, ডা. মো: মাঈন উদ্দিন, ডা. ওয়াছিফ কামাল নাদিম, বিএনপি নেতা আবদুল হালিম স্বপন, জিয়াউর রহমান জিয়া প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…