খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চবি শিক্ষার্থীকে প্রাণনাশের হুমকি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৯, ৫:১০ অপরাহ্ণ
চবি শিক্ষার্থীকে প্রাণনাশের হুমকি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) মহসিন কটেজের মালিক মোহাম্মদ শরীফুল ইসলামের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের প্রাণাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সাথে প্রশাসনের কর্মচারী বলে শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট আটকানোরও হুমকি দেন তিনি।

সোমবার (২১ অক্টোবর) রাত ১২টার দিকে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে আগামী মাসে কটেজ ছেড়ে দিতে মুঠোফোনে ফোন করে অজ্ঞাত এক নাম্বার থেকে এ হুমকি দেন তিনি।

অভিযুক্ত শরীফ বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী বলে জানা যায়। ছাত্রদের অভিযোগ সম্প্রতি কটেজের পানি ও বিদ্যুৎ সমস্যা দেখা দিলে শিক্ষার্থীরা তা নিরসন করার অনুরোধ করে। কিন্তু কটেজ মালিক শরিফ উদ্দিন উল্টো শিক্ষার্থীদের ভালো না লাগলে কটেজ ছেড়ে চলে যেতে বলে। এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করলে মেসে বসবাসরত শিক্ষার্থীদের উপর চড়াও ও দুর্ব্যবহার করেন শরীফ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুঠোফোনে হুমকি প্রাপ্ত ইসলামের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী আরজু মিয়া বলেন, গতকাল রাত ১২ টার দিকে আমার মুঠোফোনে ফোন করে অজ্ঞাত এক নম্বর (০১৭৩৫৭৯৭৩২৮) থেকে বিভিন্ন অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। এ সময় ওই ব্যক্তির পরিচয় জানতে চাইলে অপর প্রান্ত থেকে কটেজ থেকে চলে না গেলে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেন। শুধু আমাকে নয় গতকাল রাতে আরো কয়েকজনকে ওই নাম্বার থেকে হুমকি দেওয়া হয়।

গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী মুশফিক রাহাত বলেন, আগামী মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় প্রত্যেক বিভাগে পরীক্ষা শুরু হবে। এমতাবস্থায় কটেজ ছেড়ে দিলে ভোগান্তিতে পড়তে হবে আমাদের। তার উপর কটেজ ছেড়ে দিতে হুমকি দিচ্ছে কটেজ মালিক। এছাড়া আমাদের সার্টিফিকেটও সমস্যা করবে বলে তিনি হুমকি দেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা শিক্ষার্থী, আমরা ব্যাচেলার, আমরা পিতামাতাকে ছেড়ে এখানে শিক্ষার জন্য এসেছি। অহেতুক কটেজ মালিকের হুমকিতে আমরা এখন অনিরাপত্তায় ভুগতেছি।

অভিযুক্ত মোহাম্মদ শরীফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমার কটেজে অনেক সমস্যা আছে। তাছাড়া সব সমস্যা সমাধান করতে যেই টাকার প্রয়োজন, সেটা আমার কাছে নেই এখন। তাই আমি তাদেরকে চলে যেতে বলেছি। যেহেতু তারা টাকা দিয়ে থাকছে, তাই তাদের উপর অবিচার হচ্ছে। কিন্তু তাদেরকে চলে যেতে বলায় তারা আমার সাথে অশোভন আচরণ করেছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…