খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লোহাগাড়ায় বিয়ের সাড়ে ৩ মাস পর সৌদিফেরত যুবক নিখোঁজ : থানায় স্ত্রীর জিডি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২০, ৮:২৪ পূর্বাহ্ণ
লোহাগাড়ায় বিয়ের সাড়ে ৩ মাস পর সৌদিফেরত যুবক নিখোঁজ : থানায় স্ত্রীর জিডি

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় বিয়ের সাড়ে তিন মাস পর করিম উদ্দিন (২৮) নামে এক সৌদিফেরত যুবক গত তিন দিন ধরে নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। তিনি উপজেলার লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ সুখছড়ি গ্রামের নাজির আলী পাড়ার মৃত নুরুল ইসলামের পুত্র।

এ ব্যাপারে ২৬ জুলাই (রবিবার) রাতে নিখোঁজ প্রবাসীর স্ত্রী শারমিন আক্তার স্বামী নিখোঁজের ঘটনায় লোহাগাড়া থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরী করেছেন। (জিডি নং-১০৮৮, তারিখ- ২৬.০৭.২০২০ ইং)।

করিম উদ্দিনের স্ত্রী শারমিন আক্তার জানান, ভালোবাসার সুত্রে গত ২ এপ্রিল চট্টগ্রাম আদালতের মাধ্যমে আমাদের বিয়ে হয়। এরপর থেকে আমরা লোহাগাড়া উপজেলা সদরের দয়ার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছি। বিয়ের আগে কিংবা পরে আমরা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোন সময় মনোমালিন্য, ভূলবুঝাবুঝি কিংবা ঝগড়াঝাটিও হয়নি।

গত ২৪ জুলাই শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের ঘোনা পাড়ায় তাঁর খালাতো বোনের আকদ অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয় করিম। ওইদিন দুপুর ২ টার দিকেও মোবাইল ফোনে তাঁর সাথে কথা হয় আমার। কিন্তু রাত হয়ে গেলেও বাসায় না ফেরায় আমি আবারো আমার স্বামীর মোবাইলে (নং ০১৮৭৩- ৮০৯৩০৬) কল দিলে মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তখন আমি টেনশনে পড়ে গেলাম। রাতটা কোনভাবে কাটিয়ে পরদিন সকাল থেকে তার সকল আত্নীয়-স্বজনদের কাছে খোঁজ নিলাম এবং বিভিন্ন জায়গায় অনেক খোঁজাখুজি করেও তাঁর সন্ধান পেলাম না। অবশেষে নিরূপায় হয়ে লোহাগাড়া থানা পুলিশের শরণাপন্ন হলাম।

এ ব্যাপারে লোহাগাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রাশেদুল ইসলাম জানান, শারমিন আক্তারের স্বামী করিম উদ্দিন নিখোঁজের ঘটনাটি জেনেছি। এ ব্যাপারে নিখোঁজ ডায়রী নথিভুক্ত করা হয়েছে। তাঁকে উদ্ধারে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/আজাদ

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…