খুঁজুন
, ,

একদিকে করোনা অন্যদিকে অভিযান তবুও লক্ষ্মীপুরে থামছেনা সড়কে চাঁদাবাজি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 19 August, 2020, 8:54 pm
একদিকে করোনা অন্যদিকে অভিযান তবুও লক্ষ্মীপুরে থামছেনা সড়কে চাঁদাবাজি

অ আ আবীর আকাশ, লক্ষ্মীপুর : একদিকে করোনা অন্যদিকে অভিযান তবুও লক্ষ্মীপুরে থামছেনা সড়কে চাঁদাবাজি! লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আঞ্চলিক সড়কে চাঁদাবাজি চলছেই। চাঁদাবাজি বন্ধে পুলিশ ও পরিবহন সংগঠনগুলোর নানা উদ্যোগ এবং অভিযানের মধ্যেও চাঁদাবাজি বন্ধ হচ্ছে না। তবে সড়কে চাঁদা তোলার পয়েন্টগুলো বদল হয়েছে। বিভিন্ন নতুন পয়েন্টে এখনো চাঁদা তোলা হচ্ছে বলে জানা গেছে। চাঁদাবাজির সময় পুলিশ সম্প্রতি একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারও করে কারাগারে পাঠিয়েছে। তবে মেয়র ও ওসিসহ সড়ক পরিবহন সংগঠনের নেতারা চাঁদা না তুলতে সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছে।

জানা গেছে, এক বছর আগে রায়পুরে সব ধরনের পরিবহন থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা উত্তোলন করে ভাগ করে নিতেন ক্ষমতাসীন দলের নেতারা। পরে এ চাঁদার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে গ্রুপিং শুরু হয়। অবশেষে মন্ত্রনালয়ের অনুমতিক্রমে পৌরসভা থেকে ইজারাদার মাধ্যমে লক্ষ্মীপুর, বাসাবাড়ী বাজার হয়ে হায়দরগন্জ, পাটোয়ারী রাস্তার মাথা হয়ে আখন বাজার, মোল্লারহাট ও খাসেরহাট সড়কে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা তানভীর হায়দার চৌধুরী রিংকু, রায়পুর-হায়দরগন্জ-ফরিদগন্জ উপজেলার বিরামপুর বাজার সড়কে আ’লীগ নেতা নাজমুল আলম বাবুল ও রায়পুর-চাঁদপুর-রামগন্জ-পানপড়া-মীরগন্জ ও গাজিনগর সড়কে আ’লীগ নেতা মোঃ-ডালিমকে দেয়া হয়। তারা অটোরিকশা, সিএনজি ও বাস থেকে ১০-২০ টাকা করে পৌর টোলের নামে চাঁদা তুলছেন।

গত একমাস ধরে রায়পুর-চাঁদপুর সড়কে চলাচলকারী সিএনজি থেকে ১০ টাকা চাঁদা ছাড়াও মাসিক কিস্তির নামে ৪’শ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে বলে চালকরা অভিযোগ করেন। রায়পুর-চাঁদপুর সড়কে প্রায় ৪’শ সিএনজি চলাচল করছে। রায়পুরে ভর্তির নামে এক ইজারাদার রাজিব সর্দার, জুয়েল, সুমন, লিটন ও মামুন খানসহ ৬০ জন সিএনজি মালিকের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। প্রতিদিন নতুন নতুন সিএনজিও ভর্তি হচ্ছে। এনিয়ে দুই ইজারাদার তানভির হায়দার চৌধুরী রিংকু ও মোঃ ডালিমের মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দিলে সড়কে কোন চাঁদাবাজি করা যাবে না মর্মে মেয়র ও ওসি তাদেরকে ডেকে কড়া হুশিয়ারী দিয়েছেন। যার যার সড়কের স্টান্ডে সিএনজি থেকে ১০ টাকা করে চাঁদা তোলার নির্দেশও দেন।

এবিষয়ে বুধবার পৌরসভার নির্ধারিত ১০ টাকা ছাড়া অন্য কোন চাঁদা উত্তোলন হয়না বলে তানভির হায়দার চৌধুরি রিংকু দাবি করেন। তার নামে মিথ্যা প্রচারনা করছেন প্রতিপক্ষের লোকজন। মোঃ ডালিম জানান, আমি পৌরসভার ১০ টাকা ছাড়া অন্য চাঁদা উত্তোলন করি না এবং আমার লোকদেরকেও নিষেধ করেছি।

রায়পুর মেয়র ও আ’লীগ সাধারন সম্পাদক হাজি ইসমাইল খোকন বলেন, পৌরসভার নির্ধারিত ১০ টাকা টোল ছাড়া পরিবহনের নামে অন্য চাঁদা উত্তোলন করা যাবে না বলে ইজারাদারদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। না শুনলে পুলিশে সোপর্দ করা হবে।

রায়পুর থানার ওসি আবদুল জলিল বলেন, পুলিশের নামে যে কেউ চাঁদাবাজী করলেই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা। দুপুরে তানভির হায়দার চৌধুরী রিংকু ও মোঃ ডালিমকে থানায় ডেকে সতর্ক করা হয়েছে।

উল্লেখ্য-সড়কে চাঁদাবাজী বন্ধে গত ২৯ মে আইজিপির সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন, বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স এসোসিয়েশনের সব নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তারা আইজিপিকে অবৈধ চাঁদা বন্ধে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানান। আইজিপি পরিবহনে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর কথাও পরিবহন নেতাদের জানিয়ে দেন। এরপর পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনের নেতারা আবার নিজেদের মধ্যে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে চাঁদাবাজি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত ‘সংবাদ বিজ্ঞপ্তি’ আকারে সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দেয়া হয়। এসব সংগঠনের নেতারা জানান, সড়ক-মহাসড়ক, বাস-ট্রাক টার্মিনাল বা অন্য কোথাও কোনো ধরনের অবৈধ চাঁদা তোলা যাবে না। মালিক-শ্রমিক সংগঠনের সদস্য চাঁদা নিজ নিজ অফিস থেকে সংগ্রহ করা যাবে। কোনো জেলা বা উপজেলার কোনো শাখা সংগঠনের উপকমিটিও সড়ক ও মহাসড়ক থেকে অর্থ আদায় করতে পারবে না।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন চালক বলেন, পরিবহন নেতারা এবং পুলিশ যতই চাঁদা না দেয়ার কথা বলুক, তা আসলে কাগজে-কলমে। বাস্তবে চাঁদা না দিলে রাস্তায় গাড়ি চালানো যাবে না। প্রতিদিন ১০ টাকা ছাড়াও মাসে ৪’শ টাকা করে ইজারাদারকে দেয়ার জন্য চুক্তি হয় ও আদায় করাও হচ্ছে। আমরা নিরীহ চালক। চাঁদা না দিলে সড়কে উঠাও যাবে, পরিবার নিয়েও কষ্ট করতে হবে। লোকাল আনন্দ পরিবহন ও ঢাকা-চট্রগ্রামসহ বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী বাস চালককে প্রতিদিন বিভিন্ন খাতে গড়ে ৮শ থেকে ১ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হয়।

লক্ষ্মীপুর জেলা পরিবহন নেতা চৌধুরি মিয়া জানান, পরিবহন মালিক-শ্রমিক একত্রে বসে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অবৈধ চাঁদা না উঠানোর জন্য সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছি। আমাদের সংগঠনের কেউ কোথাও চাঁদা তুলছে না। কেউ তুলে থাকলে তার দায় আমরা নিবো না।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 18 September, 2026, 12:16 pm
সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৪ সেপ্টেম্বর অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ২৪ সেপ্টেম্বর ভাষণ দেওয়ার পরদিন ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কয়েকটি বৈঠকে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশ আয়োজিত আলোচনাতেও অংশ নেবেন তিনি।

এ ছাড়া, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের কথা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

ডিমের দাম ডজনে কমেছে ১০ টাকা, স্বস্তি ফেরেনি মাছ-মুরগিতে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 18 September, 2026, 12:05 pm
ডিমের দাম ডজনে কমেছে ১০ টাকা, স্বস্তি ফেরেনি মাছ-মুরগিতে

নগরের বাজারে মাছ, মুরগি ও ডিমের বাজারে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। মুরগি, মাছ ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় ডজন প্রতি ডিমে ১০ টাকা কমেছে। আর পাঙাশ ও তেলাপিয়া মাছে কিনতে প্রতি কেজিতে গুনতে হবে কমপক্ষে ২৩০ টাকা।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ১০ টাকা কমে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এক ডজনের দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। আবার মাছের দাম প্রায় স্থিতিশীল রয়েছে। কোনো মাছের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা প্রতি কেজিতে বেড়েছে। আবার কোনো মাছের দাম ১০-২০ টাকা কমেছে। তবে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগির গত সপ্তাহের মতো আজকে ১৯০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। সোনালি মুরগি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে পুকুরে চাষ করা মাছ পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ২৬০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ২৭০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে।

পাহাড়তলী বাজারে মো. মিজানুর রহমান নামে এক ক্রেতা বলেন, বাজারে মাছ, মুরগি ও মাংসের দাম আগের অবস্থাতেই রয়েছে, বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। বিশেষ করে আমাদের মতো মধ্যবিত্তের মাছ পাঙাশ ও তেলাপিয়া কিনতে ক্রেতাদের কেজিপ্রতি কমপক্ষে ২৩০ টাকা গুনতে হচ্ছে। মুরগি ও মাংসের দামেও উল্লেখযোগ্য কোনো কমতি নেই, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।

মাছ বিক্রেতা খোকন বলেন, মাছের দাম ঠিক নাই। এখন একদর, বিকেলে আরেক দর। মাছ বেশি আসলে দাম কমে, কম আসলে দাম বাড়ে। ক্রেতা, সরবরাহ ও আবহাওয়ার উপরও দাম অনেক সময় নির্ধারণ হয়। আজকে কাতলা মাছ ৪৫০ টাকা কেজি, চিংড়ি ৭০০ টাকা কেজি আর শিং ৩৫০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। আজকে মাছও আছে, ক্রেতাও আছে।

এদিকে মাছের দাম বাড়ায় সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় পড়েছেন নিম্নবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষ। বাজারে তুলনামূলক কম দামের পাঙাশ ও তেলাপিয়াও এখন সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। প্রতি কেজি পাঙাশ ও তেলাপিয়া কিনতে গুনতে হচ্ছে কমপক্ষে ২৫০ টাকা। ফলে বাড়তি দামের কারণে অনেক নিম্নবিত্ত পরিবার মাছের পরিমাণ কমিয়ে দিচ্ছেন, কেউ কেউ আবার নিয়মিত মাছ কেনাই বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

মুরগি বিক্রেতা মাহবুব আহমেদ বলেন, গত সপ্তাহের মতো এই সপ্তাহেও ১৯০ টাকায় প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করছি। সোনালি মুরগির দাম ২১০ টাকা ছিল, আজকেও ২১০ টাকাতেই বিক্রি হচ্ছে।

ডিম ব্যবসায়ী কাদের বলেন, ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা কমেছে। আজকে ব্রয়লার সাদা ডিম ১৪০ টাকা, আর ব্রাউন ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে।

সারাদেশে একযোগে ৯৯ জন বিচারক বদলি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 17 September, 2026, 10:51 pm
সারাদেশে একযোগে ৯৯ জন বিচারক বদলি

দেশের অধস্তন আদালতের ৯৯ জন বিচারককে একযোগে বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে জুডিসিয়াল সার্ভিসের ৪৪ জেলা জজ, ২৬ অতিরিক্ত জেলা জজ, ২৫ যুগ্ম জেলা জজ, দুই সিনিয়র সিভিল জজ ও দুই সিভিল জজসহ মোট ৯৯ বিচারককে বদলি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এ সংক্রান্ত পৃথক ছয়টি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনগুলোতে জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিচারকদের বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।

এসব বদলি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনগুলোতে উল্লেখ রয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, বদলি হওয়া বিচারকদের আগামী ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দায়িত্বভার নির্ধারিত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে। তবে প্রশিক্ষণ বা ছুটিতে থাকা বিচারকদের প্রশিক্ষণ বা ছুটি শেষ হওয়ার পর নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে।