খুঁজুন
, ,

অভয়মিত্র মহাশ্মশানে মাটি ভরাট ও স্লুইসগেট নির্মাণ করা হবে-সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 22 August, 2020, 3:50 pm
অভয়মিত্র মহাশ্মশানে মাটি ভরাট ও স্লুইসগেট নির্মাণ করা হবে-সুজন

চট্টগ্রামে সনাতনী সম্প্রদায়ের মরদেহ সৎকারের প্রধান শ্মশান বলুয়ারদীঘি অভয়মিত্র মহাশ্মশান। শতবর্ষী এই শশ্মান দীর্ঘকাল হতে জোয়ারের পানির কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার সংকটে নিমজ্জিত।

আজ সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন এই মহাশ্মশান পরিদর্শনে যান।

এসময় তিনি মহাশ্মশান পরিচালনা কমিটি ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলেন। এলাকাসী প্রশাসককে জানান যে, অনেক বছর ধরে এভাবে হাঁটু সমান পানিতে মরদেহ দাহ করতে হচ্ছে তাদের। খালসংলগ্ন অভয়মিত্র মহাশ্মশানটি একটু নিচু হওয়ায় প্রতিদিনই জোয়ারের পানি উঠছে। বৃষ্টির সময় পানি আরও বেড়ে যাওয়ায় দাহ করার জন্য আনা মরদেহ রাখার জায়গা থাকে না। অনেক সময় জোয়ার-ভাটা দেখে মরদেহ সৎকারের সময় নির্ধারণ করতে হয়। অভয়মিত্র মহাশ্মশানে জোয়ারের পানির কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার সংকট নিরসনে কার্যকরী পদক্ষেপ জরুরী।

চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন সার্বিক পরিস্থিতি ও পানি উঠার কারণ নির্ণয় করে বলেন, মাটি ভরাট করে অভয়মিত্র মহাশ্মশান উঁচু করা হলে জোয়ারের পানি আর এই স্থানে প্রবেশ করতে পারবে না। জলাবদ্ধতা না থাকলে সনাতন সম্প্রদায় তাদের আপনজনের মৃতদেহ সৎকার যথাযথ ধর্মীয় নিয়মনীতি অনুসরণ করে নিরাপদে ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পারবে। এজন্য তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত এই মহাশ্মশানের জন্য ত্বরিৎ পদক্ষেপ নেয়ার ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, গতকাল আমাদের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সুযোগ্য সন্তান মাননীয় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এই মহাশ্মশানের জন্য অনুদান পাঠিয়েছেন। আগামীতে বলুয়ারদীঘি অভয়মিত্র মহাশ্মশানের সার্বিক উন্নয়নেও তিনি পাশে থাকবেন বলে জানিয়েছেন। আমাদের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী থাকলে হয়তো এতদিন এই দূর্দশা থাকতো না। তিনি অনেক আগেই এই মহাশ্মশানের জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতেন। যে অনুদান পাওয়া গেছে তাতে সাময়িক কষ্ট লাঘব হলেও এর জন্য চাই পরিকল্পিত ও কার্যকর পদক্ষেপ।

প্রশাসক বলেন, যেহেতু মহাশ্মশানটি সিটি কর্পোরেশনের পরিচালনাধীন। তাই একটি সুন্দর পরিকল্পিত মহাশ্মশান করার জন্য আমরা কার্যকর পদক্ষেপ নেব। এ মহাশ্মশানের উন্নয়নের জন্য যা যা করা প্রয়োজন তাই করবো আমরা। এজন্য সব মহলের মতামত ও পরামর্শ নেয়া হবে। আমাদের এমনভাবে মহাশ্মশানটি সংস্কার করতে হবে যাতে পাশের এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

তিনি দু:খ প্রকাশ করে বলেন, আমরা দেখেছি মহাশ্মশান উঁচুকরণ ও সংস্কারের জন্য প্রতি বছর নানা উদ্যোগ হাতে নেয়া হতো। কিন্তু বাস্তবায়ন কিছুই হয় না। মহাশ্মশানের পেছনে বয়ে যাওয়া চাক্তাই খালে স্লুইসগেট স্থাপন করলে জোয়ারের পানি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। এতে করে জোয়ারের সময় স্লুইসগেট বন্ধ করা হলে শ্মশানে মৃতদেহ সৎকারে জল দুর্ভোগ সমস্যা নিরসন হয়ে যেতো। তবে এখন আর সময় নষ্ট করার সময় নাই। আশা করছি খুব শীঘ্রই মহাশ্মশানটির উন্নয়নের জন্য কাজ শুরু করব।

এসময় প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মুনিরুল হুদা, অভয়মিত্র মহাশ্মশান পরিচালনা কমিটির সভাপতি, সাবেক কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী, সাধারণ সম্পাদক বিজয় কিশান চৌধুরী, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর পেয়ার মোহাম্মদ, সাধারণ সম্পাদক আবু তৈয়ব সিদ্দিকী, এডভোকেট তপন দাশ, কাউন্সিলর প্রার্থী রুমকী সেন গুপ্ত, ইঞ্জিনিয়ার আশুতোষ দাশ, অজয় বনিক, টুনটুন চক্রবর্তী, কুতুব উদ্দিন সেলিম, আবু জাফর চৌধুরী, সেকান্দর আলী, রফিকুল আলম বাপ্পী উপস্থিত ছিলেন।

আবর্জনার গাড়ী পরিদর্শন
চসিকের জনবলকে গতিশীল, দায়িত্ব ও কর্তব্যে
সচেতন করে নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণ করবো-সুজন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, স্বচ্ছতা, সততা, নিষ্ঠা ও সামর্থ্য উজার করে দিয়ে সিটি কর্পোরেশনের মোট জনবলকে গতিশীল, দায়িত্ব ও কর্তব্যে সচেতন করে নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণ করতে চাই। এজন্য চসিকের প্রত্যেক বিভাগ ও শাখায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সকলের পরামর্শ ও সহযোগিতাই কাম্য।

আজ সকালে নগরীর দামপাড়াস্থ জমিয়তুল ফালা মসজিদ প্রাঙ্গনে চসিকের আবর্জনা বহনকারী ট্রলি গাড়ীর সার্বিক চিত্র পরিদর্শনকালে তিনি একথা বলেন।

এসময় তিনি আবর্জনা কাজে নিয়োজিত ট্রলির ড্রাইভার ও সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলেন। প্রশাসক তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, যেসব এলাকার গলিতে টমটম ট্রলি যেতে পারছেনা সেখানে আমাদের রিক্সাভ্যান রয়েছে। রিক্সাভ্যানে করে আবর্জনা নিয়ে এসে রাস্তায় টমটম ট্রলিতে দ্রুত পৌঁছাতে হবে। যাতে করে নগরবসী আবর্জনার দূর্ভোগ পোহাতে না হয়। এমনিতে বর্ষার মৌসুমে রাস্তা খোঁড়া-খুঁড়ির কারণে জনদূর্ভোগ চরমে। নগরবাসী আমাদের প্রাপ্য ট্যাক্স আমাদের দিচ্ছেন তাদের সেবাও যাতে নিশ্চিত করা যায় সেজন্য সবাইকে ঈমানী দায়িত্ব পালন করতে হবে। অন্যথায় আমরা বিবেক তাড়িত হবো।

তিনি বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় আমাদের আবর্জনা গাড়ী বেশি আছে অথচ কোন কোন ওয়ার্ডে এই গাড়ী পাওয়া না পাওয়ার অভিযোগ আছে। তাই সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গাড়ি প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। উল্লেখ্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে ৬১ টি টমটম ট্রলি রয়েছে এরম্যধ্য ৬০টি সচল রয়েছে।

পরিদর্শনকালে চসিক প্রধান প্রকৌশলী লে.কর্ণেল সোহেল আহমদ, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, প্রকৌশলী জয়সেন বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

ফরেস্ট গার্ড গিয়াস উদ্দিনের বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ চট্টগ্রামের গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা, জিম্মি সহকর্মীরাও

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 1:37 pm
ফরেস্ট গার্ড গিয়াস উদ্দিনের বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ চট্টগ্রামের গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা, জিম্মি সহকর্মীরাও

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে কর্মরত ফরেস্ট গার্ড গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে ব্যাপক চাঁদাবাজি ও সহকর্মীদের জিম্মি করে রাখার অভিযোগ উঠেছে।

উত্তর বন বিভাগের লাইন নিয়ন্ত্রক ও ফৌজদারহাট বন বিটের ক্যাশিয়ার হিসেবে সর্বত্র তার পরিচিতি রয়েছে। চট্টগ্রামে তার বাড়ি হওয়ায় ভিন্ন জেলার সহকর্মী ও উর্ধ্বতনদের পাত্তাই দেয় না গিয়াস উদ্দিন।

‎অনুসন্ধানে জানা যায়, গিয়াস উদ্দিনের বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায়। বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ফৌজদারহাট বিট অফিসে। তার পদবী (এফ,জি) ফরেস্ট গার্ড হলেও চলনে,বলনে তিনি যেন মস্ত বড় অফিসার। উত্তর বন বিভাগের লাইন নিয়ন্ত্রক হিসেবে আয়ও করেন ভালো। নাম প্রকাশ না করার শর্তে চট্টগ্রাম বন বিভাগে কর্মরত অনেকেই বলেন, তার দৈনিক আয় ৪০/৫০ হাজার টাকার অধিক।

বিভিন্ন গাছ ও ফার্নিচারের গাড়ি থেকে দৈনিক লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করেন বলে নিশ্চিত করেন তার সহকর্মীরাই।

সুত্র জানায়, কিছু অসাধু উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও গিয়াস উদ্দিনের চাঁদার ভাগ পায়। দৈনিক লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করলেও সেই টাকার ৫০/৬০ ভাগ চলে যায় উর্ধ্বতনদের ম্যানেজ করতে।

অপর এক সুত্র জানায়, গত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে গিয়াস উদ্দিন আওয়ামী ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে একটানা ৯ বছর চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে কর্মরত থাকেন। ৫ আগস্টের পরেও রহস্য জনক কারণে গিয়াস উদ্দিন রয়েছেন একই রেঞ্জে বহাল তবিয়তে। একটানা ১০/১১ বছর একই রেঞ্জে কর্মরত থাকার নজির বন বিভাগে না থাকলেও গিয়াস উদ্দিন এই নজির স্থাপন করেছেন বলে দাবি করেন অনেকে।

‎দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে বদলি হওয়ার বিধান থাকলেও গিয়াস উদ্দিনের টাকার কাছে তা অকার্যকর।

‎চট্টগ্রামের বলিরহাট, বহদ্দারহাট, ফিরিঙ্গী বাজার, বাদুরতলা,শোলক বহর সহ বিভিন্ন এলাকার ১০/১২ জন গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলে জানা যায়, গাছের বা ফার্নিচারের প্রতি গাড়ি হতে ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করেন ফরেস্টর গিয়াস উদ্দিন। এছাড়া মাসোহারাও দিতে হয় প্রতি মাসে।

গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠের শুরে বলেন, ‎বন বিভাগের যন্ত্রনায় ব্যবসা করা কঠিন হয়ে উঠেছে। এছাড়া বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, সাতকানিয়া, রাঙ্গুনিয়া, বাঁশখালী, ফটিকছড়ি সহ অন্যান্য এলাকা থেকেও যে সব গাছ ও ফার্নিচারের গাড়ি আসে তাদের থেকেও নির্দিষ্ট হারে চাঁদা আদায় করেন গিয়াস উদ্দিন।

দৈনিক ২০টির অধিক গাড়ি থেকে ফৌজদারহাট বিটে চাঁদাবাজি হয় বলে নিশ্চিত করেন অনেকে।

এদিকে নগরীর বৃহত্তর ফার্নিচার হাট খ্যাত বলিররহাট ও ফিরিঙ্গীবাজারের একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, বন বিভাগের একচ্ছত্র আধিপত্য গিয়াস উদ্দিনের। তার চাহিদা মতো টাকা দিতে না পারলে ব্যবসা করা কঠিন। চট্টগ্রামের যে কোন গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা একই কথা বলবে এমন দাবি করে বলেন, বান্দরবান, সাতকানিয়া, রাঙ্গুনিয়া, রাঙামাটি খাগড়াছড়ির ব্যবসায়ীরাও গিয়াস উদ্দিনের হাতে জিম্মি।

‎এই বিষয়ে গিয়াস উদ্দিনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন তিনি সব দায় এস ও আশরাফ এর বলেই ফোনের লাইন কেটে দেন।এর পর তাকে বারবার ফোন করলে ও তিন আর ফোন রিসিভ করেন নি,পরে থাকে তার ওয়াটসআপ নাম্বারে ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়ে ও তার পুরোপুরি বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এইবিষয়ে ফৌজদারহাট বিটের স্টেশন অফিসার আশরাফ এর কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন মাত্র দেড় মাস আগে আমি এই স্টেশনে যোগদান করেছি, গিয়াস উদ্দিন এর ব্যাপারে অভিযোগ পাইলে উর্ধতন কর্মকর্তাগন অফিসিয়ালি ব্যাবস্হা নিবেন।

‎দ্বিতীয় পর্ব আসছে…

কর্ণফুলীতে ডুবল লাইটার জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 12:03 pm
কর্ণফুলীতে ডুবল লাইটার জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর নেভাল একাডেমি সংলগ্ন এলাকায় পাথরবোঝাই একটি লাইটার জাহাজ আংশিক ডুবে গেছে। তবে এ ঘটনায় জাহাজে থাকা ১২ নাবিকের সবাইকে জীবত অবস্থায় উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নেভাল একাডেমির বিপরীতে ট্রেনিং ওয়ালের পাশে ‘এমভি বে হারবার-২’ নামের লাইটার জাহাজটি এই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

কোস্টগার্ডের জনসংযোগ শাখা থেকে জানা গেছে, জাহাজডুবির খবর পাওয়া মাত্রই কোস্টগার্ডের একটি দল দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে আটজন এবং পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে আরও চারজনসহ মোট ১২ নাবিককে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না : আপিল বিভাগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 11:05 am
আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না : আপিল বিভাগ

ঋণ খেলাপি হওয়ায় চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিজয়ী বিএনপির আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না বলে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে তার ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় দেন। এর আগে ১৫ জুন শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৩০ জুন দিন ধার্য করেছিলেন।

আদালতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।

আসলাম চৌধুরীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী ও ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

ঋণ খেলাপির অভিযোগ থাকা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানির শেষ দিন গত ১৮ জানুয়ারি বৈধ ঘোষণা করা হয়।

সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ব্যাংকের করা রিট হাইকোর্ট খারিজ করে দিলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পরে আপিল বিভাগে আবেদন করে।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে জামায়াতের প্রার্থী মো. আনোয়ার সিদ্দিকী লিভ টু আপিল করেন। ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহালের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন।

ফলে আসলাম চৌধুরী নির্বাচন করার সুযোগ পান। কিন্তু আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল স্থগিত থাকবে এবং ফলাফল প্রকাশ হবে না বলে আদেশ দেওয়া হয়।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আসলাম চৌধুরী বিজয়ী হন। কিন্তু আদালতের আদেশের কারণে ফলাফল প্রকাশিত হয়নি।