খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতাযুদ্ধের ইতিহাসে জিয়াউর রহমান এক উজ্জল নক্ষত্র : ডাঃ শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২০, ৭:০২ অপরাহ্ণ
স্বাধীনতাযুদ্ধের ইতিহাসে জিয়াউর রহমান এক উজ্জল নক্ষত্র : ডাঃ শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও চসিক মেয়র প্রার্থী ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ইতিহাসের অংশ। রাজনৈতিক বিদ্ধেষপ্রসূত কারণে কেউ তা ম্লান করতে চাইলেও পারবেন না। স্বাধীনতাযুদ্ধের ইতিহাসের আকাশে জিয়াউর রহমান এক উজ্জল নক্ষত্র। তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন আবার নিজে অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন। একজন সেক্টর কমান্ডার হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছেন।

স্বাধীনতা পরবর্তীকালে শেখ মুজিবর রহমান সরকারই জিয়াউর রহমানকে বীরউত্তম উপাধি দিয়েছিলেন। এখন রাজনৈতিক মতানৈক্যের কারণে দেশ ও জাতির জন্য তার অবদানকে অবমূল্যায়ন করা কাম্য হতে পারে না।

স্বাধীনতাযুদ্ধে তার অবদানকে যারা প্রশ্নবিদ্ধ করতে চান, তারা মিথ্যাচারের বেসাতি করছেন।

তিনি আজ বৃহস্পতিবার (২৭ আগষ্ট) বিকালে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে বিএনপির ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভায় এ কথা বলেন।

ডাঃ শাহাদাত বলেন, জিয়াউর রহমানের শান্তি ও উন্নয়নের রাজনীতি মানুষকে উজ্জীবিত করেছিল। আর এখানেই তার সাফল্যের সূত্রপাত। তিনি এদেশের মানুষের মনের কথার প্রতিধ্বনি ঘটাতে পেরেছিলেন তার কাজে। তার উন্নয়ন কর্মসূচি মানুষ সাদরেই গ্রহণ করেছিল।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, জিয়াউর রহমানের ব্যক্তিগত সততা ও স্বাধীনতাযুদ্ধে ঐতিহাসিক ভূমিকায় তার একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছিল জনগণের মধ্যে। ফলে ১৯৭৮ সালে তিনি যখন বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন, তখন তাতে সমাজের নানা শ্রেণী পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দেন। তিনি প্রচলিত ধারার রাজনীতির বাইরে নতুন একটি রাজনৈতিক তত্ত্ব মানুষের সামনে হাজির করেন। জনগণ তার সে রাজনীতিকে গ্রহণ
করেছিল। তার ১৯ দফা কর্মসূচিকে এদেশের মানুষ তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির পথনির্দেশক বলেই গ্রহণ করেছিল।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সি: সহসভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়েই চুপ করে বসে ছিলেন না। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের মাঠে থেকে দেশকে স্বাধীন করেছেন। ঘোষণা দিয়ে সবাইকে যুদ্ধে যোগদানের আহ্বান এবং নিজেও একইসাথে যুদ্ধে সামিল হওয়ার নজির একমাত্র শহীদ জিয়ারই আছে। তাই শহীদ জিয়াই সর্বোৎকৃষ্ট মুক্তিযোদ্ধা।

প্রস্তুতি সভায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকাল ৬ টায় দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ১১ টায় ষোলশহর ২ নং গেইটস্থ বিপ্লব উদ্যানে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বিকাল ৩ টায় নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় মাঠে আলোচনা সভা। তাছাড়া ৪১টি ওয়ার্ডে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, সামশুল আলম, এড. আবদুস সাত্তার, হাজী মোহাম্মদ আলী, নাজিমুর রহমান, ইকবাল চৌধুরী, এস এম আবুল ফয়েজ, জাহিদুল করিম কচি, সি: যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আহমেদুল আলম রাসেল, আনোয়ার হোসেন লিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুর আলম
চৌধুরী মঞ্জু, মো. কামরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক শিহাব উদ্দিন মুবিন, সম্পাদকবৃন্দ মোহাম্মদ আলী মিঠু, এড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, হামিদ হোসেন, মনোয়ারা বেগম মনি, ফাতেমা বাদশা, হাজী নুরুর আকতার, ডা. এস এম সরওয়ার আলম, শেখ নুরুল্লাহ বাহার, থানা বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন ডিপটি, মো. সেকান্দর, ডা. নুরুল আবছার, নগর।বিএনপির সহসম্পাদকবৃন্দ এ কে এম পেয়ারু, আবদুল হালিম স্বপন, ইকবাল হোসেন, মো. সেলিম, রফিকুল ইসলাম, মো. ইদ্রিস আলী, মো. শাহজাহান, এড. সেলিম উদ্দিন শাহীন, আরিফ মেহেদী, আলমগীর নূর, আলী আজম, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ জাকির হোসেন, আফতাবুর রহমান শাহীন, নগর সদস্য মালেক ফারুকী, মো. ইলিয়াছ, আলমগীর আলী, আতিকুর রহমান, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাজী নবাব খান, এস এম মফিজ উল্লাহ, ফারুক আহমেদ, মো. আসলাম, খাজা আলাউদ্দিন, এস এম ফরিদুল আলম, আশরাফ আহমেদ, রাসেল পারভেজ সুজন, মো. রফিক চৌধুরী, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম হালিম বাবলু, হাবিবুর রহমান চৌধুরী, মো. হাসান, হাজী মো. এমরান, সিরাজুল ইসলাম মুনসি, হাজী মো. জাহেদ, জিয়াউর রহমান জিয়া, আবু ফয়েজ, আনোয়ার হোসেন আরজু, আবু শাহেদ হারুন, অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ হাজী নুরুল হক, মনিরুজ্জমান টিটু, আমান উল্লাহ আমান, আলী মর্তুজা খান, মামুনুর রশিদ শিপন, মনিরুজ্জামান মুরাদ, তানভীর মল্লিক, আসাদুর রহমান টিপু, রাসেল নিজাম, মো. সালাহ উদ্দিন, মো. আলা উদ্দিন প্রমুখ।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…