খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে বিধবাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২০, ৯:২৭ অপরাহ্ণ
লক্ষ্মীপুরে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে বিধবাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ঘরের সিঁধ কেটে ঢুকে এক বিধবাকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা নিয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে সদর উপজেলার ২ নং দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের জলিল হাজি বেপারি বাড়ির মৃত বাবুলের স্ত্রী রেনু বেগম (৩৫) কে জায়গা জমি বিষয়ক পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বৃহস্পতিবার রাত তিনটার দিকে একই বাড়ির শাহাবুদ্দিনের ছেলে সোহাগ ও তার সাঙ্গোপাঙ্গ নিয়ে ঘরে সিঁধ কেটে প্রবেশ করে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

এতে ব্যর্থ হয়ে সোহাগ বিধবার রেনু বেগমকে পিটিয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে। সোহাগ ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা এ সময় আট আনা ওজনের সোনার চেইন, কানের দুল ও নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যায় বলে রেনু বেগম জানান।

এ বিষয়ে সফিক উল্যাহ বলেন চিৎকার শুনে আমরা এসে দেখি সোহাগ ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে দেখি ঘরের সিঁধ কেটে ঢুকেছে তারা। ধর্ষণ করতে ব্যর্থ হয়ে মারাত্মক ভাবে পিটিয়েছে রেনু বেগমকে। স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা নিয়েছেন বলেও তিনি জানান।

বিধবা রেনু বেগম এর মেয়ে ফাহিমা আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন -‘আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম, হঠাৎ আমার আম্মুর চিৎকার শুনে জেগে দেখি সোহাগ ও তার সাথে কয়েকজন লোক আম্মুর সাথে ধস্তাধস্তি করে, পিটায়। এ আগেই তারা গলার চেইন, কানের দুল নিয়ে যায়। আমরা চিৎকার দিলে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা দৌড়ে পালিয়ে যায়।’

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মীর শাহ আলম বলেন- ‘আমি ঘটনাটি শুনেছি, আহত রেনু বেগমকে চিকিৎসা নিতে পরামর্শ দিয়েছি, পরে বিষয়টি মিটমাট করা হবে।’

সদর মডেল থানার ওসি একেএম আজিজুর রহমান বলেন -‘এখনো অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান রেনু বেগম এর বোন মাহমুদা।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/আবির

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…