খুঁজুন
, ,

যশোর-খুলনা মহাসড়কের কাজ শেষ না হতেই বেহাল দশা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 29 August, 2020, 11:00 pm
যশোর-খুলনা মহাসড়কের কাজ শেষ না হতেই বেহাল দশা

নিলয় ধর,যশোর প্রতিনিধি : যশোর-খুলনা মহাসড়কের কাজ শেষ না হতেই ফুলে ফেঁপে বেহাল দশা হয়ে গেছে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ।

গত ৯/১০ মাস পূর্বে সড়কটির যশোর-খুলনার সীমান্তবর্তী অংশ হতে যশোরের পদ্মবিলা অংশের প্রায় ১৯ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ কাজ শেষ করে দেশের খ্যাতনামা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশন লিমিটেড এবং পদ্মবিলা থেকে শুরু করে যশোরের পালবাড়ী মোড় পর্যন্ত আরও ১৯ কিলোমিটার রাস্তার নির্মাণ কাজ শেষ করে মাহাবুব এ্যান্ড ব্রাদার্স নামক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

মাত্র ৬ মাসের ব্যবধানে চলতি বর্ষা মৌসুমের পূর্বেই রাস্তার যশোর অভিমুখের বাম পার্শ্ব যানবাহন চলাচলের কারণে বসে যায়। ঘটতে থাকে দুর্ঘটনা। এই অবস্থায় তড়িঘড়ি করে সড়কটিতে যানবাহন চলাচল সচল রাখতে বিভিন্ন অংশে মেশিন দ্বারা ফুলে ফেপে থাকা অংশগুলো কেটে পাথর ও বিটুমিন দিয়ে রিপেয়ারিং করতে দেখা গেছে। তবে চলতি বর্ষা মৌসুম শুরু হতেই যশোর থেকে শুরু করে নওয়াপাড়ার শেষ সীমানা পর্যন্ত রাস্তার বেশিরভাগ অংশ আবারও ফুলে ফেপে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিনিয়ত মহাসড়কটি নষ্ট হয়ে যেন পূর্বাবস্থায় ফিরে যাওয়ার দৃশ্য চোখে পড়ছে জনসাধারণের। যানবাহনগুলো ঝুকি নিয়ে নষ্ট হওয়া রাস্তার বিভিন্ন অংশ এড়িয়ে চলাচল করছে।

জানা গেছে, প্রায় ৩৪ কিলোমিটার এই সড়কটি নির্মাণ করতে প্রায় ৩ শত কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। রাস্তাটি প্রায় ৩৪ ফুট চওড়া বাইন্ডার নির্মাণ করে রাস্তার দুই পার্শ্ব থেকে ৫ ফুট করে ১০ ফুট বাদ রেখে মাত্র ২৪ ফুট ওয়ারিং কোর্স করা হয়েছে। দুই লেনের এই মহাসড়কটি দিয়ে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৮০ টন মালামাল নিয়ে শতশত ট্রাক, লোভেট, বাসসহ ৬ থেকে ৭ হাজার যানবাহন চলাচল করে থাকে।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের প্রকল্প পরিচালক দেশের স্বনামধারী প্রকৌশলী তুহিন বিন আজমের সাথে কথা বললে তিনি জানান, রাস্তাটি সেকেলে ডিজাইনে মাত্র ২৫ থেকে ৩০টন ক্যাপাসিটির যানবাহন চলাচলের উপযোগী সড়ক নির্মাণের যে টেন্ডার তারা পেয়েছিলেন মহাসড়কের সম্পূর্ণ সড়কের কাজটি তারা সেই ডিজাইনেই সম্পন্ন করেছে।

তাহলে সড়কের এমন দূরাবস্থা হলো কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, এই মহাসড়কে নওয়াপাড়া বন্দর ও খুলনা বন্দর থেকে প্রতিদিন ৫ থেকে ৭ হাজার যানবাহন চলাচল করলেও সওজের জরিপে সেটা ছিলো হাজার থেকে ১২ শত যানবহন চলাচলের জরিপ। তাছাড়া, অনেক পুরাতন ডিজাইনে রাস্তার বাইন্ডার ও ওয়ারিং কোর্সের কাজ করার কার্যাদেশ ছিলো। এছাড়াও তিনি বিটুমিনের গ্রেড নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

তিনি বলেন, পাথরের সংগে বিটুমিনের গ্রেড যে পরিমাপে দেয়ার কথা আমরা সেটা সম্পূর্ণ রূপে সম্পন্ন করেছি। কিন্তু বিটুমিনের কাজ করার সময় সারাদেশের সাথে যশোর-খুলনার প্রাকৃতিক তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠানামা করতে থাকে। ওই অবস্থায় মহাসড়কের ডিজাইনের সাথে প্রকৃতির তাপমাত্রা খাপ খায়নি। ফলে অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারনে রাস্তার বিভিন্ন অংশে যানবাহন চলাচলের কারনে পাথর ও বিটুমিন আলাদা হয়ে ফুলে ফেঁপে উঠেছে বলেই আমাদের ধারণা।

তিনি আরও বলেন, সওজ বিভাগের থেকে ঢাকা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে বিশেষজ্ঞ এনে সিডিউল ও ডিজাইন অনুযায়ী মহামড়ক নির্মাণ কাজ সঠিকভাবে হয়েছে কিনা সেটা পরীক্ষা করার পর বিশেষজ্ঞদের অভিমতে বেরিয়ে এসেছে যে এই গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটি যে ডিজাইনে সম্পন্ন হওয়া উচিৎ সেটি হয়নি।

তিনি বলেন, কোম্পানীর সুনাম ধরে রাখার স্বার্থে আমরা যথাসাধ্য সতর্কতার সাথে সড়ক নির্মাণের কাজ করেছি। কিন্তু তাতে কোন ভালো ফল আসছেনা। মহাসড়কের এই বেহাল দশা কিভাবে হলো এবং তা যানবাহন চলাচলের উপযোগি ও দীর্ঘস্থায়ী কিভাবে হবে এ প্রশ্ন রেখে যশোর সড়ক ও জনপথ বিভাগের দায়িত্বে থাকা নির্বাহী প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের দাবিকৃত ত্রুটিপূর্ণ ডিজাইনের কথার সাথে অনেকাংশেই একমত পোষণ করেছেন।

তিনি জানান, খুলনা-যশোর মহাসড়কটি অত্যান্ত জনবহুল, অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল এবং ট্রাক ও লোভেড গাড়িসহ বিভিন্ন যানবাহনে অতিরিক্ত পণ্য বোঝাই করে চলাচল করার কারনে সড়কটি অতিদ্রুত বিভিন্ন অংশে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দুটি তাদের ডিজাইন অনুযায়ী কাজ করলেও বিটুমিনের কাজের সাথে প্রকৃতির তাপমাত্রার অনেকটা হেরফের হওয়ার কারণে এবং বিটুমিনের গ্রেড সঠিক না থাকায় রাস্তা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

নির্বাহী প্রকৌশলী বলেছেন, আমরা বুয়েট, কুয়েটসহ আমাদের সওজ’র বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে রাস্তার বিভিন্ন অংশের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর অনেক ভুল-ত্রুটি পরীলক্ষিত হয়েছে। সড়কটি নির্মাণ কাজ শেষ হতে না হতেই বিভিন্ন অংশে ফুলে-ফেঁপে ও গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় সওজ’এর প্রধান কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ঠ মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে গুরুত্ব সহকারে ভাবছেন। সড়কের দুই পাশে ৫ ফুট করে ১০ ফুট বাইন্ডার ছেড়ে মাত্র ২৪ ফুট ওয়ারিং কোর্স করার কারনে এবং খুলনা ও নওয়াপাড়া থেকে যশোর অভিমুখে অতিরিক্ত পণ্য বোঝাই যানবাহন চলাচলের ফলে সড়কটির ১টি পার্শ্ব সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

তিনি জানিয়েছেন, খুলনা-যশোর মহাসড়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি টিকিয়ে রাখতে সংশ্লিষ্ঠ মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যেই ভাবতে শুরু করেছে যাতে করে অতিরিক্ত পণ্য বোঝাই করে যানবাহন চলাচল না করতে পারে। সেজন্য প্রয়োজনে প্রতিটি গাড়ির ক্যাপাসিটি রাখতে তারা ওজন মাপযন্ত্র অর্থাৎ সরকারি স্কেল বসানোর চিন্তা ভাবনা করছেন। এছাড়াও সড়কটিকে স্থায়িত্ব দিতে ডিজাইনের পরিবর্তন এনে রাস্তার সম্পূর্ণ অংশটি ৬০ থেকে ৭০ মেট্টিক টন পন্য বোঝাই যানবাহন চলাচল উপযোগি করে ৩৪ ফুট সড়কটি সম্পূর্ণ অংশ বাইন্ডার দ্বারা নির্মাণ করার পরিকল্পনা সওজ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এই দিকে রাস্তাটির অতি দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে জনসাধারণের অভিমতে বেরিয়ে এসেছে বিভিন্ন মন্তব্য। নওয়াপাড়ার জনৈক ব্যবসায়ী অভিমত ব্যক্ত করেন শতশত কোটি টাকা ব্যয় করে নতুন সড়ক নির্মাণ করলেও পূণঃরায় সড়কটি পূর্বের মতো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেছেন সরকারের শতশত কোটি টাকা পানিতে ভেসে গেছে। আর জনসাধারণের যে দূর্ভোগ সেই দূর্ভোগই রয়ে গেছে। অথচ জন দূর্ভোগ দেখার কেউ নেই। তিনি আরও বলেছেন সড়কটির দুই পাশের বড় বড় গাছ কেটে ফেলার কারনে মহাসড়কটি পূর্বের থেকে বর্তমানে আরও বেশি দূর্বল হয়ে গেছে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 18 September, 2026, 12:16 pm
সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৪ সেপ্টেম্বর অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ২৪ সেপ্টেম্বর ভাষণ দেওয়ার পরদিন ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কয়েকটি বৈঠকে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশ আয়োজিত আলোচনাতেও অংশ নেবেন তিনি।

এ ছাড়া, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের কথা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

ডিমের দাম ডজনে কমেছে ১০ টাকা, স্বস্তি ফেরেনি মাছ-মুরগিতে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 18 September, 2026, 12:05 pm
ডিমের দাম ডজনে কমেছে ১০ টাকা, স্বস্তি ফেরেনি মাছ-মুরগিতে

নগরের বাজারে মাছ, মুরগি ও ডিমের বাজারে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। মুরগি, মাছ ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় ডজন প্রতি ডিমে ১০ টাকা কমেছে। আর পাঙাশ ও তেলাপিয়া মাছে কিনতে প্রতি কেজিতে গুনতে হবে কমপক্ষে ২৩০ টাকা।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ১০ টাকা কমে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এক ডজনের দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। আবার মাছের দাম প্রায় স্থিতিশীল রয়েছে। কোনো মাছের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা প্রতি কেজিতে বেড়েছে। আবার কোনো মাছের দাম ১০-২০ টাকা কমেছে। তবে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগির গত সপ্তাহের মতো আজকে ১৯০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। সোনালি মুরগি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে পুকুরে চাষ করা মাছ পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ২৬০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ২৭০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে।

পাহাড়তলী বাজারে মো. মিজানুর রহমান নামে এক ক্রেতা বলেন, বাজারে মাছ, মুরগি ও মাংসের দাম আগের অবস্থাতেই রয়েছে, বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। বিশেষ করে আমাদের মতো মধ্যবিত্তের মাছ পাঙাশ ও তেলাপিয়া কিনতে ক্রেতাদের কেজিপ্রতি কমপক্ষে ২৩০ টাকা গুনতে হচ্ছে। মুরগি ও মাংসের দামেও উল্লেখযোগ্য কোনো কমতি নেই, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।

মাছ বিক্রেতা খোকন বলেন, মাছের দাম ঠিক নাই। এখন একদর, বিকেলে আরেক দর। মাছ বেশি আসলে দাম কমে, কম আসলে দাম বাড়ে। ক্রেতা, সরবরাহ ও আবহাওয়ার উপরও দাম অনেক সময় নির্ধারণ হয়। আজকে কাতলা মাছ ৪৫০ টাকা কেজি, চিংড়ি ৭০০ টাকা কেজি আর শিং ৩৫০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। আজকে মাছও আছে, ক্রেতাও আছে।

এদিকে মাছের দাম বাড়ায় সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় পড়েছেন নিম্নবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষ। বাজারে তুলনামূলক কম দামের পাঙাশ ও তেলাপিয়াও এখন সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। প্রতি কেজি পাঙাশ ও তেলাপিয়া কিনতে গুনতে হচ্ছে কমপক্ষে ২৫০ টাকা। ফলে বাড়তি দামের কারণে অনেক নিম্নবিত্ত পরিবার মাছের পরিমাণ কমিয়ে দিচ্ছেন, কেউ কেউ আবার নিয়মিত মাছ কেনাই বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

মুরগি বিক্রেতা মাহবুব আহমেদ বলেন, গত সপ্তাহের মতো এই সপ্তাহেও ১৯০ টাকায় প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করছি। সোনালি মুরগির দাম ২১০ টাকা ছিল, আজকেও ২১০ টাকাতেই বিক্রি হচ্ছে।

ডিম ব্যবসায়ী কাদের বলেন, ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা কমেছে। আজকে ব্রয়লার সাদা ডিম ১৪০ টাকা, আর ব্রাউন ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে।

সারাদেশে একযোগে ৯৯ জন বিচারক বদলি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 17 September, 2026, 10:51 pm
সারাদেশে একযোগে ৯৯ জন বিচারক বদলি

দেশের অধস্তন আদালতের ৯৯ জন বিচারককে একযোগে বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে জুডিসিয়াল সার্ভিসের ৪৪ জেলা জজ, ২৬ অতিরিক্ত জেলা জজ, ২৫ যুগ্ম জেলা জজ, দুই সিনিয়র সিভিল জজ ও দুই সিভিল জজসহ মোট ৯৯ বিচারককে বদলি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এ সংক্রান্ত পৃথক ছয়টি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনগুলোতে জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিচারকদের বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।

এসব বদলি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনগুলোতে উল্লেখ রয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, বদলি হওয়া বিচারকদের আগামী ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দায়িত্বভার নির্ধারিত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে। তবে প্রশিক্ষণ বা ছুটিতে থাকা বিচারকদের প্রশিক্ষণ বা ছুটি শেষ হওয়ার পর নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে।