খুঁজুন
, ,

চন্দনাইশে জোড়া খুনের ঘটনায় ওসি প্রদীপসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 2 September, 2020, 4:48 pm
চন্দনাইশে জোড়া খুনের ঘটনায় ওসি প্রদীপসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে মামলা

২৪ ঘণ্টা চট্টগ্রাম নিউজ : চট্টগ্রামের চন্দনাইশ পুলিশের সহায়তায় নিজ গৃহ থেকে ২ ভাইকে ধরে নিয়ে টেকনাফের মাদক ব্যবসায়ী সাজিয়ে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে নিহত দুই ভাই আমানুল হক ফারুক ও আজাদুল হক আজাদের ছোট বোন রিনাত সুলতানা শাহীন।

মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস্ ফাউন্ডেশন (বিএইচআরএফ) এর আইনি সহায়তায় আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কামরুন নাহার রুমী’র আদালতে মামলাটি দায়ের করেন তিনি। শাহীন একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নার্স হিসেবে কর্মরত রয়েছেন বলে জানা গেছে।

মামলায় বর্তমান সময়ের আলোচিত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও টেকনাফ থানার আরো ৪ পুলিশ সদস্যসহ মোট ৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং একই মামলায় চন্দনাইশ থানা পুলিশের বেশ কয়েকজন সদস্য জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫/৬ জনকে আসামি করা হয়।

এ মামলায় আসামির তালিকায় ওসি প্রদীপ কুমার দাশের নাম ছাড়াও উল্লেখ রয়েছে টেকনাফ থানার উপপরিদর্শক ইফতেখারুল ইসলাম, কনস্টেবল মাজহারুল, দ্বীন ইসলাম ও আমজাদের নাম।

দুই ভাই হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরের তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন বাদির আইনজীবী এডভোকেট জিয়া আহসান হাবীব।

তিনি বলেন, আদালত মামলাটি গ্রহণ করে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের এএসপিকে (আনোয়ারা) মামলাটি তদন্ত করে আগামী ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আরজিতে বলা হয়, চলতি বছরের ১৩ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে বাহারাইন ফেরত ছোট ভাই আজাদুল হক আজাদ নিখোঁজ হয়। এর দুদিন পরেই ১৫ জুলাই দুপুর ২ টার দিকে বাসা থেকে তার বড় ভাই আমানুল হক ফারুককে ধরে নিয়ে যায় চন্দনাইশ থানা পুলিশ।

একইদিন সন্ধ্যায় ফারুককে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়। রাতে নিখোজ আজাদ ও বাসা থেকে তুলে নেওয়া ফারুকের মায়ের মুঠোফোনে অজ্ঞাত পরিচয়ে একটি ফোন আসে। দুই ভাইকে জীবিত পেতে চাইলে ৮ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়।

মুক্তিপনের টাকা না দেওয়াতে পরদিন দুই ভাইকে মাদক ব্যবসায়ী সাজিয়ে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নামে হত্যা করা হয়। চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেশব চক্রবর্তীর যোগসাজশে ওই দুই ভাইকে তুলে নিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে আসছিলেন নিহতদের স্বজনরা।

এ বিষয়ে মামলার বাদি আইনজীবী এডভোকেট জিয়া আহসান হাবীব বলেন, দুই সহোদর ভাইকে টেকনাফের মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে হত্যার কথা বললেও প্রকৃত পক্ষে তাদেরকে ধরে নেয়া হয় চন্দনাইশের ঠিকানা থেকে। যার ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য সাক্ষ্য প্রমান আদালতে দাখিল করা হয়।

বাদী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট এ.এম জিয়া হাবীব আহসান, এডভোকেট এ.এইচ.এম জসিম উদ্দিন, এডভোকেট দেওয়ান ফিরোজ আহমদ, এডভোকেট মোঃ হাসান আলী, এডভোকেট প্রদীপ আইচ দীপু, এডভোকেট সাইফুদ্দিন খালেদ ও এডভোকেট মোহাম্মদ বদরুল হাসান।

২৪ ঘণ্টা/রাজীব প্রিন্স

Feb2
Feb2

চট্টগ্রাম বন্দরের দ্রুত উদ্ধার অভিযানে মুগ্ধ সিএমএ সিজিএম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 August, 2026, 2:57 pm
চট্টগ্রাম বন্দরের দ্রুত উদ্ধার অভিযানে মুগ্ধ সিএমএ সিজিএম

চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেলে আটকে পড়া কন্টেইনারবাহী জাহাজ এমভি সিএনসি ইউরেনাসকে দ্রুত ও সফলভাবে উদ্ধার করায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে (সিপিএ) আনুষ্ঠানিক প্রশংসাপত্র (লেটার অব অ্যাপ্রিসিয়েশন) দিয়েছে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিপিং লাইন প্রতিষ্ঠান সিএমএ সিজিএম।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বন্দর চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো প্রশংসাপত্রে যৌথভাবে স্বাক্ষর করেছেন সিএমএ সিজিএম গ্রুপের ফ্রান্সের সদর দপ্তরের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোরেও জেভিয়ার এবং সিঙ্গাপুর দপ্তরের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যাকার্ড ফ্রাঁসোয়া-জেভিয়ার।

বুধবার (৫ আগস্ট) চট্টগ্রাম বন্দর কতৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম এ তথ্য জানিয়েছেন।

প্রশংসাপত্রে বলা হয়, জরুরি পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক সাড়া, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং মেরিন বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বিত ও নিবেদিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিশেষ করে সদস্য (হারবার ও মেরিন), হারবার মাস্টার, ডক মাস্টার এবং জ্যেষ্ঠ পাইলটদের নেতৃত্ব ও পেশাদারিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে।

এ ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ উদ্ধার অভিযানে সরাসরি অংশ নিয়ে সহায়তা করায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

সিএমএ সিজিএম তাদের বার্তায় উল্লেখ করেছে, দ্রুত ও কার্যকর এই পদক্ষেপের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দর আন্তর্জাতিক মানের পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশের সামুদ্রিক খাতের সঙ্গে বিদ্যমান সহযোগিতামূলক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছে তারা।

সোমবার (৩ আগস্ট) যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেলের রিটেইনিং ওয়ালে আটকে পড়ে এমভি সিএনসি ইউরেনাস। পরে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নেতৃত্বে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সমন্বিত অভিযানে রাতেই জাহাজটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

‘আরেকটি বিপ্লব আসন্ন’, দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 August, 2026, 2:23 pm
‘আরেকটি বিপ্লব আসন্ন’, দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আপনারা যদি বিশ্বাসঘাতকতা না করতেন, তাহলে আমাদের অস্থির হওয়ার কোনো কারণ ছিল না। দেশের এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে আর আমরা বসে থাকব, তা হতে পারে না। সবকিছু দেখে মনে হচ্ছে, আরেকটি বিপ্লব আসন্ন। সেই বিপ্লবের জন্য আমি দেশবাসীকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ১১-দলীয় জোটের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, পাপের পরিণতি পেতে কিছুটা সময় লাগে। কিন্তু একসময় সেই পাপই পচে গিয়ে ঝরে পড়ে। এখন সেই পাপে পচন ধরেছে। সরকার যদি তা বুঝতে পারে, তাহলে ভালো। না বুঝতে পারলে তাদের পতন কেউ ঠেকাতে পারবে না।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিপ্লব কোনো বয়স মানে না। যেমন জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই রাজপথে ছিল, তেমনি আগামী দিনেও সবাই এই আন্দোলনের অংশ হবে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রাম চলবে।

জেল-জুলুম ও ফাঁসির ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না বলেও মন্তব্য করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, জাতির মুক্তির জন্য যদি ফাঁসির রশিও প্রয়োজন হয়, তবে সেটিকে ফুলের মালা হিসেবে গ্রহণ করব। ফাঁসির মঞ্চেও আমরা ভীত হব না, বরং বিজয়ের জয়ধ্বনি উচ্চারণ করবো।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে আপনারাও মজলুম ছিলেন। অথচ যেসব জুলুম ও অপকর্মের বিরুদ্ধে মানুষ লড়াই করেছে, এখন আপনারা সেগুলোরই পুনরাবৃত্তি করছেন। ফ্যাসিবাদী আচরণ করলে জনগণ আপনাদের ফ্যাসিবাদী বলবেই। তাই ফ্যাসিবাদী আচরণ পরিহার করুন। জনগণকে সম্মান করলে জনগণও আপনাদের ফুল দিয়ে বরণ করবে। আমরা সবাই দেশকে ভালোবাসি। কিন্তু আল্লাহর কসম করে বলছি, বাংলার জমিনে কোনো ফ্যাসিবাদকে আমরা সহ্য করবো না।

শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের জনমত ও গণরায় মেনে নিন। ৭০ ভাগ মানুষের রায়কে অপমান করবেন না। জনগণের রায়কে অপমান করে কেউ টিকে থাকতে পারেনি। ইতিহাস সাক্ষী, যারা জনগণের রায়কে অস্বীকার করেছে, তাদের অপমানজনকভাবে বিদায় নিতে হয়েছে।

তিনি বলেন, আপস করার জন্য প্রতিনিয়ত আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে, বিভিন্ন ধরনের লোভও দেখানো হচ্ছে। কিন্তু দেশবাসীকে সাক্ষী রেখে বলতে চাই, আপনাদের গণরায়ের পাহারাদারি আমরা করব, ইনশাআল্লাহ। মহান আল্লাহর সাহায্যে এই দাবি আমরা আদায় করেই ছাড়ব। কোনো কিছুর বিনিময়ে, এমনকি জীবনের বিনিময়েও আমরা এই দাবি থেকে সরে আসব না।

জামায়াত আমির অভিযোগ করেন, গত কয়েক দিন ধরে দেশের শিক্ষাঙ্গনে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তাতে ছাত্র-শিক্ষক সবাই আতঙ্কগ্রস্ত। গণরুম ও গেস্টরুমের সেই ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতি আবার ফিরে আসছে কি না, সেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের বলব, যেখানেই অন্যায় হবে, সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, গ্যাসের দাম বাড়ানোর আগে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়। জনগণ যখন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে, তখন দাম বাড়িয়ে সংকট দূর করা হয়। যদি দাম বাড়ানোর পর সংকট দূর করা যায়, তাহলে আগে কেন তা করা হয় না? এটি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা এবং ফ্যাসিবাদী চর্চা।

তিনি বলেন, অতীতে যারা জনগণের সম্পদ লুটপাট, চুরি ও ডাকাতি করেছে, তাদের সেই প্রবৃত্তির কোনো পরিবর্তন হয়নি। সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্যায়ের এক নেতার বক্তব্যই তার প্রমাণ। এটি কার্যত একটি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি।

তিনি আরও বলেন, আসুন আমরা প্রতিজ্ঞা করি, জনগণের দুর্ভোগ, সন্ত্রাস, ফ্যাসিবাদ ও অধিকার হরণের বিরুদ্ধে যেখানেই অন্যায় হবে, সেখানেই আমরা প্রতিবাদে জ্বলে উঠব। কোনো বাধা মানব না। আল্লাহ তাআলার ওপর আমাদের পূর্ণ ভরসা। বাংলাদেশ আর কোনো আধিপত্যবাদী শক্তির কাছে মাথা নত করবে না। আমরা ফ্যাসিবাদমুক্ত, মানবিক, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক একটি মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ দেখতে চাই। সেই লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম চলবে।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকের সভাপতিত্বে সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি কোনো হটকারী সিদ্ধান্ত নেবে না : মীর হেলাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 August, 2026, 2:08 pm
বিএনপি কোনো হটকারী সিদ্ধান্ত নেবে না : মীর হেলাল

ভূমি ও পার্বত্যবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল উদ্দীন বলেছেন, বিএনপি একটি জনগণের দল ও জবাবদিহিতামূলক দল হওয়ায় কোনো হটকারী সিদ্ধান্ত নেবে না।

তিনি বলেন, ‘সব অংশীজনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা ও মতবিনিময় করেই প্রয়োজনীয় সংবিধান সংস্কার ও সংশোধনের চূড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার পর পরবর্তী ৫ আগস্ট আসার আগেই অঙ্গীকার অনুযায়ী এই সংস্কার কাজগুলো শুরু করেছে।’

বুধবার (৫ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে নগরের নিউমার্কেট এলাকার রেলওয়ে স্টেশন কম্পাউন্ডে অবস্থিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল উদ্দীন বলেন, ‘এই দেশকে আবার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফেরত আনার মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়ন করা, দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং সব ধরনের বৈষম্য দূর করা।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে এবং আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানসহ সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রথম সভা এরইমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বারবার যে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, সেই অনুযায়ী জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এ যেভাবে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, সেই আলোকেই সব সংস্কার বিএনপি বাস্তবায়ন করবে।’

শেষে তিনি চট্টগ্রাম বিএনপি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে সব প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য জুলাই যোদ্ধা এবং সর্বস্তরের জনগণকে রক্তিম শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।